আমি শুনিনি তোমার ডাক
আমি হতে চাই সিরিজ (৬টি বই)
লেখক : ড. উম্মে বুশরা সুমনা
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : বয়স যখন ৮-১২, শিশু কিশোরদের বই
পৃষ্ঠা: প্রতি খণ্ডে ২৪ পৃষ্ঠা করে
কাগজের ধরণ: গ্লোসি আর্ট পেপার, রঙিন ছবিযুক্ত
এক দেশে এক ছিল ছোট্ট মেয়ে…সে ছিল মহা রূপবতী…তার রূপে রাজ্যে সবাই বিমোহিত! কিন্তু তার অনেক দুঃখ, অনেক কষ্ট! একদিন এক রাজপুত্র এসে তাকে উদ্ধার করে। সিনড্রেলা, স্নো ওয়াইট, বারবি, রুপানজিল, বিউটি এন্ড বিস্ট প্রায় সব রূপকথার গল্পতে আছে এমন ফুটফুটে সুন্দরী কন্যা।
শিশু-কিশোরেরা এসব পড়ে বড় হয়। একটা রূপকথার অবাস্তব জগত তাদের মন আচ্ছন্ন করে রাখে। তারা কল্পনায় ঘোড়ায় চড়া রাজপুত্র দেখে, বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়। বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে ভেতরের সৌন্দর্য যে কত দামি তা শিশুমন বোঝে না। অবাস্তব জগতের কল্পকাহিনী পড়ে বড় হওয়া শিশু বাস্তবতা ও মানবিকতাহীন হয়ে পড়ে।
‘আমি হতে চাই’ সিরিজের গল্পগুলো কোনো রূপকথা বা অবাস্তব জগতের নয়। সাধারণ দুই শিশু আনাস-নকিব দু’ভাইয়ের জীবনের গল্প যেন এই সমাজের শিশুদের জীবনকে প্রতিফলিত করে।
এই সিরিজের ছয়টি গল্প ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের, ছয়টি ভিন্ন ঋতু-প্রকৃতির রূপে আঁকা আর বিভিন্ন মানবিক গুণ সহজ সাবলীল ভাষায় বর্ণনা করা হয়েছে।
একেক গল্প একেক রঙে, একেক রূপে সাজানো হয়েছে যা শিশুদের সহজেই আকৃষ্ট করবে। কোনোটি হাসি-আনন্দে ভরিয়ে দেবে, কোনো গল্প ভাবাবে, অন্যের দুঃখ-কষ্ট ছুঁয়ে দেবে, কোনোটাতে এডভেঞ্চারের স্বাদ পাবে আবার কোনোটাতে রহস্যের মোড়ক উম্মোচিত করবে। কিন্তু সবগুলোই যেন একই সুতোয় গাথা যা গল্প শেষে শিশু পাঠক খুব সহজেই খুঁজে বের করতে পারবে।
গল্পগুলোর মাধ্যমে শিশুরা সত্যবাদিতা, পরোপকারিতা, উদারতা, সহনশীলতা, পরিচ্ছন্নতা, কৃতজ্ঞতাবোধ ইত্যাদি মানবিক গুণাবলি শিখতে পারবে। প্রতিটি গল্পে একটি করে শিক্ষণীয় বিষয় আছে যা শিশুকে মানবিক বোধ সম্পন্ন আলোকিত মানুষ হতে সাহায্য করবে।
বইগুলো যথাক্রমে:
১)আমি সত্যবাদী হতে চাই
২)আমি সাহায্যকারী হতে চাই
৩)আমি উদার হতে চাই
৪)আমি পরিচ্ছন্ন মানুষ হতে চাই
৫)আমি সহনশীল হতে চাই
৬)আমি কৃতজ্ঞ হতে চাই
আমেরিকা: স্বপ্নের দেশে দুঃস্বপ্ন
আমেরিকা: স্বপ্নের দেশে দুঃস্বপ্ন
By (author) জাফরী আল ক্বাদরী
আমেরিকার দরিদ্র এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী শুধু এই দেশে জন্ম নেওয়ার কারণে কিছু দুর্ভাগ্যের শিকার হয়। এই বিষয়গুলো এমন যে, বাইরের মানুষ খুব একটা জানতে পারে না। দেখার সেই দৃষ্টি সবার নেই। সমাজবিজ্ঞানীরা এ নিয়ে অনেক গবেষণা করেছেন এবং চিহ্নিত করেছেন আমেরিকায় এই সমস্যাগুলোর মূল। অর্থাৎ এগুলো অজানা নয়, কিন্তু এর দ্রুত কোনো সমাধান নেই। আমেরিকার শিক্ষাঋণ, চিকিৎসা ব্যবস্থা, খাদ্য উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থা, বাসস্থান, শিক্ষা ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আয়কর, অভিবাসন নীতি— এরকম হাজারটা ক্ষেত্রে আমরা নানা রকমের বৈষম্যমূলক নিয়মনীতি দেখতে পাই। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রান্তিক মানুষ এবং সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। একজন ইমিগ্র্যান্টের চোখে এই সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে কীভাবে উন্মোচিত হয়, এই বইয়ে সেটাকেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এই দেশটি ইমিগ্র্যান্টদের হাতেই আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। কিন্তু আর দশটা দেশের মতোই, ইমিগ্র্যান্টদের জীবনের যাত্রাটা মসৃণ নয় আমেরিকাতে।
আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা
আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা
By (author)রাগিব হাসান
বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকগুলোই আমেরিকায়। শিক্ষা ও গবেষণার মান— দুই দিক থেকেই সেগুলো বিশ্বসেরা। কিন্তু এ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এখনো খুব বেশি নয়।
আমেরিকায় উচ্চশিক্ষার জন্য এটি কোনো গাইড বই নয়। বইটাতে আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা পদ্ধতি, ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে কীভাবে সফলভাবে আবেদন করতে হয় এবং কীভাবে মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়ালেখা ও গবেষণায় সাফল্য অর্জন করা যায়, সেগুলোর ওপরে আলোকপাত করা হয়েছে।
এ বইটি মূলত যারা আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর তথা মাস্টার্স ও পিএইচডি লেভেলে পড়াশোনা ও গবেষণা করতে চান, তাদের জন্য লেখা। লেখক বিজ্ঞানের শিক্ষক হওয়ায় বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে উচ্চশিক্ষার দিকেই জোর দিয়েছেন। কিন্তু কায়দাগুলো বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, প্রকৌশল, বাণিজ্য—সব বিষয়ে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
আম্মার বাগান
আম্মার বাগান
By (author) ফেরদৌস আরা রুমী
‘আমাদের বিষাদ ও বেদনার দৈনন্দিন অবশেষগুলো কোথাও না কোথাও জমা পড়ে। জমতে জমতে কখনো হয়তো স্রোতস্বিনী নদীর মতো বয়ে যায়। অথবা জগদ্দল পাহাড়ের মতো জেগে ওঠে চোখের সমুখে। কিংবা হয়তো বাষ্পীভূত মেঘের জীবনচক্র পেরিয়ে একসময় ঝরেও পড়ে। কবির ক্ষেত্রে এই দৈনন্দিন বিষাদই একসময় কবিতায় রূপ নেয়। কিন্তু এ বিষাদ স্রোতস্বিনীর মতো বয়ে যায় না, পাহাড়ের মতো গতি রোধও করে না। এ যেন এক মেঘের পরিভ্রমণ। পঙ্ক্তি হয়ে ঝরে পড়েছে কবিতার খাতায়। ফেরদৌস আরা রুমীর “আম্মার বাগান” মূলত এই পরিভ্রমণেরই গল্প। আটপৌরে জীবনযাপনের অলিতে-গলিতে লুকানো সহস্র অনুভব জড়ো করে লেখা এই গল্প প্রকাশিত হয়েছে খণ্ড খণ্ড কবিতায়। কবিতাগুলোর আপাতসারল্যের আড়াল পেরিয়ে পাঠককে নিয়ে যায় এক অসাধারণ অনুভূতির কাছে। যেখানে রুমীর আম্মার বাগান হয়ে পড়ে তারও বাগান।’
আয়নায় সময়
আয়মান সাদিক: শিক্ষার বিপ্লবের প্রতীক ভাল্লাগে না
লেখক : অন্তিক মাহমুদ, আয়মান সাদিক
প্রকাশনী : অধ্যয়ন
বিষয় : ছাত্রজীবন উন্নয়ন
কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
আইএসবিএন : 9789849779728
আর যুদ্ধ নয়
আরও কিছু প্রমাণ করো যে…
আরও কিছু প্রমাণ করো যে…
By (author)এম আহসান আল মাহীর, তামজীদ মোর্শেদ রুবাব, মুরসালিন হাবিব, মেহেদী হাসান নওশাদ
