‘রুকইয়াহ’ অর্থাৎ ইসলাম-সম্মত ঝাড়ফুঁক। তথা কুরআনের আয়াত, হাদীসে বর্ণিত দুআ এবং সহজ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে জাদুটোনা, জিনের আসর, বদনজর ও বিভিন্ন শারীরিক-মানসিক রোগব্যাধির প্রতিকার করা। হাদীসটি খেয়াল করুন :
একদিন জিবরীল আ. রাসূল সা.-এর কাছে এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মাদ, আপনি কি (আল্লাহর কাছে আপনার সমস্যার ব্যাপারে) অভিযোগ করেছিলেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’
জিবরীল আ. বললেন, ‘আমি আপনাকে আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি, সেই সব জিনিস থেকে—যা আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে। সকল প্রাণের অনিষ্ট কিংবা হিংসুকের বদনজর থেকে আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দান করুক; আমি আল্লাহর নামে রুকইয়াহ করছি।’ (সহিহ মুসলিম)
আমাদের সমাজে নাজায়েজ ঝাঁড়ফুকের ছড়াছড়ি থাকলেও এ ব্যাপারে ইসলামি ঐতিহ্য ও শরীয়তের বিধিনিষেধের প্রতি উদাসীনতা খুবই প্রকট।
এই বইটিতে নিজের এবং অন্যের জন্য রুকইয়াহ করার পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি জিন, জাদু, বদনজর ও ঝাড়ফুঁক বিষয়ে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি সহজ ভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করি, এটা আমাদের সবার জন্য উপকারী হবে।
-37%
-37%
SHORT INFO
বিষয়: ইসলামী চিকিৎসা
লেখক : আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ
প্রকাশনী : সন্দীপন প্রকাশন
বিষয় : ইসলামী চিকিৎসা
পৃষ্ঠা : 312, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2023
Reviews (0)
Be the first to review “রুকইয়াহ” Cancel reply
Related products
Question Bank
SEO এবং অনলাইনে জীবন বদলের গল্প
লেখক : নাসির উদ্দিন শামীম
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং
পৃষ্ঠা : 192, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 97898498356010
হাজারো কোর্স,ফেইসবুকে শত শত বিজ্ঞাপন আর বাহারি ভিডিওর মন গলানো কথাবার্তার ডোপামিনে গদ গদ হয়ে কিছু বুঝার আগেই যখন স্ক্যামড হয়ে যাই আর যখন আমাদের বাবা মার কাছ থেকে আনা টাকার অপচয় দেখি চোখের সামনে,তখন অনেকেই আমরা এখন অনলাইনে ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলা মানুষদের বিশ্বাস করতে চাই না। মনে হয় এই বুঝি আবার ধরা খেতে যাচ্ছি! কিন্তু সমস্যা হচ্ছে – বর্তমান যুগে এমন হাজার হাজার সমস্যার ভিড়েও আমরা ভালো কিছু করতে চাই। শত বাধা আর চোর-বাটপারদের পাশ কাটিয়ে হলেও আমাদের কিছু করা দরকার আমাদের জীবনের জন্যে,ভবিষ্যতের জন্যে বা এখন যেমন আছি,তার চেয়ে ভালো থাকার জন্যে। এই ভালো থাকতে গিয়ে আমরা যা যা দেখি বা পড়ি আসেপাশে,সবখানেই দেখি শুধু স্বপ্ন আর স্বপ্ন,হাজার হাজার ডলারের গল্প আর সারাদিন গাধার খাটুনি খেটে ঘণ্টা প্রতি ৫ ডলার আয়ের একই ধরনের কলাকৌশল। কিন্তু আসল এবং মূল যেই জিনিস – দক্ষতা,সেটা একটু কঠিন বিষয় বিধায় সবাই আমাদের কন্টেন্টে নির্লজ্জভাবে এড়িয়ে যাই। এই বইয়ে আমি আমার সত্যিকারের সব গল্প বলেছি। এই গল্পগুলোর মধ্যেই আপনি সবচেয়ে কঠিন এবং কাঠখোট্টা দক্ষতাগুলো বৃদ্ধির সহজ টোটকা পাবেন,নিজের অবস্থার উন্নতিতে কি করা উচিত,কিভাবে করা উচিত এবং কোন কোন মাধ্যমে করা উচিত – সব কিছুর বাস্তব এবং স্পষ্ট ধারনা পাবেন। আমি এমনভাবে সবকিছু বলার চেষ্টা করেছি যে – যাতে করে আপনি বইটা পড়ার পর নিজেকে অন্য একজন মানুষ হিসেবে কল্পনা করেন। এমন মানুষ – যে চিন্তাভাবনায় আগের চেয়ে অনেক বেশী আত্মবিশ্বাসী,স্বপ্ন আর পরিকল্পনায় অনেক বেশী বাস্তববাদী আর ফোকাসড,অনলাইনে নিজের জীবন পরিবর্তনে সঠিক দিকনির্দেশনা পাওয়া অন্যরকম একজন যে এসইও এর ব্যাসিকটা জানে – যেটা দিয়ে সে নিজের এবং আসেপাশের হাজারো মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে!
