মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন
সময়ের পরিক্রমায় বাংলাদেশ আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে। ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিদের বৈষম্য পেরিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা কতটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে তা-ই এ বইয়ের প্রতিপাদ্য বিষয়। এখানে গত ৫০ বছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার সাংখ্যিক ও গুণগত উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত পদ্ধতি ও কৌশলের সাহায্যে সাংখ্যিক বিশ্লেষণ বইটিতে স্থান পেয়েছে। আর গুণগত অবস্থা বিশ্লেষণের জন্য লিওন টিকলী’র ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে বিভিন্ন সূচক অনুযায়ী আলোচনা করা হয়েছে।
মূলত বইটির শুরুতেই বাংলাদেশের শিক্ষা কাঠামো নিয়ে একটি ধারণা দেয়ার পাশাপাশি বিশ্লেষণ কৌশল বর্ণনা করা হয়। রাজনৈতিক পালাবদলের কারণে গত ৫০ বছরে গৃহীত শিক্ষানীতিগুলোতে রাজনৈতিক দল ও নেতাদের মতাদর্শগত ভিন্নতার তুলনামূলক আলোচনা স্থান পেয়েছে দ্বিতীয় অধ্যায়ে। সাধারণ পাঠকের কথা বিবেচনা করে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সাংখ্যিক উন্নয়ন দশক ধরে উপস্থাপন করা হয়েছে তৃতীয় ও পঞ্চম অধ্যায়ে। যেখানে তুলে ধরা হয়েছে, নীতিগত নির্দেশনার পাশাপাশি শিক্ষায় অর্থায়ন এবং গত পাঁচ দশকের সাংখ্যিক উন্নয়ন। আর চতুর্থ ও ষষ্ঠ অধ্যায়ে টিকলী ফ্রেমওয়ার্কের ২১টি সূচকের আলোকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের গুণগত শিক্ষার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে।
শিক্ষা নিয়ে যারা কাজ করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য বইটিতে প্রয়োজনীয় অনেক তথ্যই তুলে ধরা হয়েছে। তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্যসূত্র ব্যবহার করা হয়েছে। বইটি বাংলাদেশের শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারকদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বিভিন্নভাবে সাহায্য করবে।
-20%
-20%
SHORT INFO
Reviews (0)
Be the first to review “৫০ বছরে বাংলাদেশের শিক্ষা” Cancel reply
Related products
ইউএক্স ডিজাইনে হাতে খড়ি
লেখক : মেহেদী হাসান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
পৃষ্ঠা : 128, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835684
‘ইউএক্স ডিজাইনে হাতেখড়ি` বইটি হাতে নিলেই যেন এক নতুন জগতের দুয়ার খুলে যায়। এটি সেসব উৎসুক মনের মানুষদের জন্য লেখা,যারা ইউএক্স ডিজাইনের মায়াজালে নিজেদের হারিয়ে ফেলতে চান। যদি আপনি ইউএক্স ডিজাইনে প্রথম পা ফেলার কথা ভাবছেন অথবা এই পথে আরও এগিয়ে যেতে চাইছেন,এই বই আপনার জন্য এক অনন্য সঙ্গী হতে পারে। এই বইয়ের পাতায় পাতায় রয়েছে ইউএক্স ডিজাইনের অ-আ-ক-খ,যা পাঠককে নিয়ে যাবে জ্ঞানের এক অন্বেষণে। তবে একটা কথা মনে রাখা দরকার,এই বইটি পড়ে রাতারাতি একজন দক্ষ ডিজাইনার হয়ে যাওয়ার মন্ত্র নয়। বরং এটি আপনাকে ইউএক্স ডিজাইনের বিস্তৃত