যে বইটি সবার টেবিলে থাকা উচিত প্রিসেপটর্স টেক্সট বুক রিভিউ (TBR) [বিসিএস, ব্যাংকসহ সরকারি-বেসরকারী সকল চাকুরি প্রত্যাশীদের জন্য] TBR নিয়ে কিছু কথাঃ বিসিএসসহ যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক চাকুরির প্রিলিমিনারি/লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের ধাঁচ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে অধিকাংশ প্রশ্নই ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড বইভিত্তিক তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উল্লেখ্য যে, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রায় ৪০টির অধিক বোর্ড বই থাকায় পরীক্ষার্থীরা বুঝে উঠতে পারে না কোন বই থেকে কোন অংশটি পড়বে; কোন বইয়ের কোন অংশটি দরকারি, আর কোন অংশটি দরকারি নয়। আবার একজন পরীক্ষার্থীর পক্ষে এতগুলো বোর্ড বই কেনা ও বুঝে পড়া অনেক খরচসাপেক্ষ এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। ফলে প্রশ্নের উৎস পরীক্ষার্থীদের জানা থাকা সত্ত্বেও তারা পরীক্ষার জন্য গুছিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারা সম্ভব হয়ে উঠে না। পরীক্ষার্থীদের এ সকল সমস্যার কথা মাথায় রেখেই প্রিসেপটর্স টিম ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির প্রাসঙ্গিক সকল বোর্ড বই থেকে দরকারি তথ্যগুলো নিয়ে রচনা করেছে TBR, যা পরীক্ষার্থীদের উল্লিখিত সমস্যাগুলোর One Stop Solution হিসেবে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ্!
-41%
আত্মহত্যার আত্মকথা: এক নির্মম বাস্তবতার খণ্ডচিত্র
৳ 280.00 Original price was: ৳ 280.00.৳ 220.00Current price is: ৳ 220.00.
বিষয়ভিত্তিক প্রিসেপটর্স বিসিএস প্রশ্নব্যাংক
৳ 550.00 Original price was: ৳ 550.00.৳ 450.00Current price is: ৳ 450.00.
প্রিসেপটর্স টেক্সট বুক রিভিউ (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
৳ 820.00 Original price was: ৳ 820.00.৳ 480.00Current price is: ৳ 480.00.
সেরা মূল্যে আপনার পছন্দের বই অর্ডার করুন!
ক্যাশ অন ডেলিভারিসহ সুন্দরবন কুরিয়ার থেকে
মাত্র ৫০ টাকায় সংগ্রহের সুযোগ। [শর্ত প্রযোজ্য]
Title: Preceptors Text Book Review (TBR)
(September 2025)
Author: Preceptors Team
Publisher: Preceptors’ Publications
Edition: 5th, September 2025
Number of Pages: 963
Country: Bangladesh
Language: Bangla
Description
Reviews (0)
Be the first to review “প্রিসেপটর্স টেক্সট বুক রিভিউ (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)” Cancel reply
Related products
Question Bank
SEO এবং অনলাইনে জীবন বদলের গল্প
লেখক : নাসির উদ্দিন শামীম
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং
পৃষ্ঠা : 192, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 97898498356010
হাজারো কোর্স,ফেইসবুকে শত শত বিজ্ঞাপন আর বাহারি ভিডিওর মন গলানো কথাবার্তার ডোপামিনে গদ গদ হয়ে কিছু বুঝার আগেই যখন স্ক্যামড হয়ে যাই আর যখন আমাদের বাবা মার কাছ থেকে আনা টাকার অপচয় দেখি চোখের সামনে,তখন অনেকেই আমরা এখন অনলাইনে ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলা মানুষদের বিশ্বাস করতে চাই না। মনে হয় এই বুঝি আবার ধরা খেতে যাচ্ছি! কিন্তু সমস্যা হচ্ছে – বর্তমান যুগে এমন হাজার হাজার সমস্যার ভিড়েও আমরা ভালো কিছু করতে চাই। শত বাধা আর চোর-বাটপারদের পাশ কাটিয়ে হলেও আমাদের কিছু করা দরকার আমাদের জীবনের জন্যে,ভবিষ্যতের জন্যে বা এখন যেমন আছি,তার চেয়ে ভালো থাকার জন্যে। এই ভালো থাকতে গিয়ে আমরা যা যা দেখি বা পড়ি আসেপাশে,সবখানেই দেখি শুধু স্বপ্ন আর স্বপ্ন,হাজার হাজার ডলারের গল্প আর সারাদিন গাধার খাটুনি খেটে ঘণ্টা প্রতি ৫ ডলার আয়ের একই ধরনের কলাকৌশল। কিন্তু আসল এবং মূল যেই জিনিস – দক্ষতা,সেটা একটু কঠিন বিষয় বিধায় সবাই আমাদের কন্টেন্টে নির্লজ্জভাবে এড়িয়ে যাই। এই বইয়ে আমি আমার সত্যিকারের সব গল্প বলেছি। এই গল্পগুলোর মধ্যেই আপনি সবচেয়ে কঠিন এবং কাঠখোট্টা দক্ষতাগুলো বৃদ্ধির সহজ টোটকা পাবেন,নিজের অবস্থার উন্নতিতে কি করা উচিত,কিভাবে করা উচিত এবং কোন কোন মাধ্যমে করা উচিত – সব কিছুর বাস্তব এবং স্পষ্ট ধারনা পাবেন। আমি এমনভাবে সবকিছু বলার চেষ্টা করেছি যে – যাতে করে আপনি বইটা পড়ার পর নিজেকে অন্য একজন মানুষ হিসেবে কল্পনা করেন। এমন মানুষ – যে চিন্তাভাবনায় আগের চেয়ে অনেক বেশী আত্মবিশ্বাসী,স্বপ্ন আর পরিকল্পনায় অনেক বেশী বাস্তববাদী আর ফোকাসড,অনলাইনে নিজের জীবন পরিবর্তনে সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়া অন্যরকম একজন যে এসইও এর ব্যাসিকটা জানে – যেটা দিয়ে সে নিজের এবং আসেপাশের হাজারো মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে!
ইন্ট্রাপ্রেনিউর
লেখক : কে. এম. হাসান রিপন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : উদ্যোক্তা
পৃষ্ঠা : 136, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2023
আইএসবিএন : 9789849665588
একজন সফল ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা স্মার্ট প্রফেশনাল হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ স্বীকার, প্রতিদিন শেখার মানসিকতা এবং সময়ের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেবার ইচ্ছার সমন্বয় প্রয়োজন। আপনি যদি ক্রমাগত নতুন চ্যালেঞ্জ, কৌতুহলী মানসিকতা ও সুযোগ খোঁজার স্পৃহা মনের মধ্যে লালন করতে পারেন তাহলেই আপনি প্রতিদিন অর্জন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন। হতাশা আপনাকে ছুঁতে পারবে না।
ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা স্মার্ট প্রফেশনাল হওয়ার ক্ষেত্রে আরো বড় একটি বাধা আপনাকে অতিক্রম করতে হবে সেটি হলো অন্যের অনুমানকে যাচাই বাছাই ছাড়া বিশ্বাস করে হাল ছেড়ে দেয়া। মনে রাখবেন আপনাকে থামিয়ে দেবার মানুষ যেমন আছে তেমনি আপনাকে এগিয়ে দেবার মানষও অনেক আছে। অতএব আপনার বিচক্ষণতার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা এখানে অত্যন্ত প্রয়োজন। সবসময় আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার কাজের মাধ্যমে ইতিবাচক প্রভাব সমাজে এবং বিশ্বে বিস্তার করছে কিনা।
আপনার সহকর্মী, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অন্যদের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলবেন যার ভিত্তি হবে বিশ্বাস। সম্পর্ক উন্নয়ন এবং টেকসই করতে আপনাকে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে তাহলেই আপনি বড় বড় বাধা সহজেই অতিক্রম করতে পারবেন এবং একজন ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা পেশাদার হিসাবে আপনার লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়ে যাবে।
সর্বোপরি, মনে রাখবেন যে সাফল্য কেবল আপনার নিজের লক্ষ্য অর্জনকেই বোঝায় না, বরং অন্যদের উপর কি রকম ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে সেটাকেও বোঝায়। অতএব লক্ষ্যকে বড় করুন, হয়তো শুরুটা ছোটো হবে প্রথম দিকে। ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে “Think Global, Start With Local”.
পেশাদারদের জন্য সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় এমন কোন নির্দিষ্ট সূত্র বা ফর্মূলা নেই। তবে কিছু মানুষের সাফল্যকে পর্যালোচনা করলে আপনি অনুপ্রাণিত হবার মতো অনেক উদাহরণ দেখতে পাবেন। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে বর্তমানকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে আপনি যখন আপনার কাঙ্খিত সাফল্য অর্জন করবেন। তখন আপনার সাফল্যের গল্প আরেকজনের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে যাবে।
এক পলকে গিট ও গিটহাব
লেখক : জুনায়েদ আহমেদ
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
পৃষ্ঠা : 120, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849856559
“আমরা যারা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর সাথে যুক্ত আছি তাদের জন্য গিট খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা টুল নিজের কাজকে আরো সহজ করার জন্য। কিন্তু আমরা অনেকে গিট সম্পর্কে যথেষ্ট না জানার কারণে,অথবা না শেখার কারণে সেটা আমাদের প্রোজেক্টে ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারি না। অনেকে ব্যবহার করলেও খুবই লিমিটেড কিছু কমান্ড,টেকনিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকি। কিন্তু গিট আসলে খুবই পাওয়ারফুল একটা টুল এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। জাস্ট আমাদের একটু সময় নিয়ে,ধৈর্য্য সহকারে কিছু এফোর্ট দিয়ে সেটা ঠিকঠাক শিখে নিতে হবে। আর ঠিক সেজন্যেই আমি আপনাদের জন্য “এক পলকে গিট ও গিটহাব” নামে বইটি লিখেছি। এই বইয়ের শুরুর দিকে গল্পে গল্পে গিট সম্পর্কে ধারনা দেওয়া হয়েছে,তারপর গিটহাব নিয়েও কিছু ধারনা দেওয়া হয়েছে। গিট ও গিটহাব সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার পর ছোটো একটা প্রোজেক্ট দেখানো হয়েছে। তারপর আমাদের একটা ওপেন সোর্স চিটশিট প্রোজেক্ট ডেভসংকেতে কিভাবে কন্ট্রিবিউট করতে হবে সেটাও স্টেপ বাই স্টেপ একটা কন্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। সর্বশেষে গিট এর আরো কিছু পাওয়ারফুল কমান্ড আর টেকনিক নিয়ে ধারনা দেওয়া হয়েছে। আমি আশা করি এই বইটি আপনাদের অনেকেরই কাজে আসবে। যারা একদম স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করতে চাচ্ছেন তাদেরও কাজে আসবে। আবার যারা টুকটাক পারেন,কিন্তু পার্সোনাল হউক বা ওপেন সোর্স কোনো প্রোজেক্টে কোলাবরেট করা বা কন্ট্রিবিউট করতে পারেন না,তারাও এখান থেকে উপকৃত হবেন। আশা করি বইটি আপনাদের অনেকেরই উপকারে আসবে। উপকৃত হলে অথবা আরো অনেকের কাজে আসতে পারে মনে করলে প্লীজ বইটির কথা সবার সাথে শেয়ার করবেন। সবাইকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ!”
গ্রাফিক ডিজাইন (পার্ট ওয়ান)
লেখক : মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন ফকির
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : গ্রাফিক্স ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া
কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, July 2024
আইএসবিএন : 9789849597773
বর্তমান সময়ে বেকারত্ব যেভাবে প্রকট আকার ধারন করেছে তাতে বলা যায় চাকরি পাওয়া এখন কালো মানিক পাওয়ার মত দূর্লভ। তথাপি তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে উন্মুক্ত ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিন হাজার লোক শুধুমাত্র ডিজাইনের কাজ করেই আয় করছে বৈদশিক মুদ্রা। এটি এমন একটা প্লাটফরম যেখানে কাজের চাহিদা প্রতিদিন আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও প্রয়োজনের তুলনায় দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনারের অভাব রয়েছে। অভাব এর বিপরীতে থাকে সম্ভাবনা। সম্ভাবনা যেখানে অপরিসীম সেখানে ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত। একজন দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে অভাব পূরণ করবেন আপনি এবং সমাদৃত হবেন বিশ্বব্যাপী। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে একটি ভালো মানের সহজবোধ্য সহায়ক পুস্তকের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। ভাষা যেন শিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে সেই কারণে বাংলা ভাষায় এই সহায়ক পুস্তকটি লিখা হয়েছে। যদিও যথাযথ সমার্থক বাংলা শব্দের অভাবে কিছু কিছু শব্দ ইংরেজিতে রাখতে হয়েছে। বইটির আয়োজন,ভাষার বিন্যাস,পদক্ষেপসমূহের বর্ণনা,টেকনিক্যাল বিষয়সমূহের উপস্থাপন এমনভাবে করা হয়েছে যেন যে কেউ এ বইটি ব্যবহার করে ইফেক্টগুলো নিজে নিজেই অনুশীলন করতে পারবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি সৃজনশীল পেশা। শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান দিয়ে কেউ ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হওয়া যাবে না। শুধুমাত্র নিয়মিত ডিজাইন চর্চা করার মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনের জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে সৃজনশীল পেশা হওয়ার সুবাদে গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের প্রতিভা বিকশিত এবং প্রকাশ করার সুযোগ পাবেন। অটোমেশন এর যুগে,যখন আমরা বলছি,যে ক্রমান্বয়ে আমাদের কাজগুলো সব অটোমেটিক রোবটের হাতে চলে যাচ্ছে,সেই সময়ে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে ডিজাইনের জন্য এখনও ক্রিয়েটিভিটি এবং হিউম্যান থিঙ্কিং এর অর্থাৎ নতুন চিন্তা,পরিবর্তন,পরিবর্ধন এর জন্য এখনও মানুষকেই চিন্তা ভাবনা করতে হয় এবং সেটা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। বইটি তৈরি করতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা,ইন্টারনেট এবং দেশী বিদেশী অনেক লেখক ও শিল্পির শিল্প কর্মের সহযোগীতা নিয়েছি। সেসব লেখক ও শিল্পিদের কাছে আমি ঋণী এবং গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
প্রোডাক্টিভ প্রোগ্রামার
লেখক : মোশাররফ হোসেন রুবেল
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
পৃষ্ঠা : 176, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835622, ভাষা : বাংলা