গণিত আর অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে সবচেয়ে মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে, গণিতের সবকিছু চিরন্তন সত্য। অর্থাৎ যেকোনো গাণিতিক সমস্যার সমাধান করার সময় আমাদের পুরোপুরি নির্ভুল যুক্তি দিয়ে এগোতে হয়। তাই বলা যায়, একটা গাণিতিক প্রমাণ যাচাই করার ভিত্তি হচ্ছে এর সঠিকতা। তবে এটাই কি একমাত্র ভিত্তি? অনেকের উত্তর ‘হ্যাঁ’ হতে পারে, তবে এ বইটি পড়ার পর সেই ধারণা পরিবর্তন হওয়ার খুব ভালো সম্ভাবনা আছে। কারণ এ বইটি দেখায় আরও একটি ভিত্তি- প্রমাণের সৌন্দর্য! এটি কিছুটা অবাককর হতে পারে। কারণ আমাদের স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইয়ে কখনোই সৌন্দর্যের ব্যাপারে কোনো কথা বলা হয় না; বরং শুধু সঠিকতাকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। তবে সঠিকতার পাশাপাশি সৌন্দর্যের গুরুত্ব কম নয়। বড় বড় গণিতবিদও এ রকমই ভাবতেন! তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন পল এরডুশ। তিনি বিশ্বাস করতেন গণিতের সবচেয়ে সুন্দর সুন্দর প্রমাণের সংগ্রহ নিয়ে একটা বই আছে। তিনি সেই বইয়ের নাম দিয়েছিলেন ‘The Book’। এই বইটি একটি ছোটখাটো The Book! অর্থাৎ এখানে গণিতের খুব সুন্দর সুন্দর কিছু প্রমাণ আছে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, সেই প্রমাণগুলো স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও বুঝতে পারবে! এমনকি এদের কিছু কিছু এতই নামকরা যে আমরা অনেকেই সেগুলোর সমস্যা দেখেছি কিন্তু প্রমাণ দেখিনি। যেমন অয়লারের উপপাদ্য, ফার্মার শেষ উপপাদ্য। এদের প্রমাণ (কোনো ক্ষেত্রে আংশিক প্রমাণ) এই বইয়ে আছে! এসব উপপাদ্য দেখে আমরা অনেক সময়ই ভাবি যে এগুলোর প্রমাণ করতে অনেক কিছু জানা লাগে। কিন্তু এ বইটি পড়লে সেই ভুল ধারণা কেটে যাবে। এ ছাড়া এই বইয়ে আছে আরও পরিচিত উপপাদ্যের প্রমাণ। যেমন মৌলিক সংখ্যা যে কখনো শেষ হয়ে যায় না, সেটারই আছে তিনটি আলাদা আলাদা প্রমাণ! গাণিতিক প্রমাণ যে কত সুন্দর হতে পারে, তা এই বইয়ে লেখকরা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
আরডুইনোতে হাতেখড়ি
আরডুইনোতে হাতেখড়ি
By (author)মুমেন শাহরিয়ার, রুহুল আমীন, সাদিয়া কবির দিনা
বিশ্বব্যাপী আইওটি বা ইন্টারনেট অফ থিংস এখন একটি বড় ও সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পিছনে আইওটির একটি বড় অবদান আছে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদেরও এগোনো উচিত। সেক্ষেত্রে শুরুটা করা প্রয়োজন একেবারে গোড়া থেকেই। আইওটি-র প্রথম পাঠ হওয়া উচিত আরডুইনো থেকেই। তাছাড়া, বিশ্বব্যাপী আলোচিত শব্দ রোবোটিক্স শেখার শুরুটাও হতে পারে এই আরডুইনো থেকেই।
এই বইটা প্রায় সবার জন্য। বিশেষভাবে লেখা হয়েছে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের কথা মাথায় রেখে। বইটি প্রথম প্রকাশের দিন বইমেলাতে মুনেম যখন আমাকে বলে, ‘আমি যখন আরডুইনো নিয়ে কাজ শুরু করি তখন আমার মনে হয়েছে, যদি স্কুলে থাকতে এটির কথা জানতে পারতাম তাহলে স্কুল-জীবনটা না জানি আরও কত সুন্দর হতো! তখন থেকেই ভেবেছি, স্কুলের ছেলে-মেয়েদের জন্য আরডুইনোর একটা বাংলা বই লিখে ফেলতে হবে।’
আমার মনে পড়ল, রুবাই সেভেন-এ থাকতেই আরডুইনো নিয়ে কাজ করেছে, সেটা সে ঢাকার ছেলে বলে। সারাদেশের হাজারো রুবাইদের জন্য বাংলা ভাষাতে যেমন বই দরকার তেমনি দরকার সেই বই তাদের কাছে পৌঁছানো।
শুয়ে শুয়ে পড়ার বই এটি নয়। এটি হাতে-কলমে পড়ার বই। প্রথম দিন থেকেই কিন্তু কাজে লেগে যেতে হবে। মুনেম, দিনা আর রুহুলের মতো আমারও মনে হয়, ‘স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে সকল বয়সী শিক্ষার্থীদের মাথায় প্রোগ্রামিং আর আরডুইনোর পোকা ঢুকিয়ে দিলে আমরা শীঘ্রই একটা দারুণ বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলতে পারব।’
— মুনির হাসান