তত্ত্বতালাশ ৬ (ষষ্ঠ সংখ্যা, অক্টোবর ২০২২)
মোহাম্মদ আজম
তত্ত্বতালাশ ষষ্ঠ সংখ্যা প্রকাশিত হল, এবং তা মোটামুটি সময়ক্রম রক্ষা করে। একদিক থেকে একে সাফল্য বলা যায়; বিশেষত, উপযোগী লেখার অভাবের কারণে যথাসময়ে পত্রিকা বের করতে পারব কি না–প্রথম সংখ্যার সম্পাদকীয়তে প্রচারিত এমন আশঙ্কার কথা মনে রাখলে। পাঠক-সংখ্যার দিক থেকে বলা যায়, এ ধরনের একটা পত্রিকা সংখ্যার হিসাবে যতটা গৃহীত হবে বলে আমরা অনুমান করেছিলাম—প্রকাশক ও বিপণনকারীদের তরফে জেনেছি—তা মোটের উপর পাওয়া গেছে। পত্রিকাটির ব্যাপারে পাঠকদের কৌতূহল—ব্যক্তিগত আলাপে যতটা জেনেছি—সন্তোষজনক বলা চলে।
তবে যাকে বলা যায় সক্রিয় পাঠক, তা যথেষ্ট পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। প্রকাশিত লেখার উপর প্রতিক্রিয়া ছাপানোর ব্যাপারে প্রথম থেকেই আমাদের আগ্রহ ছিল। তা আমরা খুব একটা করতে পারিনি। ব্যক্তিগত আলাপে বা লোক-মারফতও খুব নিবিড় পাঠের খবর খুব বেশি পাইনি। এর কারণ কী হতে পারে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া অবশ্য সহজ কাজ নয়। আপাতত আমরা পাঠকদের আগ্রহ ও কৌতূহলের উপর ভরসা রাখতে চাই।
তিন-চার সংখ্যা প্রকাশের পর থেকে বিষয়ভিত্তিক সংখ্যা করার প্রতি মনোযোগ দেব ভেবেছিলাম। প্রথম সংখ্যায় আমরা সে ঘোষণাও দিয়েছিলাম। কিন্তু বলতেই হবে, ছয় সংখ্যায় মোট যে পরিমাণ লেখকের সাথে আমাদের যোগাযোগ তৈরি হয়েছে, তার উপর ভরসা করে এ ধরনের উদ্যোগ নেয়ার সাহস আমরা পাইনি। যারা লেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের হিসাবের মধ্যে আনলে সংখ্যাটা নেহায়েত কম হবে না। কিন্তু শুধু আগ্রহের ভিত্তিতে ‘কাজের’ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে বলে ধরে নেয়া নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। নিজেদের পরিকল্পনা মোতাবেক লেখা পাওয়ার উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সম্ভবত আরো বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
লেখক হিসাবে যাদের সাথে আমাদের কোনো যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, আমরা তাদের লেখার আহবান জানাই। জানি, কাজটা সহজ নয়। একদিকে প্রকাশের বিচিত্র মাধ্যম ও উপায় থাকায় অনেকেই হয়ত একটা বিশেষ পত্রিকার ব্যাপারে অনাগ্রহী হতে পারেন। অন্যদিকে, যে ধরনের লেখা আমরা ছাপতে চাই, তা যথেষ্ট পরিশ্রম-সাপেক্ষ; অথচ প্রাপ্তিযোগ অতি সামান্য। তবু, এমন হওয়া খুবই সম্ভব যে, কেউ একজন কোনো বক্তব্য বা ‘জ্ঞান’ প্রকাশ করতে চান, এবং পত্রিকার মেজাজ ও পরিসর বিবেচনায় তত্ত্বতালাশ সে চাওয়ার সঙ্গী হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। এমন হলে, আমরা অনুরোধ করব, লেখার পরে বা আগেই আমাদের জানতে দিন। এমনও হতে পারে, আপনার আগ্রহ আর আমাদের আগ্রহে যথেষ্ট ঐক্য আছে।
লেখক ও পাঠকের জন্য শুভকামনা।
তত্ত্বতালাশ ৬
৳ 200.00
তত্ত্বতালাশ ৬ (ষষ্ঠ সংখ্যা, অক্টোবর ২০২২)
By (author) মোহাম্মদ আজম
তত্ত্বতালাশ ষষ্ঠ সংখ্যা প্রকাশিত হল, এবং তা মোটামুটি সময়ক্রম রক্ষা করে। একদিক থেকে একে সাফল্য বলা যায়; বিশেষত, উপযোগী লেখার অভাবের কারণে যথাসময়ে পত্রিকা বের করতে পারব কি না–প্রথম সংখ্যার সম্পাদকীয়তে প্রচারিত এমন আশঙ্কার কথা মনে রাখলে। পাঠক-সংখ্যার দিক থেকে বলা যায়, এ ধরনের একটা পত্রিকা সংখ্যার হিসাবে যতটা গৃহীত হবে বলে আমরা অনুমান করেছিলাম—প্রকাশক ও বিপণনকারীদের তরফে জেনেছি—তা মোটের উপর পাওয়া গেছে। পত্রিকাটির ব্যাপারে পাঠকদের কৌতূহল—ব্যক্তিগত আলাপে যতটা জেনেছি—সন্তোষজনক বলা চলে।
