অন্তরীণ বসন্ত
By (author)রিফাত ফাতিমা
এই বইয়ে লেখক যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাস জীবনে করোনার প্রকোপের দিনে মারি-মৃত্যু-উৎকণ্ঠার মধ্য থেকেও প্রকৃতি, মানুষ ও জীবনের গল্প বলেছেন, ব্যক্তিগত ও মন্ময় দৃষ্টিকোণ থেকে। আখ্যান বিস্তার লাভ করেছে বাংলাদেশে শৈশব ও প্রাপ্তবয়স্ককালের নানান অনুষঙ্গ থেকে বর্তমান যাপিত জীবন অবধি। সাহিত্যরস ও সংবেদনশীল মনের অভিপ্রকাশ ছড়িয়ে রয়েছে বইয়ের পাতায় পাতায়। অন্তরীণ বসন্ত
-20%
-20%
SHORT INFO
Description
এই বইয়ে লেখক যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাস জীবনে করোনার প্রকোপের দিনে মারি-মৃত্যু-উৎকণ্ঠার মধ্য থেকেও প্রকৃতি, মানুষ ও জীবনের গল্প বলেছেন, ব্যক্তিগত ও মন্ময় দৃষ্টিকোণ থেকে। আখ্যান বিস্তার লাভ করেছে বাংলাদেশে শৈশব ও প্রাপ্তবয়স্ককালের নানান অনুষঙ্গ থেকে বর্তমান যাপিত জীবন অবধি। সাহিত্যরস ও সংবেদনশীল মনের অভিপ্রকাশ ছড়িয়ে রয়েছে বইয়ের পাতায় পাতায়।
Reviews (0)
Be the first to review “অন্তরীণ বসন্ত” Cancel reply
Related products
এক পলকে গিট ও গিটহাব
লেখক : জুনায়েদ আহমেদ
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
পৃষ্ঠা : 120, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849856559
“আমরা যারা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর সাথে যুক্ত আছি তাদের জন্য গিট খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা টুল নিজের কাজকে আরো সহজ করার জন্য। কিন্তু আমরা অনেকে গিট সম্পর্কে যথেষ্ট না জানার কারণে,অথবা না শেখার কারণে সেটা আমাদের প্রোজেক্টে ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারি না। অনেকে ব্যবহার করলেও খুবই লিমিটেড কিছু কমান্ড,টেকনিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকি। কিন্তু গিট আসলে খুবই পাওয়ারফুল একটা টুল এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। জাস্ট আমাদের একটু সময় নিয়ে,ধৈর্য্য সহকারে কিছু এফোর্ট দিয়ে সেটা ঠিকঠাক শিখে নিতে হবে। আর ঠিক সেজন্যেই আমি আপনাদের জন্য “এক পলকে গিট ও গিটহাব” নামে বইটি লিখেছি। এই বইয়ের শুরুর দিকে গল্পে গল্পে গিট সম্পর্কে ধারনা দেওয়া হয়েছে,তারপর গিটহাব নিয়েও কিছু ধারনা দেওয়া হয়েছে। গিট ও গিটহাব সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার পর ছোটো একটা প্রোজেক্ট দেখানো হয়েছে। তারপর আমাদের একটা ওপেন সোর্স চিটশিট প্রোজেক্ট ডেভসংকেতে কিভাবে কন্ট্রিবিউট করতে হবে সেটাও স্টেপ বাই স্টেপ একটা কন্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। সর্বশেষে গিট এর আরো কিছু পাওয়ারফুল কমান্ড আর টেকনিক নিয়ে ধারনা দেওয়া হয়েছে। আমি আশা করি এই বইটি আপনাদের অনেকেরই কাজে আসবে। যারা একদম স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করতে চাচ্ছেন তাদেরও কাজে আসবে। আবার যারা টুকটাক পারেন,কিন্তু পার্সোনাল হউক বা ওপেন সোর্স কোনো প্রোজেক্টে কোলাবরেট করা বা কন্ট্রিবিউট করতে পারেন না,তারাও এখান থেকে উপকৃত হবেন। আশা করি বইটি আপনাদের অনেকেরই উপকারে আসবে। উপকৃত হলে অথবা আরো অনেকের কাজে আসতে পারে মনে করলে প্লীজ বইটির কথা সবার সাথে শেয়ার করবেন। সবাইকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ!”
