ও চাঁদ, ঘুমিওনা
ও দেয়াল সাদা
ওকাইকিকি থেকে ধানমন্ডি
ওভারকামিং ডিপ্রেশন
ওভারকামিং ডিপ্রেশন
By (author) ডা. সাঈদুল আশরাফ কুশল
জীবনে সবকিছু আমাদের হাতে থাকে না এবং সবকিছু আমরা কখনোই পরিবর্তন করতে পারব না। এখন, আমরা যদি চাই আমাদের চারপাশের সবকিছু আমাদের মনমতো হবে, এটা কতটা যুক্তিসংগত? কখনো কখনো কিছু নেতিবাচক ঘটনা আমাদের মেনে নিতে হবে এবং তার মধ্য দিয়েই ইতিবাচক সমাধান খুঁজে নিতে হবে। কারণ, জীবনে ব্যর্থতা থাকবেই। আমরা যদি ব্যর্থতা থেকে উত্তরণের পথ না খুঁজে ‘কেন আমিই ব্যর্থ হলাম’ প্রশ্নে আটকে থাকি, তবে খাপ খাইয়ে নেওয়া আরও কষ্টকর হবে এবং হতাশা বাড়বে।
আমাদের অনেকেরই নিজের প্রতি কিছু অবাস্তব ও অস্বাস্থ্যকর আকাঙ্ক্ষা থাকে। এই আশাগুলো পূরণ হবে না জেনেও আমরা মনে করি, এগুলো পূরণ হবে; পূরণ না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়ি। আর এর পরেই আসে বিষণ্ণতা।
এই বইতে বিষণ্ণতার কারণ, প্রকারভেদ, কিছু উপসর্গ এবং এ থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে আমরা সুস্থতার জন্য কিছু কৌশল শিখব, যা আমাদের নিজেদের তো বটেই, আমাদের আশপাশের মানুষকেও ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
ওয়ার অ্যান্ড পিস ইন ইসলাম
ওয়ার্ক টুগেদার
লেখক : নোমান আলী খান
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 152, সংস্করণ : 1st Published, 2021
আইএসবিএন : 9789849537038
দলবদ্ধভাবে কাজ করাই ইসলামের সৌন্দর্য। কিন্তু বিভিন্ন সেক্টরে সেই দলবদ্ধভাবে কাজ করতে গিয়ে আমরা নিজেদের মধ্যে অমূলক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হই। এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে তির্যক আক্রমণ করি। বাতিল করে দিই তাদের আবেদন ও অবদানকে। আমরা এক দল আরেক দলকে মেনে নিতে পারি না, ছাড়ও দিতে চাই না; যদিও প্রতিটি দল-ই ইসলামের জন্য কাজ করে। অন্যদিকে খুব তুচ্ছ কারণে দলের বিরুদ্ধে সমালোচনা, দলত্যাগের মতো অস্বাভাবিক ঘটনাও ঘটে। একই দলের মধ্যে তৈরি হয় উপদল, উপগোষ্ঠী কিংবা স্বৈরতান্ত্রিক নেতৃত্ব। ইসলামি রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন কিংবা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন-সব জায়গাতেই এই কদর্যতার উপস্থিতি রয়েছে।
এর থেকে মুক্তির উপায় কী?
কুরআন-হাদিস-যুক্তি ও বাস্তবতার আলোকে সেই পথই বাতলে দেওয়া হয়েছে ‘ওয়ার্ক টুগেদার’ গ্রন্থে।
ওয়েব ডিজাইন শিখে ডলার আয়
ওয়েব ডিজাইন শিখে ডলার আয়
By (author) ফ্রিল্যান্সার নাসিম
ঘরে বসেই ওয়েব ডিজাইন করে ডলার আয়। এ বইটি মূলত লেখকের নিজের একটি রিয়েল প্রজেক্ট থেকে বর্ণনা করে লেখা। যাতে করে পাঠক ও ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আগ্রহী ব্যক্তিরা ওয়েব ডিজাইন শিখতে শিখতেই কাজ করার অভিজ্ঞতাও পেয়ে যায়। যার ফলে একজন পাঠককে ওয়েব ডিজাইন শেখার ক্ষেত্রে বইটি আরও বেশি মনোযোগী করে তুলবে। কারণ, এই বইয়ের পাতায় পাতায় রয়েছে কীভাবে ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হয়, কীভাবে কাজ শেখার পরে কাজ পেতে হয়, একজন ফ্রিল্যান্সার ও বায়ারের মধ্যে কথোপকথন ও কাজের নমুনাগুলো; যা থেকে একজন পাঠক খুব সহজে বুঝতে পারবে যে তাকে কতটুক পরিশ্রম করতে হবে এবং ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। যদিও ইতিমধ্যে ওয়েব ডিজাইন নিয়ে অনেক বই রচনা হয়েছে, লেখক নতুন আঙ্গিকে একটু ভিন্নতা আনার চেষ্টা করেছেন। কারণ, অনেক সময় দেখা যায় যে ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে বই পড়ে প্র্যাকটিস করার পরেও অনেকেই কাজ শিখতে পারে না বা ধৈর্য হারিয়ে ফেলে। তারা ভেবেই নেয় যে ওয়েব ডিজাইন শেখা এবং ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে ডলার আয় করা তাদের দ্বারা কখনোই সম্ভব নয়। কিন্তু এই ধারণা পুরোপুরি ভুল। এটি মনে হওয়ার একমাত্র কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলো আগ্রহ নষ্ট করে সেগুলো হলো, আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা এবং ভয় পাওয়া যে কাজ শেখার পরে কীভাবে বায়ারের সঙ্গে যোগাযোগ হবে, কাজ পাব কি না, কবে শিখব, কতটুক শিখব, যা শিখছি তা দিয়ে হবে কি না, ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা। যার সবগুলোই দূর করবে এ বইটি।
ওয়্যারলেস টু ক্যাশলেস
ওয়্যারলেস টু ক্যাশলেস
By (author) রেজাউল হোসেন
ওয়্যারলেস টু ক্যাশলেস— পার্ট মেমোয়ার্স, পার্ট বিজনেস থিংকিংয়ের বই। বাংলাদেশের টেলিকম ও এমএফএস ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার ২৬ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখক এই বইতে নব্বইয়ের দশকের ওয়্যারলেস ফোন থেকে বর্তমানের ক্যাশলেস অর্থব্যবস্থায় বিবর্তনের চালচিত্র তুলে ধরেছেন। বইটি বিজনেস স্টাডিজের শিক্ষার্থী কিংবা কর্পোরেট প্রফেশনালদেরকে যেমন দেবে গভীর অন্তর্দৃষ্টি, তেমনি দেশের টেলিকম ও এমএফএস ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে সাধারণ পাঠকদের নানা কৌতূহলও মেটাবে।
ওয়্যারলেস টু ক্যাশলেস— দুটি দিক সমান্তরালে তুলে ধরেছে। একদিকে, ইনসাইডারের চোখে বাংলাদেশের টেলিকম ও এমএফএস ইন্ডাস্ট্রির শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত চড়াই-উতরাই-এর বর্ণাঢ্য ইতিহাস ও পর্যালোচনা, অন্যদিকে দীর্ঘ কর্পোরেট ক্যারিয়ার ও এন্টারপ্রেনারশিপের অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ, ভিশনারি এক বিজনেস থিংকারের ব্যক্তিগত জার্নির ঘটনাবহুল ও চমকপ্রদ সব কাহিনি।
কেন অধিকাংশ স্টার্ট-আপ সফলতার মুখ দেখে না? যেকোনো ব্যবসার সেলস-এর কম্প্রিহেন্সিভ মডেলটি কেমন হয়? ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্যে কী ধরনের টেকসই বিজনেস মডেল প্রয়োজন? মার্কেট প্ল্যান কীভাবে তৈরি করতে হয়? ডিএফএস-এর আসন্ন ইকোসিস্টেম কেমন হতে যাচ্ছে কিংবা বাংলাদেশের ফিন্যানশিয়াল সেক্টরের ভবিষ্যৎ গতিপথ কোন দিকে? এ সকল প্রশ্নের ইনসাইটফুল কিন্তু প্রাঞ্জল আলোচনা যেমন বইয়ের বিষয়বস্তু, একইসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দুটি ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলের নানা অজানা কাহিনি।
