“রাত জাগার ক্ষতি ও ভোরে কাজের উপকারিতা” আধুনিক যুগে মোবাইল, কম্পিউটার ও সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে মানুষের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে রাত জেগে সময় কাটানো এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞান ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর।
“নন্দন ব্যাকরণ ও নির্মিতি ( নবম-দশম শ্রেণি)” has been added to your cart. View cart
-22%
কর্মক্ষেত্রে কথা বলার কৌশল
৳ 200.00 Original price was: ৳ 200.00.৳ 138.00Current price is: ৳ 138.00.
দ্য ফাইভ এএম ক্লাব
৳ 500.00 Original price was: ৳ 500.00.৳ 365.00Current price is: ৳ 365.00.
রাত জাগার ক্ষতি ও ভোরে কাজের উপকারিতা
৳ 220.00 Original price was: ৳ 220.00.৳ 172.00Current price is: ৳ 172.00.
লেখক : ড. তাল্আত মুহাম্মদ আফিফী সালেম
প্রকাশনী : রূপসী বাংলা
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 96, কভার : হার্ড কভার
Description
Reviews (0)
Be the first to review “রাত জাগার ক্ষতি ও ভোরে কাজের উপকারিতা” Cancel reply
Related products
A Critical Review Of: All In One For Third Year English Honours Students – Third Year (Paperback)
লেখক : Syed Ainal Huque
প্রকাশনী : দি বুক সেন্টার
বিষয় : অনার্স, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: ইংরেজি বিভাগ
পৃষ্ঠা : 800, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2019
আইএসবিএন : 9789843331335
ইতিহাসের আয়নায় বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা
অগ্নি পাবলিকেশনস, অদম্য প্রকাশ, আদর্শ, আর্টস পাবলিকেশন্স, ইনফিনিটি পাবলিকেশন্স, ইনবাত পাবলিকেশন, ইমিনেন্ট পাবলিকেশন্স, কনফিডেন্স রিসার্স ওয়ার্ক লি., দি বুক সেন্টার, দুর্বার পাবলিকেশন্স, প্রিসেপটর্স পাবলিকেশন্স, ফরিদ পাবলিকেশন্স, রিউ পাবলিকেশন্স, শাহীন’স পাবলিকেশন্স, শিরোপা প্রকাশনী, সন্দীপন প্রকাশন, HSC ও ভর্তি প্রস্তুতি, অভিযাত্রী পাবলিকেশন্স, ইসলামি বই, বইমেলা ২০২৫, বিষয়, লেখক
লেখক : হেদায়াতুল্লাহ মেহমান্দ
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইসলামি বিবিধ বই
পৃষ্ঠা : 312, কভার : হার্ড কভার
ঘোরবন্দী গোল্ডফিশ
ঘোরবন্দী গোল্ডফিশ
By (author) মাহফুজ সিদ্দিকী হিমালয়
একজন মানুষের পক্ষে জীবনে কতবার এবং কতরকম ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব?- তেত্রিশ ছাড়িয়ে চৌত্রিশ স্পর্শ করার মুহূর্তে এই একটিমাত্র প্রশ্নের মীমাংসা করতেই সময় ক্ষয়ে যাচ্ছে। ভুলের সঠিক এবং সন্তোষজনক সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে হবে, তবেই না মীমাংসা। সঠিক মনে হলে সন্তোষজনক লাগে না, যে সংজ্ঞায় সন্তুষ্টি আসে ক্ষণকাল পরেই সঠিকতা নিয়ে সংশয় জাগে। নিজস্ব পর্যবেক্ষণ আর অনুধাবনের প্রতি আস্থা হারিয়ে হিউয়েন সাঙ এর সাথে হাঁটতে হাঁটতে ৭৯ জন মানুষ খুঁজতে থাকি যারা ভুলের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং বিদেশী গবেষণাগারে পরীক্ষাকৃত এক সংজ্ঞা দিয়ে মীমাংসার প্রথম ধাপে পৌঁছুতে সহায়তা করবে। সমস্যা হলো ১১ এর পরে আর গুনতে পারি না, এবং ১১ এর নামতা জানা চেনা-পরিচিত কোনো মানুষও নেই যে আমাকে বলতে পারবে কতবার ১১ জন মানুষের কোটা পূরণ করলে ৭৯ জন হয়। ক্রমাগত ১১ জনকে তাই আবিষ্কার করতেই থাকি, ৭৯ আর হয় না। আপাতত একটাই টার্গেট– ১১ এর নামতা জানা কয়েকজন মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়া। নইলে ভুলের মহাসমুদ্রে সলিল সমাধাই নিয়তি আমার।
আচ্ছা যে ব্যক্তি ১১ এর বেশি গুনতে জানে না সে ৭৯ নিয়ে গোজরান করছে কীভাবে!