প্রোডাক্টিভ প্রোগ্রামার
লেখক : মোশাররফ হোসেন রুবেল
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
পৃষ্ঠা : 176, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835622, ভাষা : বাংলা
বর্তমানে অনেকেই প্রোগ্রামিং পেশাটাকে খুব সহজ-সরল পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন নানান উপায়ে।এই ফিল্ডে তুলনামূলকভাবে ভালো সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য রিসোর্স থাকায় আমরা অনেকেই এই পেশায় আকৃষ্ট হই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই পেশায় ভালো করতে হলে যেমন খুবই প্যাশনেট হতে হবে, সেইসাথে আপনাকে যথেষ্ট ধৈর্য্যশীল, মোটিভেটেড ও শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে। অন্যথায় এই পেশা প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও কম্পিটিশন খুব বেশী থাকায় এখানে আপনাকে বার্নআউট, এক জায়গায় আটকে থাকা থেকে শুরু করে নানানরকম সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এই বইয়ের লেখকের এই ফিল্ডে বেশ অনেক বছরের এক্সপেরিয়েন্স আছে। উনি একাধারে বিভিন্ন টিমের সাথে কাজ করেছেন, অন্যদেরকে প্রোগ্রামিং শিখিয়েছেন, সেইসাথে বর্তমানে এমন টিম লিড করার কাজও করে যাচ্ছেন। লেখক ঠিক উনার সেই অভিজ্ঞতাগুলোই এই বইয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। আমাদের এই প্রোগ্রামিং পেশা আমাদের এই বিশ্বে কেমন ভ্যালু তৈরি করছে, আমরা কিভাবে অন্যদেরকে প্রোগ্রামিং এর সাহায্য তাদের বিজনেস গ্রো করতে সাহায্য করছি, বিজনেসে ভ্যালু ক্রিয়েট করছি ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে। একইসাথে এই বইয়ে নতুনদের জন্য কিভাবে তাদের ক্যারিয়ার শুরু করা এবং শুরু করে নিজের বেস্ট অবস্থায় যাওয়া যেতে পারে সে ব্যাপারে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া একজন তার ক্যারিয়ারে কিভাবে প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রোডাক্টিভ রেখে নিজেকে ডেভেলপ করে যাবে, প্রতিনিয়ত নিজের বেস্ট ভার্শন হওয়ার জন্য কাজ করবে, সে ব্যাপারে বাস্তব বিভিন্নরকমের টেকনিক সম্পর্কে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। এই বইটি শুধুমাত্র নতুনদের জন্যই নয়, বরং বর্তমানে যারা অলরেডি এই প্রফেশনে আছেন তাদের ক্যারিয়ার ইমপ্রুভমেন্ট এর জন্যেও বেশ কাজে আসতে পারে। সর্বশেষে আমি বলবো এই বইটি যারা যারা প্রোগ্রামিং পেশায় আসতে চাচ্ছেন অথবা অলরেডি এই পেশায় আছেন তাদের সবার জন্য মাস্ট-রিড। এই বইয়ের উপদেশগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার স্কিল বাড়াতে, নিজেকে ডেভেলপ করতে, মোটিভেটেড রাখতে, নিজের বেস্ট ভার্শনে যেতে সহায়তা করবে। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও চ্যালেঞ্জিং এই ফিল্ডে আপনার অন্যতম সেরা বন্ধু হিসেবে এই বইটি আপনাকে উপদেশ দিয়ে যাবে।
ফ্রেশারস টু জব রেডি
লেখক : শাফী শাওন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : প্রফেশনাল ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন
পৃষ্ঠা : 160, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 789849835653, ভাষা : বাংলা
আমাদের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই হচ্ছে পরীক্ষানির্ভর। এখানে প্রায়োগিক বিষয়গুলো অনেক কম। গ্র্যাজুয়েট হওয়া এবং জব পেয়ে যাওয়া- এই দুইটার মধ্যে একটা গ্যাপ রয়েছে। গ্যাপের জায়গাটা হলো জবের জন্য প্রিপেয়ার হওয়া। সদ্য স্নাতক হিসেবে আমাদের খুবই প্রতিযোগিতামূলক জব মার্কেটে প্রবেশ করতে হয়। অনেকেই তালগোল হারিয়ে ফেলে। আর এখানে তালগোল হারিয়ে ফেলাটাই স্বাভাবিক। যেখানে আমার ওঠা, বসা, কথা বলা, বাচনভঙ্গি, আমি কেমন শব্দ ব্যবহার করছি, কীভাবে খাচ্ছি, বিবেক, বুদ্ধি, চিন্তা প্রক্রিয়া প্রত্যেকটা বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। জব প্রোভাইডার অর্থাৎ নিয়োগ কর্তারা আসলে কী চাচ্ছে, কেমন মানুষ চাচ্ছে, কী ধরনের স্কিল সেট চাচ্ছে সেটা বুঝে সে অনুযায়ী নিজেকে উপস্থাপন করে, ক্যারিয়ারের শুরুটা ভালো করতে পারাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি কীভাবে আমার সঙ্গে সুইটেবল এবং আমার জন্য ফিট ক্যারিয়ার পাথ ঠিক করব, সে অনুযায়ী কীভাবে আমার ক্যারিয়ার প্ল্যান