“আমরণ চেয়েছি তোমায় ” সুরাইয়া নওশিন রচিত এক আবেগঘন ও টানাপোড়েনভরা সমকালীন উপন্যাস, ছয় বছর আগে, তেরো বছর বয়সে ভালোবাসার চিঠি দিয়ে হার্ট সার্জন সানি মেহরাজ শিকদারের কাছ থেকে নির্মম থাপ্পড় খেয়েছিল কিশোরী সারা। সেই অপমানে সানি তার কাছে “বেয়াদব রাক্ষস”। ছয় বছর পর, সানি জার্মানি থেকে ফিরতেই সারার মনের পুরনো ক্ষত জেগে ওঠে। সে সানিকে এড়িয়ে চলতে চাইলেও, সুদর্শন সানিকে দেখে তার তীব্র ঘৃণা রূপান্তরিত হয় এক অদ্ভুত, অনিচ্ছুক আকর্ষণে। সারা এই অনুভূতিকে “আতংক, সিডর, আইলা, ফণী, বুলবুল, আম্পান, ঝড় নাম দেয়। অন্যদিকে, সানির নীরবতা ও গভীর ব্যক্তিত্বের আড়ালে লুকিয়ে আছে অন্য এক রহস্য। “তোমার চোখে অপরাধী আমি। অথচ তোমার জন্য সবার কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আমি।”—সানির এই চাপা আবেগ আর সারার অনিচ্ছুক ক্রাশের টানাপোড়েনে, ভালোবাসা কি অতীতের তিক্ততা ভুলিয়ে তাদের জীবনে নতুন করে ফিরে আসতে পারবে?
লেখক পরিচিতি
সুরাইয়া নওশিন।
শস্য-শ্যামল বগুড়ার ভূমিকে জন্মস্থান করে, ২০০১ সালের ১৬ই অক্টোবর এক স্নিগ্ধ শরতের দিনে যার পথচলা শুরু, তিনি এই সময়ের উদীয়মান সাহিত্যিক সুরাইয়া নওশিন। ডাকনাম ‘সুরাইয়া’-র মতোই তাঁর লেখনীও উজ্জ্বল এক আভা ছড়ায়। শিক্ষাজীবনে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মতো সুশৃঙ্খল বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলেও, তাঁর মন সর্বদা আশ্রয় খুঁজে ফিরেছে শব্দের অসীম ভুবনে। কাঠিন্যের শিক্ষা আর পেলবতার অনুভূতি—এই দুইয়ের সমন্বয়ই তাঁর সাহিত্যকে দিয়েছে এক গভীর মাত্রা। তিনি নিজেকে এখনো একজন ‘শিক্ষার্থী’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন—কেবল জ্ঞান নয়, জীবন ও মানব-মনের জটিল সমীকরণেরও এক নিরন্তর ছাত্র তিনি। তাঁর কলম সেইসব আবেগকে স্পর্শ করে, যেখানে তীব্র ঘৃণা, চাপা অভিমান এবং অনিচ্ছুক আকর্ষণ এক জটিল আবর্ত তৈরি করে। তাঁর আন্তরিক প্রকাশভঙ্গি এবং সংবেদনশীল গল্পের বুনন—পাঠককে নিয়ে যায় অনুভূতির এমন এক যাত্রায়, যেখানে অতীত আর বর্তমানের ঝড়ো হাওয়া এসে মিশে যায় এক মোহময় ভালোবাসার পথে। সুরাইয়া নওশিন তাঁর হৃদয়ের কথামালা দিয়ে বাংলা সাহিত্যের আঙিনায় এক প্রতিশ্রুতিশীল ও নন্দনতাত্ত্বিক ছাপ রাখতে বদ্ধপরিকর। প্রকাশনের তথ্য বাংলা সাহিত্য আন্দোলন হলো নতুন প্রজন্মের লেখক, কবি ও সাহিত্যপ্রেমীদের একত্রীকরণের উদ্যোগ—যার লক্ষ্য বাংলা সাহিত্যের পুনর্জাগরণ। ২০২৩ সালের ১১ আগস্ট মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফার উদ্যোগে ফেসবুকে এক ভার্চুয়াল সভার মাধ্যমে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকেই এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাহিত্যকে তার প্রকৃত মর্যাদায় ফিরিয়ে আনা এবং সাহিত্যের নামে চলমান ভণ্ডামি, স্বজনপ্রীতি ও অগভীর লেখালেখির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। এই আন্দোলনের ঘোষিত ৬ দফা কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— সাহিত্যচর্চার মানোন্নয়ন, তরুণ লেখকদের উৎসাহ প্রদান, মানসম্পন্ন প্রকাশনা নিশ্চিত করা, সত্যিকারের সাহিত্যিকদের যথাযথ স্বীকৃতি আদায়, ভ্রান্ত সাহিত্যচর্চার প্রতিবাদ, এবং বাংলা সাহিত্যের বিশ্বমুখী বিকাশ। বাংলা সাহিত্য আন্দোলনের মুখপত্র ‘কলমকার’ একটি ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা, যেখানে নতুন ও অভিজ্ঞ লেখকদের লেখালেখির জন্য সমান জায়গা তৈরি করা হয়। পাশাপাশি আন্দোলনের প্রকাশনা শাখা বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে তরুণ লেখকদের বই প্রকাশ করে, যাতে প্রতিভাবান লেখকরা তাদের কাজ পাঠকের কাছে পৌঁছাতে পারেন












Reviews
There are no reviews yet.