বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.)
বিশ্লেষণী দর্শন
বিষগোলাপের বন: ধর্ম ও কর্ম বিষয়ক দার্শনিক অনুভাবনা
লেখক : মুসা আল হাফিজ
প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
বিষয় : বিবিধ বই
পৃষ্ঠা: ৮৮
ধরণ: হার্ড কভার
বিষগোলাপের বন পথ দেখানোর দায়িত্ব নেয় না; কেবল চোখ খুলে দেওয়ার কাজটি করে। যেন আপনি নিজেই দেখে নিতে পারেন আপন পথ।
বইটি কোনো চিন্তাপুঞ্জের বয়ান নয়; বরং এর মধ্যকার প্রতিটি কথা এমন এক চিন্তাপুঞ্জের দরজা খুলে দিতে চায়, যাতে জীবন ও জগতের রহস্য সন্ধানে আপনি নিজেই জ্ঞানগতভাবে প্রস্তুক ও সক্ষম হতে থাকেন।
ধর্ম ও কর্মের বিচিত্রমুখী দার্শনিক বয়ানে কবি মুসা আল হাফিজ অবলম্বন করেছেন টুকরো কথনের ভঙ্গি। প্রতিটি টুকরোর ভেতরে আছে বিশ্লেষণের একেক জগৎ, অনুভবের একেক দরিয়া।
বিষন্ন বিষয় ও বাংলাদেশ
বিষয়ভিত্তিক প্রিসেপটর্স বিসিএস প্রশ্নব্যাংক
Solution With Explanations And Subjective Analysis
by প্রিসেপটর্স পাবলিকেশন্স
Category:বিসিএস
বিসিএস প্রিলিমিনারি সহায়িকা
বিস্ময়ের রাত
বীক্ষণ প্রান্ত
বীক্ষণ প্রান্ত
By (author) মাহফুজ সিদ্দিকী হিমালয়
অনুসন্ধানে অরুচি তৈরি হলে ভিটামিন সি খেতে পারেন। ভিটামিন সি-তে অ্যালার্জি থাকলে নিঃশব্দে দেয়াল টপকে পুকুরে ডুবসাঁতার দিয়ে চিতল মাছ শিকার করলে কেউ আপত্তি তুলবে না; দিলাম প্রতিশ্রুতি!
তবে মুশকিল হলো, পুকুরে কি আদৌ চিতলের চাষ হয়, প্রশ্ন করলে উত্তর আবিষ্কারে কয়েক বছর সময় ব্যয়িত হবে। আছে সেই সময়ের মজুত, নাকি যত্রতত্র খরচ করে ফুরিয়ে ফেলেছেন? আপনাকে ইমপ্রেস করতে কতগুলো দুপুর বিকেল হয়ে গেল, কতগুলো নির্দোষ টি-ব্যাগ আত্মাহুতি দিল, প্রিয়জন ফিরিয়ে নিল আস্থার নির্মেদ স্পর্শ; ইমপ্রেস তবু করতেই হবে? কিসের এত দায় বলুন তো!
যদি না-ই জানেন, সামনে থেকে সরুন; মাথায় চড়ে হাঁটব…
কী অনুসন্ধান করবেন না জানলে রুচি-অরুচির সিদ্ধান্তে পৌঁছাবেন কীভাবে?—এটা কিন্তু গুরুতর জিজ্ঞাসা। আপনাকে ৭০৯ বিঘা জমি উইল করেছেন একজন; নৈতিকতার স্বার্থে তার পরিচয় উহ্য রাখতে হচ্ছে। উইলটা পৌঁছে দিলাম, জমি খোঁজার খেয়াল কিংবা দায় একান্তই আপনার। আমি তো ডাকহরকরা মাত্র
বীরের বয়ান
বীরের বয়ান
By (author) সালমা সিদ্দিকী
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত হয়েছে অসংখ্য নাটক-সিনেমা-প্রামাণ্যচিত্র; লিখিত হয়েছে বা হচ্ছে শত-সহস্র গ্রন্থ। যে যার আবেগ, মতাদর্শিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অবস্থান থেকে ধারণ ও উপস্থাপন করেছেন মুক্তিযুদ্ধকে। তাহলে একই বিষয়ে বই লিখতে চাওয়া কি ইতিহাসের পুনরুৎপাদন কিংবা পৌনঃপুনিকতা? এই প্রশ্নের একটা জুতসই উত্তর হয়তো মিলতে পারে ‘বীরের বয়ান’-এ; ৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এখানে স্বনামে এবং সচেতনভাবে বিবৃতি দিচ্ছেন তাঁদের প্রত্যক্ষ সংগ্রাম, হারানোর বেদনা কিংবা নৃশংস মর্মান্তিকতার। গ্রন্থটি তাই স্মৃতিগদ্য, ইতিহাসের আকর অথবা সোশিও-অ্যানথ্রোপলজির অনুষঙ্গ জ্ঞানেও পাঠ করা যেতে পারে। এই নিরীক্ষার মধ্য দিয়েও হয়তোবা যুক্ত হতে পারে আপাত অনাবিষ্কৃত দৃষ্টিকোণ, অনালোকিত অন্তর্লোক।