জগতে প্রবেশের প্রাথমিক ধারণা দেবে,আপনার জ্ঞানকে প্রসারিত করবে এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সাহায্য করবে। যারা ইতিমধ্যে ইউএক্স ডিজাইনের পথ চলছেন,তাদের জন্যও এই বইয়ে রয়েছে অজানা তথ্যের ভান্ডার। হয়তো আপনি প্রতিদিনের কাজে যে সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হন,এই বইয়ের পাতায় তার সমাধান খুঁজে পাবেন। এটি আপনার দক্ষতা ও জ্ঞানকে আরও পরিশীলিত করবে,যাতে আপনি ইউএক্স ডিজাইনের ক্ষেত্রে আরও উচ্চতর সাফল্য অর্জন করতে পারেন। সুতরাং নতুন বা অভিজ্ঞ,যে কেউ ‘ইউএক্স ডিজাইনে হাতেখড়ি’ বইটি হাতে নিয়ে ইউএক্স ডিজাইনের রহস্যময় ও মনোমুগ্ধকর জগতে পা রাখতে পারেন। বইটি শুধু আপনার জ্ঞানের ক্ষুধা মেটাবে না,বরং আপনাকে ইউএক্স ডিজাইনের পথে আরও নিশ্চিত এবং সাহসী পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করবে।
এক পলকে গিট ও গিটহাব
লেখক : জুনায়েদ আহমেদ
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
পৃষ্ঠা : 120, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849856559
“আমরা যারা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর সাথে যুক্ত আছি তাদের জন্য গিট খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা টুল নিজের কাজকে আরো সহজ করার জন্য। কিন্তু আমরা অনেকে গিট সম্পর্কে যথেষ্ট না জানার কারণে,অথবা না শেখার কারণে সেটা আমাদের প্রোজেক্টে ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারি না। অনেকে ব্যবহার করলেও খুবই লিমিটেড কিছু কমান্ড,টেকনিকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকি। কিন্তু গিট আসলে খুবই পাওয়ারফুল একটা টুল এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নাই। জাস্ট আমাদের একটু সময় নিয়ে,ধৈর্য্য সহকারে কিছু এফোর্ট দিয়ে সেটা ঠিকঠাক শিখে নিতে হবে। আর ঠিক সেজন্যেই আমি আপনাদের জন্য “এক পলকে গিট ও গিটহাব” নামে বইটি লিখেছি। এই বইয়ের শুরুর দিকে গল্পে গল্পে গিট সম্পর্কে ধারনা দেওয়া হয়েছে,তারপর গিটহাব নিয়েও কিছু ধারনা দেওয়া হয়েছে। গিট ও গিটহাব সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার পর ছোটো একটা প্রোজেক্ট দেখানো হয়েছে। তারপর আমাদের একটা ওপেন সোর্স চিটশিট প্রোজেক্ট ডেভসংকেতে কিভাবে কন্ট্রিবিউট করতে হবে সেটাও স্টেপ বাই স্টেপ একটা কন্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। সর্বশেষে গিট এর আরো কিছু পাওয়ারফুল কমান্ড আর টেকনিক নিয়ে ধারনা দেওয়া হয়েছে। আমি আশা করি এই বইটি আপনাদের অনেকেরই কাজে আসবে। যারা একদম স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করতে চাচ্ছেন তাদেরও কাজে আসবে। আবার যারা টুকটাক পারেন,কিন্তু পার্সোনাল হউক বা ওপেন সোর্স কোনো প্রোজেক্টে কোলাবরেট করা বা কন্ট্রিবিউট করতে পারেন না,তারাও এখান থেকে উপকৃত হবেন। আশা করি বইটি আপনাদের অনেকেরই উপকারে আসবে। উপকৃত হলে অথবা আরো অনেকের কাজে আসতে পারে মনে করলে প্লীজ বইটির কথা সবার সাথে শেয়ার করবেন। সবাইকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ!”
