যুগোপযোগী দাওয়াহ
লেখক : ড. ইউসুফ আল কারযাভী
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : দাওয়াহ, দ্বীনের পথে আহ্বান
পৃষ্ঠা : 304, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Edition, 2023
আইএসবিএন : 9789849787600
গোটা বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয়। প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে বিশ্ব যেন এখন ছোট্ট একটি গ্রাম। তথ্য ও সাংস্কৃতিক প্রবাহ এখন বাতাসের চেয়েও বেগবান। ফলে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও আচরণে এসেছে নাটকীয় পরিবর্তন। আর এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ইসলামি দাওয়াতের অন্যতম উদ্দেশ্য হলোÑমানুষের মনস্তত্ত্ব ও আচরণে প্রভাব বিস্তার করে শুদ্ধতার সূচনা করা। তাই দাওয়াতি মিশনকে ফলপ্রসূ ও কার্যকর করতে বর্তমান প্রজন্মের সাইকোলজি ও সাংস্কৃতিক গতিধারাকে আমলে নিয়ে দাওয়াতি পন্থায় নতুনত্ব আনা ছিল অতীব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘকাল যাবৎ দ্বীনি দাওয়াত এবং এর কৌশলে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে ইসলাম প্রসারে কাক্সিক্ষত ফলাফল থেকে আমরা শত ক্রোশ পথ দূরে। বিশ্বায়ন দাঈদের জন্য অবারিত সুযোগ তৈরি করেছে। একই সাথে বাড়িয়ে দিয়েছে দায়িত্বের ভারও। তাই নিত্যনতুন সৃষ্ট অবস্থা ও পরিস্থিতিতে দাওয়াতি কৌশল নিয়ে ভাবা জরুরি। কারণ, আলিম ও দাঈদের দায়িত্ব ইসলামের দাওয়াতকে যুগোপযোগী পন্থায় মানুষের নিকট পৌঁছে দেওয়া। যুগোপযোগী দাওয়াহ গ্রন্থটি তারই সারপত্র। এটি আধুনিক যুগে দাওয়াতের কার্যকর পন্থা নির্ধারণে সহায়ক হবে, ইনশাআল্লাহ।
যে অঙ্কে কুপোকাৎ আইনস্টাইন
যে অঙ্কে কুপোকাৎ আইনস্টাইন
By (author) Munir Hasan
গণিতের নাম শুনলে জ্বর আসে এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম নয়, অথচ গণিতে যারা পারদর্শী, তাদের কাছে শোনা যায় গণিত নাকি খুবই মজার বিষয়! কখন গণিত ভয়ের আর কখন সেটা জাদুর মতো আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে? যারা গণিতের মজা পান তারা কি জন্মগতভাবেই মেধাবী, নাকি এটা তাদের গণিতচর্চার ফল? চর্চার মাধ্যমেই গণিতের ভয় জয় করা সম্ভব। একবার গণিতের ভয় জয় করা গেলে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয় না। কার্যকরণ বুঝে নিয়মের মধ্য দিয়ে নিয়মিত গণিতের চর্চা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। গণিত তো আসলে মস্তিষ্কেরই একটি ব্যায়াম, যার মাধ্যমে আমরা মেধাবী একটা প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারি। মুনির ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক প্রায় ২০ বছরের। যেকোনো কঠিন বিষয়কেও তিনি গল্পের মতো করে, সহজ করে বলতে পারেন। যে অঙ্কে কুপোকাত আইনস্টাইন বইয়েও সেটা দেখেছি। এই বইয়ে গণিতের এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যাকে আমরা ধাঁধাও বলতে পারি। গল্পের ছলে আলোচিত এ বিষয়গুলোর চর্চা শিক্ষার্থীদের গণিতের প্রতি আকর্ষণ বাড়াবে, ভয় দূর করবে। সর্বোপরি তাদের গণিতে দক্ষতা তৈরি করবে। শুধু পরীক্ষায় পাস করার জন্য অনেক শিক্ষার্থী গণিত মুখস্থ করতে বাধ্য হয়। কারণ এতে তারা মজার বা আনন্দের কিছুই খুঁজে পায় না। তাই তাদের নতুন কিছু জানার তৃষ্ণাও তৈরি হয় না। শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণিতের প্রতি তৃষ্ণা ও ভালোবাসা জন্মানোর জন্য এ বই একটি জোরালো ভূমিকা পালন করবে।
