সেরা মূল্যে আপনার পছন্দের বই অর্ডার করুন!
ক্যাশ অন ডেলিভারিসহ সুন্দরবন কুরিয়ার থেকে
মাত্র ৫০ টাকায় সংগ্রহের সুযোগ। [শর্ত প্রযোজ্য]
Title: English Therapy for Children
(Board Bonding) Chalk in the Hands
of Learning English by Saiful Islam
Author: সাইফুল ইসলাম
Publisher: English Therapy
Edition: Book fair, February 2025
Number of Pages: 266
Country: Bangladesh
Language: Bangla/English
-2%
-2%
SHORT INFO
Description
চলে এলো ‘ছোটদের ইংলিশ থেরাপি ‘ by সাইফুল ইসলাম। ছোট্ররা THERAPY থেকে ইংলিশ শিখবে সহজে ধাপে ধাপে! শিশুদের শেখার প্রক্রিয়াকে আনন্দদায়ক এবং কার্যকর করতে বইটিতে রয়েছে সহজবোধ্য উদাহরণ এবং ধাপে ধাপে শেখার উপায়। তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং ভাষার জগতে মজার অভিজ্ঞতা এনে দিবে ‘Kids ENGLISH THERAPY’ এটি সাজানো হয়েছে খুবই সহজ ও সাবলীল ভাষায়, যেন শিশুরা খুব সহজেই বিষয়গুলো আয়ত্তে আনতে পারে। ‘Kids ENGLISH THERAPY’ বইটি শিশুদের জন্য ইংলিশ শেখার আদর্শ হাতেখড়ি হিসেবে কাজ করবে। এটি শিশুর জন্য হতে পারে উপহারস্বরূপ একটি কার্যকর সহচর। নতুন প্রজন্মের জন্য সহজ ভাষায় ইংলিশ শেখার মজার দিক উন্মোচনে এই বইটি হবে সেরা পছন্দ। ‘ছোটদের ইংলিশ থেরাপি ‘ by সাইফুল ইসলাম। ফ্রি ডেলিভারি পেতে ১০-০২-২৫ এর মধ্যে অর্ডার করতে হবে
Reviews (0)
Be the first to review “ছোটদের ইংলিশ থেরাপি (বোর্ড বাধাঁই) ইংলিশ শেখার হাতে খড়ি” Cancel reply
Related products
অপ্রকাশিত জীবনানন্দ
অপ্রকাশিত জীবনানন্দ
By (author)মাহবুব মোর্শেদ
পাঠকমহলে প্রধানত সংবেদী কথাসাহিত্যিক হিসেবে সমাদৃত হলেও কখনও কবিতার হাত ছেড়ে দেননি মাহবুব মোর্শেদ। অবচেতনের গোপন চক্রান্তে খানিকটা অন্যমনস্কভাবে লিখে চলেছেন একের পর এক কবিতা। প্রথম জীবনের লেখাগুলো চয়ন করে বস্তুপৃথিবীর রহস্য প্রকাশ করেছিলেন ই-বুক আকারে। ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম কবিতার বই অরব বসন্ত। ভেবেছিলেন ছাপার অক্ষরে এই-ই তার প্রথম ও শেষ কাব্য। কিন্তু হলো না। দু’বছরের মাথায় প্রকাশিত হলো অপ্রকাশিত জীবনানন্দ। করোনা মহামারীর বিষণ্ন দুই বছরে লেখা কবিতাগুলো নিষ্ঠুরতা, নিরাপত্তাহীনতা ও ভয়ের পাশাপাশি লিপ্সা, আকাঙক্ষা, তাড়না ও প্রেমের গোপন সংকেতে ভরপুর। এ বইয়ের নাম হতে পারতো মহামারীর সময়ে প্রেম। বদলে অপ্রকাশিত জীবনানন্দ হয়েছে। কেন হলো? সেটাই এই বইয়ের রহস্য।
আশীফ এন্তাজ রবির পাঁচটি বই
আশীফ এন্তাজ রবির পাঁচটি বই
By (author) আশীফ এন্তাজ রবি
আমার নাম আশীফ এন্তাজ রবি। জন্ম ২১ আগস্ট ১৯৭৭। তবে অন্য অনেকের মতো আমারও একটা সার্টিফিকেট জন্মসাল আছে, ২৪.১০.১৯৭৯। নটরডেম কলেজে পড়ার সময় জনৈক বালিকাকে মুগ্ধ করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে একটা উপন্যাস লিখে ফেলেছিলাম। একদিন জলসিঁড়ি নামক উপন্যাসটি সেই বালিকাকে দ্রবীভূত করতে পারেনি। লেখক হিসেবে সেই দিন থেকেই আমি ব্যর্থ। ব্যর্থতাকে সহজভাবে মেনে নিয়ে আমি অন্য কাজকর্মে মনোনিবেশ করি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর হুট করে বিয়ে করে ফেলি। সংসার চালানোর জন্য টিউশনির চেষ্টা করি। একটা টিউশনি জুটেও যায়। ছাত্র ইন্টারমিডিয়েটে বিজ্ঞানবিভাগে পড়ে। প্রথম দিন তাকে নিউটনের গতিসূত্র বোঝাই। মাস্টার হিসেবে আমি কেমন এটা পরখ করার জন্য ছাত্রের বাবা পাশে বসে ছিলেন। ছাত্রটি নিউটনের গতিসূত্র চমৎকারভাবে ধরে ফেললেও তার ক্লাস এইট পাশ বাবা ব্যাপারটার আগামাথা কিছুই বুঝলেন না। কাজেই প্রথমদিনেই টিউশনি থেকে বাদ পড়ে গেলাম। এরপর শুরু করলাম পত্রিকায় লেখালেখি। শুধু টাকার জন্য প্রথম আলো পত্রিকায় দুই হাতে লেখা শুরু করলাম। সেই লেখালেখির জেরেই যুগান্তর পত্রিকায় চাকরি