তত্ত্বতালাশ–৪
তত্ত্বতালাশ–৪ (চতুর্থ সংখ্যা- এপ্রিল ২০২২)
By (author) মোহাম্মদ আজম
প্রথম থেকেই তত্ত্বতালাশের অন্যতম লক্ষ্য বাংলাদেশ অধ্যয়ন। এ কাজ যে আমরা খুব গুছিয়ে করতে পারছি, তা নয়। তবে কাজটা জরুরি। আগামী সংখ্যাগুলোতে আমরা এ ধরনের লেখালেখির পরিমাণ বাড়াতে চাই। আগ্রহী লেখকগণ নিজেদের পরিকল্পনার কথা জানালে কিংবা লেখায় অগ্রসর হলে আমাদের জন্য সুবিধা হয়।
ঠিক শাস্ত্র হিসাবে না হলেও বাংলাদেশ অধ্যয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণা ও লেখালেখি জোরালভাবে শুরু হয়েছিল সাতচল্লিশের পরপরই। স্বাধীনতার পরে এ ধরনের তৎপরতা আরো বেড়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিনিয়ত যে বিপুল নথিপত্র উৎপাদিত হচ্ছে–নানা পক্ষের অসন্তোষ ও সন্দেহ সত্ত্বেও–তা নিঃসন্দেহে অন্তত প্রাথমিক উৎস হিসাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরেও শাস্ত্র হিসাবে বাংলাদেশ অধ্যয়নের কোনো মানসম্মত ধারা গড়ে ওঠে নাই। আজকাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশ অধ্যয়ন অনেকটা ‘ইমারজেন্স অব বাংলাদেশ’ নামের কোর্সে পর্যবসিত হয়েছে। এ অধ্যয়নের বিকাশের জন্য তা খুব কাজের হয়েছে বলে মনে হয় না।
বাংলাদেশ অধ্যয়নকে শুরু থেকেই দুটি বড় প্রতিপক্ষের চাপ সামলাতে হচ্ছে। একদিকে কলকাতার সাংস্কৃতিক ও বু্দ্ধিবৃত্তিক উৎপাদনের চাপ, অন্যদিকে উপনিবেশিতের হীনম্মন্যতার চাপ। বাংলা অঞ্চলের আধুনিকায়ন, ইতিহাসের অসংখ্য মানসম্মত ধারাবিবরণী রচনা, ভালো-মন্দ বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গির চলন ইত্যাদি অনেকগুলো বুনিয়াদি দিক কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল। কলকাতার সাথে অতীত-সংযোগের কারণে এর একটা বড় অংশকে বাংলাদেশের ইতিহাসের অনিবার্য অংশ বলে মনে করা সহজ ও সম্ভব। ক্ষেত্রবিশেষে তা অনিবার্যই বটে। কিন্তু কলকাতার উৎপাদনগুলোর উপর কর্তৃত্বপূর্ণ দখল কায়েম করে কিভাবে বাংলাদেশ অধ্যয়নের ক্ষেত্রে সেগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে, তার সামঞ্জস্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের এখানে বিকশিত হয়নি। অন্যদিকে উপনিবেশিতের হীনম্মন্যতাজনিত কারণে নিজেদের জীবন ও যাপনের দিকে গভীর অভিনিবেশের সাথে তাকানোর স্বভাবটা আমাদের ভদ্রলোক-সমাজ রপ্ত করে উঠতে পারেনি বলেই মনে হয়। ফলে যেভাবে কোনো জনগোষ্ঠীর ইতিহাসকে পাঠযোগ্য করে তুলতে হয়, যেভাবে জনগোষ্ঠীর কাছে কোনো উপাদানকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা হয় বা তুলতে হয়, তার চর্চাও খুব প্রাথমিক পর্যায়ে রয়ে গেছে।
নন্দন ব্যাকরণ ও নির্মিতি ( নবম-দশম শ্রেণি)
৳ 545.00
পোষাক পরিকল্পনার নন্দন-বীক্ষণ
পোষাক পরিকল্পনার নন্দন-বীক্ষণ
By (author) ওয়াহীদা মল্লিক জলি, শাহমান মৈশান
