প্রতিধ্বনিগণ
প্রতিভা জে এস সি ইংলিশ-১ম এবং ২য় পত্র ( অষ্টম ও জে এস সি)
প্রতিমা উপাখ্যান (আলাওল সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত)
প্রবন্ধসংগ্রহ ৩
প্রবেশিকা সঙ্গীত শিক্ষাপদ্ধতি
প্রমাণ করো যে
প্রমাণ করো যে
By (author) তামজীদ মোর্শেদ রুবাব, তাহনিক নূর সামীন, মুরসালিন হাবিব
গণিতে আমরা যখন কিছু প্রমাণ করি, একটা গাণিতিক বাক্যকে আমরা সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করি। সেটা কিন্তু খুব সহজ কিছু নয়। অলিম্পিয়াড পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে জানি, এই ