ম্যাথ-ম্যাজিক
By (author) মাসুদুর রহমান
বইটি খুলে দেখার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। এবার ঝটপট নিচের কাজগুলো করে ফেলো—
১) ৩৬৫৭ কে ১১ দিয়ে গুণ করো
২) ভাগ করো: ৭৫৬২ ÷ ৯৯
৩) ৮৫ এর বর্গ করো
৪) ১৮৪৯ এর বর্গমূল বের করো
৫) ২৪৩৮৯ এর ঘনমূল বের করো
এই সমস্যাগুলো কয়েক সেকেন্ডে মুখে মুখে করতে না পারলে এই বইটি তোমার জন্য। এখানে গণিতের চেনাজানা সব নিয়মের বাইরে সংখ্যা নিয়ে অন্যরকম কিছু একটা করা হয়েছে। মজায় মজায় গণিতের কিছু ম্যাজিক দেখানো হয়েছে।
তাহলে আর দেরি কেন? চলো শুরু করি—
ম্যাথ-ম্যাজিক বা গণিতের জাদু শিখতে তোমাকে স্বাগতম।
-20%
-20%
SHORT INFO
Description
ম্যাথ-ম্যাজিক
মাসুদুর রহমান
বইটি খুলে দেখার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। এবার ঝটপট নিচের কাজগুলো করে ফেলো—
১) ৩৬৫৭ কে ১১ দিয়ে গুণ করো
২) ভাগ করো: ৭৫৬২ ÷ ৯৯
৩) ৮৫ এর বর্গ করো
৪) ১৮৪৯ এর বর্গমূল বের করো
৫) ২৪৩৮৯ এর ঘনমূল বের করো
এই সমস্যাগুলো কয়েক সেকেন্ডে মুখে মুখে করতে না পারলে এই বইটি তোমার জন্য। এখানে গণিতের চেনাজানা সব নিয়মের বাইরে সংখ্যা নিয়ে অন্যরকম কিছু একটা করা হয়েছে। মজায় মজায় গণিতের কিছু ম্যাজিক দেখানো হয়েছে।
তাহলে আর দেরি কেন? চলো শুরু করি—
ম্যাথ-ম্যাজিক বা গণিতের জাদু শিখতে তোমাকে স্বাগতম।
Reviews (0)
Be the first to review “ম্যাথ-ম্যাজিক” Cancel reply
Related products
Question Bank
SEO এবং অনলাইনে জীবন বদলের গল্প
লেখক : নাসির উদ্দিন শামীম
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং
পৃষ্ঠা : 192, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 97898498356010
হাজারো কোর্স,ফেইসবুকে শত শত বিজ্ঞাপন আর বাহারি ভিডিওর মন গলানো কথাবার্তার ডোপামিনে গদ গদ হয়ে কিছু বুঝার আগেই যখন স্ক্যামড হয়ে যাই আর যখন আমাদের বাবা মার কাছ থেকে আনা টাকার অপচয় দেখি চোখের সামনে,তখন অনেকেই আমরা এখন অনলাইনে ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলা মানুষদের বিশ্বাস করতে চাই না। মনে হয় এই বুঝি আবার ধরা খেতে যাচ্ছি! কিন্তু সমস্যা হচ্ছে – বর্তমান যুগে এমন হাজার হাজার সমস্যার ভিড়েও আমরা ভালো কিছু করতে চাই। শত বাধা আর চোর-বাটপারদের পাশ কাটিয়ে হলেও আমাদের কিছু করা দরকার আমাদের জীবনের জন্যে,ভবিষ্যতের জন্যে বা এখন যেমন আছি,তার চেয়ে ভালো থাকার জন্যে। এই ভালো থাকতে গিয়ে আমরা যা যা দেখি বা পড়ি আসেপাশে,সবখানেই দেখি শুধু স্বপ্ন আর স্বপ্ন,হাজার হাজার ডলারের গল্প আর সারাদিন গাধার খাটুনি খেটে ঘণ্টা প্রতি ৫ ডলার আয়ের একই ধরনের কলাকৌশল। কিন্তু আসল এবং মূল যেই জিনিস – দক্ষতা,সেটা একটু কঠিন বিষয় বিধায় সবাই আমাদের কন্টেন্টে নির্লজ্জভাবে এড়িয়ে যাই। এই বইয়ে আমি আমার সত্যিকারের সব গল্প বলেছি। এই গল্পগুলোর মধ্যেই আপনি সবচেয়ে কঠিন এবং কাঠখোট্টা দক্ষতাগুলো বৃদ্ধির সহজ টোটকা