কর্পোরেট এক্সেল
লেখক : মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন ফকির
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : মাইক্রোসফট অফিস
পৃষ্ঠা : 464, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2022
আইএসবিএন : 9789849597766
এক্সেল অনেকটা জাদুকরি বিদ্যার মত। এর মাধ্যমে হাজারো ঘণ্টার কাজ সম্পন্ন করা যায় এক নিমিষে। নিজের সৃজনশীল মেধাকে সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়। নিজের পেশাদারিত্বের পরিচয় এই এক্সেলের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। আপনি অফিসের যে বিভাগেই (মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বিক্রয় এবং বিপণন, হিসাব রক্ষণ এবং অর্থনীতি, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, উদ্যেক্তা) কর্মরত থাকেন না কেন এক্সেল এর নিয়মগুলো যথাযথ ভাবে রপ্ত করতে পারলে আপনার জন্য নিত্যদিনের কাজ গুলো হবে আরও সহজ এবং নির্ভুল। এতে আপনার পেশাদার সময়জ্ঞানের মেধার প্রকাশ পাবে। মাইক্রোসফট সার্টিফাইড ট্রেইনার, এক্সেল গুরু মোঃ আনোয়ার হোসেন ফকির স্যার এর লেখা “কর্পোরেট এক্সেল” বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
এক্সেল বইটি রিয়েল লাইফ প্রোজেক্ট ভিত্তিক, সম্পূর্ণ বাংলায়, সহজ ভাষায় লেখা হয়েছে। বইটি তে বেসিক থেকে প্রফেশনাল অ্যাডভান্স, VBA কোড, ম্যাজিক ম্যক্রো কৌশল, ডাটা ভিজুয়ালাইযেশন, অফিস এডমিনিস্ট্রেশন দেওয়া আছে।
এই বইটি পড়ে যিনি নতুন এক্সেল শিখতে চাচ্ছেন, তিনি যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি যারা এক্সেল দক্ষ, নিজেকে আরও ঝালিয়ে নিতে চান, তারাও বইটি পড়ে উপকৃত হবেন।
কর্পোরেট গ্রুমিং: সফল ক্যারিয়ারের চাবিকাঠি
কলনবিলাস ১
কলনবিলাস ১
By (author) মোহাম্মাদ জিশান
কলনবিলাস-১
কলনবিলাস এ শব্দটিতে আসলে কী বোঝায়? এ নামটি শুনে অবাক হবেন না এমন মানুষ খুব কমই আছেন। অথচ আজকাল মাধ্যমিকে পড়া ছাত্রছাত্রীও জানে গণিতে ‘ক্যালকুলাস’ নামে চরম একটা জটিল শাখা আছে, অথচ তাদের মধ্যে খুব কম লোকই জানে আমরা বাঙালিরা শখ করে ক্যালকুলাসের একটা বাংলা নাম বানিয়েছি ‘কলনবিদ্যা’। এখন কথা হচ্ছে এই ক্যালকুলাস দিয়ে কী হয়? লাভ কী শিখে?
খুব ছোট করে ক্যালকুলাস হলো গণিতের সবচেয়ে আধুনিক শাখা, গণিতের এই শাখার মধ্য দিয়ে প্রকৃতির অনেক নিয়ম ব্যাখ্যা করা সহজতর ও অপরিহার্য। যারা গণিত আর বিজ্ঞানকে উপভোগ করতে চায়, তাদের কাছে ক্যালকুলাস মানেই গণিতের এক অসাধারণ শাখা। অথচ এমন অনেকেই আছে যাদের কাছে পদার্থবিজ্ঞান অতিপ্রিয় কিন্তু গণিতে ভীতির কারণে পদার্থবিজ্ঞান পড়তে পারছে না। আবার অনেকেই মজাদার, রোমাঞ্চকর ক্যালকুলাসকে ভয় পেয়ে বাদ দিয়ে দিচ্ছে, পরীক্ষায় নম্বর পাওয়ার জন্য মুখস্থ করছে। অনেকে ক্যালকুলাস নিয়ে আগ্রহী অথচ ক্যালকুলাসকে অনুভব করতে পারে না। কারণ একটাই ক্যালকুলাস নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, বিষয়টাকে অনুভব করাতে পারে, ক্যালকুলাসের গল্প শোনাতে পারে– এমন কেউ নেই।
