ইতিহাসের প্রতি অনুরাগ সেই কৈশোর থেকেই। ধুলোবালি জমা প্রাচীন দেয়াল কিংবা কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা স্থাপত্যগুলোর মাঝে লেখক সবসময় শিকড়ের ঘ্রাণ খুঁজে পেয়েছেন। পেশায় সাংবাদিক হওয়ার সুবাদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য মুসলিম স্থাপত্য খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে তাঁর। সেই হৃদয়ের টান আর কলমের টানে জন্ম নিয়েছে—”বাংলার পরতে মুসলিম কীর্তি” ।সরাসরি অভিজ্ঞতার আলোকে বর্ণনা:
এই বইটিতে অর্ধ-শতাধিক মুসলিম স্থাপত্যের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে কেবল সেই স্থাপত্যগুলোই স্থান পেয়েছে, যেগুলোর আঙিনায় লেখক নিজে দাঁড়িয়েছেন এবং নিজের চোখে দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ পথচলার নির্যাস, অল্প অল্প করে জমিয়ে রাখা তথ্য আর অনুভূতির মিশেলে আজ একটি পূর্ণাঙ্গ বইয়ের রূপ পেয়েছে।
নির্ভরযোগ্য তথ্যের সমাহার:
স্থাপত্যগুলোর বর্ণনা, ইতিহাস এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তথ্যফলক, বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিবেদন, নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ও আকর গ্রন্থগুলো থেকে প্রতিটি তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হয়েছে। ফলে ইতিহাসপ্রেমী পাঠকদের জন্য এটি একটি তথ্যবহুল ও নির্ভরযোগ্য গাইড হিসেবে কাজ করবে।
শিকড়ের সন্ধানে এক আমন্ত্রণ:
সবুজ-শ্যামল বাংলার পরতে পরতে লুকিয়ে থাকা গৌরবময় অতীত এবং মুসলিম কীর্তির শাদাকালো পৃষ্ঠায় আপনাকে স্বাগতম। লেখক আশা করেন, “বাংলার পরতে মুসলিম কীর্তি” এই বইটির প্রতিটি পাতা পাঠকদের মনের খোরাক জোগাবে এবং আমাদের ঐতিহ্য সম্পর্কে নতুন করে ভাবাতে সাহায্য করবে।
Reviews
There are no reviews yet.