সম্মানিত মুহসিনীন/মুহম্বানাত, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি - আমাদের সিস্টেম রক্ষনাবেক্ষনের কাজ চলছে... তাই আপনি সিস্টেমের কিছু জায়গায় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন! সাময়িক সমস্যার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

তত্ত্বতালাশ ৫

৳ 200.00

SHORT INFO

তত্ত্বতালাশ ৫ (পঞ্চম সংখ্যা, জুলাই ২০২২)
By (author) মোহাম্মদ আজম
বাংলা ভাষায় চিন্তামূলক রচনার পরিসর ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষত একাডেমিক পরিসরে বাংলাভাষী অঞ্চলে এমন পণ্ডিতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যাঁরা মনে করেন, বাংলায় বিদ্যায়তনিক রচনা অসম্ভব না হলেও দুরূহ, আর অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয়। সাধারণভাবে দুনিয়ার হালচাল এবং বাংলাভাষী অঞ্চলগুলোর রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতির সাথে এ বাস্তবতার গভীর সম্পর্ক আছে। তত্ত্বতালাশের একাধিক সম্পাদকীয় ও প্রবন্ধে আমরা এ বিষয়ে আলোকপাত করেছি। এখানে কেবল পরিভাষা সম্পর্কে কয়েকটি মন্তব্য করতে চাই।
শাস্ত্রীয় চর্চা মূলত পরিভাষার চর্চা। এ বিষয়ে বাংলাভাষী অঞ্চলে এমনকি বিদ্বজ্জনের মধ্যেও বেশ কতকটা অস্পষ্টতা দেখা যায়। তার মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ভাষার সাথে পরিভাষাকে গুলিয়ে ফেলা। পরিভাষার যোগ ডিসিপ্লিনের সাথে, ভাষা-বিশেষের সাথে নয়। কিন্তু সাধারণভাবে আমাদের অঞ্চলে বিপরীত চিন্তাই প্রবলতর। ‘বাংলা পরিভাষা’ কথাটার জোর চল সে বাস্তবতার সাক্ষ্য বহন করছে।
উনিশ-বিশ শতকে বিশ্রুত বাঙালি পণ্ডিতগণ বাংলা পরিভাষা প্রণয়নের ব্যাপারটিকে যে এতটা গুরুতর করে তুলেছিলেন, তার কারণ অনুধাবন করা অবশ্য খুব দুরূহ নয়। কলোনিয়াল অভিজ্ঞতার কারণে এবং জ্ঞান-উৎপাদনে খুব প্রান্তীয় অবস্থানের কারণে আমাদের এখানে জ্ঞানচর্চার ব্যাপারটা বিশুদ্ধ অনুবাদমূলকতায় পর্যবসিত হয়েছিল। পশ্চিমা জ্ঞানকে বাংলায় পুনরুৎপাদিত করাই ছিল জ্ঞানচর্চার পরম লক্ষ্য। এ চর্চার নগদ ফল আমরা যথেষ্ট পেয়েছি। কিন্তু এর নানা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির দিকও আমাদের বহন করতে হচ্ছে।

Description

তত্ত্বতালাশ ৫ (পঞ্চম সংখ্যা, জুলাই ২০২২)
মোহাম্মদ আজম
বাংলা ভাষায় চিন্তামূলক রচনার পরিসর ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষত একাডেমিক পরিসরে বাংলাভাষী অঞ্চলে এমন পণ্ডিতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, যাঁরা মনে করেন, বাংলায় বিদ্যায়তনিক রচনা অসম্ভব না হলেও দুরূহ, আর অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয়। সাধারণভাবে দুনিয়ার হালচাল এবং বাংলাভাষী অঞ্চলগুলোর রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতির সাথে এ বাস্তবতার গভীর সম্পর্ক আছে। তত্ত্বতালাশের একাধিক সম্পাদকীয় ও প্রবন্ধে আমরা এ বিষয়ে আলোকপাত করেছি। এখানে কেবল পরিভাষা সম্পর্কে কয়েকটি মন্তব্য করতে চাই।
শাস্ত্রীয় চর্চা মূলত পরিভাষার চর্চা। এ বিষয়ে বাংলাভাষী অঞ্চলে এমনকি বিদ্বজ্জনের মধ্যেও বেশ কতকটা অস্পষ্টতা দেখা যায়। তার মধ্যে সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, ভাষার সাথে পরিভাষাকে গুলিয়ে ফেলা। পরিভাষার যোগ ডিসিপ্লিনের সাথে, ভাষা-বিশেষের সাথে নয়। কিন্তু সাধারণভাবে আমাদের অঞ্চলে বিপরীত চিন্তাই প্রবলতর। ‘বাংলা পরিভাষা’ কথাটার জোর চল সে বাস্তবতার সাক্ষ্য বহন করছে।
উনিশ-বিশ শতকে বিশ্রুত বাঙালি পণ্ডিতগণ বাংলা পরিভাষা প্রণয়নের ব্যাপারটিকে যে এতটা গুরুতর করে তুলেছিলেন, তার কারণ অনুধাবন করা অবশ্য খুব দুরূহ নয়। কলোনিয়াল অভিজ্ঞতার কারণে এবং জ্ঞান-উৎপাদনে খুব প্রান্তীয় অবস্থানের কারণে আমাদের এখানে জ্ঞানচর্চার ব্যাপারটা বিশুদ্ধ অনুবাদমূলকতায় পর্যবসিত হয়েছিল। পশ্চিমা জ্ঞানকে বাংলায় পুনরুৎপাদিত করাই ছিল জ্ঞানচর্চার পরম লক্ষ্য। এ চর্চার নগদ ফল আমরা যথেষ্ট পেয়েছি। কিন্তু এর নানা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির দিকও আমাদের বহন করতে হচ্ছে।

Reviews (0)

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “তত্ত্বতালাশ ৫”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shopping cart
Sign in

No account yet?

Shop
Wishlist
0 items Cart
My account