পাবেন,নিজের অবস্থার উন্নতিতে কি করা উচিত,কিভাবে করা উচিত এবং কোন কোন মাধ্যমে করা উচিত – সব কিছুর বাস্তব এবং স্পষ্ট ধারনা পাবেন। আমি এমনভাবে সবকিছু বলার চেষ্টা করেছি যে – যাতে করে আপনি বইটা পড়ার পর নিজেকে অন্য একজন মানুষ হিসেবে কল্পনা করেন। এমন মানুষ – যে চিন্তাভাবনায় আগের চেয়ে অনেক বেশী আত্মবিশ্বাসী,স্বপ্ন আর পরিকল্পনায় অনেক বেশী বাস্তববাদী আর ফোকাসড,অনলাইনে নিজের জীবন পরিবর্তনে সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়া অন্যরকম একজন যে এসইও এর ব্যাসিকটা জানে – যেটা দিয়ে সে নিজের এবং আসেপাশের হাজারো মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে!
এক পলকে গিট ও গিটহাব
লেখক : জুনায়েদ আহমেদ
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
পৃষ্ঠা : 120, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849856559
“আমরা যারা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর সাথে যুক্ত আছি তাদের জন্য গিট খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা টুল নিজের কাজকে আরো সহজ করার জন্য। কিন্তু আমরা অনেকে গিট সম্পর্কে যথেষ্ট না জানার কারণে,অথবা না শেখার কারণে সেটা আমাদের প্রোজেক্টে ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারি না। অনেকে ব্যবহার করলেও খুবই লিমিটেড কিছু কমান্ড,টেকনিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকি। কিন্তু গিট আসলে খুবই পাওয়ারফুল একটা টুল এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। জাস্ট আমাদের একটু সময় নিয়ে,ধৈর্য্য সহকারে কিছু এফোর্ট দিয়ে সেটা ঠিকঠাক শিখে নিতে হবে। আর ঠিক সেজন্যেই আমি আপনাদের জন্য “এক পলকে গিট ও গিটহাব” নামে বইটি লিখেছি। এই বইয়ের শুরুর দিকে গল্পে গল্পে গিট সম্পর্কে ধারনা দেওয়া হয়েছে,তারপর গিটহাব নিয়েও কিছু ধারনা দেওয়া হয়েছে। গিট ও গিটহাব সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার পর ছোটো একটা প্রোজেক্ট দেখানো হয়েছে। তারপর আমাদের একটা ওপেন সোর্স চিটশিট প্রোজেক্ট ডেভসংকেতে কিভাবে কন্ট্রিবিউট করতে হবে সেটাও স্টেপ বাই স্টেপ একটা কন্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। সর্বশেষে গিট এর আরো কিছু পাওয়ারফুল কমান্ড আর টেকনিক নিয়ে ধারনা দেওয়া হয়েছে। আমি আশা করি এই বইটি আপনাদের অনেকেরই কাজে আসবে। যারা একদম স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করতে চাচ্ছেন তাদেরও কাজে আসবে। আবার যারা টুকটাক পারেন,কিন্তু পার্সোনাল হউক বা ওপেন সোর্স কোনো প্রোজেক্টে কোলাবরেট করা বা কন্ট্রিবিউট করতে পারেন না,তারাও এখান থেকে উপকৃত হবেন। আশা করি বইটি আপনাদের অনেকেরই উপকারে আসবে। উপকৃত হলে অথবা আরো অনেকের কাজে আসতে পারে মনে করলে প্লীজ বইটির কথা সবার সাথে শেয়ার করবেন। সবাইকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ!”
হু মুভড মাই চিজ?
