শতেক ছড়ায় ঢাকা
শয়তানের সাথে যুদ্ধ
সেরা মূল্যে আপনার পছন্দের বই অর্ডার করুন! ক্যাশ অন ডেলিভারিসহ সুন্দরবন কুরিয়ার থেকে মাত্র ৫০ টাকায় সংগ্রহের সুযোগ। [শর্ত প্রযোজ্য]
| Title | : | Shoytaner Shathe Juddho by Dr. Khalid Abu Shadi |
| Author | ড. খালিদ আবু শাদি | |
| Publisher | : | সন্দীপন প্রকাশন |
| Category | : | আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা |
| Edition | : | 1st Published, 2026 |
| Number of Pages | : | 192 |
| Country | : | Bangladesh |
| Language | : | Bengali |
শরণার্থীর সুবর্ণরেখা
শরবতে বাজিমাত
শরবতে বাজিমাত
By (author) Munir Hasan
নতুন কিছু করার জন্য সবসময় উদ্যোক্তার ওপর একটা চাপ থাকে। বলা হয়ে থাকে নতুন কিছু করতে পারলেই সাফল্য ধরা দেবে। তবে, কেবল নতুন কিছু নয়— প্রচলিত ব্যবসাকে ভিন্নভাবে করে গড়ে তোলা যায় সফল উদ্যোগ। যেমনটা করেছিলেন, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক তিন বন্ধু রিচার্ড রীড, এডাম বেলন আর জন রাইট। ১৯৯৮ সালে তারা মাত্র ৫০০ পাউন্ড হাতে নিয়ে ইনোসেন্ট নামের শরবত কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। ইউরোপের ১৩টি দেশে এখন ইনোসেন্ট বিক্রয় হয়। কোম্পানির বাজার দর মাত্র ১০ কোটি পাউন্ড (এক হাজার কোটি টাকার বেশি)!!! এর ৯০ ভাগের বেশি ওরা বিক্রি করে দিয়েছে কোকাকোলা কোম্পানির কাছে! প্রত্যেকে এখন প্রশান্ত মহাসাগরে ব্যক্তিগত দ্বীপের মালিক।
তারা তাদের কোম্পানি গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন একটি বইতে। ব্রিটিশদের সঙ্গে আমাদের মান-মানসিকতা ও সিস্টেমের অনেক মিল। সেজন্য দেখা যায়, আমাদের দেশের উদ্যোক্তাদের মতো তিন বন্ধু রাস্তাতে ঘুরেছেন মাসের পর মাস। ‘এসএমই বান্ধব ব্যাংকিং নীতিমালা’ থাকা সত্ত্বেও কোনো একটি ব্যাংক তাদের ফুটো কানাকড়িও দেয়নি। সবাই সারাক্ষণ তাদের কানের কাছে ঘ্যান ঘ্যান করেছে “তোমাদের পদ্ধতিতে শরবত বানালে, তোমরা দেউলিয়া হয়ে যাবে। এই ভাবে হয় না।”
হাজার হাজার ‘না’ কেমন করে অতিক্রম করেছেন এই তিন বন্ধু? কেমন করে শরবত তাদের আর্থিক মুক্তির পথ খুলে দিয়েছে? কেমন করে বিনা পূজিতে তারা মার্কেটিং করেছেন? কোন বুদ্ধিতে একটার পর একটা দেশে ব্যবসা বাড়িয়েছেন আবার নিজেদের প্রতিষ্ঠানে গড়ে তুলেছেন একটি চমৎকার সংস্কৃতি।
এসব প্রশ্নের জবাব খোঁজা হয়েছে এই বইতে।
শরিয়ার দৃষ্টিতে রাষ্ট্র
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইসলামি শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতি
পৃষ্ঠা : 360, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Edition, 2023
আইএসবিএন : 9789849787617
ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রÑএকটি অপরটির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ব্যক্তি ছাড়া যেমন সমাজ হয় না, তেমনই সমাজ ছাড়া রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না। আবার একজন ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো প্রাণী নয়। বরং একজন দায়িত্ববান ব্যক্তি নিজেকে নিয়ে যেভাবে ভাবেন, তেমনই ভাবেন সমাজ ও রাষ্ট্র নিয়েও। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ ও সামগ্রিক জীবনব্যবস্থা হিসেবে মানবজীবনের প্রতিটি পর্যায় নিয়ে বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা দিয়েছে। এক্ষেত্রে বাদ পড়েনি রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় জীবনও। একটি রাষ্ট্রের নীতি কী হওয়া উচিত? রাষ্ট্রপ্রধান কেমন হওয়া উচিত? রাষ্ট্রপ্রধান কী কী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? কীভাবে নিতে পারেন? কোন কোন ক্ষেত্রে তা কার্যকর হবে? শুরার ব্যাপারে রাষ্ট্রপ্রধানের অবস্থান কেমন হওয়া উচিত? রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? রাষ্ট্রপ্রধানের কোন কোন কার্যাবলি শরিয়ার সাথে সাংঘর্ষিক কিংবা বিরোধমুক্ত? এসব নানা বিষয়ে ইসলামের পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা রয়েছে, যা আমরা শরিয়ার দৃষ্টিতে রাষ্ট্র গ্রন্থখানি অধ্যয়নের মাধ্যমে জানতে পারব, ইনশাআল্লাহ।
শর্টকাট টেকনিকে Writing
শহরনামা
শহীদুল্লাহ কায়সারের নির্বাচিত কলাম
শান্তিকমিটি ১৯৭১
শান্তির শিরোপা
শামসুর রাহমান আল মাহমুদ: তফাৎ ও সাক্ষাৎ
শামসুর রাহমান আল মাহমুদ: তফাৎ ও সাক্ষাৎ
By (author) নাসির আলী মামুন
বাংলা সাহিত্যে অনেককে নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। হাল আমলে আলোচনা ও বির্তক হয় আমাদের দেশের দুই প্রধান কবিকে নিয়ে। শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ দুজনই সমসাময়িক কবি। কিন্তু মত ও পথ আলাদা। এই দুই কবির সঙ্গে আমার পরিচয় দীর্ঘকালের। শামসুর রাহমানকে আমি সম্বোধন করি ‘স্যার’। আর অতীতে বন্ধুত্ব থাকা সত্ত্বেও কিছু নীতিগত কারণে আল মাহমুদ থেকে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। কিন্তু শামসুর রাহমানের লেখা যেভাবে আমি গুরুত্ব সহকারে পাঠ করি, সেভাবে আল মাহমুদকেও পাঠ করি। আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ পোরট্রেট ফটোগ্রাফার নাসির আলী মামুন এই দুই কবিকে একসাথে বসিয়ে যে সাক্ষাৎপর্ব ঘটিয়েছেন তা বাংলা সাহিত্যে একটি বিরল ঘটনা বলে আমি শনাক্ত করি। মামুন শুধু দুই কবিকে এক করে সাক্ষাৎকার নিয়েই ক্ষান্ত হননি, সে তাদের দুজনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও দূরত্বের কারণগুলো বের করে এনেছেন। শামসুর রাহমান আল মাহমুদ: তফাৎ ও সাক্ষাৎ বইটিতে বরেণ্য আলোকচিত্রী মামুন এমন সব তথ্য ও বক্তব্য দুই কবির বয়ান থেকে বের করে নিয়েছেন যার অনেক কিছু এই প্রথম আমরা অবগত হয়েছি। দুই কবির অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা এখানে লিপিবদ্ধ আছে, যা পাঠকেদের টেনে নিয়ে যাবে শেষ পর্যন্ত। তাছাড়া মামুনের দীর্ঘদিনের তোলা বেশ কয়েকটি দুর্লভ আলোকচিত্র বইটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছিল ২০০৪ সালে। আর যে সময়ে বইটি প্রকাশিত হল তখন আমাদের মাঝে প্রিয় কবি শামসুর রাহমান নেই। তাঁকে আমরা নানাভাবে স্মরণ করব। এ বইটিও তেমন একটি আয়োজন। আমি নাসির আলী মামুন-এর এই বইটিকে বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল বলেও চিহ্নিত করতে চাই।
—বেলাল চৌধুরী