সংখ্যা রাজ্য ২
সংখ্যা রাজ্য ২
By (author) সোহানুর রহমান সোহান
সংখ্যার জগতে মৌলিক বা প্রাইম সংখ্যা আমাদের বরাবরই মুগ্ধ করে। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আবিষ্কৃত প্রাইম সংখ্যা (282,589,933 – 1) হলো একটি মার্সেন প্রাইম সংখ্যা। 24,862,048 অঙ্কবিশিষ্ট এই মার্সেন প্রাইম সংখ্যা কিছুটা বিশাল আকারের মনে হলেও অন্যান্য বড় সংখ্যার কাছে তা একেবারেই নস্যি।
সংখ্যার অনিন্দ্যসুন্দর রাজ্যে বিশালাকার সংখ্যাগুলো আসলে ঠিক কতটা বড়? বড় সংখ্যা বলতেই বা আমরা কি বুঝি? বড় সংখ্যাগুলোর গঠন কীরকম? একটি ফাংশনের ইনপুট বৃদ্ধি করলে আউটপুট কতটা দ্রুত বৃদ্ধি পায়? সেট থিওরি ব্যবহার করে কীভাবে বড় সংখ্যা এবং ইনফিনিটিকে বুঝতে পারা যায়? আমরা কি কোনো কিছুকে ইনফিনিটির সাথে তুলনা করতে পারি?
গণিত রাজ্যের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংখ্যার ইন্টারেস্টিং গল্প-আড্ডার সাথে আমরা ছুটে চলব পরম অসীমের পথে। অসীমের এই রোমাঞ্চকর যাত্রাপথে আমরা পরিচিত হব জানা-অজানা সব সংখ্যার সাথে। সুবিশাল দৈত্যাকার সংখ্যাগুলোর পারস্পরিক তুলনা করার মাধ্যমে আমরা পরিচিত হব সবচেয়ে বড় গণনাযোগ্য সংখ্যার সাথে।
তো পাঠক, চলুন তাহলে ভ্রমণ করি— সংখ্যা রাজ্যের অনিন্দ্যসুন্দর জগতে।
সংখ্যা-রাজ্য ১
সংখ্যা-রাজ্য ১
By (author) সোহানুর রহমান সোহান
সংখ্যা রাজ্য বইটির অর্ধশত পৃষ্ঠা জুড়ে রয়েছে শূন্যের সাতকাহন।
এখানে অনেকগুলো বিষয়, যেমন— শূন্য কেন জোড় সংখ্যা, শূন্যমাত্রিক জগৎ, শূন্যকে শূন্য দিয়ে ভাগ করা, শূন্যের পাওয়ার শূন্য, শূন্যের ফ্যাক্টরিয়াল, Log-এর ভিত্তি কখনো শূন্য হয় না কেন, শূন্যের বর্গমূল বা ঘনমূল— এরকম আরও অনেক টপিক আপনার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
এভাবে শূন্য থেকে শুরু করে অর্ধশত পর্যন্ত প্রতিটি সংখ্যা আপনার সাথে পরিচিত হতে চায় ভিন্নভাবে, একটু নতুন আঙ্গিকে; তাদের কিছু ইতিহাস, তাদের নিয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা, আমরা তাদেরকে কীভাবে ব্যবহার করি, আরও কত কিছু…।
গণিত রাজ্যের প্রতিটি সংখ্যাই তাদের নিজের বৈশিষ্ট্য, সৌন্দর্য, বিশেষত্ব সম্পর্কে আমাদের সাথে ভাব জমাতে চায়।
গণিত হচ্ছে পৃথিবীর সুন্দরতম বিষয়। আর গণিতকে বুঝতে হলে গণিতের সংখ্যা নিয়ে আমাদের ভাবনাগুলোকে আরও উন্নত করা প্রয়োজন।
গণিতের সংখ্যা নিয়ে বিস্তারিত পরিসরে আলোচনা ও গণিতের সৌন্দর্যকে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে আমার ক্ষুদ্র এই প্রয়াস।
তো পাঠক, শূন্য থেকে অসীমের এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় আপনাকে স্বাগতম।
সংগীত সংগীত
সঞ্চয়ন
সঞ্চিতা
সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ও যৌন সুশিক্ষা
সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য ও যৌন সুশিক্ষা
By (author) ইশরাত ইরিনা
এই বইটিতে মূলত আমাদের নিজেদের অনেক শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং পরিবর্তনের জানা-অজানাকেই তুলে ধরা হয়েছে। বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হওয়ার আগেই আমাদের অনেক শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয়ে যায় এবং এরই ধারাবাহিকতায় মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তনগুলো বয়ঃসন্ধিকালে আমাদের কাছে খুব অস্বাভাবিক মনে হয়। বয়ঃসন্ধিকাল তখন জয়ের না হয়ে ভয়ের হয়। দ্বিধা, সংশয় ও অনিশ্চয়তা আমাদের ঘিরে রাখে। ঠিক তখনই বয়ঃসন্ধিতে পা রাখা মানুষগুলো নিজের শারীরিক বিভিন্ন অবস্থা এবং পরিবর্তন সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টারনেট বা সমবয়সিদের শরণাপন্ন হয়ে থাকে।
যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে ইন্টারনেট ও সমবয়সিদের কাছ থেকে ভুল তথ্য জানার ফলে অনেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে। এই সময়ে যদি মা-বাবা বা পরিবারের বড় সদস্যরা একটু বুঝিয়ে এই ব্যাপারগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন তাহলে আর নেতিবাচক চিন্তাভাবনা মাথায় আসবে না এবং এই ব্যাপারগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব তৈরি হবে। ফলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে এবং এই উঠতি বয়সে নিজেদেরকে পড়াশোনায় মনোযোগী করার পাশাপাশি অন্যান্য জীবনমুখী দক্ষতাও তারা গড়ে নিতে পারবে। আর তাই মা-বাবা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের উদ্দেশে এই বইটি লেখা হয়েছে।
এই বইটি পড়ে বাবা-মায়েরা তাদের সন্তান বা পরিবারের ছোট সদস্যদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতে পারবেন এবং বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হওয়ার আগেই তাদেরকে অনেক বিষয়ে জানাতে পারবেন। আর প্রাপ্তবয়স্করাও এই বইটি পড়ে অনেক তথ্য জানতে পারবেন যা তাদের বিবাহিত বা অবিবাহিত জীবনের জন্য জরুরি ও অত্যাবশ্যক।
সন্ধ্যায় মেয়েটি যা যা বলেছিলো
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং আলাপ
লেখক : আহমেদ শামীম হাসান
প্রকাশনী : অদম্য প্রকাশ
বিষয় : সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন
পৃষ্ঠা : 88, কভার : হার্ড কভার
আইএসবিএন : 9789849760849
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এ ক্যারিয়ার শুরু করা এখন তেমন একটা কঠিন না। কিন্তু ক্যারিয়ার শুরু করার পর সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আসে। কী শিখবো, কিভাবে শিখবো, কিভাবে ক্যারিয়ারে আরো ভালো করতে পারবো, কিভাবে সময়ের সাথে এই প্রতিযোগিতাপূর্ণ সেক্টরে টিকে থাকতে পারবো – এই বিষয়গুলো আমাদের অনেকেরই জিজ্ঞাসা।
ল্যাঙ্গুয়েজ, ফ্রেমওয়ার্ক, টুল শেখার জন্য অনেক টিউটোরিয়াল, কোর্স আছে। কিন্তু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ারে সফলতার জন্য কেবল এগুলো শেখাই যথেষ্ট না। এর সাথে দরকার ইঞ্জিনিয়ারিং মাইন্ডসেট, সফট স্কিলস, লার্নিং টেকনিক, ক্যারিয়ারের ব্যাপারে সচেতনতা ইত্যাদি।
দুঃখজনকভাবে এই দরকারী বিষয়গুলো নিয়ে তেমন একটা আলাপ হয় না বললেই চলে।
অনেকে ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে এবং ‘ঠেকে’ এই বিষয়গুলো আয়ত্ত করেন। অথচ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই এই বিষয়গুলো জানা থাকলে আপনি ক্যারিয়ারে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন অনেকদূর।
ইংরেজিতে এসব টপিকে বেশ কিছু বই থাকলেও বাংলায় সম্ভবত এটাই প্রথম।
কিভাবে নতুন নতুন টুল-টেকনোলজির চক্করে নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখবেন, কিভাবে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নিত্যদিনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করবেন, কোন কোন বিষয়গুলো আপনাকে ক্যারিয়ার বুস্টে সাহায্য করবে – এরকম ভিন্ন ভিন্ন টপিকের ২০ টি লেখার সংকলন এই বইটি।
একজন ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে, জব মার্কেটের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং সর্বোপরি আপনার ক্যারিয়ারে আরো এগিয়ে যেতে এই বইটি টনিকের মত কাজ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।