প্রোডাক্টিভ প্রোগ্রামার
লেখক : মোশাররফ হোসেন রুবেল
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
পৃষ্ঠা : 176, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835622, ভাষা : বাংলা
বর্তমানে অনেকেই প্রোগ্রামিং পেশাটাকে খুব সহজ-সরল পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন নানান উপায়ে।এই ফিল্ডে তুলনামূলকভাবে ভালো সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য রিসোর্স থাকায় আমরা অনেকেই এই পেশায় আকৃষ্ট হই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই পেশায় ভালো করতে হলে যেমন খুবই প্যাশনেট হতে হবে, সেইসাথে আপনাকে যথেষ্ট ধৈর্য্যশীল, মোটিভেটেড ও শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে। অন্যথায় এই পেশা প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও কম্পিটিশন খুব বেশী থাকায় এখানে আপনাকে বার্নআউট, এক জায়গায় আটকে থাকা থেকে শুরু করে নানানরকম সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এই বইয়ের লেখকের এই ফিল্ডে বেশ অনেক বছরের এক্সপেরিয়েন্স আছে। উনি একাধারে বিভিন্ন টিমের সাথে কাজ করেছেন, অন্যদেরকে প্রোগ্রামিং শিখিয়েছেন, সেইসাথে বর্তমানে এমন টিম লিড করার কাজও করে যাচ্ছেন। লেখক ঠিক উনার সেই অভিজ্ঞতাগুলোই এই বইয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। আমাদের এই প্রোগ্রামিং পেশা আমাদের এই বিশ্বে কেমন ভ্যালু তৈরি করছে, আমরা কিভাবে অন্যদেরকে প্রোগ্রামিং এর সাহায্য তাদের বিজনেস গ্রো করতে সাহায্য করছি, বিজনেসে ভ্যালু ক্রিয়েট করছি ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে। একইসাথে এই বইয়ে নতুনদের জন্য কিভাবে তাদের ক্যারিয়ার শুরু করা এবং শুরু করে নিজের বেস্ট অবস্থায় যাওয়া যেতে পারে সে ব্যাপারে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া একজন তার ক্যারিয়ারে কিভাবে প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রোডাক্টিভ রেখে নিজেকে ডেভেলপ করে যাবে, প্রতিনিয়ত নিজের বেস্ট ভার্শন হওয়ার জন্য কাজ করবে, সে ব্যাপারে বাস্তব বিভিন্নরকমের টেকনিক সম্পর্কে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। এই বইটি শুধুমাত্র নতুনদের জন্যই নয়, বরং বর্তমানে যারা অলরেডি এই প্রফেশনে আছেন তাদের ক্যারিয়ার ইমপ্রুভমেন্ট এর জন্যেও বেশ কাজে আসতে পারে। সর্বশেষে আমি বলবো এই বইটি যারা যারা প্রোগ্রামিং পেশায় আসতে চাচ্ছেন অথবা অলরেডি এই পেশায় আছেন তাদের সবার জন্য মাস্ট-রিড। এই বইয়ের উপদেশগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার স্কিল বাড়াতে, নিজেকে ডেভেলপ করতে, মোটিভেটেড রাখতে, নিজের বেস্ট ভার্শনে যেতে সহায়তা করবে। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও চ্যালেঞ্জিং এই ফিল্ডে আপনার অন্যতম সেরা বন্ধু হিসেবে এই বইটি আপনাকে উপদেশ দিয়ে যাবে।
হু মুভড মাই চিজ?
