ইতিকাফ একটি স্বতন্ত্র ইবাদত। নফল হিসাবে এই ইবাদত সারা বছর করা যায়। যেকোনো দিন, যেকোনো সময় ইতিকাফের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করা যায়। বিশেষ কারণে ইতিকাফ ওয়াজিব হয়ে যায়। রমযানের শেষদশক হলো সুন্নত ইতিকাফের সময়। এই ইতিকাফের ফযিলত সর্বাধিক। এই দশকে আছে লাইলাতুল কদর। হাজার মাসের চেয়ে উত্তম এক রজনী। এমন গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতটি অনেক মুসলমান জীবনে কোনোদিন করেননি। জীবনে কখনো ইতিকাফ করার আগ্রহ মনে জাগেনি। কারও কারও ধারণা, ইতিকাফহলো বেকার ও অবসরপ্রাপ্ত বৃদ্ধদের আমল, যুবকদের নয়। কলেজ-ভার্সিটিপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের কি আর এত সময় আছে? যৌবনকালে ইতিকাফ করা যেন বিরাট নির্বুদ্ধিতা! চাকরি, ব্যবসা ইত্যাদি রেখে ইতিকাফ করা যেন মারাত্মক বোকামি! ঘরে-বাড়িতে ইতিকাফ করা তো কেবল নানি-দাদিদের কাজ! জীবনসায়াহ্নে পৌঁছে যারা সবখানে পরিত্যক্ত, যাদের সময় দেওয়ার কেউ নেই, ইতিকাফতো তাদেরই কাজ! যারা ইতিকাফকরেন, তাদেরও অনেকেই এ বিষয়ে তেমন কিছু জানেন না। ইতিকাফের ফাযায়েল-মাসায়েল তাদের অজানা। ইতিকাফে বসলেও তার নিয়ম-নীতির কোনো তোয়াক্কা নেই। মসজিদের আদবকায়দার খবর নেই। এ যেন অবসর কাটানোর বিশেষ আয়োজন! তাই আমাদের জানতে হবে ইতিকাফকখন, কোথায় ও কীভাবে করতে হয়? মহিমান্বিত, এই ফযিলতপূর্ণ দিবস-রজনী কীভাবে আরও জীবন্ত করে তোলা যায়?
Reviews
There are no reviews yet.