সম্মানিত মুহসিনীন/মুহম্বানাত, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি - আমাদের সিস্টেম রক্ষনাবেক্ষনের কাজ চলছে... তাই আপনি সিস্টেমের কিছু জায়গায় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন! সাময়িক সমস্যার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। সম্মানিত মুহসিনীন/মুহম্বানাত, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি - আমাদের সিস্টেম রক্ষনাবেক্ষনের কাজ চলছে... তাই আপনি সিস্টেমের কিছু জায়গায় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন! সাময়িক সমস্যার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
Facebook Instagram Youtube
the book cente rbd
Hotline : 09639154154
Login / Register
1 item ৳ 210.00
the book cente rbd
1 item ৳ 210.00
Menu
  • লেখক
  • বিষয়
  • প্রকাশক
  • বইমেলা ২০২৫
  • HSC ও ভর্তি প্রস্তুতি
  • ইসলামি বই
  • ইংরেজি সাহিত্যের বই
  • ইংরেজি বই
  • Weekly Bestseller Ebook
  • Shop
Menu
  • লেখক
  • বিষয়
  • প্রকাশক
  • বইমেলা ২০২৫
  • HSC ও ভর্তি প্রস্তুতি
  • ইসলামি বই
  • ইংরেজি সাহিত্যের বই
  • ইংরেজি বই
  • Weekly Bestseller Ebook
  • Shop
“সাইবার অপরাধনামা” has been added to your cart. View cart
-20%
Awaiting product image
×
Click to enlarge
Home প্রকাশক আদর্শ স্পোর্টিংলি নাও
Placeholder
স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট ৳ 300.00 Original price was: ৳ 300.00.৳ 240.00Current price is: ৳ 240.00.
Back to products
Placeholder
স্বাধীনতা গণতন্ত্র মানবাধিকার ৳ 340.00 Original price was: ৳ 340.00.৳ 272.00Current price is: ৳ 272.00.

স্পোর্টিংলি নাও

৳ 200.00 Original price was: ৳ 200.00.৳ 160.00Current price is: ৳ 160.00.