বর্তমানে অনেকেই প্রোগ্রামিং পেশাটাকে খুব সহজ-সরল পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন নানান উপায়ে।এই ফিল্ডে তুলনামূলকভাবে ভালো সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য রিসোর্স থাকায় আমরা অনেকেই এই পেশায় আকৃষ্ট হই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই পেশায় ভালো করতে হলে যেমন খুবই প্যাশনেট হতে হবে, সেইসাথে আপনাকে যথেষ্ট ধৈর্য্যশীল, মোটিভেটেড ও শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে। অন্যথায় এই পেশা প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও কম্পিটিশন খুব বেশী থাকায় এখানে আপনাকে বার্নআউট, এক জায়গায় আটকে থাকা থেকে শুরু করে নানানরকম সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এই বইয়ের লেখকের এই ফিল্ডে বেশ অনেক বছরের এক্সপেরিয়েন্স আছে। উনি একাধারে বিভিন্ন টিমের সাথে কাজ করেছেন, অন্যদেরকে প্রোগ্রামিং শিখিয়েছেন, সেইসাথে বর্তমানে এমন টিম লিড করার কাজও করে যাচ্ছেন। লেখক ঠিক উনার সেই অভিজ্ঞতাগুলোই এই বইয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। আমাদের এই প্রোগ্রামিং পেশা আমাদের এই বিশ্বে কেমন ভ্যালু তৈরি করছে, আমরা কিভাবে অন্যদেরকে প্রোগ্রামিং এর সাহায্য তাদের বিজনেস গ্রো করতে সাহায্য করছি, বিজনেসে ভ্যালু ক্রিয়েট করছি ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে। একইসাথে এই বইয়ে নতুনদের জন্য কিভাবে তাদের ক্যারিয়ার শুরু করা এবং শুরু করে নিজের বেস্ট অবস্থায় যাওয়া যেতে পারে সে ব্যাপারে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া একজন তার ক্যারিয়ারে কিভাবে প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রোডাক্টিভ রেখে নিজেকে ডেভেলপ করে যাবে, প্রতিনিয়ত নিজের বেস্ট ভার্শন হওয়ার জন্য কাজ করবে, সে ব্যাপারে বাস্তব বিভিন্নরকমের টেকনিক সম্পর্কে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। এই বইটি শুধুমাত্র নতুনদের জন্যই নয়, বরং বর্তমানে যারা অলরেডি এই প্রফেশনে আছেন তাদের ক্যারিয়ার ইমপ্রুভমেন্ট এর জন্যেও বেশ কাজে আসতে পারে। সর্বশেষে আমি বলবো এই বইটি যারা যারা প্রোগ্রামিং পেশায় আসতে চাচ্ছেন অথবা অলরেডি এই পেশায় আছেন তাদের সবার জন্য মাস্ট-রিড। এই বইয়ের উপদেশগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার স্কিল বাড়াতে, নিজেকে ডেভেলপ করতে, মোটিভেটেড রাখতে, নিজের বেস্ট ভার্শনে যেতে সহায়তা করবে। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও চ্যালেঞ্জিং এই ফিল্ডে আপনার অন্যতম সেরা বন্ধু হিসেবে এই বইটি আপনাকে উপদেশ দিয়ে যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের লাইফ ম্যানেজমেন্ট প্যাকেজ
লেখক : ড. আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স, ডা. শামসুল আরেফীন, মোঃ মাছুম চৌধুরী, সাজিদ ইসলাম
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ, চেতনা প্রকাশন, বুকমার্ক পাবলিকেশন, সিয়ান পাবলিকেশন
বিষয় : প্রফেশনাল ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন
মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা:
কেমন হবে একজন খাঁটি মুমিনের ক্যারিয়ার? কী হবে তার জীবনের লক্ষ? ক্যারিয়ার মানেই আমরা বুঝি টাকা এবং সম্মান। ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ সম্মান খোঁজে, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ টাকা খোঁজে। কিন্তু ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে সম্মান খোঁজা, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে টাকা খোঁজা, এটা মুমিনের লক্ষ হতে পারে না। কারণ, মুমিন বিশ্বাস করে, টাকা আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। রিজিক আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে এবং সম্মানও আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। আল্লাহ তাআলা রিজিকেরও মালিক, সম্মানেরও মালিক। এটা আল্লাহ তাআলা যে কাউকে ক্যারিয়ার ছাড়াই দিতে পারেন, এটা আমাদের বিশ্বাস। সুতরাং আমাদের ক্যারিয়ারটা হবে অন্যান্য মানুষের চেয়ে আলাদা। একজন মুমিনের ক্যারিয়ার হবে মূলত দুইটা উদ্দেশ্যে, একটা হচ্ছে দাওয়াহ, আরেকটা হচ্ছে, সাদাকাহ। একজন মুমিন উপরে উঠবে, অনেক উপরে উঠবে। একজন মুমিন সম্পদ উপার্জন করবে, অনেক সম্পদ উপার্জন করবে, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তার লক্ষ্য থাকবে দুইটা। একটা হচ্ছে, সদাকাহ করা, এবং দুই নম্বরে হচ্ছে, দাওয়াহ করা। দ্বীনের দাওয়াহ করা। মানুষের কাছে দ্বীনটাকে উপস্থাপন করা।ভালোবাসার চাদর:
একটি গল্প শুনেছিলাম। দাম্পত্য অশান্তির তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এক পিতা তার পুত্রকে ওসিয়াত করছিলেন যে, ‘বাবা আর যা-ই করো না কেন জীবনে বিয়ে করবে না’। ছেলে বাবাকে বলেছিল, ‘জ্বি বাবা, আপনি একটুও দুশ্চিন্তা করবেন না, আপনার এই ওসিয়াত নিশ্চয়ই আমি আপনার নাতীদের কাছে পৌঁছে দিয়ে যাব’।
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিসাবরক্ষক—এমনকি কেরানি হওয়ার জন্যও কিছু না কিছু শেখানো হয়; কিন্তু স্বামী-স্ত্রী হওয়ার জন্য কোনো বিশেষ শিক্ষা নেই। অথচ আমরা আর যা কিছুই হই বা না হই, স্বামী-স্ত্রী হওয়ার আবশ্যকতা প্রায় শতভাগ।
দাম্পত্য জীবনকে মোটেই হাল্কাভাবে দেখলে চলবে না; কারণ আপনি চান কিংবা না চান এটা আপনার প্রতিটি সকাল, প্রতিটি সন্ধ্যা, প্রতিটি রাতকে প্রভাবিত করবে। আপনার জীবনে সফলতা ব্যর্থতার গতিপথ নির্ধারণে প্রত্যক্ষ ভুমিকা রাখবে।
তাই এই জীবন যারা শুরু করেননি তাদের যেমন এ বিষয়ে জ্ঞান প্রয়োজন, যারা জ্ঞানহীন পথ চলে অনেক দূর এসেছেন ঠিকই, কিন্তু পথ ক্লান্ত-শ্রান্ত করে ছেড়েছে; কিংবা যারা ক্লান্ত হননি, তবে ভবিষ্যতে হতেও চান না তাদের সকলেরই প্রয়োজন। এমন সকলের জন্যই আমাদের এই বই “ভালোবাসার চাদর”।
পারসোনাল ব্র্যান্ডিং ফর প্রফেশনাল সাকসেস:
বিশেষ গুণের কারণে, বিশেষ কর্মের কারণে, বিশেষ অবদানের কারণে একজন মানুষ জন অন্য মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে, তখন সে পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠে। একজন সফল পারসোনাল ব্র্যান্ড হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিশেষ একজন হতে পারে। প্রত্যেক মানুষের সফল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠার ক্ষমতা থাকা সত্বেও প্রত্যেক মানুষ পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে উঠতে পারে না। কারণ, বেশিরভাগ মানুষের পারসোনাল ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কোনো ধারণাই নেই। পারসোনাল ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে অজ্ঞতার কারণে অনেক মানুষ নিজের মূল্যবোধ নষ্ট করে নিজের ব্র্যান্ড ইমেজ হারিয়ে ফেলে। সেজন্য খুব কম মানুষই সফল পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠে অন্য মানুষের জীবনে অবদান রাখতে পারে। জীবনে সফলতা অর্জন করতে চাওয়া মানুষের মধ্যে অধিকাংশই জানে না সফলতা অর্জনের কারণগুলো, জানে না নিজেকে অথেনটিক পারসোনাল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার টেকনিক। ‘পারসোনাল ব্র্যান্ডিং ফর প্রফেশনাল সাকসেস’ বইটিতে পারসোনাল ব্র্যান্ডিং এর এ টু জেড উপাত্তগুলো তুলে ধরা হয়েছে। কর্পোরেট দুনিয়ার সেরা উদ্যোক্তা, সিইও, সেলিব্রেটিদের পারসোনাল ব্র্যান্ড ডেভেলপমেন্ট করার কৌশল ও মূলনীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে।এপিটাফ:
