প্রিয় পাঠক, ময়িয়সী আয়েশাকে কোন গুণে গুণান্বিত করবে? শ্রেষ্ঠ উম্মতের শ্রেষ্ঠ মেয়ে। শ্রেষ্ঠনবীর শ্রেষ্ঠ জীবনসঙ্গিনী। তাঁর সার্থক প্রতিনিধি। মহান এই সাহাবিয়ার জীবন, জ্ঞানচর্চা ও অবদানকে সহজ ও গল্পধর্মী ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে “গল্পে আঁকা প্রিয়তমা আয়েশা (রাযি.)” গ্রন্থে। কী মেধা! কী স্মৃতিশক্তি! এত্তো এত্তো অবদান তার! আল্লাহু আকবার! এমনই হবার কথা তার! তিনি যে আসসিদ্দীকাতু বিনতুস সিদ্দীক! তিনি চোখ খুলেই দেখেছেন-বিবাহের পরও ছিলো তার ‘নবী সোলায়মানের ঘোড়া’! সখীদের আসরের রাজমণি। কী মিষ্টি এক জীবন-প্রিয়নবীর সাথে মিশে গিয়ে সে-জীবন হয়ে গেছে আরও নূরময়, বরকতে বরকতে ধন্য! আসমানের দূত এসে বলেন-আপনার স্ত্রী এই দেখুন-কী সৌভাগ্য! ফাতেমার কথা নবীজি রাখেন নি। বাবা মা ইসলামের সুশীতল ছায়ায়। প্রিয়নবী কী প্রিয় করে রেখেছেন তাকে! দিয়েছেন কী মিষ্টি স্বাধীনতা! কারও কথা রাখেন নি। প্রতিনিধি ফাতেমাকে কড়া ভাষায় বলে দিয়েছেন- ايا بنية الا تُجيِّينَ مَا أُحِبُّ؟ ، قَالَتْ: بَلَى ‘প্রিয় মেয়ে আমার, আচ্ছা বলো তো, আমি যা পছন্দ করি তুমি কী তা পছন্দ করবে না!’ ফাতেমা বললেন-‘অবশ্যই বাবা! কেনো চাইবো না!’ জীবনের শেষবেলায় নবীজি ফিরে গেলেন আয়েশার হুজরায়! এখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন! এখানেই এখনও শুয়ে আছেন! আয়েশার হুজরাও ছিলো নবীজির কী প্রিয়! মহীয়সী মা আমাদের, আমাদের নারী জাতি তোমাকে নিয়ে গর্ব করে! তারাও হতে চায় ঠিক তোমার মতোন-‘মহীয়সী’! – ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী
Reviews
There are no reviews yet.