স্পোর্টিংলি নাও
By (author) প্রভাষ আমিন
জীবন শুধু যাপনের নয়, উদযাপনেরও
এই বইটি হওয়ার কথা ছিল না, অন্তত আমার পরিকল্পনায় ছিল না। প্রকাশক যখন আমাকে ফোন করে পাণ্ডুলিপি চাইলেন, স্বভাববিরুদ্ধভাবে আমি মুখের ওপর না করে দিয়েছি। না করার কারণ, আমার কাছে কোনো পাণ্ডুলিপি নেই। আর আগে থেকেই পরিকল্পনা করা বই গোছাতে এত ব্যস্ত ছিলাম যে নতুন করে ভাবার সুযোগই ছিল না। অপরিচিত প্রকাশককে না করলেও আমি একটু বিস্মিত হয়েছি, আমার মতো অচল লেখকের কাছে পাণ্ডুলিপি চায়, এমন বোকা প্রকাশকও বাংলাদেশে আছেন! মুখে না বললেও মনের ভেতরে নিশ্চয়ই ‘হ্যাঁ’ ছিল। তাই অন্য পাণ্ডুলিপি গোছাতে গোছাতে মনে মনে ভাবছিলাম। পাণ্ডুলিপি গোছাতে গিয়ে দেখি হিমশিম অবস্থা। সারা বছর এত আজেবাজে লেখা লিখেছি, এখন কোনটা রেখে কোনটা ফেলি অবস্থা। বাছতে বাছতেই দেখি খেলাধুলা নিয়ে বেশ কিছু লেখা হয়ে গেছে। এগুলো আলাদা করলে কেমন হয়, এমন ভাবতেই ভাবতেই বাংলাট্রিবিউনের শেরিফের ফোন। এবার আর না করা গেল না। এই হলো এই বইয়ের ইতিহাস। পাণ্ডুলিপি গোছাতে পড়তে গিয়ে দেখি ছেলেবেলা থেকে খেলাধুলার প্রতি যে গভীর মমতা, তার একটা প্রকাশ হয়ে যাবে এ বইয়ে।
খেলাধুলাটা কেন গুরুত্বপূর্ণ? মানুষের শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য খেলা দরকার, এটা তো আমরা সবাই জানি, কিন্তু মানি না। আমাদের অভিভাবকরা খেলাধুলাকে মনে করেন সময় নষ্ট। বাংলাদেশের অনেক তারকা ক্রিকেটার ছেলেবেলায় খেলার জন্য বাবা-মায়ের অনেক মার খেয়েছেন। অনেকের ব্যাট কেটে ফেলা হয়েছে। আবার সাকিব আল হাসান এক লাখ ডলারে পাকিস্তানে খেলতে যাচ্ছেন, এটা শুনে আমার এক সহকর্মী বললেন, তার ছেলেকে লেখাপড়া না করিয়ে শুধু ক্রিকেট খেলাবেন। শুনে আমার ভালো লাগেনি। কারণ তার আগ্রহে ক্রিকেটের প্রতি বা খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল না, ছিল ডলারের প্রতি লোভ। আমি বিশ্বাস করি না, সারা দিন ব্যাট-বল নিয়ে পড়ে থাকলেই কাউকে ডলার কামানো সাকিব আল হাসান বানানো সম্ভব। সাকিব আল হাসানরা জন্মায় প্রতিভা নিয়ে তাদের বানানো যায় না। পরে প্রতিভার পরিপূর্ণ বিকাশে, অভিভাবক বা কোচ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু প্রতিভা নেই, ভালোবাসা নেই; খালি প্র্যাকটিস করেই ভালো ক্রিকেটার বনে গেছেন, এমন ইতিহাস নেই। প্রতিভার কথাই যখন এল, তখন শচীন টেন্ডুলকার আর বিনোদ কাম্বলির গল্পটা বলে নিই। ১৯৮৮ সালে হ্যারিস শিল্ডে সারদাশ্রম বিদ্যামন্দিরের হয়ে শচীন আর বিনোদ জুটি করেছিলেন ৬৬৪ রান। যেকোনো জুটিতে সেই বিশ্বরেকর্ড এখনো অক্ষুণ্ন আছে। তখন ওই দুই প্রতিভাবান স্কুলবালককে নিয়ে অনেক হইচই হয়েছে। বলাবলি হচ্ছিল, এই দুজনের মধ্যে বিনোদ কাম্বলি বেশি প্রতিভাবান ছিলেন। সেই প্রতিভার ছিটেফোটা ক্রিকেটবিশ্ব দেখেছে বটে, তবে বিনোদ কাম্বলির খ্যাতি ক্রিকেটের কারণে নয়, কুখ্যাতি প্রতিভার অপচয়ের উদাহরণ হিসেবে। আর শচীন খেলাটির প্রতি ভালোবাসা, একাগ্রতা, নিয়মানুবর্তিতা দিয়ে নিজেকে পরিণত করেছেন একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে। আমি বারবার শচীনকে দেখি আর শিখি, সবাইকে শিখতে বলি। গোটা ক্যারিয়ারে প্রচারের আলোয় থাকলেও কোনো বিতর্ক নেই। যত বড়, তত বিনয়ী; এই আপ্তবাক্য সত্য মনে হয় শচীনকে দেখলে। ক্রীড়া তারকারা তরুণদের আইডল হন, তবে সবাই নয়। শচীন যেমন সত্যিকারের আইডল, কিন্তু ম্যারাডোনা নন। ক্রীড়া তারকাদের কাছে মানুষ পরিচ্ছন্ন ইমেজ চায়, চায় তার মতো হতে। কিন্তু ম্যারাডোনা যত বড় তারকাই হন, যত ভালো ফুটবলই খেলুন; কোনো অভিভাবকই চাইবেন না তার সন্তান ম্যারাডোনার মতো হোক। এই যেমন বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব। কিন্তু তিনি আইডল নন, আইডল হবেন মাশরাফি। আশরাফুলও আইডল হবেন না।
সন্তানের হাত থেকে ব্যাট কেড়ে নেওয়াও যেমন ঠিক নয়। আবার টাকা কামানোর মেশিন বানাতে সব ছেড়ে সারা দিন ক্রিকেটে ফেলে রাখাটাও ঠিক নয়। বাংলাদেশে ক্রিকেটে গ্ল্যামার, অর্থের ঝনঝনানি দেখে অভিভাবকরা সন্তানদের সাকিব-মাশরাফি বানাতে ব্যাকুল হয়ে যান। কিন্তু সবাই সাকিব-মাশরাফি হবেন না। সবাই ক্রিকেটারাও হবেন না। শুধু যে সাকিব বা মাশরাফি হওয়ার জন্যই খেলতে হবে, তা নয়। খেলাটা হতে হবে আনন্দের জন্য, চিত্তের তৃপ্তির জন্য, সুস্থ থাকার জন্য। বিষয়টা হলো, যার কাছে যেটা ভালো লাগে। কারও ভালো লাগবে কুস্তি, কারও কাবাডি, কারও ফুটবল, কারও বা ক্রিকেট। আনন্দটাই যেন মুখ্য হয়, অর্থটা নয়। কিন্তু ইদানিং সারা বিশ্বেই পাল্টে গেছে চক্র। খেলা মানেই টাকা; আবেগ পরে, আগে টাকা। এই যেমন এখন পাকিস্তানের আচরণ নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিবাদে উত্তাল। দাবি উঠেছে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার। কিন্তু টাকার লোভে সাকিবরা ঠিকই খেলতে যাচ্ছেন পাকিস্তান ক্রিকেট লিগে। আগে খেলোয়াড়দের সঙ্গে ক্লাবের নাম মিলেমিশে যেত। কাজী সালাউদ্দিন মানেই আবাহনী, সালাম মুর্শেদী মানেই মোহামেডান। কিন্তু এখন কথা দেওয়ার পরও বাড়তি টাকা পেলে ক্লাব বদলে ফেলার ঘটনা অহরহই ঘটে। পেশাদারিত্বের দোহাই দিয়ে সবাই আবেগটাকে দূরে রাখেন। অথচ আমার কাছে খেলাধুলায় আবেগটাই মুখ্য। আমি একটু পুরোনো ঘরানার— ফুটবলে জয়ের চেয়ে শৈল্পিক সৌন্দর্য বেশি চাই, ধুমধারাক্কা টি-২০’র চেয়ে অলস টেস্টই মন কাড়ে বেশি। খেলা আমার কাছে নিছক খেলা নয়, জীবনাচরণ। খেলাধুলা থেকে আমি জীবনের শিক্ষা নিই। সব সময় হয়তো পারি না, কিন্তু আমি সবকিছু স্পোর্টিংলি নেওয়ার চেষ্টা করি। সবকিছুতে সিরিয়াস হয়ে বেঁচে থাকার আনন্দটা মাটি করতে চাই না। কিন্তু ইদানিং অন্য সব ক্ষেত্রে তো বটেই, স্পোর্টসেই স্পোর্টিং স্পিরিটের বড় ঘাটতি। তবু আমি জানি খেলাধুলাতেই সব আনন্দ। আমরা যদি লোভের গরলটুকু ছেকে ফেলে স্পোর্টসের আনন্দটুকু নিতে পারি, বেঁচে থাকার মানেই বদলে যেতে পারে। তাই বইয়ের নাম ‘স্পোর্টিংলি নাও’। জীবন একটাই, জীবন অমূল্য। জীবন শুধু যাপন করার জন্য নয়, উদযাপনেরও। আর এই উদযাপনের রসদ আমি পাই খেলাধূলা থেকে।
বইয়ের পাণ্ডুলিপি গোছাতে গিয়ে একটা তৃপ্তি পেলাম। গত বিশ্বকাপের পর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট যে স্বপ্নের সময় পার করছে, তার একটা ধারাবিবরণীর মত আছে এতে। মাশরাফির নেতৃত্বে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের পাশে কলম হাতে আমিও ছিলাম ভেবে ভালো লাগছে। আজ গোটা বাংলাদেশ মাশরাফি-জাদুতে বুঁদ। ভালো লাগছে, মাশরাফিতে আমি বুঁদ আরও অনেক আগে থেকেই।
যত দিন ক্রীড়া সাংবাদিকতা করেছি, মনের আনন্দেই করেছি। তখনই শুনেছি, এখনো শুনি, অনেকেই নাকি ক্রীড়া সাংবাদিকতা করতে আসেনই বিদেশে পাড়ি জমাতে। বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্ট কাভার করতে গিয়ে ফিরে না আসা ক্রীড়া সাংবাদিকদের তালিকা কম লম্বা নয়। আমি যখন ক্রীড়া সাংবাদিকতা ছেড়ে দিই, তখনো আমাকে আটকানোর জন্য লোভ দেখানো হয়েছে, আরে মিয়া, থাকো। স্পোর্টসে থাকলে দেশ-বিদেশে ঘুরতে পারবা। সুযোগমতো ইউরোপ-আমেরিকা গিয়ে সেটেল করতে পারবা। এই জিনিসটা আমি জানি। আর কখনোই বিদেশে গিয়ে সেটেল করার কোনো ইচ্ছা আমার ছিল না, এখনো নেই। তাই সেই লোভের ফাঁদে পা দিইনি। তবে সবাই এমন নন, অল্প কয়েকজন এমন পূর্বপরিকল্পনা নিয়ে ক্রীড়া সাংবাদিকতায় আসেন। যারা এখন ক্রীড়া সাংবাদিকতা করছেন, তাদের সবার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। আমি ছেড়ে এসেছি বটে, তবে তা ক্রীড়া সাংবাদিকতাকে খাটো করতে নয়। প্রতিদিন তারকাদের সঙ্গে ওঠাবসার যে সুযোগ, তা এখনো টানে। আমি শুধু আমার কাজের ক্ষেত্রটা বড় করতে চেয়েছিলাম। তবে ক্রীড়া এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার জন্য আমার অগাধ ভালোবাসা ছিল, আছে, আশা করি থাকবে।
মোস্তফা মামুনের লেখার ভক্ত আমি। শুধু খেলাধুলাবিষয়ক লেখা নয়, তার গদ্যের হাত অসাধারণ, গল্প বলার ঢং অননুকরণীয়। কালের কণ্ঠের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার পরও এমন চমৎকার সব লেখা লেখেন কীভাবে? বইমেলার আগে নিশ্চয়ই তার ঘাড়ে প্রকাশকদের তাগাদার বিশাল বোঝা। ভয়ে ভয়ে সেই বিশাল বোঝায় চাপিয়ে দিলাম এইটুকু শাকের আঁটি। এত অল্প সময়ের নোটিশে এমন চমৎকার একটি ভূমিকা শুধু মামুনের পক্ষেই লেখা সম্ভব। ভূমিকা পড়ে আনন্দের চেয়ে লজ্জা পেয়েছি বেশি। এই বইয়ের সবচেয়ে ভালো লেখা মোস্তফা মামুনের এই ভূমিকাটুকুই। দুয়েকজন বোকা পাঠক যদি বইটি কেনেন তো মামুনের লেখার জন্যই কিনবেন।
সাবেক ক্যাবিনেট সচিব মুজিবুল হকের একটি থিওরি আমি সবসময় মেনে চলি। তিনি বলেছিলেন, সময়মত কোনো কাজ করাতে চাইলে, আপনার পাশের সবচেয়ে ব্যস্ত লোকটিকে কাজটি দিন। সেই থিওরি মেনেই মামুনকে ভূমিকা লিখতে বলেছিলাম। থিওরি আবারও ঠিক হলো, পান্ডুলিপির আগেই ভূমিকা হাজির।
প্রান্ত ঘোষ দস্তিদারের করা প্রচ্ছদটি বইয়ের নামের সঙ্গে কিছুটা বেমানান হয়তো। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বদলে যাওয়ার প্রতীকি ছবি এটি। খুলনা টেস্টে পাকিস্তানের ওয়াহাব রিয়াজের চোখে চোখ রেখে গলার রগ ফুলিয়ে সাকিবের জবাব দিতে পারাটাই এখন বাংলাদেশ। আমরা আর কাউকে ডরাই না।
প্রসূন আমার সব দোষ পায়নি। খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসাটা পেয়েছে। এই বইটা নিশ্চয়ই বাবার ছেলে আনন্দ নিয়ে পড়বে। আমি চাই প্রসূনরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধূলাটাও ভালোবাসুক। তাদের ছেলেবেলাটা হোক সুমনের গারেন মত ‘একটু পড়া, অনেক খেলা, গল্প শোনার সন্ধ্যে বেলা।’

