স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে একটি বৈষম্যহীন ও জনবান্ধব কাঠামোয় রূপান্তরের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সংস্কারের মূলে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং সরকারি হাসপাতালে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। প্রতিবেদনে ডাক্তারদের সুরক্ষা, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার পাশাপাশি একটি শক্তিশালী ‘স্বাস্থ্য ক্যাডার’ ও পৃথক ‘স্বাস্থ্য সচিবালয়’ গঠনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়। প্রতিবেদনের দ্বিতীয় অংশে ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, মানসম্পন্ন রোগ নির্ণয় কেন্দ্র নিশ্চিত করা এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য বিমা চালুর সুপারিশ করা হয়েছে। দুর্নীতির মূলোৎপাটন করতে প্রতিটি স্তরে ডিজিটাল মনিটরিং এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষকে আর সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে বা ব্যয়বহুল বেসরকারি হাসপাতালে ছুটতে না হয়। মূলত, বাণিজ্যিকীকরণের পরিবর্তে সেবামূলক মানসিকতায় স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজানোই এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য। স্বাস্থ্যনীতি, জনস্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক সংস্কার বিষয়ে আগ্রহী পাঠক, গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের জন্য “স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন” এই বইটি একটি অপরিহার্য রেফারেন্স।
Reviews
There are no reviews yet.