করব, কীভাবে প্রিপারেশন নিব, কীভাবে জব সার্চ করব, কীভাবে সিভি বানাব, কীভাবে কভার লেটার লিখব, কীভাবে আমার নেটওয়ার্ক তৈরি করব, কীভাবে সেলফ ব্র্যান্ডিং করব, কীভাবে রিক্রুটার মাইন্ডসেট বুঝব, কীভাবে ইন্টারভিউয়ের প্রিপারেশন নেব এবং একজন ফ্রেশার হিসেবে কর্মপরিবেশে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নেব এবং উত্তরোত্তর নিজের উন্নতি ধরে রাখব, এ যাবতীয় বিষয় ইনশা আল্লাহ্ আমরা জানব। চ্যাপ্টার শেষে কিছু টু ডু দেওয়া থাকবে, টুডুগুলো আমরা সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলব। কোনোটা পেন্ডিং রাখব না। জব রেডি হওয়ার দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তোমাকে অভিনন্দন। আমাদের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই হচ্ছে পরীক্ষানির্ভর। এখানে প্রায়োগিক বিষয়গুলো অনেক কম। গ্যাজুয়েট হওয়া এবং জব পেয়ে যাওয়া- এই দুইটার মধ্যে একটা গ্যাপ রয়েছে। গ্যাপের জায়গাটা হলো জবের জন্য প্রিপেয়ার হওয়া। সদ্য স্নাতক হিসেবে আমাদের খুবই প্রতিযোগিতামূলক জব মার্কেটে প্রবেশ করতে হয়। অনেকেই তালগোল হারিয়ে ফেলে। আর এখানে তালগোল হারিয়ে ফেলাটাই স্বাভাবিক। যেখানে আমার ওঠা, বসা, কথা বলা, বাচনভঙ্গি, আমি কেমন শব্দ ব্যবহার করছি, কীভাবে খাচ্ছি, বিবেক, বুদ্ধি, চিন্তা প্রক্রিয়া প্রত্যেকটা বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। জব প্রোভাইডার অর্থাৎ নিয়োগ কর্তারা আসলে কী চাচ্ছে, কেমন মানুষ চাচ্ছে, কী ধরনের স্কিল সেট চাচ্ছে সেটা বুঝে সে অনুযায়ী নিজেকে উপস্থাপন করে, ক্যারিয়ারের শুরুটা ভালো করতে পারাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি কীভাবে আমার সঙ্গে সুইটেবল এবং আমার জন্য ফিট ক্যারিয়ার পাথ ঠিক করব, সে অনুযায়ী কীভাবে আমার ক্যারিয়ার প্ল্যান করব, কীভাবে প্রিপারেশন নিব, কীভাবে জব সার্চ করব, কীভাবে সিভি বানাব, কীভাবে কভার লেটার লিখব, কীভাবে আমার নেটওয়ার্ক তৈরি করব, কীভাবে সেলফ ব্র্যান্ডিং করব, কীভাবে রিক্রুটার মাইন্ডসেট বুঝব, কীভাবে ইন্টারভিউয়ের প্রিপারেশন নেব এবং একজন ফ্রেশার হিসেবে কর্মপরিবেশে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নেব এবং উত্তরোত্তর নিজের উন্নতি ধরে রাখব, এ যাবতীয় বিষয় ইনশা আল্লাহ্ আমরা জানব। চ্যাপ্টার শেষে কিছু টু ডু দেওয়া থাকবে, টুডুগুলো আমরা সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলব। কোনোটা পেন্ডিং রাখব না। জব রেডি হওয়ার দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তোমাকে অভিনন্দন।
মেন্টর@ব্যাকপ্যাক
লেখক : জিয়া উদ্দিন মাহমুদ
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 96, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835608
মেন্টরিং একটি অমূল্য প্রক্রিয়া যা প্রত্যেক ব্যক্তির ব্যক্তিগত, পেশাগত এবং আত্মিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য। এটি জ্ঞান, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা হস্তান্তরের একটি পদ্ধতি যা মেন্টির বিকাশে সাহায্য করে। মেন্টরিং মাধ্যমে, একজন ব্যক্তি নিজের সম্ভাবনা চিনে এবং তার উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে পারে। মেন্টরশীপ ব্যক্তিকে নির্দেশনা, পরামর্শ এবং সমর্থন প্রদান করে যা তার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। এটি নতুন দক্ষতা অর্জন, কর্মজীবনে অগ্রগতি এবং ব্যক্তিগত উন্নতির পথ প্রশস্ত করে। মেন্টররা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞান ও পরামর্শ দিয়ে মেন্টিদের সাহায্য করে, যার ফলে মেন্টিরা তাদের সম্ভাব্য ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল হতে পারে। মেন্টরিং শুধু ক্যারিয়ার গঠনেই নয়, ব্যক্তিত্ব বিকাশ, নেতৃত্ব দক্ষতা উন্নয়ন এবং জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়ক। এটি ব্যক্তিদের তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে উৎসাহিত করে এবং পেশাগত জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করে। সব মিলিয়ে, মেন্টরিং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সাফল্য অর্জনে একটি অপরিহার্য উপাদান।
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved

Reviews
There are no reviews yet.