মানুষের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স খুবই চমৎকার। মানুষের সব কাজের উৎস তাঁর মস্তিষ্ক। এই ছোট মাত্র তিন পাউণ্ডের অঙ্গের প্রভাব একজন মানুষের জীবনে বিশাল এবং ব্যাপক। এখনও মনোবিজ্ঞানীরা এই রহস্যময় অঙ্গটির কর্মকান্ড নিয়ে ঐক্যমতে পৌঁছতে পারেননি।
কিছু সাধারন বিষয়ে অবশ্য দলগতভাবে মনোবিশেষজ্ঞ বা নোবিজ্ঞানীরা একমত। তেমনি কয়েকটি বিষয়ের মাঝে ‘মস্তিষ্কের সাথে মানুষের আবেগ দ্বারা প্রভাবিত আচরণের’ বিষয়টি অন্যতম।
ইমোশন বা আবেগের একটি আচরণিক বুদ্ধিমত্তা বা মূর্খতা আছে। আবেগের যথাযথ ব্যবহারে বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করা সম্ভব। আবার আবেগের অতি বাড়াবাড়ি একজন মানুষকে বোকা বা মূর্খ হিসেবে পরিগণিত করতে পারে। আবেগ প্রবণ হওয়া এবং আবেগীয়ভাবে বুদ্ধিমান হওয়া দুটো দুই বিষয়।
ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স বা আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা মানুষকে আবেগীয়ভাবে বুদ্ধিমান হতে সাহায্য করে। গবেষণায় প্রমাণিত ৯০পার্সেন্ট সফল মানুষ আবেগীয়ভাবে বুদ্ধিমান।
ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্সের আধুনিক জনক ড্যানিয়েল গোলম্যানের মতে, জীবনের সফলতার ৮৫% নির্ভর করে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের উপর। কী এই ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স বা আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা?
-19%
-19%
SHORT INFO
লেখক : প্রফেসর মঈনুদ্দিন চৌধুরী
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 140, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st edition, 2020
Reviews (0)
Be the first to review “ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স” Cancel reply
Related products
প্রোডাক্টিভ প্রোগ্রামার
লেখক : মোশাররফ হোসেন রুবেল
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : কম্পিউটার প্রোগ্রামিং
পৃষ্ঠা : 176, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835622, ভাষা : বাংলা
বর্তমানে অনেকেই প্রোগ্রামিং পেশাটাকে খুব সহজ-সরল পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন নানান উপায়ে।এই ফিল্ডে তুলনামূলকভাবে ভালো সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য রিসোর্স থাকায় আমরা অনেকেই এই পেশায় আকৃষ্ট হই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই পেশায় ভালো করতে হলে যেমন খুবই প্যাশনেট হতে হবে, সেইসাথে আপনাকে যথেষ্ট ধৈর্য্যশীল, মোটিভেটেড ও শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে। অন্যথায় এই পেশা প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও কম্পিটিশন খুব বেশী থাকায় এখানে আপনাকে বার্নআউট, এক জায়গায় আটকে থাকা থেকে শুরু করে নানানরকম সমস্যায় পড়তে হতে পারে। এই বইয়ের লেখকের এই ফিল্ডে বেশ অনেক বছরের এক্সপেরিয়েন্স আছে। উনি একাধারে বিভিন্ন টিমের সাথে কাজ করেছেন, অন্যদেরকে প্রোগ্রামিং শিখিয়েছেন, সেইসাথে বর্তমানে এমন টিম লিড করার কাজও করে যাচ্ছেন। লেখক ঠিক উনার সেই অভিজ্ঞতাগুলোই এই বইয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। আমাদের এই প্রোগ্রামিং পেশা আমাদের এই বিশ্বে কেমন ভ্যালু তৈরি করছে, আমরা কিভাবে অন্যদেরকে প্রোগ্রামিং এর সাহায্য তাদের বিজনেস গ্রো করতে সাহায্য করছি, বিজনেসে ভ্যালু ক্রিয়েট করছি ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে। একইসাথে এই বইয়ে নতুনদের জন্য কিভাবে তাদের ক্যারিয়ার শুরু করা এবং শুরু করে নিজের বেস্ট অবস্থায় যাওয়া যেতে পারে সে ব্যাপারে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া একজন তার ক্যারিয়ারে কিভাবে প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রোডাক্টিভ রেখে নিজেকে ডেভেলপ করে যাবে, প্রতিনিয়ত নিজের বেস্ট ভার্শন হওয়ার জন্য কাজ করবে, সে ব্যাপারে বাস্তব বিভিন্নরকমের টেকনিক সম্পর্কে উপদেশ দেওয়া হয়েছে। এই বইটি শুধুমাত্র নতুনদের জন্যই নয়, বরং বর্তমানে যারা অলরেডি এই প্রফেশনে আছেন তাদের ক্যারিয়ার ইমপ্রুভমেন্ট এর জন্যেও বেশ কাজে আসতে পারে। সর্বশেষে আমি বলবো এই বইটি যারা যারা প্রোগ্রামিং পেশায় আসতে চাচ্ছেন অথবা অলরেডি এই পেশায় আছেন তাদের সবার জন্য মাস্ট-রিড। এই বইয়ের উপদেশগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত আপনার স্কিল বাড়াতে, নিজেকে ডেভেলপ করতে, মোটিভেটেড রাখতে, নিজের বেস্ট ভার্শনে যেতে সহায়তা করবে। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল ও চ্যালেঞ্জিং এই ফিল্ডে আপনার অন্যতম সেরা বন্ধু হিসেবে এই বইটি আপনাকে উপদেশ দিয়ে যাবে।
ফ্রেশারস টু জব রেডি
লেখক : শাফী শাওন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : প্রফেশনাল ও ক্যারিয়ার উন্নয়ন
পৃষ্ঠা : 160, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 789849835653, ভাষা : বাংলা
আমাদের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই হচ্ছে পরীক্ষানির্ভর। এখানে প্রায়োগিক বিষয়গুলো অনেক কম। গ্র্যাজুয়েট হওয়া এবং জব পেয়ে যাওয়া- এই দুইটার মধ্যে একটা গ্যাপ রয়েছে। গ্যাপের জায়গাটা হলো জবের জন্য প্রিপেয়ার হওয়া। সদ্য স্নাতক হিসেবে আমাদের খুবই প্রতিযোগিতামূলক জব মার্কেটে প্রবেশ করতে হয়। অনেকেই তালগোল হারিয়ে ফেলে। আর এখানে তালগোল হারিয়ে ফেলাটাই স্বাভাবিক। যেখানে আমার ওঠা, বসা, কথা বলা, বাচনভঙ্গি, আমি কেমন শব্দ ব্যবহার করছি, কীভাবে খাচ্ছি, বিবেক, বুদ্ধি, চিন্তা প্রক্রিয়া প্রত্যেকটা বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। জব প্রোভাইডার অর্থাৎ নিয়োগ কর্তারা আসলে কী চাচ্ছে, কেমন মানুষ চাচ্ছে, কী ধরনের স্কিল সেট চাচ্ছে সেটা বুঝে সে অনুযায়ী নিজেকে উপস্থাপন করে, ক্যারিয়ারের শুরুটা ভালো করতে পারাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি কীভাবে আমার সঙ্গে সুইটেবল এবং আমার জন্য ফিট ক্যারিয়ার পাথ ঠিক করব, সে অনুযায়ী কীভাবে আমার ক্যারিয়ার প্ল্যান করব, কীভাবে প্রিপারেশন নিব, কীভাবে জব সার্চ করব, কীভাবে সিভি বানাব, কীভাবে কভার লেটার লিখব, কীভাবে আমার নেটওয়ার্ক তৈরি করব, কীভাবে সেলফ ব্র্যান্ডিং করব, কীভাবে রিক্রুটার মাইন্ডসেট বুঝব, কীভাবে ইন্টারভিউয়ের প্রিপারেশন নেব এবং একজন ফ্রেশার হিসেবে কর্মপরিবেশে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নেব এবং উত্তরোত্তর নিজের উন্নতি ধরে রাখব, এ যাবতীয় বিষয় ইনশা আল্লাহ্ আমরা জানব। চ্যাপ্টার শেষে কিছু টু ডু দেওয়া থাকবে, টুডুগুলো আমরা সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলব। কোনোটা পেন্ডিং রাখব না। জব রেডি হওয়ার দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তোমাকে অভিনন্দন। আমাদের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই হচ্ছে পরীক্ষানির্ভর। এখানে প্রায়োগিক বিষয়গুলো অনেক কম। গ্যাজুয়েট হওয়া এবং জব পেয়ে যাওয়া- এই দুইটার মধ্যে একটা গ্যাপ রয়েছে। গ্যাপের জায়গাটা হলো জবের জন্য প্রিপেয়ার হওয়া। সদ্য স্নাতক হিসেবে আমাদের খুবই প্রতিযোগিতামূলক জব মার্কেটে প্রবেশ করতে হয়। অনেকেই তালগোল হারিয়ে ফেলে। আর এখানে তালগোল হারিয়ে ফেলাটাই স্বাভাবিক। যেখানে আমার ওঠা, বসা, কথা বলা, বাচনভঙ্গি, আমি কেমন শব্দ ব্যবহার করছি, কীভাবে খাচ্ছি, বিবেক, বুদ্ধি, চিন্তা প্রক্রিয়া প্রত্যেকটা বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। জব প্রোভাইডার অর্থাৎ নিয়োগ কর্তারা আসলে কী চাচ্ছে, কেমন মানুষ চাচ্ছে, কী ধরনের স্কিল সেট চাচ্ছে সেটা বুঝে সে অনুযায়ী নিজেকে উপস্থাপন করে, ক্যারিয়ারের শুরুটা ভালো করতে পারাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি কীভাবে আমার সঙ্গে সুইটেবল এবং আমার জন্য ফিট ক্যারিয়ার পাথ ঠিক করব, সে অনুযায়ী