তবে যাকে বলা যায় সক্রিয় পাঠক, তা যথেষ্ট পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। প্রকাশিত লেখার উপর প্রতিক্রিয়া ছাপানোর ব্যাপারে প্রথম থেকেই আমাদের আগ্রহ ছিল। তা আমরা খুব একটা করতে পারিনি। ব্যক্তিগত আলাপে বা লোক-মারফতও খুব নিবিড় পাঠের খবর খুব বেশি পাইনি। এর কারণ কী হতে পারে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া অবশ্য সহজ কাজ নয়। আপাতত আমরা পাঠকদের আগ্রহ ও কৌতূহলের উপর ভরসা রাখতে চাই।
তিন-চার সংখ্যা প্রকাশের পর থেকে বিষয়ভিত্তিক সংখ্যা করার প্রতি মনোযোগ দেব ভেবেছিলাম। প্রথম সংখ্যায় আমরা সে ঘোষণাও দিয়েছিলাম। কিন্তু বলতেই হবে, ছয় সংখ্যায় মোট যে পরিমাণ লেখকের সাথে আমাদের যোগাযোগ তৈরি হয়েছে, তার উপর ভরসা করে এ ধরনের উদ্যোগ নেয়ার সাহস আমরা পাইনি। যারা লেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের হিসাবের মধ্যে আনলে সংখ্যাটা নেহায়েত কম হবে না। কিন্তু শুধু আগ্রহের ভিত্তিতে ‘কাজের’ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে বলে ধরে নেয়া নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। নিজেদের পরিকল্পনা মোতাবেক লেখা পাওয়ার উচ্চাভিলাষ বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সম্ভবত আরো বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
লেখক হিসাবে যাদের সাথে আমাদের কোনো যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়নি, আমরা তাদের লেখার আহবান জানাই। জানি, কাজটা সহজ নয়। একদিকে প্রকাশের বিচিত্র মাধ্যম ও উপায় থাকায় অনেকেই হয়ত একটা বিশেষ পত্রিকার ব্যাপারে অনাগ্রহী হতে পারেন। অন্যদিকে, যে ধরনের লেখা আমরা ছাপতে চাই, তা যথেষ্ট পরিশ্রম-সাপেক্ষ; অথচ প্রাপ্তিযোগ অতি সামান্য। তবু, এমন হওয়া খুবই সম্ভব যে, কেউ একজন কোনো বক্তব্য বা ‘জ্ঞান’ প্রকাশ করতে চান, এবং পত্রিকার মেজাজ ও পরিসর বিবেচনায় তত্ত্বতালাশ সে চাওয়ার সঙ্গী হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। এমন হলে, আমরা অনুরোধ করব, লেখার পরে বা আগেই আমাদের জানতে দিন। এমনও হতে পারে, আপনার আগ্রহ আর আমাদের আগ্রহে যথেষ্ট ঐক্য আছে।
লেখক ও পাঠকের জন্য শুভকামনা।
Related products
আমার হজ
ইউএক্স ডিজাইনে হাতে খড়ি
ক্যারিয়ার এক্সসিলেন্স
ক্যারিয়ার ভাবনায় বই
সেলফ কনফিডেন্স:
আমরা মুসলিম। মুসলিম হিসেবে আমরা কিছু মৌলিক বিশ্বাস এবং আদর্শ ধারণ করি। আমাদের এই বিশ্বাস মোতাবেকই আমরা আমাদের জীবন পরিচালনা করি। তাই আত্মবিশ্বাস অর্জনের যেসব পদ্ধতি আছে, তার চেয়ে আমাদের অনুসৃত পদ্ধতি ভিন্ন হবে। আমরা তা নিরূপণ ও অনুসরণ করব আমাদের আদর্শের আলোকে। সেক্যুলার চিন্তাবিদরা মানুষকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্তিত্বশীল সত্তা মনে করেন। মানুষের যাবতীয় চাহিদা পূরণ করাটাকেই তারা জীবনের মূল উদ্দেশ্য মনে করেন। অন্যদিকে ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করলে আমরা কেবলই আল্লাহর দাস। তাঁর দেওয়া বিধান অনুসরণ করে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করাটাই হলো আমাদের জীবনের আসল উদ্দেশ্য।ক্যারিয়ার হ্যাকস:
প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা, আর অভিজ্ঞতা থেকে যত শিখছি ততই মনে হচ্ছে ইশ এই জিনিসগুলো যদি আরো আগেই শিখতে পারতাম তাহলে হয়তো ক্যারিয়ারে আরেকটু ভাল পজিশনে থাকতে পারতাম। হ্যাঁ বন্ধুরা, ক্যারিয়ারে তোমার ভাল পজিশনিং এর জন্য যা যা দরকার তাই থাকছে এই বইটিতে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের একটি সমিক্ষা বলছে প্রায় ৪৭ শতাংশ শিক্ষিত জনগোষ্ঠি বেকার। তোমার অবস্থানটি এই ৪৭ শতাংশের মধ্যে দেখতে না চাইলে এখন থেকেই শুরু করতে হবে তোমার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি। কিভাবে করবে? কোত্থেকে শুরু করবে? কি কি করবে? এগুলোর উত্তর নিয়েই বইটি।স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট
চাপে নেই এমন মানুষ আসলে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর । বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসে বিক্রয় কর্মীদের নানারকম স্ট্রেস সামলাতে হয়, স্ট্রেস সামলাতে হয় বিভাগীয় প্রধান থেকে একজন সিইওকে । উদ্যোক্তাদের চাপের কোনো শেষ নেই । আবার যারা নতুন ক্যারিয়ার তৈরি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কিন্তু ব্যাটে-বলে হচ্ছে না, তাদের চাপও কম নয় । ব্যক্তিজীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেও অনেকে চাপে ভোগেন ।
এই বই যারা পড়বেন তার অন্তত ১০ শতাংশ পাঠক যদি হ্যাকস গুলো অনুসরণ করে উপকৃত হন, চাপ সামলানোর কৌশল রপ্ত করে সন্তুষ্ট জীবন খুঁজে পান, তবেই আমার লিখার স্বার্থকতা ।আমি জীবনে মূলত পারপাস পেছনে কাজ করি । এই বই সেই পারপাসের একটা অংশ ।
মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা:
কেমন হবে একজন খাঁটি মুমিনের ক্যারিয়ার? কী হবে তার জীবনের লক্ষ? ক্যারিয়ার মানেই আমরা বুঝি টাকা এবং সম্মান। ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ সম্মান খোঁজে, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ টাকা খোঁজে। কিন্তু ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে সম্মান খোঁজা, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে টাকা খোঁজা, এটা মুমিনের লক্ষ হতে পারে না। কারণ, মুমিন বিশ্বাস করে, টাকা আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। রিজিক আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে এবং সম্মানও আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। আল্লাহ তাআলা রিজিকেরও মালিক, সম্মানেরও মালিক।দ্যা অ্যালকেমিস্ট
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের লাইফ ম্যানেজমেন্ট প্যাকেজ
মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা:
কেমন হবে একজন খাঁটি মুমিনের ক্যারিয়ার? কী হবে তার জীবনের লক্ষ? ক্যারিয়ার মানেই আমরা বুঝি টাকা এবং সম্মান। ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ সম্মান খোঁজে, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ টাকা খোঁজে। কিন্তু ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে সম্মান খোঁজা, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে টাকা খোঁজা, এটা মুমিনের লক্ষ হতে পারে না। কারণ, মুমিন বিশ্বাস করে, টাকা আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। রিজিক আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে এবং সম্মানও আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। আল্লাহ তাআলা রিজিকেরও মালিক, সম্মানেরও মালিক। এটা আল্লাহ তাআলা যে কাউকে ক্যারিয়ার ছাড়াই দিতে পারেন, এটা আমাদের বিশ্বাস। সুতরাং আমাদের ক্যারিয়ারটা হবে অন্যান্য মানুষের চেয়ে আলাদা। একজন মুমিনের ক্যারিয়ার হবে মূলত দুইটা উদ্দেশ্যে, একটা হচ্ছে দাওয়াহ, আরেকটা হচ্ছে, সাদাকাহ। একজন মুমিন উপরে উঠবে, অনেক উপরে উঠবে। একজন মুমিন সম্পদ উপার্জন করবে, অনেক সম্পদ উপার্জন করবে, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তার লক্ষ্য থাকবে দুইটা। একটা হচ্ছে, সদাকাহ করা, এবং দুই নম্বরে হচ্ছে, দাওয়াহ করা। দ্বীনের দাওয়াহ করা। মানুষের কাছে দ্বীনটাকে উপস্থাপন করা।ভালোবাসার চাদর:
