মারিয়ামের অদ্ভুত স্বপ্ন
মারিয়ামের অদ্ভুত স্বপ্ন
By (author) ফারিহা জাহিন আলম
ক্লান্ত মারিয়াম বিছানায় যেতেই ঘুমিয়ে পড়ল। ঘুমিয়েই স্বপ্ন দেখল— সে একটা কোর্টে বসে আছে। আর উঁচু আসনে বসে আছেন একজন বিচারক।
মারিয়াম আরও অবাক হয়ে গেল যখন দেখল এক প্লেট আধখাওয়া রান, পোলাও ও মাছ একপাশে বসে আছে। আর দিব্যি তারা মানুষের মতো কথা বলছে। মারিয়াম ভাবল, ওরা আমার নষ্ট করা খাবারগুলো নয় তো? ওরা এখানে কী করছে?
মার্ক টোয়েনের আত্মজীবনী
মার্কসীয় বিশ্ববীক্ষা
মার্কিন দেশের কবিতা
মার্কেটিং গেম
মার্কেটিং গেম
By (author) রাসেল এ কাউসার
মার্কেটিং মানে কী? ভ্যালু এডিশন, ডিমান্ড ক্রিয়েশন, কাস্টমার সেটিসফেকশন? এই বইয়ের লেখকের মতে, মার্কেটিং মানে হলো, একটা গ্যালারিভর্তি মাঠে কিছু প্লেয়ারের একটা বল নিয়ে খেলা করা। এখানে মাঠ মানে হলো মার্কেট, প্লেয়ার মানে হলো মার্কেটার, বল মানে হলো প্রোডাক্ট আর গ্যালারিতে বসে আছে সব কাস্টমার।
প্রোডাক্ট বিক্রি করতে গিয়ে বা পুরো গ্যালারিভর্তি দর্শকদের মন জয় করতে গিয়ে ব্র্যান্ডগুলোকে কখনো একটু অফেনসিভ খেলতে হয়, কখনো বা একটু ডিফেনসিভ, মাঝে মাঝে আবার পিছন থেকেও আক্রমণ করতে হয়, প্রয়োজনে একটু ইমোশনালও হতে হয়, কখনো আবার ফাঁকা বার পেয়েও ইচ্ছা করেই গোল না করেই ফিরতে হয়।
এই প্লেয়াররা কিন্তু খেলতে খেলতে কখনো আবার আহতও হচ্ছে, কখনো আবার মার্কেটে টিকে যাবার জন্য মাঠও ছেড়ে দিচ্ছে। আর ধাক্কাধাক্কি? এগুলাতো রোজকার ঘটনা! তবে জরুরি কথা হলো, এই খেলায় সবাই জিততে পারে না, কারণ সবাই তো আর গ্যালারিভর্তি দর্শকের মন জয় করতে পারে না।
এই বইতে এমনই সব উদাহরণ এবং কেস স্টাডির মাধ্যমে এটাই দেখানো হয়েছে, কীভাবে একটা ব্র্যান্ড এই খেলায় জয় ছিনিয়ে আনে আর কী কারণে একটা ব্র্যান্ড এই খেলায় জিততে জিততেও হেরে যায়।
মার্কেটিংনামা
মার্ক্সের চিন্তার সারবত্তা
মার্ক্সের চিন্তার সারবত্তা
By (author) মুহাম্মদ তানিম নওশাদ
মার্ক্সের চিন্তার সারবত্তা মূলত মুহাম্মদ তানিম নওশাদের এগারোটি প্রবন্ধের সংকলন, যার সবগুলোই বিভিন্ন জার্নাল বা পত্রিকায় আগে প্রকাশিত হয়েছিল। এই প্রবন্ধগুলোর সব বিষয়ই মার্ক্সের চিন্তার জায়গা থেকে পর্যালোচিত। বাংলাদেশে মার্ক্সপাঠের সমস্যাকীর্ণ জায়গা হলো দুটি; প্রথমটি মূল জার্মান থেকে না পড়ার কারণে মার্ক্স ও এঙ্গেলসের ভুল ইংরেজি বা সেই ভুল ইংরেজির বাংলা তর্জমার দ্বারস্থ হওয়া; দ্বিতীয়টি মার্ক্স সরাসরি পাঠ না করেই মার্ক্সের নামে প্রচলিত পশ্চিমা অনেক ধারণা গলাধঃকরণ করা। এই বইতে লেখক মূল জার্মান থেকে মার্ক্স পাঠ করে তার ওপর ভিত্তি করে প্রবন্ধগুলো বিভিন্ন সময়ে লিখেছেন। মূলত ২০১৭ সাল থেকে এই প্রবন্ধগুলো লেখার কাজ তিনি শুরু করেন। আর এই বইতে একত্র করার আগে কিছু কিছু প্রবন্ধ সামান্য পরিবর্ধিতও হয়েছে। এখানে একটি কথা বলে নেওয়া জরুরি। সম্ভবত মার্ক্স ইংরেজি ভাষা শেখার আগে ফরাসি ভাষা শিখেছিলেন। যে-কারণে আর্থ-দার্শনিক পাণ্ডুলিপি: ১৮৪৪-এ আমরা দেখি, মার্ক্স অ্যাডাম স্মিথ ও ডেভিড রিকার্ডোর যে গ্রন্থসমূহ থেকে উল্লেখ করেছেন তা সেগুলোর মূল ইংরেজি থেকে নয়, সেগুলোর ফরাসি তর্জমা থেকে। ফলে লেখক মার্ক্সের ব্যবহৃত অ্যাডাম স্মিথ ও ডেভিড রিকার্ডোর বয়ান ফরাসি ও মূল ইংরেজি দুটোতেই পাঠ করেছেন। কোনো কোনো সময় যেসব ইংরেজি অনুবাদ তার কাছে প্রাঞ্জল ও মূল জার্মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয়েছে, সেখান থেকেও তিনি পাঠকদের সুবিধার জন্য উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
মার্চেন্ট অব ভেনিস
মালাকার সম্প্রদায় ও শোলাশিল্প
মালাকার সম্প্রদায় ও শোলাশিল্প
By (author) সাকার মুস্তাফা
মালাকারদের মাঝে একটা কিংবদন্তির প্রচলন আছে—হিমালয় কন্যা পার্বতীকে বিয়ে করবার সময় মহাদেব শিব শ্বেত মুকুট পরবার ইচ্ছে পোষণ করেন। এই ইচ্ছে পোষণ থেকেই জলে জন্ম নিল একধরনের গাছ—শোলা গাছ। বিশ্বকর্মা নানান ধাতব পদার্থে গহনা গড়েন, তো চিন্তায় পড়ে গেলেন শোলার মতো নরম জিনিসে কীভাবে মুকুট গড়বেন। এ-সময় আবার শিবের ইচ্ছেয় জল থেকে এক সুকুমার যুবক উত্থিত হলেন, সেই ছেলেই শোলা থেকে শিবের বিয়ের মুকুট-মালা তৈরি করে দিলেন। এত সুন্দর মালা দেখে সবাই মুগ্ধ হলেন, সেই থেকে ছেলেটির নাম হয়ে গেল মালাকার। আর তার বংশধররা হলেন মালাকার সম্প্রদায়। এই বিশ্বাস থেকেই মালাকার পেশাজীবীরা নিজেদের পেশাকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখেন। মালাকাররা শোলা দিয়ে মালা গাঁথেন, পুজোর-ঘরসজ্জার ফুল তৈরি করেন, পাখি, খেলনা, হাতপাখা, অলঙ্কার, পশুপাখিসহ নানাকিছু অপূর্বরূপে সৃজন করেন। এইভাবে একটি বিশেষ সম্প্রদায় শোলানির্ভর হয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন।
বাংলার লোক—মালাকার সম্প্রদায়ের যাপিতজীবনের নানা অনুষঙ্গ—ইতিহাস, ঐতিহ্য, রুচিবোধ, সংস্কৃতি এবং শোলাশিল্প সম্পর্কিত বিস্তর আলাপ উঠে এসেছে এই গ্রন্থে। মাগুরা, ঝিনাইদহ, নওগাঁ, শেরপুর ও কোলকাতার মালাকারদের জীবন ও শিল্পকেন্দ্রিক রচিত এই গ্রন্থ। তবে বাড়তি আকর্ষণ দেশভাগের কবলে পতিত কালিপদ মালাকারের ট্রাজিক অথচ শিল্পিত জীবন!
মাসনুন দুআ
লেখক : গার্ডিয়ান টিম
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : দুআ ও যিকির
পৃষ্ঠা : 160, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Edition 2023
আইএসবিএন : 9789849696865, ভাষা : বাংলা
মহান আল্লাহ বলেছেন, আমার কাছে চাও। আমি তোমাদের দেওয়ার প্রস্তত । মহান আল্লাহর এই ঘোষনার পরও আমরা অনেকে তাঁর কাছে চাইতে ইতস্তত বোধ করি । কেন? কারণ, কীভাবে আমরা তাঁর কাছে চাইব, এই পদ্ধতি আমাদের জানা নেই; অথচ পবিত্র কুরআন ওহাদিসে আল্লাহর কাছে চাওয়ার অনেক পদ্ধতি বাতলে দেওয়া আছে। এই বইটি সেই বাতলে দেওয়া প্রার্থনামূলক বাক্যগুলোর সংকলন; যাতে আমরা আমাদের যাপিত জীবনের সমস্যাগুলো দূর করতে তাঁরই বাতলে দেওয়া পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারি।