শক্তিমান বর্তমান
শক্তিমান বর্তমান
লেখক: একার্ট টোলে
রিভিউ:
শক্তিমান বর্তমান (The Power of Now) একার্ট টোলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী আত্মউন্নয়নমূলক বই, যা আজকের মানুষের ব্যস্ত, হতাশাগ্রস্ত ও অস্থির জীবনে এক অমূল্য দিশারী হিসেবে কাজ করে। বইটি একটি গভীর দার্শনিক যাত্রার মতো, যেখানে লেখক আমাদের প্রতিদিনের চিন্তা, মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা এবং অনুভূতির প্রতি নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে উৎসাহিত করেন। তার ভাষায়, বর্তমান সময়ই একমাত্র সত্যি, আর যদি আমরা এই "শক্তিমান বর্তমান"কে উপলব্ধি করতে পারি, তবে জীবনের সমস্ত দুঃখ, উদ্বেগ এবং দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যাবে।
বইটি মূলত শিখায় কীভাবে আমরা আমাদের মনের অস্থিরতা এবং অতীত-ভবিষ্যতের চিন্তা থেকে মুক্ত হতে পারি এবং শুধুমাত্র বর্তমানের মধ্যে থাকা, অর্থাৎ “এখন এবং এখানে” (the now) জীবনযাপন করতে পারি। একার্ট টোলে বইটিতে বিভিন্ন আধ্যাত্মিক ধারণা, বুদ্ধের শিক্ষা এবং আধুনিক মনস্তত্ত্বের বিভিন্ন মূলনীতি একত্রিত করেছেন। তিনি আমাদের বুঝিয়ে দেন, আমাদের চিন্তাভাবনা ও অনুভূতি বেশিরভাগ সময় আমাদের মনের উৎপাদন, যা প্রকৃত পৃথিবী বা বাস্তবতা থেকে আলাদা। আমাদের সচেতন মন যখন অতীত বা ভবিষ্যতের দিকে চলে যায়, তখন আমরা বর্তমানের শক্তিকে মিস করি।
বইয়ের মূল বিষয়বস্তু:
শক্তিমান বর্তমান আমাদের শেখায়, যতক্ষণ না আমরা এখনকার মুহূর্তে উপস্থিত থাকতে পারি, ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের জীবনে সত্যিকারের শান্তি, আনন্দ বা পূর্ণতা আসবে না। টোলে মনে করেন, আমাদের মনের অস্থিরতা, চিন্তা এবং উদ্বেগ প্রাকৃতিক নয়—এগুলো আমাদের নিজেদের সৃষ্ট। তিনি পদ্ধতি এবং অনুশীলনগুলি পরামর্শ দেন, যার মাধ্যমে আমরা এই চিন্তামুক্ত জীবনযাপনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি। বইটির বেশিরভাগ অংশই এই "এখন এবং এখানে" থাকার গুরুত্ব এবং উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করেছে।
শৈলী ও ভাষা:
টোলের লেখার শৈলী খুবই সরল, কিন্তু তার বিষয়বস্তু গভীর। তিনি জটিল দার্শনিক ধারণাগুলো খুবই সহজ এবং স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করেছেন, যা সাধারণ পাঠকদের জন্যও বোঝা সম্ভব। তার ভাষার মধ্যে রয়েছে এক ধরনের নিরবতা এবং শান্তি, যা বইটির পড়ার অভিজ্ঞতাকে আরও কার্যকর এবং শান্তিপূর্ণ করে তোলে। বইটি কোন জটিল থিওরি বা শিক্ষার খাতা নয়, বরং এটি একটি অভিজ্ঞতার গল্প, যেখানে পাঠককে নিজের ভেতরের শান্তির উৎস খুঁজে বের করার জন্য আহ্বান করা হয়।
প্রভাব এবং প্রাসঙ্গিকতা:
এই বইটির প্রভাব বিশ্বব্যাপী গভীর। একার্ট টোলে তার কাজের মাধ্যমে আধুনিক জীবনের নানা দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, এবং অবিশ্বাসের মাঝেও শান্তি খুঁজে পাওয়ার পদ্ধতি দেখিয়েছেন। আজকের দ্রুতগতি সমাজে, যেখানে মানুষের জীবনে অসংখ্য সমস্যা, চাপ এবং দুশ্চিন্তা রয়েছে, বইটি এক নতুন চিন্তার দরজা খুলে দিয়েছে। শক্তিমান বর্তমান আমাদের মনে করিয়ে দেয়, যদিও বাইরের পৃথিবী অস্থির এবং অস্থির, তবে আমাদের অন্তরজগতের শান্তি শুধুমাত্র বর্তমান মুহূর্তে থাকতে পারার মধ্যে নিহিত। এই ধারণাটি, বর্তমান সমাজে, বিশেষত তরুণদের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যারা নিজের চিন্তা এবং অনুভূতির প্রতি অনেক বেশি জড়িত থাকে।
উপসংহার:
শক্তিমান বর্তমান বইটি একার্ট টোলের অসামান্য কর্ম এবং আধুনিক আত্মউন্নয়ন সাহিত্যে একটি ক্লাসিক। এটি আপনাকে শুধু মানসিক শান্তির পথই দেখাবে না, বরং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে পূর্ণতা এবং গভীরতায় পূর্ণ করবে। যারা নিজের জীবনের চাপ, উদ্বেগ এবং শূন্যতাকে দূর করতে চান, তারা এই বইটি পড়ার মাধ্যমে বর্তমানের শক্তিকে উপলব্ধি করতে পারবেন। এটি এক আত্মবিশ্লেষণ এবং আত্মউন্নয়নের অসাধারণ যাত্রা, যা জীবনে শান্তি, সুস্থতা এবং একতার অনুভূতি সৃষ্টি করতে সহায়তা করে
শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ
শতেক ছড়ায় ঢাকা