কিছু অংশ পড়ুন
Compare
Add to wishlist
Share:
  • Description
  • Reviews (0)
Description

স্পোর্টিংলি নাও
প্রভাষ আমিন
জীবন শুধু যাপনের নয়, উদযাপনেরও
এই বইটি হওয়ার কথা ছিল না, অন্তত আমার পরিকল্পনায় ছিল না। প্রকাশক যখন আমাকে ফোন করে পাণ্ডুলিপি চাইলেন, স্বভাববিরুদ্ধভাবে আমি মুখের ওপর না করে দিয়েছি। না করার কারণ, আমার কাছে কোনো পাণ্ডুলিপি নেই। আর আগে থেকেই পরিকল্পনা করা বই গোছাতে এত ব্যস্ত ছিলাম যে নতুন করে ভাবার সুযোগই ছিল না। অপরিচিত প্রকাশককে না করলেও আমি একটু বিস্মিত হয়েছি, আমার মতো অচল লেখকের কাছে পাণ্ডুলিপি চায়, এমন বোকা প্রকাশকও বাংলাদেশে আছেন! মুখে না বললেও মনের ভেতরে নিশ্চয়ই ‘হ্যাঁ’ ছিল। তাই অন্য পাণ্ডুলিপি গোছাতে গোছাতে মনে মনে ভাবছিলাম। পাণ্ডুলিপি গোছাতে গিয়ে দেখি হিমশিম অবস্থা। সারা বছর এত আজেবাজে লেখা লিখেছি, এখন কোনটা রেখে কোনটা ফেলি অবস্থা। বাছতে বাছতেই দেখি খেলাধুলা নিয়ে বেশ কিছু লেখা হয়ে গেছে। এগুলো আলাদা করলে কেমন হয়, এমন ভাবতেই ভাবতেই বাংলাট্রিবিউনের শেরিফের ফোন। এবার আর না করা গেল না। এই হলো এই বইয়ের ইতিহাস। পাণ্ডুলিপি গোছাতে পড়তে গিয়ে দেখি ছেলেবেলা থেকে খেলাধুলার প্রতি যে গভীর মমতা, তার একটা প্রকাশ হয়ে যাবে এ বইয়ে।
খেলাধুলাটা কেন গুরুত্বপূর্ণ? মানুষের শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য খেলা দরকার, এটা তো আমরা সবাই জানি, কিন্তু মানি না। আমাদের অভিভাবকরা খেলাধুলাকে মনে করেন সময় নষ্ট। বাংলাদেশের অনেক তারকা ক্রিকেটার ছেলেবেলায় খেলার জন্য বাবা-মায়ের অনেক মার খেয়েছেন। অনেকের ব্যাট কেটে ফেলা হয়েছে। আবার সাকিব আল হাসান এক লাখ ডলারে পাকিস্তানে খেলতে যাচ্ছেন, এটা শুনে আমার এক সহকর্মী বললেন, তার ছেলেকে লেখাপড়া না করিয়ে শুধু ক্রিকেট খেলাবেন। শুনে আমার ভালো লাগেনি। কারণ তার আগ্রহে ক্রিকেটের প্রতি বা খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল না, ছিল ডলারের প্রতি লোভ। আমি বিশ্বাস করি না, সারা দিন ব্যাট-বল নিয়ে পড়ে থাকলেই কাউকে ডলার কামানো সাকিব আল হাসান বানানো সম্ভব। সাকিব আল হাসানরা জন্মায় প্রতিভা নিয়ে তাদের বানানো যায় না। পরে প্রতিভার পরিপূর্ণ বিকাশে, অভিভাবক বা কোচ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু প্রতিভা নেই, ভালোবাসা নেই; খালি প্র্যাকটিস করেই ভালো ক্রিকেটার বনে গেছেন, এমন ইতিহাস নেই। প্রতিভার কথাই যখন এল, তখন শচীন টেন্ডুলকার আর বিনোদ কাম্বলির গল্পটা বলে নিই। ১৯৮৮ সালে হ্যারিস শিল্ডে সারদাশ্রম বিদ্যামন্দিরের হয়ে শচীন আর বিনোদ জুটি করেছিলেন ৬৬৪ রান। যেকোনো জুটিতে সেই বিশ্বরেকর্ড এখনো অক্ষুণ্ন আছে। তখন ওই দুই প্রতিভাবান স্কুলবালককে নিয়ে অনেক হইচই হয়েছে। বলাবলি হচ্ছিল, এই দুজনের মধ্যে বিনোদ কাম্বলি বেশি প্রতিভাবান ছিলেন। সেই প্রতিভার ছিটেফোটা ক্রিকেটবিশ্ব দেখেছে বটে, তবে বিনোদ কাম্বলির খ্যাতি ক্রিকেটের কারণে নয়, কুখ্যাতি প্রতিভার অপচয়ের উদাহরণ হিসেবে। আর শচীন খেলাটির প্রতি ভালোবাসা, একাগ্রতা, নিয়মানুবর্তিতা দিয়ে নিজেকে পরিণত করেছেন একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে। আমি বারবার শচীনকে দেখি আর শিখি, সবাইকে শিখতে বলি। গোটা ক্যারিয়ারে প্রচারের আলোয় থাকলেও কোনো বিতর্ক নেই। যত বড়, তত বিনয়ী; এই আপ্তবাক্য সত্য মনে হয় শচীনকে দেখলে। ক্রীড়া তারকারা তরুণদের আইডল হন, তবে সবাই নয়। শচীন যেমন সত্যিকারের আইডল, কিন্তু ম্যারাডোনা নন। ক্রীড়া তারকাদের কাছে মানুষ পরিচ্ছন্ন ইমেজ চায়, চায় তার মতো হতে। কিন্তু ম্যারাডোনা যত বড় তারকাই হন, যত ভালো ফুটবলই খেলুন; কোনো অভিভাবকই চাইবেন না তার সন্তান ম্যারাডোনার মতো হোক। এই যেমন বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব। কিন্তু তিনি আইডল নন, আইডল হবেন মাশরাফি। আশরাফুলও আইডল হবেন না।
সন্তানের হাত থেকে ব্যাট কেড়ে নেওয়াও যেমন ঠিক নয়। আবার টাকা কামানোর মেশিন বানাতে সব ছেড়ে সারা দিন ক্রিকেটে ফেলে রাখাটাও ঠিক নয়। বাংলাদেশে ক্রিকেটে গ্ল্যামার, অর্থের ঝনঝনানি দেখে অভিভাবকরা সন্তানদের সাকিব-মাশরাফি বানাতে ব্যাকুল হয়ে যান। কিন্তু সবাই সাকিব-মাশরাফি হবেন না। সবাই ক্রিকেটারাও হবেন না। শুধু যে সাকিব বা মাশরাফি হওয়ার জন্যই খেলতে হবে, তা নয়। খেলাটা হতে হবে আনন্দের জন্য, চিত্তের তৃপ্তির জন্য, সুস্থ থাকার জন্য। বিষয়টা হলো, যার কাছে যেটা ভালো লাগে। কারও ভালো লাগবে কুস্তি, কারও কাবাডি, কারও ফুটবল, কারও বা ক্রিকেট। আনন্দটাই যেন মুখ্য হয়, অর্থটা নয়। কিন্তু ইদানিং সারা বিশ্বেই পাল্টে গেছে চক্র। খেলা মানেই টাকা; আবেগ পরে, আগে টাকা। এই যেমন এখন পাকিস্তানের আচরণ নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিবাদে উত্তাল। দাবি উঠেছে পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার। কিন্তু টাকার লোভে সাকিবরা ঠিকই খেলতে যাচ্ছেন পাকিস্তান ক্রিকেট লিগে। আগে খেলোয়াড়দের সঙ্গে ক্লাবের নাম মিলেমিশে যেত। কাজী সালাউদ্দিন মানেই আবাহনী, সালাম মুর্শেদী মানেই মোহামেডান। কিন্তু এখন কথা দেওয়ার পরও বাড়তি টাকা পেলে ক্লাব বদলে ফেলার ঘটনা অহরহই ঘটে। পেশাদারিত্বের দোহাই দিয়ে সবাই আবেগটাকে দূরে রাখেন। অথচ আমার কাছে খেলাধুলায় আবেগটাই মুখ্য। আমি একটু পুরোনো ঘরানার— ফুটবলে জয়ের চেয়ে শৈল্পিক সৌন্দর্য বেশি চাই, ধুমধারাক্কা টি-২০’র চেয়ে অলস টেস্টই মন কাড়ে বেশি। খেলা আমার কাছে নিছক খেলা নয়, জীবনাচরণ। খেলাধুলা থেকে আমি জীবনের শিক্ষা নিই। সব সময় হয়তো পারি না, কিন্তু আমি সবকিছু স্পোর্টিংলি নেওয়ার চেষ্টা করি। সবকিছুতে সিরিয়াস হয়ে বেঁচে থাকার আনন্দটা মাটি করতে চাই না। কিন্তু ইদানিং অন্য সব ক্ষেত্রে তো বটেই, স্পোর্টসেই স্পোর্টিং স্পিরিটের বড় ঘাটতি। তবু আমি জানি খেলাধুলাতেই সব আনন্দ। আমরা যদি লোভের গরলটুকু ছেকে ফেলে স্পোর্টসের আনন্দটুকু নিতে পারি, বেঁচে থাকার মানেই বদলে যেতে পারে। তাই বইয়ের নাম ‘স্পোর্টিংলি নাও’। জীবন একটাই, জীবন অমূল্য। জীবন শুধু যাপন করার জন্য নয়, উদযাপনেরও। আর এই উদযাপনের রসদ আমি পাই খেলাধূলা থেকে।
বইয়ের পাণ্ডুলিপি গোছাতে গিয়ে একটা তৃপ্তি পেলাম। গত বিশ্বকাপের পর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট যে স্বপ্নের সময় পার করছে, তার একটা ধারাবিবরণীর মত আছে এতে। মাশরাফির নেতৃত্বে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের পাশে কলম হাতে আমিও ছিলাম ভেবে ভালো লাগছে। আজ গোটা বাংলাদেশ মাশরাফি-জাদুতে বুঁদ। ভালো লাগছে, মাশরাফিতে আমি বুঁদ আরও অনেক আগে থেকেই।
যত দিন ক্রীড়া সাংবাদিকতা করেছি, মনের আনন্দেই করেছি। তখনই শুনেছি, এখনো শুনি, অনেকেই নাকি ক্রীড়া সাংবাদিকতা করতে আসেনই বিদেশে পাড়ি জমাতে। বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্ট কাভার করতে গিয়ে ফিরে না আসা ক্রীড়া সাংবাদিকদের তালিকা কম লম্বা নয়। আমি যখন ক্রীড়া সাংবাদিকতা ছেড়ে দিই, তখনো আমাকে আটকানোর জন্য লোভ দেখানো হয়েছে, আরে মিয়া, থাকো। স্পোর্টসে থাকলে দেশ-বিদেশে ঘুরতে পারবা। সুযোগমতো ইউরোপ-আমেরিকা গিয়ে সেটেল করতে পারবা। এই জিনিসটা আমি জানি। আর কখনোই বিদেশে গিয়ে সেটেল করার কোনো ইচ্ছা আমার ছিল না, এখনো নেই। তাই সেই লোভের ফাঁদে পা দিইনি। তবে সবাই এমন নন, অল্প কয়েকজন এমন পূর্বপরিকল্পনা নিয়ে ক্রীড়া সাংবাদিকতায় আসেন। যারা এখন ক্রীড়া সাংবাদিকতা করছেন, তাদের সবার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। আমি ছেড়ে এসেছি বটে, তবে তা ক্রীড়া সাংবাদিকতাকে খাটো করতে নয়। প্রতিদিন তারকাদের সঙ্গে ওঠাবসার যে সুযোগ, তা এখনো টানে। আমি শুধু আমার কাজের ক্ষেত্রটা বড় করতে চেয়েছিলাম। তবে ক্রীড়া এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার জন্য আমার অগাধ ভালোবাসা ছিল, আছে, আশা করি থাকবে।
মোস্তফা মামুনের লেখার ভক্ত আমি। শুধু খেলাধুলাবিষয়ক লেখা নয়, তার গদ্যের হাত অসাধারণ, গল্প বলার ঢং অননুকরণীয়। কালের কণ্ঠের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার পরও এমন চমৎকার সব লেখা লেখেন কীভাবে? বইমেলার আগে নিশ্চয়ই তার ঘাড়ে প্রকাশকদের তাগাদার বিশাল বোঝা। ভয়ে ভয়ে সেই বিশাল বোঝায় চাপিয়ে দিলাম এইটুকু শাকের আঁটি। এত অল্প সময়ের নোটিশে এমন চমৎকার একটি ভূমিকা শুধু মামুনের পক্ষেই লেখা সম্ভব। ভূমিকা পড়ে আনন্দের চেয়ে লজ্জা পেয়েছি বেশি। এই বইয়ের সবচেয়ে ভালো লেখা মোস্তফা মামুনের এই ভূমিকাটুকুই। দুয়েকজন বোকা পাঠক যদি বইটি কেনেন তো মামুনের লেখার জন্যই কিনবেন।
সাবেক ক্যাবিনেট সচিব মুজিবুল হকের একটি থিওরি আমি সবসময় মেনে চলি। তিনি বলেছিলেন, সময়মত কোনো কাজ করাতে চাইলে, আপনার পাশের সবচেয়ে ব্যস্ত লোকটিকে কাজটি দিন। সেই থিওরি মেনেই মামুনকে ভূমিকা লিখতে বলেছিলাম। থিওরি আবারও ঠিক হলো, পান্ডুলিপির আগেই ভূমিকা হাজির।
প্রান্ত ঘোষ দস্তিদারের করা প্রচ্ছদটি বইয়ের নামের সঙ্গে কিছুটা বেমানান হয়তো। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বদলে যাওয়ার প্রতীকি ছবি এটি। খুলনা টেস্টে পাকিস্তানের ওয়াহাব রিয়াজের চোখে চোখ রেখে গলার রগ ফুলিয়ে সাকিবের জবাব দিতে পারাটাই এখন বাংলাদেশ। আমরা আর কাউকে ডরাই না।
প্রসূন আমার সব দোষ পায়নি। খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসাটা পেয়েছে। এই বইটা নিশ্চয়ই বাবার ছেলে আনন্দ নিয়ে পড়বে। আমি চাই প্রসূনরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধূলাটাও ভালোবাসুক। তাদের ছেলেবেলাটা হোক সুমনের গারেন মত ‘একটু পড়া, অনেক খেলা, গল্প শোনার সন্ধ্যে বেলা।’

