ইতিহাসের ধুলোকালি
ইতিহাসের পথে পথে
ইনকাম অ্যান্ড মাইন্ডসেট
লেখক : মাওলানা সালেহ আজাদী
প্রকাশনী : সত্যায়ন প্রকাশন
বিষয় : ইসলামি অর্থনীতি ও ব্যবসা বাণিজ্য
কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2024
ইন্ট্রাপ্রেনিউর
লেখক : কে. এম. হাসান রিপন
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : উদ্যোক্তা
পৃষ্ঠা : 136, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2023
আইএসবিএন : 9789849665588
একজন সফল ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা স্মার্ট প্রফেশনাল হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ স্বীকার, প্রতিদিন শেখার মানসিকতা এবং সময়ের পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেবার ইচ্ছার সমন্বয় প্রয়োজন। আপনি যদি ক্রমাগত নতুন চ্যালেঞ্জ, কৌতুহলী মানসিকতা ও সুযোগ খোঁজার স্পৃহা মনের মধ্যে লালন করতে পারেন তাহলেই আপনি প্রতিদিন অর্জন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন। হতাশা আপনাকে ছুঁতে পারবে না।
ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা স্মার্ট প্রফেশনাল হওয়ার ক্ষেত্রে আরো বড় একটি বাধা আপনাকে অতিক্রম করতে হবে সেটি হলো অন্যের অনুমানকে যাচাই বাছাই ছাড়া বিশ্বাস করে হাল ছেড়ে দেয়া। মনে রাখবেন আপনাকে থামিয়ে দেবার মানুষ যেমন আছে তেমনি আপনাকে এগিয়ে দেবার মানষও অনেক আছে। অতএব আপনার বিচক্ষণতার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা এখানে অত্যন্ত প্রয়োজন। সবসময় আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার কাজের মাধ্যমে ইতিবাচক প্রভাব সমাজে এবং বিশ্বে বিস্তার করছে কিনা।
আপনার সহকর্মী, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অন্যদের সাথে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলবেন যার ভিত্তি হবে বিশ্বাস। সম্পর্ক উন্নয়ন এবং টেকসই করতে আপনাকে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে হবে তাহলেই আপনি বড় বড় বাধা সহজেই অতিক্রম করতে পারবেন এবং একজন ইন্ট্রাপ্রেনিউর বা পেশাদার হিসাবে আপনার লক্ষ্য অর্জন সহজ হয়ে যাবে।
সর্বোপরি, মনে রাখবেন যে সাফল্য কেবল আপনার নিজের লক্ষ্য অর্জনকেই বোঝায় না, বরং অন্যদের উপর কি রকম ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে সেটাকেও বোঝায়। অতএব লক্ষ্যকে বড় করুন, হয়তো শুরুটা ছোটো হবে প্রথম দিকে। ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে “Think Global, Start With Local”.