এ বইটা উপরোল্লিখিত সব শ্রেণির মানুষের জন্যই। মাঝে মাঝে এই বই গল্প শোনাবে, কথা বলবে, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবে, হাসাবে। সব মিলিয়ে এমন ক্যালকুলাসকে উপভোগ ও বিলাসিতা করার জন্য একটা উপকরণ। তাহলে শুরু করা যাক কলনবিলাস-ক্যালকুলাস শিক্ষায় বিলাসিতা।
কলনবিলাস ২
কলনবিলাস ২
By (author) মোহাম্মাদ জিশান
আমি এ বইটি লিখছি আর বলছি, ‘এসো, কলনবিলাস পড়ো, দেখো ক্যালকুলাস অসাধারণ একটা জিনিস, এটা জাদুর মতো কোনো কিছুর ভাঙা-গড়ার হার বের করতে পারে আবার কোনো কিছুর অসংখ্য ভাঙা টুকরো জোড়া লাগিয়ে মোটামুটি আগের অনুরূপ অবস্থায় ফেরত দিতে পারে।’ অথচ এমন একদল আছে যারা বলবে, ‘বিশ্বাস করতে পারলাম না। ক্যালকুলাস হলো গণিতের সবচেয়ে কঠিন বিষয়, পরীক্ষায় এ নিয়ে প্রশ্ন না এলে পড়তামই না।’ এই যে পরীক্ষায় নম্বর পাওয়ার জন্য পড়া একটি দল, এই দলে বাংলাদেশের অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী। এই দলের ছাত্রছাত্রীরা একদিন পরীক্ষায় অনেক নম্বর পেয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আমলা হবে। তারা আমাদের দেশের ও জাতির উপকারে আসবে।
কিন্তু এই দলের পাশাপাশি খুব কমসংখ্যক হলেও চিন্তাশীল মানুষ আমাদের দরকার যারা গণিত-বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা থেকে পড়ে, নিজের আগ্রহ থেকে পড়ে, উপভোগ করার জন্য পড়ে। এই মানুষগুলো তাদের মুক্তচিন্তার মাধ্যমে প্রকৃতির দুর্জ্ঞেয় সব রহস্যকে ভেদ করবে। এই বইটা তাদের জন্যই।
তাহলে চলো, ক্যালকুলাসকে উপভোগ করা যাক।
কল্প-ডাক্তার
কল্প-ডাক্তার
By (author) শাহ্ মুহাম্মদ ফাহিম
বৃটিশ উপনিবেশের হাত ধরে আমাদের এখানে আধুনিক এলোপ্যাথি চিকিৎসার আগমন। উপনিবেশ শেষ হলেও তাদের রেখে যাওয়া চিকিৎসা পদ্ধতি এখনো বহাল। উপনিবেশ-পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকের মনস্তত্ত্ব ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর উপনিবেশের কী প্রভাব রয়ে গেছে তা নিয়ে আমাদের এখানে খুব বেশি কাজ হয় নাই। তবে উপনিবেশকালে প্রতিষ্ঠিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা চিকিৎসক ও হাসপাতালের হাল-হকিকত রূপায়িত হয়েছে বাংলা সাহিত্যের পাতায়। তেমন কিছু গল্প ও উপন্যাস ব্যবচ্ছেদ করে এই লেখাগুলো তৈয়ার করা হয়েছে। তবে আলোচ্য গল্প বা উপন্যাসের সাহিত্যমূল্য বিচার করা লেখকের লক্ষ্য নয়। বরং তার বাসনা হচ্ছে বাংলা সাহিত্যের ডাক্তার চরিত্র ও হাসপাতাল ব্যবস্থার সমাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। আর তাই এই বইয়ের মূল উপজীব্য বিষয় হচ্ছে– বাংলা সাহিত্যের চিকিৎসক চরিত্র ও উপনিবেশ- পরবর্তী জনস্বাস্থ্য।
কল্পে গল্পে করোনাবিদ্যা
কল্পে গল্পে করোনাবিদ্যা
By (author) সঞ্জয় মুখার্জীর
করোনার হাত থেকে বাঁচতে যদি চাও বলছি তোমায় নিয়মগুলো, একটু জেনে নাও। ভীষণ ছোট এই জীবাণু, মাস্ক পেরিয়েও ঢোকে, তবুও তোমায় পরতে হবে, কমবে ঝুঁকি তাতে। ভিড় বাট্টা এড়াও, চলো, হাঁচি-কাশি দেখে হাতটি তোমার নিয়ো না যে নাক, মুখ, আর চোখে। বাইরে থেকে ফিরলে ঘরে, কিচ্ছু ধরো না যে সাবান দিয়ে বিশটি সেকেন্ড, হাতটি ধুয়ো আগে। তবুও যদি হয় গো অসুখ, হয়ো নাকো ভীত, ঘরে থেকো, অন্যকে আর করো না সংক্রমিত। ওষুধ খেয়ো ডাক্তার মেনে, সঙ্গে গরম জল, ভালো ভালো খাবার খেয়ো, দেহে পাবে বল। হও সচেতন বীর বাঙালি, আমরা সবই পারি, করোনাকে দূর করে দিই, ঠেকাই মহামারি।