উস্তাদ মুহাম্মাদ হুবলস। অস্ট্রলিয়ান দাঈ। প্রচন্ডভাবে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। মানুষের অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে দিতে পারেন। জাহিলিয়াত থেকে মানুষকে দ্বীনের পথে নিয়ে আসা, বস্তুবাদি যান্ত্রিক আটপৌরে জীবনে হাঁপিয়ে উঠা এই আমাদেরকে আখিরাতের কথা মনে করিয়ে দেওয়া, জান্নাতের পথে চলার সীমাহীন শক্তি যোগাতে এই উস্তাদের তুলনা তিনি নিজেই। . উস্তাদের লেকচার অবলম্বনেই এই বইটি। বর্তমান সময়ে আমরা যে সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হচ্ছ তা ভয়াবহ। ফিতনার সময় চলছে। আমাদের অনেক সমস্যা, অনেক প্রতিবন্ধকতা। তার মধ্যে অন্যতম মুসলিম পরিবারে জন্মেও উম্মাহর একটা বড় অংশ্যই এখনও কাফেরদের লাইফ স্টাইলে চলে। অনেকসময় আমরা বুঝি যা করছি ভুল করছি, এটা সঠিক পথ নয়, কিন্তু ভুলের সেই চক্র থেকে বের হতে পারি না। তখন আমাদের একটি ধাক্কার দরকার পড়ে। এমন কিছু যা আমাদের অন্তরকে কাঁপিয়ে দিবে। বস্তুবাদ, চোখ ধাঁধানো আলোর এই মোহের জগৎ নিমিষেই ভেঙে গুড়িয়ে দিবে। এই বইটি সেই ধাক্কা হিসেবে কাজ করবে এই আমাদের বিশ্বাস।সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং আলাপ
লেখক : আহমেদ শামীম হাসান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন
পৃষ্ঠা : 88, কভার : হার্ড কভার
আইএসবিএন : 9789849760849
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এ ক্যারিয়ার শুরু করা এখন তেমন একটা কঠিন না। কিন্তু ক্যারিয়ার শুরু করার পর সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আসে। কী শিখবো, কিভাবে শিখবো, কিভাবে ক্যারিয়ারে আরো ভালো করতে পারবো, কিভাবে সময়ের সাথে এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ সেক্টরে টিকে থাকতে পারবো – এই বিষয়গুলো আমাদের অনেকেরই জিজ্ঞাসা।
ল্যাঙ্গুয়েজ, ফ্রেমওয়ার্ক, টুল শেখার জন্য অনেক টিউটোরিয়াল, কোর্স আছে। কিন্তু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ারে সফলতার জন্য কেবল এগুলো শেখাই যথেষ্ট না। এর সাথে দরকার ইঞ্জিনিয়ারিং মাইন্ডসেট, সফট স্কিলস, লার্নিং টেকনিক, ক্যারিয়ারের ব্যাপারে সচেতনতা ইত্যাদি।
দুঃখজনকভাবে এই দরকারী বিষয়গুলো নিয়ে তেমন একটা আলাপ হয় না বললেই চলে।
অনেকে ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে এবং ‘ঠেকে’ এই বিষয়গুলো আয়ত্ত করেন। অথচ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই এই বিষয়গুলো জানা থাকলে আপনি ক্যারিয়ারে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন অনেকদূর।
ইংরেজিতে এসব টপিকে বেশ কিছু বই থাকলেও বাংলায় সম্ভবত এটাই প্রথম।
কিভাবে নতুন নতুন টুল-টেকনোলজির চক্করে নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখবেন, কিভাবে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নিত্যদিনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করবেন, কোন কোন বিষয়গুলো আপনাকে ক্যারিয়ার বুস্টে সাহায্য করবে – এরকম ভিন্ন ভিন্ন টপিকের ২০ টি লেখার সংকলন এই বইটি।
একজন ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে, জব মার্কেটের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং সর্বোপরি আপনার ক্যারিয়ারে আরো এগিয়ে যেতে এই বইটি টনিকের মত কাজ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved









Reviews
There are no reviews yet.