Reviews (0)

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “স্পোর্টিংলি নাও” Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related products

-40%
Compare

Question Bank

প্রকাশক, দি বুক সেন্টার, ইংরেজি সাহিত্যের বই
৳ 360.00 Original price was: ৳ 360.00.৳ 216.00Current price is: ৳ 216.00.
Add to wishlist
Add to cart
Quick view
-18%
Placeholder
Compare

ইন্ট্রাপ্রেনিউর

প্রকাশক, অদম্য প্রকাশ
৳ 380.00 Original price was: ৳ 380.00.৳ 310.00Current price is: ৳ 310.00.
লেখক : কে. এম. হাসান রিপন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : উদ্যোক্তা
পৃষ্ঠা : 136, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2023
আইএসবিএন : 9789849665588
একজন সফল ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা স্মার্ট প্রফেশনাল হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ স্বীকার, প্রতিদিন শেখার মানসিকতা এবং সময়ের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেবার ইচ্ছার সমন্বয় প্রয়োজন। আপনি যদি ক্রমাগত নতুন চ্যালেঞ্জ, কৌতুহলী মানসিকতা ও সুযোগ খোঁজার স্পৃহা মনের মধ্যে লালন করতে পারেন তাহলেই আপনি প্রতিদিন অর্জন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন। হতাশা আপনাকে ছুঁতে পারবে না। ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা স্মার্ট প্রফেশনাল হওয়ার ক্ষেত্রে আরো বড় একটি বাধা আপনাকে অতিক্রম করতে হবে সেটি হলো অন্যের অনুমানকে যাচাই বাছাই ছাড়া বিশ্বাস করে হাল ছেড়ে দেয়া। মনে রাখবেন আপনাকে থামিয়ে দেবার মানুষ যেমন আছে তেমনি আপনাকে এগিয়ে দেবার মানষও অনেক আছে। অতএব আপনার বিচক্ষণতার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা এখানে অত্যন্ত প্রয়োজন। সবসময় আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার কাজের মাধ্যমে ইতিবাচক প্রভাব সমাজে এবং বিশ্বে বিস্তার করছে কিনা। আপনার সহকর্মী, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অন্যদের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলবেন যার ভিত্তি হবে বিশ্বাস। সম্পর্ক উন্নয়ন এবং টেকসই করতে আপনাকে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে তাহলেই আপনি বড় বড় বাধা সহজেই অতিক্রম করতে পারবেন এবং একজন ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা পেশাদার হিসাবে আপনার লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়ে যাবে। সর্বোপরি, মনে রাখবেন যে সাফল্য কেবল আপনার নিজের লক্ষ্য অর্জনকেই বোঝায় না, বরং অন্যদের উপর কি রকম ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে সেটাকেও বোঝায়। অতএব লক্ষ্যকে বড় করুন, হয়তো শুরুটা ছোটো হবে প্রথম দিকে। ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে “Think Global, Start With Local”. পেশাদারদের জন্য সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় এমন কোন নির্দিষ্ট সূত্র বা ফর্মূলা নেই। তবে কিছু মানুষের সাফল্যকে পর্যালোচনা করলে আপনি অনুপ্রাণিত হবার মতো অনেক উদাহরণ দেখতে পাবেন। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে বর্তমানকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে আপনি যখন আপনার কাঙ্খিত সাফল্য অর্জন করবেন। তখন আপনার সাফল্যের গল্প আরেকজনের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে যাবে।
Add to wishlist
Add to cart
Quick view
-20%
Placeholder
Compare

