আলোকিত মানুষ সিরিজ (১-৬ খন্ড)
লেখক : সানা শালান
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : বয়স যখন ৪-৮
কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2024
“ইবনে তাইমিয়া -১ম
উর্বর ভূমিতে সব সময় ভালো গাছই জন্ম নেয়। উত্তম বৃক্ষের জন্ম হয়। ইবনে তাইমিয়া (রহ.) ছিলেন একটি উত্তর বৃক্ষ। তাঁর জন্ম হয়েছিল উর্বর ও পবিত্র জমিনে। কারণ, তিনি জন্মগ্রহন করেছিলেন এমন এক পরিবারে, ইলম ও ফিকহচর্চায় যাদের খ্যাতি ছিল দিগন্তজোড়া । তার বাবা,দাদা, ভাই, চাচা প্রমুখ সবাই হাম্বলি মাজহাবের প্রসিদ্ধ আলিম ছিলেন। এমনকি তার মা ও নানি ছিলেন আলেমা। ইবনে তাইমিয়ার পরিবার মুনষকে ভালো কাজে আদের করার জন্য ছিলে বিখ্যাত । তারা মানুষকে সৎকাজ করতে বলত । মন্দ কাজে নিষেধ করত। এই ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে নিষেধে কারণেই মূলত তার পরিবারকে বলা হতো তাইমিয়া । এখান থেকে তিনি ও তাইমিয়া নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
খলিফা হারুনুর রশিদ -২য়
এক বরকতময় রাতে আব্বাসি আমলের স্বর্ণযুগের সূচনা হয়। এ রাতে জন্মগ্রহণ করে এক ছোট্ট শিশু। তার নাম রাখা হয় হারুন। বাবার নাম ছিল মুহাম্মাদ । দাদার নাম আবদুল্লাহ । তিনি ছিলেন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচা আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বংশধর আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বংশধর হওয়ার কারণে তাদের বলা হতো আব্বাসি। পরবর্তী সময়ে এই ছোট্ট শিশু হারুন ইসলামি সালতানাতের খলিফা হয়েছিলেন। আর তাকে উপাধি দেওয়া হয়েছিলে হারুনুর রশিদ।
খালিল ইবনে আহমদ- ৩য়
এক ছিলেন বুদ্ধিমান বালক। তিনি ছিলেন সর্বক্ষেত্রে অত্যন্ত বিচক্ষণ ও চৌকশ । তার নাম খলিল। পিতার নাম আহমাদ আমর । দাদার নাম তামিম আল ফারাহিদি। তিনি ওমানের বিখ্যাত ইয়াহমাদি বংশের আজদি শাখাগোত্রের মানুষ। ১০০ হিজরি সনে ওমানেই তার জন্ম হয়েছিল। অনেকেই আবার বলেন, তার জন্ম হয়েছিল বসরায় । বসরা ইরাকের বিখ্যাত একটি শহর।কথিত আছে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর খলিলের বাবার নামিই সর্বপ্রথম আহমাদ রাখা হয়েছিল। বালক বয়সেই খলিল বসরায় চলে আসেন। সে সময় বসরা ছিল ইলমে নাহুর রাজধানী হিসেবে পরিচিত। আচ্ছা, তোমরা কি জানো ইলমে নাহু কী? ইলমে নাহু এমন একটি বিজ্ঞান, যাতে আরবি বাক্যে ব্যবহৃত শব্দের শেষ বর্ণে হরকত কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
লাইস ইবনে সাদ-৪র্থ
দক্ষিণ মিশরের ছোট্ট একটি গ্রাম। গ্রামটির নাম কালকাশান্দা । এর অবস্থান কায়রো থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে। এ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ৯৪ হিজরিতে জন্ম হয় লাইস ইবনে সাদের। তার পরিবার ছিল অত্যন্ত সচ্ছল। চারপাশে ফসলের মাঠ। অপরূপ সৌন্দর্য়ে ভরা প্রকৃতি । নির্মল বাতাস বয়ে চলে সর্বক্ষণ। সর্বত্র। এটিই লাইস ইবনে সাদের গ্রাম। এ গ্রামেই তিনি বেড়ে ওঠেন।
আব্বাস ইবনে ফিরনাস -৫ম
অনেক দিন আগের কথা। এক ছিলেন ছোট্ট বালক। তাঁর চোখ দুটি ছিল উজ্জ্বল চকচকে । ছেলেটির নাম আব্বাস । বাবার নাম ফিরনাস। বাবার নামে সাথে মিলিয়ে মানুষ তাকে ডাকত আব্বাস ইবনে ফিরনাস নামে । আব্বাস ইবনে ফিরনাসের জন্ম হয়েছিল ১৮০ হিজরিতে। তখন ছিল খলিফা হিকাম ইবনে হিশামের শাসনামল। ছোট্টবেলা থেকেই আকাশ আর পাখিদের প্রতি ছিলে তার এক অনন্য টান। তিনি একমনে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতেন । ডানা মেলে পাখিদের উড়ে চলা নিবিড়ভাবে পর্য়বেক্ষণ করতেন । আর রাতে বেলা তারাদের দিকে এক ধ্যানে তাকিয়ে থাকতেন। মনে মেন ভাবতেন, কত সুন্দর করে পাখিরা উড়ে যায় দূর নীলিমায়। আমিও যদি উড়তে পারতাম পাখিদের মতো! যেতে পারতাম দূর আকাশের ওই তারাদের দেশে!
ইজ্জ ইবনে আবদুস সালাম -৬ষ্ঠ
সিরিয়ার রাজধানী দামেশক। আর দামেশক হলো ইতিহাস বিখ্যাত উমাইয়া মসজিদের শহর । এ শহরে বাস করত এক দরিদ্র পরিবার। অভাব- অনটন ও দুঃখ-কষ্ট সারাক্ষণ তাদের ঘরে লেগেই থাকত। ৫৭৭ হিজরি এ বাড়িতেই জন্ম হয় এক ফুটফুটে ছেলে সন্তানের । নাম রাখা হয় আবদুল আজিজ। তার বাবার নাম ছিল আবদুস সালাম। দাদার নাম কাসেম আদ-দিমাশকি। তবে মানুষের কাছে তিনি মুহাম্মাদ ইজ্জুদ্দিন আল মাগরিবি নামেই বেশি পরিচিত।”
আলোর পাখিরা
আল্লামা ইকবালের মেটাফিজিকস
আল্লামা ইকবালের মেটাফিজিকস
By (author)মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি
আমরা সাধারণত কোনো কিছুকে জানি আমাদের আরোপিত বৈশিষ্ট্য ও ধারণা ইত্যাদি দিয়ে। কিন্তু আমাদের এ জ্ঞাত (!) বিষয়টি ‘স্বয়ং’ কী— তা সম্পর্কে আমরা অনিবার্যভাবে অন্ধকারেই থেকে যাই। এ অজ্ঞতা থেকে কি কোনো মুক্তি নেই? জ্ঞানের উৎসাবলির উপর আমাদের প্রতিফলন আমাদেরকে নিরাশ করে। এ নিরাশার প্রথম ধাক্কা মেটাফিজিকস, আত্মা ও ঈশ্বরসংক্রান্ত আলোচনার ভিত কাঁপিয়ে দেয়। আল্লামা ইকবাল জ্ঞানের অন্যান্য অনুষদের মতো ‘স্বজ্ঞা’ কেও একটা সাধারণ উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস পেয়েছেন এবং স্বজ্ঞার বৈশিষ্ট্যাবলি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বিবৃত করেছেন।
ফলত, তাঁর জন্য আত্মা ও ঈশ্বর নিয়ে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্তির আলোচনা করা এবং আমাদেরকেও এর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
আস-সুন্নাহ প্যাকেজ (৩টি বই একত্রে)
লেখক : ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
প্রকাশনী : আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স
বিষয় : দুআ ও যিকির, শিরক, বিদয়াত ও কুসংস্কার
কভার : হার্ড কভার
আসাদ চৌধুরীর নির্বাচিত ৩০০ কবিতা
লেখক: আসাদ চৌধুরী
প্রকাশনী: অক্ষর প্রকাশনী
বিষয় : কবিতা সমগ্র/সংকলন
আসিফ সিবগাত ভূঞায়ের চারটি বই
আসিফ সিবগাত ভূঞায়ের চারটি বই
By (author) আসিফ সিবগাত ভূঞা
প্রথম যা জানা দরকার— আসিফ সিবগাত ভূঞা মাদ্রাসা লাইনের ছাত্র নন। তার পড়াশোনা ‘জেনারেল’ লাইনে। ছাত্র হিসেবে খুব আহামরি না হলেও তার ভালো ভালো জায়গায় পড়াশোনা করার সৌভাগ্য হয়েছে। সেইন্ট জোসেফ স্কুল থেকে এসএসসি, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে তিনি বিবিএ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি বহু দিন আর পড়াশেনা না করে এখন অর্থনীতির ওপর মাস্টার্স করছেন— ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে।
আইবিএতে পড়ার সময় তিনি এক বন্ধুর বাড়িতে ইসলামি আলোচনা শুনতে যান এবং সেখানে গিয়ে তার ইসলামের প্রতি নতুন করে ভালোবাসা জন্মায়। তিনি ধর্মীয় দায়িত্বগুলো কমবেশি পালন করার পাশাপাশি ইসলাম নিয়ে ভালো করে জানার ব্যাপারে আগ্রহ বোধ করেন। গত প্রায় ১৫ বছর তিনি ইসলামি জ্ঞান নিয়ে ধাক্কাধাক্কি করেছেন— কিছুটা অন্যের সাহায্যে, কিছুটা নিজের চেষ্টায়।
২০০৯ সালে তিনি কাতারে চলে যান, কাতার ইউনিভার্সিটির একটি এক বছরকালীন আরবি ভাষার কোর্স করতে। আরবি ভাষায় কিছুটা দক্ষতা অর্জন করে তিনি সেটা দিয়ে ইসলামের বিভিন্ন শাস্ত্রের প্রাথমিক পাঠ নেয়া শুরু করেন। সম্প্রতি মিশকাহ ইউনিভার্সিটি নামক একটি অনলাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি নতুন করে আরেকটি ব্যাচেলর প্রোগ্রামে ইসলামিক স্টাডিজ নিয়ে পড়ছেন। এখানে মিসরের বিখ্যাত ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় আযহার ইউনিভার্সিটির বেশ কয়েকজন প্রফেসরের সান্নিধ্যে তার জ্ঞান অর্জন করার সুযোগ হয়েছে।
ফেসবুকে আসিফ এখন এক বিরাট কুতুব। তাকে ফলো করতে পারবেন এই প্রোফাইলে—
আহমেরিকা
আহমেরিকা
By (author)আনোয়ার ইকবাল
সে এক ঘুটঘুটে অন্ধকার রাত। কালো জলরাশির তলে ফুঁসে ফুঁসে উঠছে আটলান্টিক মহাসাগর। ক্যাপ্টেনের নাম থমাস, বোটের যাত্রী কেবল আমি। দু’ঘন্টা চলার পর থমাস ইঞ্জিন বন্ধ করে দিল। শব্দ দিয়ে সে কারো মনোযোগ আকর্ষণ করতে চায় না। এখনও তীর বেশ দূরে; আবছা আলোয় সেটাকে কালো একটা সরলরেখার মত দেখাচ্ছে। বৈঠা চালিয়ে আরও খানিকটা এগুনোর পর বলল, ‘নেমে পড়।‘ ‘কোথায়?’ আতঙ্কিত স্বরে প্রশ্ন করলাম। ‘আমি তো সাঁতার জানি না!‘ ‘সেটা তোর সমস্যা,’ অন্ধকারে দাঁত ঝলমলানো কুৎসিত একটা হাসি দিয়ে আমাকে এক ধাক্কায় বোট থেকে পানিতে ছুড়ে দিল। ওয়াটার-প্রুফ ব্যাগটি আঁকড়ে ধরে আমি হাবুডুবু খেতে থাকলাম। অনেক হাত পা ছোড়াছুড়ি করেও কোন লাভ হল না। সাগরের অতলে তলিয়ে যেতে লাগলাম। হঠাত শক্ত মাটিতে পা ঠেকে গেল। সোজা হয়ে দাঁড়াতে বুঝলাম পানি সেখানে হাঁটুর সমান, ভাটার টানে একদম কমে এসেছে। কি লজ্জা, আরেকটু হলে এতেই ডুবে মারা যেতাম। স্বস্তিতে বুক ভরে ঠাণ্ডা বাতাস টেনে নিয়ে আমি আমেরিকার পানে হাঁটা দিলাম।
আহ্বান – আধুনিক মননে আলোর পরশ
লেখক : মিজানুর রহমান আজহারি
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2022