শয়তানের সাথে যুদ্ধ
সেরা মূল্যে আপনার পছন্দের বই অর্ডার করুন! ক্যাশ অন ডেলিভারিসহ সুন্দরবন কুরিয়ার থেকে মাত্র ৫০ টাকায় সংগ্রহের সুযোগ। [শর্ত প্রযোজ্য]
| Title | : | Shoytaner Shathe Juddho by Dr. Khalid Abu Shadi |
| Author | ড. খালিদ আবু শাদি | |
| Publisher | : | সন্দীপন প্রকাশন |
| Category | : | আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা |
| Edition | : | 1st Published, 2026 |
| Number of Pages | : | 192 |
| Country | : | Bangladesh |
| Language | : | Bengali |
শরণার্থীর সুবর্ণরেখা
শরবতে বাজিমাত
শরবতে বাজিমাত
By (author) Munir Hasan
নতুন কিছু করার জন্য সবসময় উদ্যোক্তার ওপর একটা চাপ থাকে। বলা হয়ে থাকে নতুন কিছু করতে পারলেই সাফল্য ধরা দেবে। তবে, কেবল নতুন কিছু নয়— প্রচলিত ব্যবসাকে ভিন্নভাবে করে গড়ে তোলা যায় সফল উদ্যোগ। যেমনটা করেছিলেন, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক তিন বন্ধু রিচার্ড রীড, এডাম বেলন আর জন রাইট। ১৯৯৮ সালে তারা মাত্র ৫০০ পাউন্ড হাতে নিয়ে ইনোসেন্ট নামের শরবত কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। ইউরোপের ১৩টি দেশে এখন ইনোসেন্ট বিক্রয় হয়। কোম্পানির বাজার দর মাত্র ১০ কোটি পাউন্ড (এক হাজার কোটি টাকার বেশি)!!! এর ৯০ ভাগের বেশি ওরা বিক্রি করে দিয়েছে কোকাকোলা কোম্পানির কাছে! প্রত্যেকে এখন প্রশান্ত মহাসাগরে ব্যক্তিগত দ্বীপের মালিক।
তারা তাদের কোম্পানি গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন একটি বইতে। ব্রিটিশদের সঙ্গে আমাদের মান-মানসিকতা ও সিস্টেমের অনেক মিল। সেজন্য দেখা যায়, আমাদের দেশের উদ্যোক্তাদের মতো তিন বন্ধু রাস্তাতে ঘুরেছেন মাসের পর মাস। ‘এসএমই বান্ধব ব্যাংকিং নীতিমালা’ থাকা সত্ত্বেও কোনো একটি ব্যাংক তাদের ফুটো কানাকড়িও দেয়নি। সবাই সারাক্ষণ তাদের কানের কাছে ঘ্যান ঘ্যান করেছে “তোমাদের পদ্ধতিতে শরবত বানালে, তোমরা দেউলিয়া হয়ে যাবে। এই ভাবে হয় না।”
হাজার হাজার ‘না’ কেমন করে অতিক্রম করেছেন এই তিন বন্ধু? কেমন করে শরবত তাদের আর্থিক মুক্তির পথ খুলে দিয়েছে? কেমন করে বিনা পূজিতে তারা মার্কেটিং করেছেন? কোন বুদ্ধিতে একটার পর একটা দেশে ব্যবসা বাড়িয়েছেন আবার নিজেদের প্রতিষ্ঠানে গড়ে তুলেছেন একটি চমৎকার সংস্কৃতি।
এসব প্রশ্নের জবাব খোঁজা হয়েছে এই বইতে।
শরিয়ার দৃষ্টিতে রাষ্ট্র
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইসলামি শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতি
পৃষ্ঠা : 360, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Edition, 2023
আইএসবিএন : 9789849787617
ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্রÑএকটি অপরটির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ব্যক্তি ছাড়া যেমন সমাজ হয় না, তেমনই সমাজ ছাড়া রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না। আবার একজন ব্যক্তি সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো প্রাণী নয়। বরং একজন দায়িত্ববান ব্যক্তি নিজেকে নিয়ে যেভাবে ভাবেন, তেমনই ভাবেন সমাজ ও রাষ্ট্র নিয়েও। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ ও সামগ্রিক জীবনব্যবস্থা হিসেবে মানবজীবনের প্রতিটি পর্যায় নিয়ে বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা দিয়েছে। এক্ষেত্রে বাদ পড়েনি রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় জীবনও। একটি রাষ্ট্রের নীতি কী হওয়া উচিত? রাষ্ট্রপ্রধান কেমন হওয়া উচিত? রাষ্ট্রপ্রধান কী কী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? কীভাবে নিতে পারেন? কোন কোন ক্ষেত্রে তা কার্যকর হবে? শুরার ব্যাপারে রাষ্ট্রপ্রধানের অবস্থান কেমন হওয়া উচিত? রাষ্ট্রের প্রতি জনগণের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? রাষ্ট্রপ্রধানের কোন কোন কার্যাবলি শরিয়ার সাথে সাংঘর্ষিক কিংবা বিরোধমুক্ত? এসব নানা বিষয়ে ইসলামের পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা রয়েছে, যা আমরা শরিয়ার দৃষ্টিতে রাষ্ট্র গ্রন্থখানি অধ্যয়নের মাধ্যমে জানতে পারব, ইনশাআল্লাহ।