পেয়ে যাই । টানা ১৩ বছর সেখানে সাংবাদিকতা করি। যুগান্তরে থাকার সময় জনৈক প্রকাশক আমার সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি আমার একটি বই বের করতে চান। পুরনো ব্যর্থতার কথা ভুলে আমি বই বের করতে রাজি হয়ে যাই। চার মাস ঘুরানোর পর চারটি ছোট গল্প তার হাতে তুলে দেই। প্রকাশক বিরস বদনে বলেন, এইটুকু দিয়ে তো দুই ফর্মাও হবে না। প্রকাশককে উদ্ধার করার জন্য আমি আরও দুইজন তরুণ লেখককে জোগাড় করি, যারা লম্বা লম্বা গল্প লিখতে পারেন। তিনজনের বারোটি গল্প মিলে বের হয়, তিন তরুণের গল্প। এরপরের বছর একই কায়দায় ত্রয়ী নামে আরেকটি গল্পগ্রন্থ বের হয়। আশ্চর্যজনকভাবে প্রথম বই তিন কপি, দ্বিতীয় বইটিও সর্বমোট তিন কপি বিক্রি হয়। লেখক তিনজন থাকায় এই দারুন সাফল্য। তিনে মিলে করি কাজ, হারিজিতি নাহি লাজ।
এরপর টানা আট বছর আমি কোনো বই ফাঁদার কথা স্বপ্নেও ভাবিনি।
তবু স্বভাবদোষে বের হলো, কাগজের নৌকা। এখন নৌকাডুবির অপেক্ষা।
লেখক পরিচিতিতে ভালো ভালো কথা লেখার নিয়ম। অধিকাংশক্ষেত্রে লেখক নিজেই নিজের ঢোল ফাটিয়ে ফেলেন। আমার কোনো ঢোল নেই, তাই ফাটাতে পারলাম না। আমি দুঃখিত।
বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কর্মসহায়ক গবেষণা
বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কর্মসহায়ক গবেষণা
By (author) মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন, রাবেয়া খাতুন
গবেষণা সাধারণত যতটা কঠিন ও জটিল-প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত, সেই ধারণা থেকে বের হয়ে সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের জন্য গবেষণাক্ষেত্রে নমনীয় নীতিতে আবির্ভূত হয় ‘কর্মসহায়ক গবেষণা’। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মসহায়ক গবেষণা পরিচালিত হলেও বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে, বিশেষত শ্রেণিকক্ষভিত্তিক সমস্যা সমাধানে এই গবেষণা বহুলভাবে ব্যবহৃত। উন্নত বিশ্বে কয়েক দশক ধরে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে এই গবেষণা ব্যবহৃত হয়ে এলেও বাংলাদেশে ততটা পরিচিতি পায়নি। যার অন্যতম কারণ হলো প্রচলিত গবেষণার অনমনীয় পদ্ধতির প্রতি ভীতি এবং কর্মসহায়ক গবেষণা বিষয়ে শিক্ষকদের বোধগম্য ও সহজলভ্য বইয়ের অপ্রতুলতা।
বিদ্যালয়ের উন্নয়নের মধ্য দিয়েই শিক্ষা সামগ্রিক উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যায়। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষণ-শিখন পরিবেশ ও পদ্ধতিগত উন্নয়নের সম্মিলিত রূপই হচ্ছে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন। যার জন্য প্রয়োজন গবেষণালব্ধ ফলাফলভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন। কর্মসহায়ক গবেষণা হলো যার একটি সহজ সমাধান। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষাক্ষেত্রের শ্রেণিকক্ষভিত্তিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যা সমাধানকল্পে শিক্ষকদের কাছে কর্মসহায়ক গবেষণার ধারণা স্পষ্ট করার প্রয়াসে ‘বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কর্মসহায়ক গবেষণা’ বইটির রচনা। বইটিতে সহজ ভাষায় বাস্তব উদাহরণসহ কর্মসহায়ক গবেষণার বিভিন্ন বিষয় সফলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আশা করা যায়, গবেষণা করার ক্ষেত্রে বইটি শিক্ষক ও নবীন গবেষকদের সাহস জোগাবে।
মালায়ুর দেশে
লেখক : রফিক আহমদ খান
প্রকাশনী : অক্ষরবৃত্ত
বিষয় : নানাদেশ ও ভ্রমণ
পৃষ্ঠা : 270, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published 2023
আইএসবিএন : 9789849614593, ভাষা : বাংলা
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved


Reviews
There are no reviews yet.