ইসলাম আপনাকে যেভাবে দেখতে চায়
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইসলামি বিধি-বিধান ও মাসআলা-মাসায়েল
পৃষ্ঠা : 128, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Edition, 2023
আইএসবিএন : 9789849778196, ভাষা : বাংলা
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, রমাদানে ত্রিশটি সিয়াম এবং জীবনে একবার হজ, ব্যস আমার মুসলমানিত্বের ষোলোকলা পূর্ণ-এমন বিশ্বাস লালনকারী মানুষে সয়লাব গোটা মুসলিম সমাজ। কিন্তু আসলেই কি তা-ই? তবে আল্লাহর রাসূল (সা.) কেন বলেছেনÑ‘আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মুমিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মুমিন নয়। আল্লাহর কসম! সে ব্যক্তি মুমিন নয়, যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ নয়।’ কেন নবিজি শেখালেন— ‘তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে।’ ওপরের দুটি হাদিসের কোথাও নবিজি সালাত, সাওম কিংবা হজের কথা বলেননি। অথচ কী কঠিন হুঁশিয়ারি! সুতরাং এটা স্পষ্ট, নির্দিষ্ট কিছু আচার-অনুষ্ঠান ও রীতিনীতি পালনের মধ্যেই ইসলাম সীমাবদ্ধ নয়। ইসলামের চাওয়া এর থেকে অনেক বেশি। এর পরিধি অনেক বিস্তৃত, বিধৃত। তাহলে ইসলাম আমাদের থেকে ঠিক কী চায়? কীভাবে দেখতে চায় একজন বনি আদমকে? কোন কোন বৈশিষ্ট্যসমূহ ধারণ করলে তাকে মুমিন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এই বিষয়সমূহেরই পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ইসলাম আপনাকে যেভাবে দেখতে চায় বইটি।
ইসলাম ইউরোপকে যা শিখিয়েছে
ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার সংঘাত
লেখক : জিয়াউল হক
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য
পৃষ্ঠা : 420, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 2nd Edition, 25 Dec 2023
আইএসবিএন : 89849696889, ভাষা : বাংলা
আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিকো-হেলেনিক ঐতিহ্যের কফিন থেকে বেরিয়ে এসেছে ল্যাটিন সভ্যতা। আধুনিক পশ্চিমা বিশ্ব সেই ল্যাটিন সভ্যতারই ধারাবাহিকতা মাত্র। মাঝে কয়েকটি শতক ইসলামি সভ্যতার উত্থানে সে দিশেহারা হয়ে উ™£ান্ত কাল কাটিয়েছে বটে, তবে ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছে মুসলিম উম্মাহর দুর্বলতা ও দায়িত্বহীনতার সুযোগে, অচিরেই হয়ে উঠেছে ইসলামের প্রধানতম প্রতিপক্ষ।
প্রত্যেক যুগে পৃথিবীর সকল সভ্যতা কেন শুধু ইসলামের বিপক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাড়না বোধ করে? ইসলামের সঙ্গে গোটা বিশ্বের সংঘাতময় সম্পর্কের সূত্র কোথায়? এর মূল কারণটাই-বা কী? কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আজ এ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে পাশ্চাত্য সভ্যতা ও ইসলাম?
এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থটিতে। চলুন তবে ইতিহাসের ডানায় ভর করে ঘুরে আসি ইসলাম ও পাশ্চাত্যের সেই দ্বন্দ্বমুখর রক্ত পিচ্ছিল পথে। আত্মসন্ধানের অভিষ্ট লক্ষ্যে অভিযাত্রী হই আমি, আপনি, সকলেই।
ইসলাম ও রাজনীতি
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইসলামি শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতি
পৃষ্ঠা : 296, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Edition, 2023
আইএসবিএন : 9789849787631, ভাষা : বাংলা