পারসোনাল ব্র্যান্ডিং ফর প্রফেশনাল সাকসেস:
বিশেষ গুণের কারণে, বিশেষ কর্মের কারণে, বিশেষ অবদানের কারণে একজন মানুষ জন অন্য মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে, তখন সে পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠে। একজন সফল পারসোনাল ব্র্যান্ড হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিশেষ একজন হতে পারে। প্রত্যেক মানুষের সফল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠার ক্ষমতা থাকা সত্বেও প্রত্যেক মানুষ পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে উঠতে পারে না। কারণ, বেশিরভাগ মানুষের পারসোনাল ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কোনো ধারণাই নেই। পারসোনাল ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে অজ্ঞতার কারণে অনেক মানুষ নিজের মূল্যবোধ নষ্ট করে নিজের ব্র্যান্ড ইমেজ হারিয়ে ফেলে। সেজন্য খুব কম মানুষই সফল পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠে অন্য মানুষের জীবনে অবদান রাখতে পারে। জীবনে সফলতা অর্জন করতে চাওয়া মানুষের মধ্যে অধিকাংশই জানে না সফলতা অর্জনের কারণগুলো, জানে না নিজেকে অথেনটিক পারসোনাল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার টেকনিক। ‘পারসোনাল ব্র্যান্ডিং ফর প্রফেশনাল সাকসেস’ বইটিতে পারসোনাল ব্র্যান্ডিং এর এ টু জেড উপাত্তগুলো তুলে ধরা হয়েছে। কর্পোরেট দুনিয়ার সেরা উদ্যোক্তা, সিইও, সেলিব্রেটিদের পারসোনাল ব্র্যান্ড ডেভেলপমেন্ট করার কৌশল ও মূলনীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে।এপিটাফ:
উস্তাদ মুহাম্মাদ হুবলস। অস্ট্রলিয়ান দাঈ। প্রচন্ডভাবে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। মানুষের অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে দিতে পারেন। জাহিলিয়াত থেকে মানুষকে দ্বীনের পথে নিয়ে আসা, বস্তুবাদি যান্ত্রিক আটপৌরে জীবনে হাঁপিয়ে উঠা এই আমাদেরকে আখিরাতের কথা মনে করিয়ে দেওয়া, জান্নাতের পথে চলার সীমাহীন শক্তি যোগাতে এই উস্তাদের তুলনা তিনি নিজেই। . উস্তাদের লেকচার অবলম্বনেই এই বইটি। বর্তমান সময়ে আমরা যে সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হচ্ছ তা ভয়াবহ। ফিতনার সময় চলছে। আমাদের অনেক সমস্যা, অনেক প্রতিবন্ধকতা। তার মধ্যে অন্যতম মুসলিম পরিবারে জন্মেও উম্মাহর একটা বড় অংশ্যই এখনও কাফেরদের লাইফ স্টাইলে চলে। অনেকসময় আমরা বুঝি যা করছি ভুল করছি, এটা সঠিক পথ নয়, কিন্তু ভুলের সেই চক্র থেকে বের হতে পারি না। তখন আমাদের একটি ধাক্কার দরকার পড়ে। এমন কিছু যা আমাদের অন্তরকে কাঁপিয়ে দিবে। বস্তুবাদ, চোখ ধাঁধানো আলোর এই মোহের জগৎ নিমিষেই ভেঙে গুড়িয়ে দিবে। এই বইটি সেই ধাক্কা হিসেবে কাজ করবে এই আমাদের বিশ্বাস।সবার জন্য পাইথন
স্মার্ট মার্কেটিং
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved

Reviews
There are no reviews yet.