কীভাবে আমার ক্যারিয়ার প্ল্যান করব, কীভাবে প্রিপারেশন নিব, কীভাবে জব সার্চ করব, কীভাবে সিভি বানাব, কীভাবে কভার লেটার লিখব, কীভাবে আমার নেটওয়ার্ক তৈরি করব, কীভাবে সেলফ ব্র্যান্ডিং করব, কীভাবে রিক্রুটার মাইন্ডসেট বুঝব, কীভাবে ইন্টারভিউয়ের প্রিপারেশন নেব এবং একজন ফ্রেশার হিসেবে কর্মপরিবেশে কীভাবে নিজেকে মানিয়ে নেব এবং উত্তরোত্তর নিজের উন্নতি ধরে রাখব, এ যাবতীয় বিষয় ইনশা আল্লাহ্ আমরা জানব। চ্যাপ্টার শেষে কিছু টু ডু দেওয়া থাকবে, টুডুগুলো আমরা সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলব। কোনোটা পেন্ডিং রাখব না। জব রেডি হওয়ার দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তোমাকে অভিনন্দন।
মেন্টর@ব্যাকপ্যাক
লেখক : জিয়া উদ্দিন মাহমুদ
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 96, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835608
মেন্টরিং একটি অমূল্য প্রক্রিয়া যা প্রত্যেক ব্যক্তির ব্যক্তিগত, পেশাগত এবং আত্মিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য। এটি জ্ঞান, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা হস্তান্তরের একটি পদ্ধতি যা মেন্টির বিকাশে সাহায্য করে। মেন্টরিং মাধ্যমে, একজন ব্যক্তি নিজের সম্ভাবনা চিনে এবং তার উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে পারে। মেন্টরশীপ ব্যক্তিকে নির্দেশনা, পরামর্শ এবং সমর্থন প্রদান করে যা তার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে। এটি নতুন দক্ষতা অর্জন, কর্মজীবনে অগ্রগতি এবং ব্যক্তিগত উন্নতির পথ প্রশস্ত করে। মেন্টররা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে জ্ঞান ও পরামর্শ দিয়ে মেন্টিদের সাহায্য করে, যার ফলে মেন্টিরা তাদের সম্ভাব্য ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল হতে পারে। মেন্টরিং শুধু ক্যারিয়ার গঠনেই নয়, ব্যক্তিত্ব বিকাশ, নেতৃত্ব দক্ষতা উন্নয়ন এবং জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও সহায়ক। এটি ব্যক্তিদের তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে উৎসাহিত করে এবং পেশাগত জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করে। সব মিলিয়ে, মেন্টরিং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সাফল্য অর্জনে একটি অপরিহার্য উপাদান।
সাইবার অপরাধনামা
লেখক : আরিফ মঈনুদ্দীন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি, কম্পিউটার হ্যাকিং
পৃষ্ঠা : 84, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Edition, 2023
আইএসবিএন : 9789849760863, ভাষা : বাংলা
তথ্যপ্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে আমাদের দেশে বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণির মানুষের মধ্যে ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোনের ব্যবহার যত বাড়ছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার অপরাধ। সাইবার অপরাধ এখন নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার না জানার কারণে দিনকে দিন এ ধরনের অপরাধ বেড়েই চলছে। সাধারণত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ অন্যান্য মাধ্যমগুলোয় এই অপরাধের প্রবণতা বেশি। প্রতারকরা চারদিকে তাদের প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করে রেখেছে। ব্যবহারকারীরা তাদের অজ্ঞতার কারণে এসব ফাঁদে পা দিচ্ছে এবং প্রতারিত হচ্ছে। এসব প্রতারণার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে সাইবার অপরাধনামা বইটিতে। আশা করি প্রতারণার এসব ধরন সম্পর্কে জানা থাকলে পরবর্তী সময়ে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা সচেতন হবে এবং নিজে ও নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে ভূমিকা পালন করবে।
© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved

Reviews
There are no reviews yet.