লেখক : স্পেনসার জনসন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
অনুবাদক : আব্দুল্লাহ আল মামুন
পৃষ্ঠা : 56, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2021
আইএসবিএন : 9789849492658
আসুন একটা গল্প শুনি, মন দিয়ে পড়ুন
গল্পটি ২ টি ইঁদুর এবং মানুষের মত দেখতে ২ জন খর্বাকৃতির গল্প। ২ জন ইঁদুরের নাম স্নিফ এবং স্কারি এবং বাকি ২ জনের নাম হ এবং হেম । এরা চারজনই কোন একটা গোলকধাঁধার মধ্যে জীবন কাটায়। প্রতিদিন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই গোলকধাঁধার মধ্যে দৌঁড়ে চিজ/ পনির খুঁজতে থাকে এবং পেলে তা দিয়ে জীবন ধারণ করে। তারা পনির খুঁজে পেতে অনেক কষ্ট করতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে হ এবং হেম জগিং স্যুট এবং জুতা পরে নিত যাতে তাদের দৌঁড়ে পনির খুজঁতে কোন অসুবিধা না হয়। কিন্তু একদিন!! একদিন তারা ৪ জনই চিজ স্টেশন সি তে বিশাল পনিরের মজুদ পেলো। এমন চিজ দেখে তারা পাগল প্রায়। তাঁরা তাদের জুতা ছুড়ে ফেলে সেখানেই জীবন যাপন শুরু করলো। কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই তাঁরা ধরে নিল তাদের বাকি জীবন এভাবেই চলে যাবে। হঠাৎ একদিন!! তাঁরা চিজ স্টেশন সি তে গিয়ে দেখলো সেখানে কোন পনির নেই। এটা দেখে হ এবং হেম পাগল এর মত অবস্থা। তাঁরা চিৎকার করে উঠলো, “না এমন হতে পারে না। এটা অন্যায়। আমাদের সাথে এটা হতে পারে না। ” অন্যদিকে স্নিফ এবং স্কারি এটা দেখে তাঁরা অন্য দিকে পনির খুজতে শুরু করলো। একদিন তাঁরা পেয়েও গেল চিজ স্টেশন এন এর দেখা যা চিজ স্টেশন সি এর চেয়ে বেশি। হ এবং হেম তাদের দুঃখ ভুলতে পারলো না। তাঁরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে থাকলো। এদিকে ক্ষুদার্থ থাকায় এবং ডিপ্রেশনে তাদের শরীর খারাপ হতে থাকলো। তাঁরা ভয় পেতে থাকলো অন্য কোথাও গেলে যদি তাঁরা হারিয়ে যায়, তাঁরা যদি ভালো কিছু করতে না পারে? অনাগত ভবিষ্যৎ কেমন হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় তাঁরা তা গ্রহণ করতে রাজি ছিল না। একদিন হ চাইলো নতুন পনিরের খোঁজ করতে কিন্তু হেম কোনভাবেই তা হতে দিল না। বরং হ এর উপর রাগ দেখানো শুরু করলো। একদিন হ এর রাগ উপেক্ষা করে হেম আবার পনির খোঁজ করতে বের হল। অনেক কষ্টের পর সেও চিজ স্টেশন এন এর খোঁজ পেলো। এরমধ্যে অনেকবার হ কে রাজি করানোর ট্রাই করেও পারলো না।
এবার আপনাদের কাছে প্রশ্ন-
১) আপনি পরিবর্তন ভয় পান?
২) সবসময় কমফোর্ট জোনে থাকতে চান?
৩) অন্য পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারেন না বা চান না?
৩) আপনার কি খারাপ সময় নিয়ে কোন চিন্তা থাকে না?
সবগুলো প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে বইটি আপনার পড়া উচিৎ। হ্যাঁ, আমি “হু মুভড মাই চিজ” বইয়ের কথা বলছি। আপনি সামনে খুব বড় সমস্যায় পড়তে যাচ্ছেন কিংবা সমস্যার ভিতর দিয়ে যাচ্ছেন। এই বইটি/ গল্পটি মনোযোগ দিয়ে পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন, আমাদের কেমন মানসিকতা নিয়ে চলা উচিৎ বা কী করা উচিৎ? এই বইটি পড়লে অযুহাত / ভেঙ্গে না পড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর অনেক গুলো কারণ চোখে পড়তে শুরু করবে।
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved

Reviews
There are no reviews yet.