বাংলায় সুন্দরভাবে বৈজ্ঞানিক তথ্য তুলে ধরতে পটু মানুষদের একজন হলেন এই বইয়ের লেখক সঞ্জয় মুখার্জী। তিনি সহজ ভাষায় অণুজীবদের নিয়ে আগেও গল্প বলেছেন আমাদের। তার সহজবোধ্য লেখনীর কারণে আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিজ্ঞানের জগৎ, অণুজীবের দুনিয়া, জীববিজ্ঞানের চিত্র। করোনা নিয়ে সঞ্জয় মুখার্জীর এ বইটিও সে জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও ছোটদের জন্য সহজবোধ্য করে লেখা, তবুও বৈজ্ঞানিক তথ্যকে সঠিকভাবে তুলে ধরার জন্য এটাই সবচেয়ে বড় অস্ত্র। সঞ্জয় সেই কাজটি সাফল্যের সাঙ্গেই করেছেন। সত্যিকারের গল্পগুলো পড়লে আমরা করোনাভাইরাসের প্রকৃতি, বিবর্তন, কাজের প্রণালি, করোনারোগের ধরন, চিকিৎসা, বিস্তার ইত্যাদি বহু বিষয়ে জানতে পারব। মিথ্যা এবং ভুল তথ্যের প্রাচুর্যের এই যুগে এমন বই অপরিহার্য। কল্পে গল্পে করোনাবিদ্যা বইটির জন্য শুভকামনা রইল। খান তানজীদ ওসমান গবেষক এমআইটি, আমেরিকা।
কাইফি আজমীর নির্বাচিত কবিতা
কাঁকড়াবিছের মুল্লুকে
কাগজের নৌকা
কাগজের নৌকা
By (author) আশীফ এন্তাজ রবি
আমার একটি বউ এবং দুটি কন্যা আছে। গাড়ি নেই, ফ্ল্যাট নেই, মাথায় নানা ছকের গল্পের প্লট ছাড়া ঢাকা অদূরে, অগভীর জলের নিচে অন্য কোনো স্থাবর প্লট নেই।
তবে ৩৫ বছরে দুটি সন্তান, একটি বউ, একটু বেশি হয়ে গেল না? তা হয়তো গেল। আমি বিয়ে করেছি ম্যালা আগে। ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট ইয়ারেই। সহপাঠীকে, অবশ্যই প্রেম-ভালোবাসার কেস।
সে অন্য গল্প এবং অনেক পুরোনো গল্প।
তবু সেই পুরোনো গল্পই আমাদের বয়ে বেড়াতে হয়, এটাই নিয়ম। আমি আর মিতু দুই কন্যাকে বুকে নিয়ে সেই পুরনো, মরচে পড়া, ঘুণে ধরা, শ্যাওলা পড়া, একটু বিবর্ণ হয়ে যাওয়া গল্প বয়ে বেড়াই। এর নাম সংসার।
আমাদের সংসারে কোনো জ্বালাময়ী সমস্যা নেই, আবার খুব উপচে পড়া সুখও নেই। সংসার সম্পর্কে এ রকম একটি সমস্যার কথা একদা শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন— জলে নৌকা থাকুক, সমস্যা নেই, নৌকায় জল থাকলে সমস্যা। তুমি সংসারে থাকো ক্ষতি নেই, কিন্তু তোমার ভেতর যেন সংসার না থাকে।
আমরা কেউ শ্রীরামকৃষ্ণ নই। কাজেই সুনাগরিকের মতো আমাদের সংসারের ভেতর যেমন বাস করতে হয়, তেমনি আমাদের ভেতরেও জোরালোভাবে সংসার আছে, সংসার থাকে। মাস গেলে বাড়িভাড়া, আইপিএসের ব্যাটারি নষ্ট হলে, সেটি বদলে ফেলা, বড় মেয়েটা অঙ্কের চেয়ে ইংরেজিতে কেন কম নম্বর পেল, সেটি নিয়ে ভাবা, ছোট মেয়েটার জ্বর হলে তার মুখে থার্মোমিটার পুরে দেওয়া— কত কাজ। সংসারে না থেকে উপায় আছে!
অতএব একটা পুরনো গল্পের বাঁধা চরিত্র হয়েই তো আমাদের বেঁচে থাকতে হয়। বেঁচে থেকে আমরা সেই পুরনো এবং ছকবাঁধা গল্পের পাতায় পাতায় ঘুরি, নির্ধারিত সংলাপ আউড়ে যাই, এক সময় শেষ পৃষ্ঠায় এসে গল্পটা আচমকা শেষ হয়ে যায়। তারপর আবার, ইয়েস আবার, সেই গল্পটা প্রথম পাতা থেকে শুরু হয় এবং একই গতিপথে শেষ পাতা অবধি চলতে থাকে।