এমপ্লয়াবিলিটি

প্রকাশক, অদম্য প্রকাশ
৳ 450.00 Original price was: ৳ 450.00.৳ 360.00Current price is: ৳ 360.00.
লেখক : কে. এম. হাসান রিপন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : প্রফেশনাল ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন
কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2021
আইএসবিএন : 9789849532156, ভাষা : বাংলা
যিনি কাজ করছেন বা যিনি কাজ খুঁজছেন বা যিনি কাজ করবেন বলে ভাবছেন, প্রত্যকের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ হল ”এমপ্লায়াবিলিটি” বা কর্মদক্ষতা। একটি কাজ পেতে এবং কাজটি ধরে রাখতে, একটি সুযোগ পেতে বা একটি সুযোগ কে ধরে রাখতে বা সুযোগ আসবার পথ কে প্রসারিত করতে প্রয়োজন এমপ্লাবিলিটি। ”আমি জানি, কিন্তু আমি নিজ হাতে করতে পারি না” এটি এমপ্লায়াবিলিটি নয়। বরং এমপ্লায়াবিলিটি হচ্ছে ”আমি জানি এবং কর্মক্ষেত্রের নিয়ম অনুসারে নিজ হাতে করতে পারি”। আমাদের বইটি’তে এই এমপ্লায়াবিলিটিকেই বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই বইটি তে মোট ১২টি অধ্যায় রয়েছে এবং এই ১২টি অধ্যায় আপনার জন্য ১২টি গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে যা আপনার জন্য ৩৬০ ডিগ্রী মডেল অনুযায়ী এই বই’তে সাজানো হয়েছে। আপনার যখন যে অধ্যায় প্রয়োজন, সেই অধ্যায় পড়বেন এবং প্রতিটি অধ্যায় শেষে রয়েছে অনুশীলনী। প্রতিটি অনুশীলনী নিজের জন্য সম্পূর্ণ করবেন। আমরা যেহেতু বলছি কাজ পাবার এবং কাজটি ধরে রাখার ফর্মুলা হচ্ছে এমপ্লায়াবিলিটি। তাই বইটি আপনি পড়বেন এবং আপনার জীবনকে রুপান্তর করবার জন্য প্রতিনিয়ত অনুশীলন করবেন। মনে রাখতে হবে, সফলতার কোন গোপন রহস্য নেই। আপনার সফলতার ফর্মূলা আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। শুরু থেকে শীর্ষে যেতে বইটি আপনার গাইড হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করছি।
Add to wishlist
Add to cart
Quick view
-21%
Placeholder
Compare

ক্যারিয়ার এক্সসিলেন্স

প্রকাশক, অদম্য প্রকাশ
৳ 380.00 Original price was: ৳ 380.00.৳ 300.00Current price is: ৳ 300.00.
লেখক : কাজী তাফসিরুল ইসলাম
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 112, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835615, ভাষা : বাংলা
স্বপ্ন দেখা জরুরী। এমন স্বপ্ন দেখুন যেগুলো চোখ খোলা অবস্থায় দেখা যায়, যাতে আপনি সেই স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে পারেন। এমন স্বপ্ন, যা আপনাকে ঘুমাতে দেয় না। স্বপ্ন দেখুন, যতই অসম্ভব বা অদ্ভুত মনে হোক, আশেপাশের সবাই বলুক এই স্বপ্ন বাস্তব না, তাও দেখুন, ততক্ষণ দেখুন, যতক্ষণ না সপ্ন টা আপনার বাস্তবতা হয়ে যায়। আমাদের অস্তিত্বের মূল ভিত্তি হল সপ্ন নিয়ে বেচে থাকা। তরুণরা তাদের লক্ষ্য থেকে সরে যাচ্ছে, এর থেকে ভয়ের আর কিছু হতে পারে না। স্বপ্ন এবং লক্ষ্য হলো জীবনের চালিকা শক্তি, এবং এই বইটি হলো সেই শক্তির মানচিত্র। আমি এই বইটি লিখেছি পরামর্শদাতার ভূমিকায়, যাতে আপনি আপনার সম্পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারেন। ক্যারিয়ার এক্সেলেন্স” আপনাকে দেখাবে কিভাবে আপনার স্বপ্নগুলোকে অবিশ্বাস্য সম্ভাবনায় পরিণত করা যায়। এই বইটি আপনার সাথে ভাগ করবে লেখকের অভিজ্ঞতা
Add to wishlist
Add to cart
Quick view
-19%
Placeholder
Compare