পেশাদারদের জন্য সাফল্যের নিশ্চয়তা দেয় এমন কোন নির্দিষ্ট সূত্র বা ফর্মূলা নেই। তবে কিছু মানুষের সাফল্যকে পর্যালোচনা করলে আপনি অনুপ্রাণিত হবার মতো অনেক উদাহরণ দেখতে পাবেন। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে বর্তমানকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে আপনি যখন আপনার কাঙ্খিত সাফল্য অর্জন করবেন। তখন আপনার সাফল্যের গল্প আরেকজনের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে যাবে।
ইবসেনের কবিতা
ইভলিন রীড নারীমুক্তির প্রশ্নে
ইমানবৃক্ষ
লেখক : ড. ইয়াসির ক্বাদি
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ঈমান ও আকীদা
অনুবাদক : মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ
পৃষ্ঠা : 176, সংস্করণ : ১ম প্রকাশকাল মার্চ, ২০২২
আইএসবিএন : 978-984-96335-7- 0, ভাষা : বাংলা
মানুষ তার আহার ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে জমিনকে সাজিয়ে তোলে বিবিধ বৃক্ষরাজি আর পত্র-পুষ্প-পল্লবে। অনুরূপ মুমিন বান্দাও স্রষ্টাকে ভালোবেসে হৃদয়ে রোপণ করে বিশ্বাসের বীজ। রবের প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য ও ধারাবাহিক সৎকর্মের মধ্য দিয়ে মুমিনের ক্বলবে সুপ্ত সেই বীজটিই পরিণত হয় ছায়াঘন চিরহরিৎ বৃক্ষে। পৃথিবীর উদরে অঙ্কুরিত বৃক্ষ যেমন বান্দার পার্থিব চাহিদা পূরণ করে, বান্দার হৃদয়ে উপ্ত ঈমানরূপী বৃক্ষও তেমনি ক্বলবকে রাখে রবের স্মরণে সদা জাগরূক; সবুজ ও প্রাণবন্ত। যাবতীয় সংকটে মুমিনকে ছায়া দিয়ে চলে বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো। শির উঁচু করে দেখিয়ে দেয় শাশ্বত সত্যের পথ। বান্দাকে শামিল করে সিরাতুল মুস্তাকিমের গৌরবময় সফরে।
কিন্তু মুমিন কী উপায়ে সজীব ও সতেজ রাখবে ঈমানবৃক্ষ? এই বৃক্ষের শাখাগুলোই-বা কী কী? অনাদর আর অবহেলায় কি এ বৃক্ষেরও মৃত্যু ঘটে? ড. ইয়াসির ক্বাদি তাঁর এই বইটিতে সেই সকল বিষয়ে নাতিদীর্ঘ অথচ সর্বাঙ্গীণ সুন্দর আলোচনা পেশ করেছেন। বিশ্বাসী হৃদয়মাত্রই এখান থেকে খুঁজে পাবে ঈমান পরিচর্যার নির্দেশনা, এগিয়ে যাবে চিরস্থায়ী সুখের আবাস ফেরদাউসের দিকে।
ইমিউন সিস্টেম
ইমিউন সিস্টেম
By (author)রুহশান আহমেদ
বেঁচে থাকাটা আক্ষরিক অর্থেই একটা লড়াই। আপনি এখন সুস্থ-অসুস্থ যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, আপনার দেহে ক্রমাগত একটা যুদ্ধ চলছে। অজস্র খুদে রোগজীবাণু আমাদের দেহে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে আমাদের শরীরও একটা দুর্গের মতো, যার নিজস্ব রোগপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। এই রোগপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গালভরা নাম হলো ইমিউন সিস্টেম বা অনাক্রম্য ব্যবস্থা। কোনো যুদ্ধে যেমন পদাতিক, তিরন্দাজ, গোলাবারুদ, এসপিওনাজ, আকাশ-প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত বাহিনী থাকে, ঠিক তেমনি আমাদের অনাক্রম্য ব্যবস্থায় টি-সেল ও বি-সেল থেকে শুরু করে এন্টিবডিসহ নানা ধরনের ‘ফ্রন্ট’ রয়েছে। এদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো আপনাকে বাঁচিয়ে রাখা।
ইমিউনোলজি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় হলেও এটা বেশ জটিল। বাংলাতে এ বিষয়ের উপর লেখা কোনো সহজবোধ্য বইও নেই। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও এই অনাক্রম্য ব্যবস্থার পাঠ্যপুস্তক বুঝতে গিয়ে খাবি খেতে হয়। রুহশান আহমেদ অত্যন্ত সুচারুভাবে এই জটিল বিষয়কে সহজে উপস্থাপন করেছে। রুহশানের লেখার ভাষা প্রাঞ্জল ও সহজবোধ্য, ও জানে ঠিক কীভাবে কোনো জটিল বিষয়কে ভেঙে সহজে বোঝাতে হয়। অনাক্রম্য ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাতে সহজবোধ্য বইয়ের যে অভাব ছিল, ইমিউন সিস্টেম বইটা সে অভাব পূরণ করবে। সকল পর্যায়ের কৌতূহলী পাঠক তো বটেই, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের যেসব শিক্ষার্থী ইমিউনোলজি বুঝতে বার বার ঠেকে যাচ্ছে, তারাও বইটা থেকে উপকৃত হবে বলে আমার বিশ্বাস।
