শামসুর রাহমান আল মাহমুদ: তফাৎ ও সাক্ষাৎ
শামসুর রাহমান আল মাহমুদ: তফাৎ ও সাক্ষাৎ
By (author) নাসির আলী মামুন
বাংলা সাহিত্যে অনেককে নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। হাল আমলে আলোচনা ও বির্তক হয় আমাদের দেশের দুই প্রধান কবিকে নিয়ে। শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ দুজনই সমসাময়িক কবি। কিন্তু মত ও পথ আলাদা। এই দুই কবির সঙ্গে আমার পরিচয় দীর্ঘকালের। শামসুর রাহমানকে আমি সম্বোধন করি ‘স্যার’। আর অতীতে বন্ধুত্ব থাকা সত্ত্বেও কিছু নীতিগত কারণে আল মাহমুদ থেকে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। কিন্তু শামসুর রাহমানের লেখা যেভাবে আমি গুরুত্ব সহকারে পাঠ করি, সেভাবে আল মাহমুদকেও পাঠ করি। আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ পোরট্রেট ফটোগ্রাফার নাসির আলী মামুন এই দুই কবিকে একসাথে বসিয়ে যে সাক্ষাৎপর্ব ঘটিয়েছেন তা বাংলা সাহিত্যে একটি বিরল ঘটনা বলে আমি শনাক্ত করি। মামুন শুধু দুই কবিকে এক করে সাক্ষাৎকার নিয়েই ক্ষান্ত হননি, সে তাদের দুজনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও দূরত্বের কারণগুলো বের করে এনেছেন। শামসুর রাহমান আল মাহমুদ: তফাৎ ও সাক্ষাৎ বইটিতে বরেণ্য আলোকচিত্রী মামুন এমন সব তথ্য ও বক্তব্য দুই কবির বয়ান থেকে বের করে নিয়েছেন যার অনেক কিছু এই প্রথম আমরা অবগত হয়েছি। দুই কবির অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা এখানে লিপিবদ্ধ আছে, যা পাঠকেদের টেনে নিয়ে যাবে শেষ পর্যন্ত। তাছাড়া মামুনের দীর্ঘদিনের তোলা বেশ কয়েকটি দুর্লভ আলোকচিত্র বইটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছিল ২০০৪ সালে। আর যে সময়ে বইটি প্রকাশিত হল তখন আমাদের মাঝে প্রিয় কবি শামসুর রাহমান নেই। তাঁকে আমরা নানাভাবে স্মরণ করব। এ বইটিও তেমন একটি আয়োজন। আমি নাসির আলী মামুন-এর এই বইটিকে বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল বলেও চিহ্নিত করতে চাই।
—বেলাল চৌধুরী
শামসুর রাহমানের কবিতায় সমাজ ও রাজনীতি
শামসুর রাহমানের সনেট : বিষয়বস্তু ও গঠনশৈলী
শাহবাগ ডেকেছে আমায়
শাহরু রামাদান (গুরুত্ব, ফজীলত ও করণীয়)
লেখক : ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি (রহঃ)
প্রকাশনী : সন্দীপন প্রকাশন
বিষয় : সিয়াম, রমযান, তারাবীহ ও ঈদ
অনুবাদক : মাওলানা আবদুল্লাহ যোবায়ের
পৃষ্ঠা : 128, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st editon, 2025
ভাষা : বাংলা
শিক্ষা-গবেষণার সহজপাঠ
শিক্ষা-গবেষণার সহজপাঠ
By (author) রায়হান আরা জামান, রিদওয়ানুল মসরুর
‘শিক্ষা উন্নয়নের চাবিকাঠি’ এ কথা কারও অজানা নয়। শিক্ষা নিয়ে গবেষণা শিক্ষার সময়োপযোগী পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংস্কারের মাধ্যমে পৃথিবী বদলে দিতে পারে। অথচ এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা হাতে গোনা, যাও-বা হচ্ছে গবেষণার বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের অভাবে ত্রুটিমুক্ত হতে পারছে না। অনেক খুদে শিক্ষাবিদের ভালো ভালো আইডিয়া গবেষণার তাত্ত্বিক জ্ঞানের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা গবেষণা নিয়ে মানসম্মত বাংলা বইয়ের অভাব এর একটি বড় কারণ। ‘শিক্ষা গবেষণার সহজপাঠ’ বইটির মাধ্যমে লেখকদ্বয় সেই অভাব পূরণে উপযুক্ত কাজটিই করেছেন।
লেখকদ্বয় দুজনই আমার ছাত্র। ছাত্রজীবন থেকেই তাদের দুজনকে আমি চিনি। তাদের বিশেষ গুণ এই যে, তারা মেধাবী, উদ্যমী ও পরিশ্রমী। সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় শিক্ষা গবেষণার আদ্যোপান্ত নিয়ে এমন একটি সামগ্রিক বই লেখার মাধ্যমে তারা তাদের সেই স্বাতন্ত্র্য ধরে রেখেছে।
দিবা হোসেন, পিএইচডি (শিক্ষা)
অধ্যাপক
বিশেষ শিক্ষা বিভাগ
শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষার মেরামত
শিক্ষার মেরামত
By (author) কামরুল হাসান মামুন
স্বাধীনতার পর পঞ্চাশ বছর পার করল বাংলাদেশ। এই সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পড়ার মতো হলেও উন্নতির খাতায় পিছিয়ে পড়ে আছে শিক্ষা। বাংলাদেশের চেয়ে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ও অনুন্নত অনেক দেশও শিক্ষাক্ষেত্রে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে। দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়লেও বাড়ছে না সেইগুলোর মান, বরং অনেকক্ষেত্রে মানটা নিম্নমুখী। বর্তমানে বাংলাদেশে পঁচিশ বছরের কম বয়সী মানুষের সংখ্যা প্রায় সাড়ে দশ কোটি। এই বিশাল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে পরিণত করার একমাত্র উপায় শিক্ষা। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা কি সক্ষম এই জনশক্তি রূপান্তরে? শিক্ষাব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন আনলে বাংলাদেশ পারবে একুশ শতক ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটা দক্ষ জনশক্তিনির্ভর দেশে পরিণত হতে?
অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন তার লেখায় তুলে আনতে চেয়েছেন এই আলোচনাগুলোই। সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে খুঁজে দেখার চেষ্টা করেছেন শিক্ষাব্যবস্থার চলমান সমস্যা এবং মেরামতের সম্ভাব্য পথ।