কুরআন ও সুলতান পরস্পর সহযোগী দুটি শক্তি। একটি অপরটির প্রয়োগকে সার্থক ও শক্তিশালী করে। রাষ্ট্র ইসলামি দাওয়াহর জুতসই ক্ষেত্র তৈরি এবং ইলাহি আইন প্রয়োগের মাধ্যমে কুরআনকে জীবন্ত করে তোলে। অপরদিকে কুরআন রাষ্ট্রে সুবিচার-অধিকার-শান্তি-সম্প্রীতি সুনিশ্চিত করে। এভাবেই একটি রাষ্ট্র হয়ে ওঠে দ্বীন ও দুনিয়ার অপূর্ব মোহনা। ইসলামি জীবনব্যবস্থার প্রকৃত ফল পেতে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্র্য। ইসলামি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দাওয়াহ যেখানে নিষ্ফল, রাষ্ট্র সেখানে কার্যকর উপাদান। তাই ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সক্রিয় রাজনীতির বিকল্প নেই; যদিও প্রতিষ্ঠিত ও বিরুদ্ধবাদী শক্তি এর প্রবল বিরোধিতা করে। আর তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো, বিভ্রান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে মুসলিম যুবসমাজকে রাজনীতিবিমুখ করে পৃথিবীর নেতৃত্ব থেকে মুসলমানদের সরিয়ে রাখা। উসতাজ কারজাভি (রহ.) জীবনভর মুসলিম উম্মাহর পুনর্জাগরণে কাজ করেছেন। সেক্যুলার ও ইসলামবিরোধী শক্তির বিপরীতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পারস্পরিক মতভেদ ভুলে। ইসলাম ও রাজনীতি গ্রন্থটি মূলত সে প্রচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ। বর্তমান সন্দিহান মুসলিম যুবসমাজের জন্য এ গ্রন্থটি হতে পারে সুদৃঢ় পথনির্দেশিকা। পাশাপাশি সেক্যুলারদের সাথে চলমান বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধে ইসলামপন্থিদের চিন্তা গঠনে হতে পারে এক বলিষ্ঠ দলিল।
ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম দর্শন
ইসলাম প্রসঙ্গ
ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)
ইসলাম সভ্যতার শেষ ঠিকানা
লেখক : জিয়াউল হক
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য
পৃষ্ঠা : 184, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 2nd Edition, 2019
সভ্যতার মূল উপজীব্যই হলো মানুষ। এই মানুষ যখন সুনির্দিষ্ট কতক মৌলিক বৈশিষ্ট্য ধারণ করে, তখন সভ্যতা দাঁড়িয়ে যায় শক্ত ভিত্তির পাটাতনে। নিশান উড়াতে থাকে বিশ্বব্যাপী। আর মানুষ যখন সেই মৌলিক ভিত্তি হারিয়ে ফেলে, তখন সভ্যতা প্রস্তুত হতে থাকে অন্য কোনো উন্নত সভ্যতার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ার। গ্রিক, রোমান ও পারস্যের মতো প্রতাপশালী সভ্যতা এই দুটো নিয়ম মেনেই উত্থান-পতনের মুখোমুখি হয়েছিল। গ্রিক সভ্যতা আত্মসমর্পণ করেছিল রোমান সভ্যতার কাছে, আর রোমান ও পারস্য সভ্যতা ইসলামের কোলো।
ধীরে ধীরে ইসলামি সভ্যতার ধারক-বাহকদের বিচ্যুতি ঘটে। গ্রিক ও রোমান সভ্যতার ঔরস থেকে জন্ম নেওয়া ও বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতায় পুরো বিশ্বকে ভেড়াতে থাকে নিজের প্রভাব-বলয়ে। কিন্তু আজকের পশ্চিমা সভ্যতার যেসব আচরণ ও বৈশিষ্ট্য দৃশ্যমান, সেসব কারণেই পতন ঘটেছিল তার জন্মদাতার; এটাই যে চিরায়িত নিয়ম।
তাহলে কি অনিবার্য পরিণতি হিসেবেই এই সভ্যতার পতন অত্যাসন্ন? তখন কোথায় গিয়ে সভ্যতা আশ্রয় নেবে? আমরা দাবি করছি, সভ্যতা তার দীর্ঘ সফর শেষে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে আজ ইসলামের উদার বুকে ফিরে আসার দ্বারপ্রান্তে। ইসলাম : সভ্যতার শেষ ঠিকানা।
কিন্তু কীভাবে? চলুন উত্তর খুঁজি সভ্যতার বন্ধুর প্রান্তরে…
ইসলামপূর্ব ইরানের ধর্মমত
ইসলামপূর্ব ইরানের ধর্মমত
By (author) মুহাম্মদ তানিম নওশাদ
ইসলামপূর্ব ইরানের ধর্মমত মূলত আমার সাতটি প্রবন্ধের সংকলন। এর মধ্যে চারটিই প্রাচীন ইরানে, আরও ঠিকমতো বললে ইসলামপূর্ব ইরানে যে ধর্মমতসমূহ ছিল, সেগুলো নিয়ে লিখিত। এই ধর্মমতসমূহের আলোচনায় প্রথমেই আসে জরথুষ্ট্র এবং তার ধর্ম, যে ধর্মের প্রকৃত নাম মাজদা ইয়াসনা বা মাজদা বন্দনা। আর পরবর্তী সময়ে ইরানে যেসব ধর্মদর্শনই এসেছে, সেগুলোর ওপর মাজদা ইয়াসনা ব্যাপক প্রভাব রেখেছে। ধর্মমত বা দর্শনগুলোর আলোচনায় সেসব ধর্মের পূজা-অর্চনা, রীতি-নীতি এবং সেগুলো কীভাবে পালিত হয় কিংবা কীভাবে সুসম্পন্ন করা হয়, সেসব নিয়ে এখানে তেমন কোনো বিবৃতি বা বয়ান নেই। কারণ, সেগুলো জানতে চাইলে ইন্টারনেটে বহু সাইট আছে। সেসব