আরাফাত রহমান
বিজ্ঞান লেখক ও পিএইচডি গবেষক,
ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, রিভারসাইড
ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স
লেখক : প্রফেসর মঈনুদ্দিন চৌধুরী
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : আত্ম উন্নয়ন ও মোটিভেশন
পৃষ্ঠা : 140, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st edition, 2020
মানুষের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স খুবই চমৎকার। মানুষের সব কাজের উৎস তাঁর মস্তিষ্ক। এই ছোট মাত্র তিন পাউণ্ডের অঙ্গের প্রভাব একজন মানুষের জীবনে বিশাল এবং ব্যাপক। এখনও মনোবিজ্ঞানীরা এই রহস্যময় অঙ্গটির কর্মকান্ড নিয়ে ঐক্যমতে পৌঁছতে পারেননি।
কিছু সাধারন বিষয়ে অবশ্য দলগতভাবে মনোবিশেষজ্ঞ বা নোবিজ্ঞানীরা একমত। তেমনি কয়েকটি বিষয়ের মাঝে ‘মস্তিষ্কের সাথে মানুষের আবেগ দ্বারা প্রভাবিত আচরণের’ বিষয়টি অন্যতম।
ইমোশন বা আবেগের একটি আচরণিক বুদ্ধিমত্তা বা মূর্খতা আছে। আবেগের যথাযথ ব্যবহারে বুদ্ধিমত্তা প্রকাশ করা সম্ভব। আবার আবেগের অতি বাড়াবাড়ি একজন মানুষকে বোকা বা মূর্খ হিসেবে পরিগণিত করতে পারে। আবেগ প্রবণ হওয়া এবং আবেগীয়ভাবে বুদ্ধিমান হওয়া দুটো দুই বিষয়।
ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স বা আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা মানুষকে আবেগীয়ভাবে বুদ্ধিমান হতে সাহায্য করে। গবেষণায় প্রমাণিত ৯০পার্সেন্ট সফল মানুষ আবেগীয়ভাবে বুদ্ধিমান।
ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্সের আধুনিক জনক ড্যানিয়েল গোলম্যানের মতে, জীবনের সফলতার ৮৫% নির্ভর করে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের উপর। কী এই ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স বা আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা?
ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স
ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স
By (author) নাসরিন সুলতানা শীলা, সায়েদ আশরাফ
ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স মূলত আমাদের আবেগ-অনুভূতি আর বুদ্ধিমত্তার এক অনন্য মেলবন্ধন। নিজের ও অন্যের অনুভূতি বোঝা এবং সে অনুযায়ী আচরণ করাই হলো ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের মূল কথা। আর এই দক্ষতা যে শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য দরকার তা নয়, কর্মক্ষেত্রে ভালো করার জন্যও এর কোনো বিকল্প নেই। সেজন্যেই ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ইতোমধ্যে জানিয়েছে, ২০২০-এর দশকে কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় দশটি দক্ষতার একটি হলো ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স।
এই বইয়ের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট দক্ষতাগুলো সম্পর্কে জানানো যা তাকে নিজের আবেগের বহিঃপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ করে পরিবারের সদস্য, বন্ধু, সহকর্মীদের সাথে আরও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং কর্মক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব নিরসন করে কাজে সম্পৃক্ততা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।
এছাড়াও এই বইতে নিজেকে ও অন্যকে অনুপ্রাণিত করা, একটি সুস্থ পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা বা বজায় রাখা এবং একটি সুন্দর-সুখী জীবনযাপন করার উপায় নিয়েও কথা বলা হয়েছে, যা সাফল্য ও মানসিক প্রশান্তি উভয়ের জন্যই প্রয়োজন।