লেখক : স্পেনসার জনসন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
অনুবাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন
পৃষ্ঠা : 56, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2021
আইএসবিএন : 9789849492658
আসুন একটা গল্প শুনি, মন দিয়ে পড়ুন
গল্পটি ২ টি ইঁদুর এবং মানুষের মত দেখতে ২ জন খর্বাকৃতির গল্প। ২ জন ইঁদুরের নাম স্নিফ এবং স্কারি এবং বাকি ২ জনের নাম হ এবং হেম । এরা চারজনই কোন একটা গোলকধাঁধার মধ্যে জীবন কাটায়। প্রতিদিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই গোলকধাঁধার মধ্যে দৌঁড়ে চিজ/ পনির খুঁজতে থাকে এবং পেলে তা দিয়ে জীবন ধারণ করে। তারা পনির খুঁজে পেতে অনেক কষ্ট করতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে হ এবং হেম জগিং স্যুট এবং জুতা পরে নিত যাতে তাদের দৌঁড়ে পনির খুজঁতে কোন অসুবিধা না হয়। কিন্তু একদিন!! একদিন তারা ৪ জনই চিজ স্টেশন সি তে বিশাল পনিরের মজুদ পেলো। এমন চিজ দেখে তারা পাগল প্রায়। তাঁরা তাদের জুতা ছুড়ে ফেলে সেখানেই জীবন যাপন শুরু করলো। কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই তাঁরা ধরে নিল তাদের বাকি জীবন এভাবেই চলে যাবে। হঠাৎ একদিন!! তাঁরা চিজ স্টেশন সি তে গিয়ে দেখলো সেখানে কোন পনির নেই। এটা দেখে হ এবং হেম পাগল এর মত অবস্থা। তাঁরা চিৎকার করে উঠলো, “না এমন হতে পারে না। এটা অন্যায়। আমাদের সাথে এটা হতে পারে না। ” অন্যদিকে স্নিফ এবং স্কারি এটা দেখে তাঁরা অন্য দিকে পনির খুজতে শুরু করলো। একদিন তাঁরা পেয়েও গেল চিজ স্টেশন এন এর দেখা যা চিজ স্টেশন সি এর চেয়ে বেশি। হ এবং হেম তাদের দুঃখ ভুলতে পারলো না। তাঁরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে থাকলো। এদিকে ক্ষুদার্থ থাকায় এবং ডিপ্রেশনে তাদের শরীর খারাপ হতে থাকলো। তাঁরা ভয় পেতে থাকলো অন্য কোথাও গেলে যদি তাঁরা হারিয়ে যায়, তাঁরা যদি ভালো কিছু করতে না পারে? অনাগত ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় তাঁরা তা গ্রহণ করতে রাজি ছিল না। একদিন হ চাইলো নতুন পনিরের খোঁজ করতে কিন্তু হেম কোনভাবেই তা হতে দিল না। বরং হ এর উপর রাগ দেখানো শুরু করলো। একদিন হ এর রাগ উপেক্ষা করে হেম আবার পনির খোঁজ করতে বের হল। অনেক কষ্টের পর সেও চিজ স্টেশন এন এর খোঁজ পেলো। এরমধ্যে অনেকবার হ কে রাজি করানোর ট্রাই করেও পারলো না।
এবার আপনাদের কাছে প্রশ্ন-
১) আপনি পরিবর্তন ভয় পান?
২) সবসময় কমফোর্ট জোনে থাকতে চান?
৩) অন্য পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারেন না বা চান না?
৩) আপনার কি খারাপ সময় নিয়ে কোন চিন্তা থাকে না?
সবগুলো প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে বইটি আপনার পড়া উচিৎ। হ্যাঁ, আমি “হু মুভড মাই চিজ” বইয়ের কথা বলছি। আপনি সামনে খুব বড় সমস্যায় পড়তে যাচ্ছেন কিংবা সমস্যার ভিতর দিয়ে যাচ্ছেন। এই বইটি/ গল্পটি মনোযোগ দিয়ে পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন, আমাদের কেমন মানসিকতা নিয়ে চলা উচিৎ বা কী করা উচিৎ? এই বইটি পড়লে অযুহাত / ভেঙ্গে না পড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর অনেক গুলো কারণ চোখে পড়তে শুরু করবে।
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved

Reviews
There are no reviews yet.