তলকুঠুরির কড়চা
তাওয়াক্কুল
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ঈমান ও আকীদা
পৃষ্ঠা : 144, কভার : পেপার ব্যাক
ভাষা : বাংলা
পৃথিবীতে মুসলমানরাই কেবল এমন এক জাতি, যারা শ্রম ও প্রচেষ্টার সাথে একটা আধ্যাত্মিক স্পিরিট নিয়ে পথ চলে। তারা সকল শক্তির ওপর শক্তিমান এক আল্লাহর ওপর ভরসা করে।
একজন মুসলমান কল্যাণকর সবকিছু অর্জনের নিমিত্তে সাধ্যমতাে সার্বিক
প্রচেষ্টা চালাবে, আর ফলাফলের জন্য আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করবে,
তাঁর প্রতি আস্থা রাখবে। বিশ্বাস রাখবে-আল্লাহ যা লিখে রেখেছেন,
ফলাফল তা-ই হবে। আর তাতেই রয়েছে চূড়ান্ত কল্যাণ। বাহ্যিক দৃষ্টিতে
তা দৃশ্যমান কল্যাণ না-ও হতে পারে।
তাওয়াক্কুল অবলম্বনকারী কখনাে হতাশ হয় না, স্বপ্নভঙ্গে মুষড়ে পড়ে না। বিপদ-মুসিবতে, যুদ্ধ-সংকটে ঘাবড়ে যায় না। যেকোনাে দুর্বিপাক-দুর্যোগে আল্লাহ তায়ালার ওপর দৃঢ় আস্থা রাখে। ঘাের অন্ধকারে প্রত্যাশা করে উজ্জ্বল সুবহে সাদিকের। জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন-নিপীড়নে সে আল্লাহ ব্যতীত কাউকে ভয় করে না। তাওয়াক্কুল এমন এক প্রতিষেধক, যা মুমিন-জীবনকে হীনম্মন্যতা থেকে মুক্ত রাখে।
তাকফির নিয়ে বাড়াবাড়ি
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইবাদত ও আমল, ইসলামি বিধি-বিধান ও মাসআলা-মাসায়েল
পৃষ্ঠা : 96, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2021
আইএসবিএন : 9789849537052
একজন দাঈ ও বিচারকের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য আছে।
বিচারককে অবশ্যই মানুষের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে খুঁটিনাটি অনুসন্ধান করতে হয়, যেন পক্ষে বা বিপক্ষে রায় দিতে পারেন। সেজন্য বিচারককে বিচারাধীন মানুষজন সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের বিশ্লেষণ প্রয়োগ করতে হয়, তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে হয়। কারণ, অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্দোষ হলে বিচারক তাদের নির্দোষ ঘোষণা করতে কিংবা দোষী হলে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে পারেন।
অন্যদিকে একজন দাঈর কর্তব্য হলো-তিনি সবাইকে আহ্বান করবেন, সবার কাছে তাঁর বার্তাগুলো পৌঁছে দেবেন, সবাইকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসবেন। একজন দাঈ ইসলামের বাণীকে সমগ্র মানবজাতির কাছে সাধ্যমতো ছড়িয়ে দেওয়ার বন্দোবস্ত করবেন-যাতে একজন পথভ্রষ্ট ব্যক্তি পথ খুঁজে পায়, পাপিষ্ঠ ব্যক্তি তওবা করে ফিরে আসে, মূর্খ ব্যক্তি শেখার সুযোগ পায়; এমনকী একজন অমুসলিম ব্যক্তিও যেন ইসলামকে সাদরে গ্রহণ করার আগ্রহ অনুভব করে।
কোনো ভুলকারীর শাস্তি কী হবে, সেটি নিয়ে কখনো দাঈ কাজ করে না; বরং কীভাবে সেই ভুলকারী ব্যক্তিকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয় নিয়েই দাঈ কাজ করে। একজন দাঈ কখনো মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগ করার জন্য মুরতাদ খুঁজে বেড়ায় না; বরং একজন মুরতাদকে ইসলামের সংরক্ষিত আঙিনায় ফিরিয়ে আনার প্রয়াস চালানোকেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করে।
তাজতন্দুরি
তামান্না হৃদির শেষ একুশ মিনিট