ওরা ১১ বাংলার বিজ্ঞানী
লেখক : মুনির হাসান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ
পৃষ্ঠা : 117, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2021
আইএসবিএন : 9789849532118, ভাষা : বাংলা
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এর পর তথ্যপ্রযুক্তি, জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন তথা জ্ঞান বিজ্ঞানের নানা শাখা এখন পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করে তৈরি করছে নতুন নতুন পণ্য, প্রযুক্তি ও সেবা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির স্মরণকালের সর্বোচ্চ বিকাশ আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি।
২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা মহামারিকালেও আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশ ও প্রয়োগের ব্যাপ্তি দেখতে পাচ্ছি। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো করোনা ভাইরাসের টিকা আবিষ্কার। সব সময় আমরা জেনেছি, টিকা আবিষ্কারের জন্য ৫-৮ বছর সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এবারই বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা সেটি মাত্র ৯ মাসে সম্পন্ন করতে পেরেছেন।
আমাদের মতো দেশে অনেকেরই একটি ভুল ধারণা হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সেরা আবিষ্কার ও উদ্ভাবন গুলো পশ্চিম বা পূর্বের উন্নত দেশগুলোতে হয়। কারণ তাদের রয়েছে অনেক বেশি উন্নত পরীক্ষাগার ও গবেষণার সুযোগ। সেই সঙ্গে আমাদের পাঠ্যপুস্তকেও রয়েছে সেসব দেশের বিজ্ঞানীদের জীবনী। কিন্তু বিজ্ঞান গবেষণায় আমাদেরও যে রয়েছে ঐতিহ্য এবং স্বীকৃতি তা আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে সেভাবে দৃশ্যমান নয়।
কাজে বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক তৈরি করার এখনই শ্রেষ্ঠ সময়। শুধু দরকার তাদের সামনে আমাদের বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীর জীবন ও কর্ম তুলে ধরা।
“ওরা ১১ বাংলার বিজ্ঞানী” বইতে মোট ১১ জন বিজ্ঞানীর জীবন ও কর্ম তুলে ধরা হয়েছে। আচার্য স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, আচার্য স্যার প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, কাজি আজিজুল হক, গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য, মেঘনাদ সাহা, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, অমর গোপাল বসু, জামাল নজরুল ইসলাম, এম এ ওয়াজেদ মিয়া, মাকসুদুল আলম, জাহিদ হাসান এর মত বিজ্ঞানীদের কাজ ও অবদানকেই এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
ক পদার্থবিজ্ঞান
ক পদার্থবিজ্ঞান
By (author) রাতুল খান
তোমরা যারা অ পদার্থবিজ্ঞান বইটি পড়েছ, তারা ইতোমধ্যেই পদার্থবিজ্ঞানের অ-আ শিখে গেছ। এবার ক-খ শিখে ফেলা যাক, কী বলো! তবে এটা মনে রেখো, পদার্থবিজ্ঞানের অ-আ, ক-খ থাকতে পারে, কিন্তু চন্দ্রবিন্দু নেই। অর্থাৎ এটা শেখার শুরু আছে, কিন্তু কোনো শেষ নেই। এর আগে তোমরা গতিবিদ্যা, তড়িৎ, মহাকর্ষ ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জেনেছিলে। এবার জানবে রকেট সায়েন্স, চৌম্বকত্ব, ইলেক্ট্রোম্যাগনেট এইসব বিষয় নিয়ে। তোমরা দুটি বইয়ের যেকোনো অধ্যায় থেকেই শুরু করতে পারো। আর যদি ভেবে থাকো যে এটা শুধুমাত্র বিজ্ঞানের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে, তাহলে সেটা ভুল। যে কেউ এই বইটি পড়তে পারবে। শুধু জানার আগ্রহ থাকতে হবে। এই বইয়ে কোনো জটিল সমীকরণ দিয়ে মাথা বোঝাই করব না। গল্প আর ছবিতে প্রাথমিক বিষয়গুলি তুলে ধরব। তুমি যদি চাও, তাহলে আরো বিস্তারিত পড়াশোনা করতেই পারো, এই ডিজিটাল যুগে এটা কোনো ব্যাপারই না! গল্প আর ছবির জগৎ থেকে হয়তো তুমিই একদিন আমাদের জন্যে নতুন সমীকরণ আবিষ্কার করবে, যা বদলে দেবে পৃথিবী। এমনটা যে হবে না, তা কে বলতে পারে!