মানব মস্তিস্ক ও ভয় কী?
লেখক: সৌমেন সাহা
প্রকাশনী: অক্ষর প্রকাশনী
বিষয় : পদার্থবিদ্যা
মানসিক প্রশান্তি আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জাদুকাঠি
মানসিক প্রশান্তি আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জাদুকাঠি
By (author) আজহারুল ইসলাম
মানসিক প্রশান্তি আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জাদুকাঠি। শিরোনাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বইটি দুইটা উদ্দেশ্যে লেখা— এক, মানসিক প্রশান্তি লাভ করা আর দুই, মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করা।
কম্পিউটার বা স্মার্টফোন যেমন বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়, তেমনি মানুষের মস্তিষ্কও নানারকম ভাইরাস দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যার ফলে আমাদের জীবনের গতি মন্থর হয়ে যায়— এমনকি থেমে যেতেও পারে। আমরা কী চাই, কেন চাই, তা পরিষ্কার হতে না পারলে অর্থাৎ নিজেকে চিনতে না পারলে, নিজের লক্ষ্য ঠিক করতে না পারলে এসব ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারি। কম্পিউটার বা ফোনের মতো আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতিকারক ভাইরাসগুলো সনাক্ত করে মুছে (ফবষবঃব) ফেলা জরুরি। এই বইটি সেই কাজটিই করবে।
মানসিক স্বাস্থ্যের ফার্স্ট এইড
মানসিক স্বাস্থ্যের ফার্স্ট এইড
By (author) আলিয়া আজাদ
‘মানসিক সমস্যা’ কথাটা শুনলেই আমাদের মধ্যে একটা ভয় কাজ করে। তাই মনের সমস্যা হলে চিকিৎসা নেওয়ার বদলে আমাদের মনের ভিতরের ভয়ের সাথে প্রথমে লড়াই করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু সত্যটা হলো, মন যেহেতু আছে, জীবনে কখনো না কখনো মনের রোগে আমরা সবাই ভুগব এবং এটাই স্বাভাবিক। এই স্বাভাবিক বিষয়টাকে যেন স্বাভাবিকভাবেই আমরা গ্রহণ করতে পারি এবং মনের জোর ধরে রেখে নিজেকে সঠিকভাবে সাহায্য করতে পারি, সেই উদ্দেশ্যেই মানসিক স্বাস্থ্যের ফার্স্ট এইড বইটির সূচনা।
পারিপার্শ্বিক একটু অবহেলা আমাদের যেমন অনেক দূর পিছিয়ে দিতে পারে তেমনি অল্প উৎসাহও আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিতে পারে। মনের ভালো থাকা আমাদের চিন্তা-চেতনার উপর নির্ভর করে।
মানুষ পরিবর্তনশীল। তার মধ্যে পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে। পূর্বে উপযুক্ত পরিবেশ, উপযুক্ত শিক্ষার অভাব থাকলেও সে নিজেকে তার নিজস্ব চেষ্টায় অনেকাংশেই উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে সক্ষম। এর জন্য দরকার সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং অবাস্তব চাহিদার লাগাম টানা।
আমাদের ক্ষমতার সঠিক পরিচয় জানতে এবং ভারসাম্য বজায় রাখার দক্ষতা অর্জনের কৌশল রপ্ত করার প্রচেষ্টাই বিশ্লেষিত হয়েছে মানসিক স্বাস্থ্যের ফার্স্ট এইড বইটিতে, যা আমাদের জীবনকে যেমন প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে তেমনি সাফল্যের শীর্ষে উঠতেও আমাদের সাহায্য করতে পারে।
মানি মাস্টার্স
মানি মাস্টার্স
By (author) আল আমিন, মোহাইমিন পাটোয়ারী
আপনি যখন এই লেখাটা পড়ছেন, ঠিক সেই সময়টায় আপনার পার্স থেকে অল্প অল্প করে টাকা চুরি হয়ে যাচ্ছে। না না, কোনো ছিচকে পকেটমারের পাল্লায় আপনি পড়েননি। বরং পড়েছেন এক ঝানু লুণ্ঠকের হাতে, যে আপনার অগোচরে চুরি করে নিচ্ছে আপনার অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বা প্রাণশক্তি। অক্টোপাসের মতো তার সহস্রকোটি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অদৃশ্য হাত প্রতিনিয়ত হানা দিচ্ছে আমাদের সবার পার্সে ও পকেটে। সুদূর মহাকাশে কিংবা সমুদ্রের অতল গহ্বরে আপনি আপনার টাকা নিয়ে লুকিয়ে রাখতে পারেন বটে। কিন্তু সেখানেও পৌঁছে যাবে এই মানি মাস্টারদের লোলুপ থাবা। এ এক অদৃশ্য চুরি, যা ঠাহর করা বড় শক্ত। মজার ব্যাপার হচ্ছে, আপনার-আমার মতো সাধারণ মানুষ যখন চুরির বিষয়টি টেরই পাচ্ছে না, তখন চোর ধরা তো দূর কি বাত। বিদ্যমান অবিসংবাদিত অর্থব্যবস্থার অলক্ষিত সেই পুকুরচুরির ইতিবৃত্ত উন্মোচনের তাগিদ থেকেই আমাদের এই প্রয়াস।
মানুষ ও ইঁদুর
মানুষ ও ভাইরাসের যুদ্বের ইতিহাস: করোনার শুরু থেকে শেষ
মানুষ ও ভাইরাসের যুদ্বের ইতিহাস: করোনার শুরু থেকে শেষ