ডেটা অ্যানালাইসিস ও ভিজ্যুয়ালাইজেশনে পাইথনের ব‍্যবহার

প্রকাশক, অদম্য প্রকাশ
৳ 580.00 Original price was: ৳ 580.00.৳ 470.00Current price is: ৳ 470.00.
লেখক : আকছাদুর রহমান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি
পৃষ্ঠা : 264, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849856511, ভাষা : বাংলা
আজকের ডিজিটাল যুগে ডেটার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ডেটা অ্যানালাইসিস ও ভিজ্যুয়ালাইজেশন খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এমনকি ডেটাসংক্রান্ত পেশার জনপ্রিয়তার জন্য ডেটা সায়েন্স বিষয়টিকে উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যক্রমেও চালু করা হচ্ছে। বিভিন্ন কোম্পানিতে ক্রেতাদের পছন্দ-অপছন্দ বোঝার জন্য ডেটা সংগ্রহ করে তার বিশদ ব্যাখ্যা বুঝে ও মূল্যায়ন করেই কোম্পানিগুলো তাদের নানাবিধ প্রোডাক্ট বানায়। তাই যদি আপনি কোনো ডেটা থেকে সহজেই কোনো প্যাটার্ন বানাতে পারেন বা আপনার বিশ্লেষণী ক্ষমতা ব্যবহার করে যেকোনো সমস্যার সমাধানে পারদর্শী হন, তা হলে ডেটা অ্যানালিস্ট হিসাবে আপনিও প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন। ডেটা অ্যানালাইসিসের গুরুত্ব আরও অনেক দিক থেকে বলা যেতে পারে : ক্রেতা ও প্রতিযোগী সংস্থার মনোভাব বোঝা : ডেটা অ্যানালিসিসের মাধ্যমে ক্রেতা ও প্রতিযোগী সংস্থার মনোভাব বোঝা সম্ভব হয় এবং তাই কোনো সংস্থার সম্ভাব্য সাফল্য বা ব্যর্থতাও অনুমান করা যায়। এছাড়াও ডেটা অ্যানালিসিসের দ্বারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোন পোস্ট বা ট্রেন্ড ভাইরাল হচ্ছে, কোন সিনেমা মানুষ পছন্দ করছে, এমনকি কোন সময়ে কোন লেখা পোস্ট করলে বেশি লোক দেখছে, তা-ও বোঝা সম্ভব হয়। অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সাহায্য করে : ডেটা অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে একটি ব্যবসা, প্রকল্প, বা প্রতিষ্ঠানের কাজের পারফরম্যান্স বৃদ্ধি করা যায়। এটি ব্যবসায় অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সাহায্য করে। ভবিষ্যতের প্রজ্ঞান তৈরি করতে সাহায্য করে : ডেটা অ্যানালাইসিস দ্বারা পূর্বের তথ্য থেকে ভবিষ্যতের প্রজ্ঞান তৈরি করা যায়, যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ভবিষ্যতে যে ধরনের পরিবর্তন হতে পারে তা অনুমান করা যায়। গবেষণা এবং নতুন উদ্ভাবন আবিষ্কার করতে সাহায্য করে : ডেটা অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে নতুন উদ্ভাবন আবিষ্কার করা হয় যা গবেষণা, উদ্যোগ, এবং ব্যক্তিগত বা পেশাদার কাজে সাহায্য করে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সাহায্য করে : ডেটা অ্যানালাইসিস প্রাপ্ত তথ্য ও জ্ঞানের আলোকে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। ব্যক্তিগত সফলতা বা অর্জিত অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করতে সাহায্য করে : ব্যক্তিগত সফলতা বা অর্জিত অভিজ্ঞতা দেখে ডেটা অ্যানালাইসিস করা হয় যাতে আমাদের জীবনেকে সঠিক এবং উপযোগী দিকে পরিচালিত করা যায়। মার্কেট রিসার্চে ব্যবহার করা হয় : পণ্য বা পরিষেবা উন্নত করতে, নতুন পণ্য বা সেবা উৎপাদন করতে, মার্কেটিং রিসার্চ করার জন্য ডেটা অ্যানালাইসিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে, ডেটা অ্যানালাইসিস একটি ব্যবসা, গবেষণা, বা যেকোনো ধরনের সংগঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া, সঠিক পথে চলা, এবং সার্বিক সফলতা অর্জনে সাহায্য করতে ডেটা অ্যানালাইসিস অপরিহার্য। এই বইটিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে ডেটা অ্যানালাইসিস ও ভিজ্যুয়ালাইজেশন করতে পাইথন ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগুলো দেখানো হয়েছে। বইটিতে ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট (IDE) হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে বহুল ব্যাবহৃত এবং ডেটা অ্যানালাইসিসের জন্য বিশেষায়িত জুপিটার নোটবুক। প্রোগ্রামিং কৌশলগুলো রপ্ত করতে করতে ডেটা অ্যানালাইসিস ও ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের দিকে এগিয়ে গেলে, আপনি বুঝতে পারবেন বইটি কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের চাবিকাঠি হয়ে উঠছে এবং আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে যাচ্ছে। এই বইটি তাদের জন্য যারা পাইথন দিয়ে ডেটা অ্যানালাইসিস ও ভিজ্যুয়ালাইজেশন শিখতে চান এবং ডেটা অ্যানালিস্ট বা ডেটা ইঞ্জিনিয়ার হতে চান। এটির জন্য প্রাথমিক প্রোগ্রামিং জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। তাই এই বইটি পড়ার আগে আমার লেখা ‘সবার জন্য পাইথন’ বইটি পড়ে নিলে ভালো হয়।
Add to wishlist
Add to cart
Quick view
-19%
Placeholder
Compare

সবার জন্য পাইথন

প্রকাশক, অদম্য প্রকাশ
৳ 415.00 Original price was: ৳ 415.00.৳ 335.00Current price is: ৳ 335.00.
লেখক : আকছাদুর রহমান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
পৃষ্ঠা : 188, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2023
আইএসবিএন : 9789849760856, ভাষা : বাংলা
পাইথন একটি বহুমুখী, উচ্চ-কর্মক্ষমতা এবং সহজে শেখার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এর ব্যবহার এবং শেখার সরলতা, বহুমুখীতা, কর্মক্ষমতা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং বৈজ্ঞানিক কম্পিউটিং এর জন্য শক্তিশালী সাপোর্ট, বৃহৎ এবং সক্রিয় কমিউনিটি, অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পাইথনকে অনন্য মর্যাদায় নিয়ে গেছে৷ তাই হুহু করে বাড়ছে পাইথনের চাহিদা৷ যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রোগ্রামিং এর জগতে নিজেকে অত্যাধুনিক রাখতে পাইথন শিখুন, নিজেকে অগ্রগামী রাখুন৷ এই বইটি মূলত পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজর প্রাথমিক ও মৌলিক বিষয়গুলো শেখানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। বইটিতে মৌলিক ধারণা, সিনট্যাক্স, ভেরিয়েবল, কন্ডিশনাল স্টেটমেন্ট, লুপ, ফাংশন, লিস্ট, ডিকশনারি, ফাইল হ্যান্ডলিং, মডিউল, প্যাকেজ, ডেটা স্ট্রাকচার এন্ড অ্যালগরিদম, নাম্পাই লাইব্রেরি ও বেশ কিছু মজার প্রবলেম সলভিং ইত্যাদি বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে। যারা নতুনভাবে প্রথম কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শেখা শুরু করতে চাচ্ছেন বা পাইথনে প্রোগ্রামিং শেখার ইচ্ছা পোষণ করছেন তাদের জন্য বইটি আদর্শ হতে পারে। তবে আপনি যদি অন্যান্য ভাষায় প্রোগ্রাম করে থাকেন এবং সেই জ্ঞানের আলোকে পাইথন শিখতে চান তাহলে বইটি হবে আপনার উপযুক্ত গাইড।
Add to wishlist
Add to cart
Quick view
-20%
Placeholder
Compare