দয়াময় রব গোটা সৃষ্টিজগৎকে সাজিয়েছেন অপরূপ নৈপুণ্যে, সর্বত্র ছড়িয়ে দিয়েছেন অনুপম কারুকার্যের হাজারো নিদর্শন। কত বদল আর বৈচিত্র্যে ঠাসা এ চরাচর! যেন প্রভুর পরম আসমানি স্পর্শ লেগে আছে প্রতিটি কোণে। একেক সৃষ্টিকে তৈরি করেছেন একেক ব্যঞ্জনায়। এজন্যই তো অহংকার তাঁর আপন চাদর। আমাদের যত প্রার্থনা ও স্তুতি —সকলই কেবল তাঁকে ঘিরে। তিনিই মানুষকে পাঠিয়েছেন জোড়ায় জোড়ায়; একে অন্যের ভূষণরূপে। আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন উত্তম রিজিকে, প্রখর মেধা আর তারুণ্যের প্রাণোচ্ছল চঞ্চলতায়। ভরসার ছায়া আর অবারিত অনুগ্রহে আগলে রেখেছেন তামাম কুল-কায়েনাত।
এসবরই স্বচ্ছন্দ ও সুখপাঠ্য পর্যালোচনা হাজির করেছেন বর্তমান সময়ের তুমুল জনপ্রিয় দাঈ শাইখ মিজানুর রহমান আজহারি। সেইসঙ্গে তরুণ প্রজন্মের সামনে পেশ করেছেন সুস্থ-সুন্দর, সময়োপযোগী ও ঈমানদীপ্ত জীবনের নববি চালচিত্র। সময়ের সবুজ সওয়ারিদের আহ্বান করেছেন গৌরবময় সত্যের পথে।
ইউএক্স ডিজাইনে হাতে খড়ি
লেখক : মেহেদী হাসান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
পৃষ্ঠা : 128, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849835684
‘ইউএক্স ডিজাইনে হাতেখড়ি` বইটি হাতে নিলেই যেন এক নতুন জগতের দুয়ার খুলে যায়। এটি সেসব উৎসুক মনের মানুষদের জন্য লেখা,যারা ইউএক্স ডিজাইনের মায়াজালে নিজেদের হারিয়ে ফেলতে চান। যদি আপনি ইউএক্স ডিজাইনে প্রথম পা ফেলার কথা ভাবছেন অথবা এই পথে আরও এগিয়ে যেতে চাইছেন,এই বই আপনার জন্য এক অনন্য সঙ্গী হতে পারে। এই বইয়ের পাতায় পাতায় রয়েছে ইউএক্স ডিজাইনের অ-আ-ক-খ,যা পাঠককে নিয়ে যাবে জ্ঞানের এক অন্বেষণে। তবে একটা কথা মনে রাখা দরকার,এই বইটি পড়ে রাতারাতি একজন দক্ষ ডিজাইনার হয়ে যাওয়ার মন্ত্র নয়। বরং এটি আপনাকে ইউএক্স ডিজাইনের বিস্তৃত জগতে প্রবেশের প্রাথমিক ধারণা দেবে,আপনার জ্ঞানকে প্রসারিত করবে এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সাহায্য করবে। যারা ইতিমধ্যে ইউএক্স ডিজাইনের পথ চলছেন,তাদের জন্যও এই বইয়ে রয়েছে অজানা তথ্যের ভান্ডার। হয়তো আপনি প্রতিদিনের কাজে যে সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হন,এই বইয়ের পাতায় তার সমাধান খুঁজে পাবেন। এটি আপনার দক্ষতা ও জ্ঞানকে আরও পরিশীলিত করবে,যাতে আপনি ইউএক্স ডিজাইনের ক্ষেত্রে আরও উচ্চতর সাফল্য অর্জন করতে পারেন। সুতরাং নতুন বা অভিজ্ঞ,যে কেউ ‘ইউএক্স ডিজাইনে হাতেখড়ি’ বইটি হাতে নিয়ে ইউএক্স ডিজাইনের রহস্যময় ও মনোমুগ্ধকর জগতে পা রাখতে পারেন। বইটি শুধু আপনার জ্ঞানের ক্ষুধা মেটাবে না,বরং আপনাকে ইউএক্স ডিজাইনের পথে আরও নিশ্চিত এবং সাহসী পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করবে।