By (author) মোস্তফা তানিম
যারা বিজ্ঞানী, তারা খুব স্বাভাবিক কারণেই সাহিত্যিকদের মতো সহজ করে লিখতে পারেন না। আবার যারা সাহিত্যিক, তারা বিজ্ঞানীদের মতো গভীরভাবে বিজ্ঞান বোঝেন না।
মোস্তফা তানিম এই সমস্যার একটি চমৎকার সমাধান বের করেছেন। তিনি নিজে সাহিত্যিক আবার বিজ্ঞানের ছাত্র। তিনি একটি সাংঘাতিক কাজ করে ফেলেছেন। করোনা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের যত তথ্য আছে, সব তিনি এক জায়গায় করেছেন। তারপর সহজ বাংলায় তিনি ব্যাপারটিকে গুছিয়ে লিখেছেন। এরপর তিনি এই পাণ্ডুলিপি পাঠিয়েছেন আমেরিকার বাঘা বাঘা ডাক্তার, ভাইরোলোজিস্টদের। তারা সেই লেখা পড়ে ভুলত্রæটি খুঁজে বের করেছেন। সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।
এই করতে গিয়ে একশ সাতাশ পাতার বইটি লিখতে মোস্তফা তানিমের সময় লেগেছে তিন মাস। এই তিন মাস তিনি অন্য কোনো কাজ করেননি, গৃহবন্দী অবস্থায় শুধু এ বইটি লিখেছেন।
করোনায় এখন পর্যন্ত তিন লাখেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় শত্রæর নাম : করোনা। ইংরেজিতে একটা কথা আছে, keep your friend close, keep your enemy closer। কাজেই করোনা নামক এই শত্রæকে চিনতে হলে, এই বইয়ের চেয়ে ভালো বই আর একটিও নেই। না ইংরেজিতে, না বাংলায়।
আশীফ এন্তাজ রবি
মানুষ পৃথিবীর অনুপযোগী এক প্রাণী
লেখক : নজরুল ইসলাম টিপু
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : ইসলামি গবেষণা
পৃষ্ঠা : 232, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2024
এক আকাশের নিচে বসবাস,একই সূর্যের আলো-কিরণ নিয়ে,একই জলবায়ুর পানি-বাতাস চুষে,একই মাটির উৎপাদিত শস্য খেয়ে জীবনধারণ করা সকল প্রাণীর জীবনবৈচিত্র্য এক ধরনের; কিন্তু মানুষের স্বভাব,চরিত্র,নিদ্রা,আহার,যৌনতা,অভ্যাস ও শারীরিক গঠন ভিন্ন প্রকৃতির! বিজ্ঞানীদের দাবি-সকল প্রাণীর তুলনায় মানুষ বড়ো খাপছাড়া সৃষ্টি। পৃথিবীর পরিবেশের সাথে মানুষের জীবন মোটেও মানানসই ও উপযোগী নয়। এত বৈপরীত্যের মানুষকে কোথায় সৃষ্টি করা হয়েছে,বিজ্ঞানীরা সেটা বলতে না পারলেও তারা দাবি করেছেন,মানুষকে এমন এক জায়গায় সৃষ্টি করে দুনিয়াতে আনা হয়েছে,যেখানকার পরিবেশ দুনিয়ার মতো নয়। এমন সব কৌতূহলী প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে এই গ্রন্থে।
মানুষের জ্ঞানসূত্র
মানুষের ধর্ম
মায়াভরা পৃথিবীর ছায়াপথে
মারণ-রাজনীতি
মারণ-রাজনীতি
By (author) সহুল আহমদ, সারোয়ার তুষার
বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার কাজ এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। গণতন্ত্র মানে স্রেফ ভোটাভুটি নয়। জনগণের ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের এই রীতিনীতি নিয়ে কোনো তর্ক করা চলে না। কিন্তু খোদ রাষ্ট্রকাঠামোই যদি অগণতান্ত্রিক হয়, তাহলে নির্বাচন জনগণের কষ্টে উপার্জিত অর্থের শ্রাদ্ধ ছাড়া আর কিছুই হয় না। বাংলাদেশের সাংবিধানিক ক্ষমতাকাঠামোর ধরনটাই এমন যে, জনগণের ভোট দেওয়া না দেওয়ায় কিছু যায় আসে না। তবু ‘মন্দের ভালো’ পঞ্চবার্ষিকী ভোটাভুটিটুকুও যে উঠে গেল, এর বীজ আমাদের ‘মহান’ সংবিধানেই ঘাপটি মেরে ছিল। সেই অগণতান্ত্রিক মহাদানব এখন মাথা চাড়া দিয়ে দৃশ্যমান হওয়ায় আমাদের মাথাখারাপ দশা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণই সারকথা। জনগণ তার প্রয়োজনে রাষ্ট্র গঠন করে, প্রশাসন পরিচালনা করে, নিজেদের মৌলিক অধিকার সংবিধানে টুকে রাখে। এর অন্যথা হলে বুঝতে হবে রাষ্ট্রটা আর গণতান্ত্রিক নাই, ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণের পথ স্পষ্ট, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিগঠনের গণসচেতনতা গড়ে তোলা।
মারিয়ামের অদ্ভুত স্বপ্ন
মারিয়ামের অদ্ভুত স্বপ্ন
By (author) ফারিহা জাহিন আলম
ক্লান্ত মারিয়াম বিছানায় যেতেই ঘুমিয়ে পড়ল। ঘুমিয়েই স্বপ্ন দেখল— সে একটা কোর্টে বসে আছে। আর উঁচু আসনে বসে আছেন একজন বিচারক।
মারিয়াম আরও অবাক হয়ে গেল যখন দেখল এক প্লেট আধখাওয়া রান, পোলাও ও মাছ একপাশে বসে আছে। আর দিব্যি তারা মানুষের মতো কথা বলছে। মারিয়াম ভাবল, ওরা আমার নষ্ট করা খাবারগুলো নয় তো? ওরা এখানে কী করছে?