স্টেপস ফর কর্পোরেট লিডারশিপ অ্যান্ড ক্যারিয়ার পাথ

প্রকাশক, অদম্য প্রকাশ
৳ 375.00 Original price was: ৳ 375.00.৳ 300.00Current price is: ৳ 300.00.
লেখক : মোহাম্মদ সাইফ নোমান খান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : প্রফেশনাল ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন
পৃষ্ঠা : 152, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2023
আইএসবিএন : 9789849760870, ভাষা : বাংলা
আজকে অফিসের কোনো মিটিংয়ে আপনি অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু নিজের বক্তব্য তুলে ধরতে পারেননি? আজকে কোনো ইন্টার্নশিপের প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কথা রাখতে পারেননি? আজকে কোনো চাকরির ইন্টারভিউ ছিল, কিন্তু দেরি করে যাওয়ার জন্য ভালোভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেননি? আপনার উত্তর যদি না হয়, তাহলে এই বই আপনার জন্য। করপোরেট দুনিয়ার নানান দিক, নানান রঙ। করপোরেট পেশাজীবী নিজেকে তৈরি করতে তরুণ শিক্ষার্থীদের অনেক স্বপ্ন থাকে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের সরাসরি হাতেকলমে শেখার সুযোগ অনেকটাই সীমিত। কী শিখতে হবে, কীভাবে শিখতে হবে, তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জানার সুযোগ অনেক কম। আবার যারা তরুণ পেশাজীবী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন তারাও থাকেন দ্বিধায়। অথচ, পরিকল্পনা, পেশাগত কোনো লক্ষ্য অর্জন, ও কার্যকর কৌশলের মাধ্যমে নিজেকে আমাদের তরুণেরা সামনে এগিয়ে নিতে পারে। এই বইটি আসলে সেসব ক্যারিয়ার ও করপোরেট বিষয়ের একটি সংকলন মাত্র। পেশাজীবনে সাফল্য গাণিতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বসে থাকলে সেখানে কোনো অর্জন আসে না। সাফল্যের জন্য, নিজেকে বদলে ফেলার জন্য কাজ করতে হবে। কীভাবে কী করা যায়, শুরু করতে কী প্রয়োজন, এই বিষয়টি তুলে ধরার অংশ হিসেবে এই বইতে নানান বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের চিন্তা কৌশল শিখতে, সমস্যা বা সংকট সম্পর্কে জানতে, নানান নেতিবাচক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াসহ দক্ষ পেশাজীবী হয়ে ওঠার নানান কৌশল নিয়েই এই বই। ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারের জন্য নিজেকে তৈরি করতে হবে, চেষ্টা করতেই হবে। যারা চেষ্টা করছেন তাদের জন্য এই বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায় দারুণ কাজে আসবে।
Add to wishlist
Add to cart
Quick view
-19%
Placeholder
Compare

হু মুভড মাই চিজ?

প্রকাশক, অদম্য প্রকাশ
৳ 160.00 Original price was: ৳ 160.00.৳ 130.00Current price is: ৳ 130.00.
লেখক : স্পেনসার জনসন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
অনুবাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন
পৃষ্ঠা : 56, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2021
আইএসবিএন : 9789849492658
আসুন একটা গল্প শুনি, মন দিয়ে পড়ুন গল্পটি ২ টি ইঁদুর এবং মানুষের মত দেখতে ২ জন খর্বাকৃতির গল্প। ২ জন ইঁদুরের নাম স্নিফ এবং স্কারি এবং বাকি ২ জনের নাম হ এবং হেম । এরা চারজনই কোন একটা গোলকধাঁধার মধ্যে জীবন কাটায়। প্রতিদিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই গোলকধাঁধার মধ্যে দৌঁড়ে চিজ/ পনির খুঁজতে থাকে এবং পেলে তা দিয়ে জীবন ধারণ করে। তারা পনির খুঁজে পেতে অনেক কষ্ট করতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে হ এবং হেম জগিং স্যুট এবং জুতা পরে নিত যাতে তাদের দৌঁড়ে পনির খুজঁতে কোন অসুবিধা না হয়। কিন্তু একদিন!! একদিন তারা ৪ জনই চিজ স্টেশন সি তে বিশাল পনিরের মজুদ পেলো। এমন চিজ দেখে তারা পাগল প্রায়। তাঁরা তাদের জুতা ছুড়ে ফেলে সেখানেই জীবন যাপন শুরু করলো। কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই তাঁরা ধরে নিল তাদের বাকি জীবন এভাবেই চলে যাবে। হঠাৎ একদিন!! তাঁরা চিজ স্টেশন সি তে গিয়ে দেখলো সেখানে কোন পনির নেই। এটা দেখে হ এবং হেম পাগল এর মত অবস্থা। তাঁরা চিৎকার করে উঠলো, “না এমন হতে পারে না। এটা অন্যায়। আমাদের সাথে এটা হতে পারে না। ” অন্যদিকে স্নিফ এবং স্কারি এটা দেখে তাঁরা অন্য দিকে পনির খুজতে শুরু করলো। একদিন তাঁরা পেয়েও গেল চিজ স্টেশন এন এর দেখা যা চিজ স্টেশন সি এর চেয়ে বেশি। হ এবং হেম তাদের দুঃখ ভুলতে পারলো না। তাঁরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে থাকলো। এদিকে ক্ষুদার্থ থাকায় এবং ডিপ্রেশনে তাদের শরীর খারাপ হতে থাকলো। তাঁরা ভয় পেতে থাকলো অন্য কোথাও গেলে যদি তাঁরা হারিয়ে যায়, তাঁরা যদি ভালো কিছু করতে না পারে? অনাগত ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় তাঁরা তা গ্রহণ করতে রাজি ছিল না। একদিন হ চাইলো নতুন পনিরের খোঁজ করতে কিন্তু হেম কোনভাবেই তা হতে দিল না। বরং হ এর উপর রাগ দেখানো শুরু করলো। একদিন হ এর রাগ উপেক্ষা করে হেম আবার পনির খোঁজ করতে বের হল। অনেক কষ্টের পর সেও চিজ স্টেশন এন এর খোঁজ পেলো। এরমধ্যে অনেকবার হ কে রাজি করানোর ট্রাই করেও পারলো না। এবার আপনাদের কাছে প্রশ্ন- ১) আপনি পরিবর্তন ভয় পান? ২) সবসময় কমফোর্ট জোনে থাকতে চান? ৩) অন্য পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারেন না বা চান না? ৩) আপনার কি খারাপ সময় নিয়ে কোন চিন্তা থাকে না? সবগুলো প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে বইটি আপনার পড়া উচিৎ। হ্যাঁ, আমি “হু মুভড মাই চিজ” বইয়ের কথা বলছি। আপনি সামনে খুব বড় সমস্যায় পড়তে যাচ্ছেন কিংবা সমস্যার ভিতর দিয়ে যাচ্ছেন। এই বইটি/ গল্পটি মনোযোগ দিয়ে পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন, আমাদের কেমন মানসিকতা নিয়ে চলা উচিৎ বা কী করা উচিৎ? এই বইটি পড়লে অযুহাত / ভেঙ্গে না পড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর অনেক গুলো কারণ চোখে পড়তে শুরু করবে।
Add to wishlist
Add to cart
Quick view

    Customer Care

    Contact us at Live Chat
    Email: thebookcenter@gmail.com

    Category

    • লেখক
    • বিষয়
    • বইমেলা ২০২৫
    • ইসলামি বই
    • HSC ও ভর্তি প্রস্তুতি

    Quick Link

    • Order Tracking
    • Publishers
    • List
    • Reviews
    • Stationery

    Support

    • Order Track
    • Contact Us
    • Customer FAQ
    • Help Desk
    • My Account

    Stay Connected

    Facebook Instagram Youtube

    © 2026 Thebookcenterbd All rights reserved

    Close
    • Home
    • লেখক
    • প্রকাশক
    • একাডেমিক বই
    • বইমেলা ২০২৫
    • ইসলামি বই
    • ইংরেজি সাহিত্যের বই
    • বিষয়
    • অর্ডার ট্র্যাক করুন
    • আমার একাউন্ট
    Shopping cart
    Close
    Sign in
    Close


    Lost your password?

    No account yet?

    Create an Account
    Shop
    Wishlist
    1 item Cart
    My account