বিষয়ে বহু বইও বিশেষত ইংরেজিতে লেখা হয়েছে। এই বইয়ের লক্ষ্য মূলত এইসব ধর্মচিন্তার বিকাশে কী কী দার্শনিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট কাজ করেছে তা পর্যালোচনা করা। বেশির ভাগ বইতে বাদ গিয়েছে বা সেসব বইয়ের লেখকগণ চিন্তা করেননি এমন অনেক আলোচনা ও বিশ্লেষণ এখানে হাজির করা হয়েছে। শেষ দুটো প্রবন্ধ সরাসরি ইরানকেন্দ্রিক নয়, কিন্তু কৌতূহলী পাঠকের কৌতূহল উসকে দিতে সে দুটি এখানে রাখা হয়েছে। এই বইয়ের ধারা বিশ্লেষণাত্মক, গতিপ্রকৃতি মার্ক্সবাদী। তবে মনোবিশ্লেষণী প্রবণতাও এই বইতে বেশ প্রবল।
ইসলামি চেতনা
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইসলামি আদর্শ ও মতবাদ
পৃষ্ঠা : 512, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Edition, 2023
চেতনা একজন মানুষকে আপন কক্ষপথে অবিচল ও সুদৃঢ় রাখে। এজন্য একজন সফল ও সার্থক মুসলিম হতে হলে ইসলামি চেতনাকে হৃদয়ে লালন করা অত্যন্ত জরুরি। বয়ঃসন্ধি থেকে প্রৌঢ়ত্ব; জীবনের প্রতিটি স্তরেই এই চেতনার উজ্জীবন ঘটাতে পারলেই কাক্সিক্ষত ব্যক্তিত্ব গঠনের পাশাপাশি প্রত্যাশিত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনও সম্ভবপর হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ইসলামি চেতনা বলতে কী বোঝায়? আমরা জানি, ইসলামের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর এই বৈশিষ্ট্যের মূলকথা হলো সহজাত ও সহমর্মিতা। তাইতো ইসলামের সর্বাঙ্গে মিশে আছে দয়া, করুণা ও সহমর্মিতার ছাপ। বলা হয়ে থাকে, ইসলাম সহজতা ও উদারতার ধর্ম। এখানে নেই কোনো কৃত্রিমতা, বাড়াবাড়ি ও কঠোরতার স্থান। তাওহিদ, রিসালাত ও আখিরাতের সাথে এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলোই ইসলামি চেতনার সারকথা। আর এগুলোই পরিপূর্ণ ইসলামি ব্যক্তিত্ব গড়ার পাশাপাশি সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের মূল উপকরণ। ইসলামের প্রকৃত বৈশিষ্ট্য ও অবয়ব কেমন এবং কীভাবে তা ব্যক্তি ও সমাজের ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তা যদি ইসলামের মুখেই শুনতে চান, তবে ইসলামি চেতনা বইটি হতে পারে আপনার জন্য উত্তম পাথেয়।
ইসলামি জাগরণ : অবহেলা ও বাড়াবাড়ি
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইসলামি গবেষণা
পৃষ্ঠা : 192, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Edition, 2023
আইএসবিএন : 9789849778165
বর্তমান বিশ্ব যেন আজ চরম অরাজকতা, রাজনৈতিক উত্তেজনা, ধর্মীয় সহিংসতা ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থায় ক্লান্ত। এই সংকটাবস্থা থেকে উত্তরণে যে মহাপরিকল্পনাই প্রণয়ন করা হোক না কেন, যুবকদের উপেক্ষা করে তার সফল বাস্তবায়ন অসম্ভব। বাস্তবিকার্থেই যেকোনো অচলাবস্থা তৈরি এবং তা থেকে পরিত্রাণের প্রচেষ্টায় যুবকদের ভূমিকাই মুখ্য। ফলত বর্তমান সংকটাবস্থায় চরমপন্থি একটি গোষ্ঠী অত্যন্ত সক্রিয় ও চাতুর্যের সাথে মুসলিম যুবকদের উসকে দিয়ে কার্যসিদ্ধি করতে মরিয়া। এই প্রক্রিয়ার শুরুতেই তারা যুবকদের মন-মগজ ঢুকিয়ে দেয় ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে হলে তরবারির কোনো বিকল্প নেই। ফলে বেরিয়ে পড়তে হবে এখনই। বিপরীতে আরেকটি দল মনে করছে, ইসলাম মূলত মসজিদের চার দেওয়াল, কুরআনের দুই মলাট ও তসবির একশ দানার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর বাইরে বাস্তব জীবনের সঙ্গে ইসলামের কোনো লেনাদেনা নেই। থাকলেও ফিতনার এই যুগে তার প্রয়োগ অসম্ভব। সুতরাং ঘরে বন্দি থাকাই শ্রেয়। তাত্ত্বিক বিচারে ওপরের দুই দলই বাড়াবাড়ি ও অবহেলার বেড়াজালে আটকা পড়েছে। ইসলামের জাগরণ যেন আজ নিজের ঘরেই আষ্টেপৃষ্ঠে বন্দি। ইসলামি জাগরণের এই বন্দিদশা থেকে মুক্তির ভারসাম্যপূর্ণ রূপরেখা ইসলামি জাগরণ : অবহেলা ও বাড়াবাড়ি বইটি।