তাম্রচূড়ের লড়াই
তাম্রচূড়ের লড়াই
তারা-ঝরা
তারায় তারায় খচিত
লেখক : ফারদীম মুনির, মুনির হাসান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 160, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Edition, 2022
আইএসবিএন : 9789849665519
কেউ হিচ-হাইকিং করে অ্যামেরিকার অধিকাংশ অঙ্গরাজ্য ঘুরে ফেলেছেন, কেউ কানেক্টিভিটি ইজ প্রোডাক্টিভিটি তত্ত্বের প্রবক্তা, কেউ ৩০ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানিকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানিতে উন্নীত করায় নেতৃত্ব দিয়েছেন, কেউ ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতার কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মাত্র ২৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান যোগাড় করেছেন, কেউ দাদীর দেওয়া জমিতে চমৎকার মসজিদ বানিয়ে পেয়েছেন স্থাপত্যের ‘নোবেল’ পুরস্কার, ৮৩ বছর বয়সে কেউ এখন ‘চোখ বুজে সার্জারী’ করতে পারেন, কেউ তৈরি করেছেন বাংলাদেশের সেরা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, কেউ হয়েছেন কোয়ালিটি গুরু, কেউ খুঁজে পেয়েছেন অধরা ভাইল ফার্মিয়ন কণা কিংবা কেউ মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের ভাষায় ‘শিক্ষকের শিক্ষক’ হয়েছেন। তাঁদের এই সাফল্যের পেছনের রহস্য কী? কেমন করে তাঁরা এক্সট্রা মাইল গিয়েছেন? কী অনন্য বৈশিষ্ট্য তাঁদেরকে সাধারণের মাঝে অসাধারণ করেছে?
বাপ-বেটা মিলে খুঁজে ফিরেছেন সেই সব প্রশ্নের উত্তর। আলাপচারিতার মাধ্যমেই তারা তুলে ধরেছেন ৯ জন কীর্তিমানের দৈনন্দিন জীবন ও সমস্যা সমাধানের পদ রেখা।
তালাশ (এশিয়ান লিটারারি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত)
তালেবান ও আফগানিস্তান
তালেবান ও আফগানিস্তান
By (author) গৌতম দাস
আইসেনহাওয়ারের আমেরিকা লুটেরা সাম্রাজ্যের নায়ক হয়ে হাজির হয়। দুনিয়ায় আমেরিকার অপরের সম্পদ দখল আর সিআইএ পাঠিয়ে ক্ষমতাদখলের রাজত্ব শুরু হয়েছিল ১৯৫৩ সাল থেকে।
তাই ১৯৭৯ সালে ইরানের আয়াতুল্লাহ খোমেনীকে জেগে উঠতেই হয়। তার নেতৃত্বে ইরানে বিপ্লব সংগঠিত হয়। আর এতে এক নয়াযুগ, এক গ্লোবাল ঐতিহাসিক ঘটনার শুরু হয় এখান থেকে। ইরান বিপ্লবে পুরানা সোভিয়েত ইউনিয়ন তার সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে যায় যে সেগুলো ইরানি বিপ্লবের ছায়াতে না ভেসে যায়। সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিক্রিয়ায় আফগানিস্তান দখল করে বসে মিথ্যা অজুহাতে।
কিন্তু কোল্ড-ওয়ারের সেই যুগে আমেরিকা এটা ঠেকাতে পাকিস্তানকে ব্যবহার করে সোভিয়েতবিরোধী মুজাহেদিন প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে উঠতে পরিকল্পনা ও সহায়তা করে। এতে ১৯৮৯ সালের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পরাজিত হয়ে গুটিয়ে ফিরে চলে যায়। কিন্তু আফগানিস্তানকে পরিত্যাক্ত ফেলে রেখে যায় আমেরিকা। সেই বিশৃঙ্খল সময়ে নিজ উদ্যোগে যারা হাল ধরতে আফগান সমাজ থেকে সংগঠিতভাবে এগিয়ে এসেছিল, এরাই হলো তালেবান। আর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে আমেরিকার আফগান-হামলার আগ পর্যন্ত যারা সরকার গঠন করেছিল, এরাই সেই শক্তি — তালেবান।