গ্রাফিক ডিজাইন (পার্ট ওয়ান)
লেখক : মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন ফকির
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : গ্রাফিক্স ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া
কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, July 2024
আইএসবিএন : 9789849597773
বর্তমান সময়ে বেকারত্ব যেভাবে প্রকট আকার ধারন করেছে তাতে বলা যায় চাকরি পাওয়া এখন কালো মানিক পাওয়ার মত দূর্লভ। তথাপি তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে উন্মুক্ত ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিন হাজার লোক শুধুমাত্র ডিজাইনের কাজ করেই আয় করছে বৈদশিক মুদ্রা। এটি এমন একটা প্লাটফরম যেখানে কাজের চাহিদা প্রতিদিন আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও প্রয়োজনের তুলনায় দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনারের অভাব রয়েছে। অভাব এর বিপরীতে থাকে সম্ভাবনা। সম্ভাবনা যেখানে অপরিসীম সেখানে ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত। একজন দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে অভাব পূরণ করবেন আপনি এবং সমাদৃত হবেন বিশ্বব্যাপী। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে একটি ভালো মানের সহজবোধ্য সহায়ক পুস্তকের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। ভাষা যেন শিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে সেই কারণে বাংলা ভাষায় এই সহায়ক পুস্তকটি লিখা হয়েছে। যদিও যথাযথ সমার্থক বাংলা শব্দের অভাবে কিছু কিছু শব্দ ইংরেজিতে রাখতে হয়েছে। বইটির আয়োজন,ভাষার বিন্যাস,পদক্ষেপসমূহের বর্ণনা,টেকনিক্যাল বিষয়সমূহের উপস্থাপন এমনভাবে করা হয়েছে যেন যে কেউ এ বইটি ব্যবহার করে ইফেক্টগুলো নিজে নিজেই অনুশীলন করতে পারবেন। গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি সৃজনশীল পেশা। শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান দিয়ে কেউ ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনার হওয়া যাবে না। শুধুমাত্র নিয়মিত ডিজাইন চর্চা করার মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনের জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে সৃজনশীল পেশা হওয়ার সুবাদে গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের প্রতিভা বিকশিত এবং প্রকাশ করার সুযোগ পাবেন। অটোমেশন এর যুগে,যখন আমরা বলছি,যে ক্রমান্বয়ে আমাদের কাজগুলো সব অটোমেটিক রোবটের হাতে চলে যাচ্ছে,সেই সময়ে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে ডিজাইনের জন্য এখনও ক্রিয়েটিভিটি এবং হিউম্যান থিঙ্কিং এর অর্থাৎ নতুন চিন্তা,পরিবর্তন,পরিবর্ধন এর জন্য এখনও মানুষকেই চিন্তা ভাবনা করতে হয় এবং সেটা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। বইটি তৈরি করতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা,ইন্টারনেট এবং দেশী বিদেশী অনেক লেখক ও শিল্পির শিল্প কর্মের সহযোগীতা নিয়েছি। সেসব লেখক ও শিল্পিদের কাছে আমি ঋণী এবং গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
মেন্টর@ব্যাকপ্যাক
লেখক : জিয়া উদ্দিন মাহমুদ
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 96, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835608
মেন্টরিং একটি অমূল্য প্রক্রিয়া যা প্রত্যেক ব্যক্তির ব্যক্তিগত, পেশাগত এবং আত্মিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য। এটি জ্ঞান, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা হস্তান্তরের একটি পদ্ধতি যা মেন্টির বিকাশে সাহায্য করে। মেন্টরিং মাধ্যমে, একজন ব্যক্তি নিজের সম্ভাবনা চিনে এবং তার উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে পারে। মেন্টরশীপ ব্যক্তিকে নির্দেশনা, পরামর্শ এবং সমর্থন প্রদান করে যা তার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। এটি নতুন দক্ষতা অর্জন, কর্মজীবনে অগ্রগতি এবং ব্যক্তিগত উন্নতির পথ প্রশস্ত করে। মেন্টররা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞান ও পরামর্শ দিয়ে মেন্টিদের সাহায্য করে, যার ফলে মেন্টিরা তাদের সম্ভাব্য ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল হতে পারে। মেন্টরিং শুধু ক্যারিয়ার গঠনেই নয়, ব্যক্তিত্ব বিকাশ, নেতৃত্ব দক্ষতা উন্নয়ন এবং জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়ক। এটি ব্যক্তিদের তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে উৎসাহিত করে এবং পেশাগত জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করে। সব মিলিয়ে, মেন্টরিং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সাফল্য অর্জনে একটি অপরিহার্য উপাদান।
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved

Reviews
There are no reviews yet.