মাহমুদুল হাসান সোহাগ
চেয়ারম্যান, অন্যরকম গ্রুপ
যে নামে ডাকেনি কেউ তাকে
যে পথে জ্যান্ত গল্পেরা হেঁটে গেছে
যে পথে জ্যান্ত গল্পেরা হেঁটে গেছে
By (author) শিপ্রা দেবনাথ
রাষ্ট্র আমাদের কীভাবে নিঃস্ব আর অসহায় করে তার অনন্য উদাহরণ শিপ্রা দেবনাথ। তবু মুখে তালা ঝুলিয়ে আর কত ঘুরব আমরা? এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মতো অবশেষ কে আর আছে? বুকে পাথর নিয়ে চলতে, আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরানো সমাজ প্রতিদিন শেখায়, হাতে কলমে। কখনো ধর্মের নামে, কখনো তথাকথিত আইনের নামে আহুতি দিতে দিতে জীবনের মূল্যমান এখন মূল্যহীনতার চূড়ান্ত সীমায় গিয়ে ঠেকেছে। সমাজ, রাষ্ট্রের যূপকাষ্ঠে অনন্ত সম্ভাবনার জীবনের এই অবচয় ক্ষতবিক্ষত করে সংবেদনশীল কবিসত্তাকে। বিদীর্ণ হৃদয়ের ক্ষতগুলো কখনো আত্মচিৎকার, কখনো পাওয়া-হারানোর যুগপৎ আনন্দ-বেদনার স্মৃতিময়তা, কখনো হাতের তালুতে হঠাৎ চমকে ওঠা অশ্রুবিন্দুর মতো কবিতার অক্ষরে বুনে চলা। এই বইয়ের কবিতাগুলো সময়ের ও আমাদের অজস্র টুকরো হয়ে যাওয়া সত্তার মতোই জীবন্ত।
যে ভালোবাসা জান্নাতে নিয়ে যাবে
সেরা মূল্যে আপনার পছন্দের বই অর্ডার করুন!
ক্যাশ অন ডেলিভারিসহ সুন্দরবন কুরিয়ার থেকে মাত্র ৫০ টাকায় সংগ্রহের সুযোগ। [শর্ত প্রযোজ্য]
Title : যে ভালোবাসা জান্নাতে নিয়ে যাবে
লেখক : শাইখ আহমদ ফরিদ
Translator : উমাইর লুৎফর রহমান
প্রকাশনী : সন্দীপন প্রকাশন
সংস্করণ : 1st Published
পৃষ্ঠা : 96
দেশ : বাংলাদেশ
ভাষা : বাংলা
যে রাতে শয়তান আমাকে কাঁদিয়েছিল
যে রাতে শয়তান আমাকে কাঁদিয়েছিল
By (author) হুমায়রা স্যারন
শহরের এক ধনী ব্যক্তির কাছে একটা ট্রেজার বোল রয়েছে। এমন গুজব শোনা গিয়েছে, সেই বোলে স্বর্ণ রাখা হলে তা বহুগুণ হয়ে যায়। শুধু স্বর্ণ নয়, সে পাত্রে যা-ই রাখা হয় তা ক্রমাগত বাড়তেই থাকে।
দেখতে দেখতে দূরে মেঘালয়ার ওপরে আকাশ তার রং পাল্টে ফেলল। সে এক মায়াময় আলো, যে মায়া আগলে রাখে পাহাড়কে, হাওড়কে আর হাওড়ে ভাসতে থাকা মানুষগুলোকে।
দেওয়ালে ঝোলানো ছবিতে লেকের পাশে পড়ে থাকা এক তরুণীর মৃতদেহ। আর জাকুজির পাড়ে পড়ে আছে এক রূপবতীর সদ্যমৃত শরীর। একজন ভালো চিত্রকর ছবিটা কীভাবে আঁকবেন? দুজনের ঠোঁটের ওপরেই কি ছুঁয়ে যাবে তার তুলির লাল রঙ?
লু সি ওয়েন যখন কপালের চামড়ায় ছোরা ঠেকালেন তখন তার দৃষ্টি পড়ল মেয়েটার চোখে। এই দৃষ্টির সামনে তার মানবজীবনে অর্জিত সমস্ত মনোবল কাচের টুকরার মতো ভেঙে যেতে লাগল।
ড্রাগনের প্রতিকৃতির চোখ-ঝলসানো রঙ, ঝুলন্ত লাল গোলাকার লন্ঠনের আভা, পুরনো ইমারতের জাঁকজমকপূর্ণ সাজসজ্জা সব মিলিয়ে চিংহুয়াই নদীর শাখায় আলোর এক অনৈসর্গিক খেলা আরম্ভ হয়েছে।