পোশাক-পরিকল্পনার নন্দনবীক্ষণ নাট্যশিল্পে পোশাকের ব্যবহারিক পরিপ্রেক্ষিতকে সাংস্কৃতিক ইতিহাস, প্রাতিষ্ঠানিক তত্ত্ব, সৌন্দর্যভাবনা ও প্রযোজনাভিত্তিক চর্চার নানামুখী দৃষ্টান্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিরীক্ষণ করেছে। এ বইয়ে উন্মোচিত হয়েছে উপমহাদেশীয় নাট্যশাস্ত্রভিত্তিক ভাব রস নিষ্পত্তির শৈল্পিক প্রক্রিয়ায় আহার্যাভিনয়ের ভূমিকা এবং সেই সূত্রে বিশ্লেষিত হয়েছে আহার্যরূপী পোশাকের নান্দনিক প্রয়োগের বাস্তব দৃষ্টান্ত হিসেবে ধ্রুপদি নাটকের পোশাক। লোকায়ত বাংলার ঐতিহ্যবাহী নাট্যের সমকালীন রূপায়ণে, রবীন্দ্রনাট্যের নিরীক্ষায় ও তাৎক্ষণিক উদ্ভাবনে পোশাক পরিকল্পনার তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক সূত্রসন্ধান এ বইয়ের অভিমুখ নির্দেশ করেছে। পাশ্চাত্যে বিকশিত নাট্যশিল্পবিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষণ-প্রণালির অবিচ্ছেদ্য উপাদান কস্টিউম ডিজাইনের তাত্ত্বিক আলোচনা এই গ্রন্থের অন্যতম প্রসঙ্গ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ল্যাবরেটরিতে সৃজিত নাট্য প্রযোজনায় পোশাকের প্রায়োগিক সমন্বয় সাধনের একাডেমিক অভিজ্ঞতাও এ বইয়ে বিশেষভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
ওয়াহীদা মল্লিক ও শাহমান মৈশানের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকতা, সাংস্কৃতিক ইতিহাস ও নাট্যতত্ত্ব বিষয়ে গবেষণাসুলভ কৌতূহলের মিলিত অভিব্যক্তি এই বইয়ের মনোভঙ্গি তৈরি করেছে। উপমহাদেশ ও পাশ্চাত্যের পোশাক পরিকল্পনার তত্ত্ব ও প্রয়োগের নান্দনিক সূত্র তালাশে নিবিষ্ট এ বইয়ে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের একটি সীমিত পরিসরে নাট্যানুশীলনের প্রক্রিয়া। এই সৃজনশীল প্রক্রিয়ার জৈব অংশ হিসেবে লেখকদের পোশাক-পরিকল্পনার একাডেমিক অভিজ্ঞতাও এ বইয়ে গ্রথিত হয়েছে। বাংলাদশের মুক্তিযুদ্ধ-উত্তরকালে বিকশিত গ্রুপ থিয়েটার চর্চার বিস্তৃত ক্ষেত্রে পোশাকের সৃষ্টিশীল পরিকল্পনা ও চর্চা এবং ভবিষ্যতে এ বিষয়ে পদ্ধতিগত সমীক্ষা ও তত্ত্ব তালাশের আদিসূত্ররূপেও উৎসাহব্যঞ্জক হতে পারে এ বই।
মালায়ুর দেশে
লেখক : রফিক আহমদ খান
প্রকাশনী : অক্ষরবৃত্ত
বিষয় : নানাদেশ ও ভ্রমণ
পৃষ্ঠা : 270, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published 2023
আইএসবিএন : 9789849614593, ভাষা : বাংলা
সবুজ পাতার বন: বই রিভিউ
প্রকাশক, Assurance Publications/অ্যাসিওরেন্স পাবলিকেশন্স, অগ্নি পাবলিকেশনস, অদম্য প্রকাশ, আদর্শ, আর্টস পাবলিকেশন্স, ইনফিনিটি পাবলিকেশন্স, ইনবাত পাবলিকেশন, ইমিনেন্ট পাবলিকেশন্স, কনফিডেন্স রিসার্স ওয়ার্ক লি., দি বুক সেন্টার, দুর্বার পাবলিকেশন্স, প্রিসেপটর্স পাবলিকেশন্স, ফরিদ পাবলিকেশন্স, মাওলা ব্রাদার্স, রিউ পাবলিকেশন্স, শামিম’স পাবলিকেশন, শাহীন’স পাবলিকেশন্স, শিরোপা প্রকাশনী, সন্দীপন প্রকাশন, সাইফুর'স, অভিযাত্রী পাবলিকেশন্স, ইসলামি বই, বইমেলা ২০২৫, বিষয়, লেখক
সবুজ পাতার বন বইটি একটি অনন্য সংকলন। এককথায় এই বইয়ের বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা কঠিন।
লেখক : আব্দুল আযীয আত-তারীফী
প্রকাশনী : সীরাত পাবলিকেশন
বিষয় : ইসলামি বিবিধ বই
অনুবাদক: সীরাত টিম
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৬০ পৃষ্ঠা
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved
















Reviews
There are no reviews yet.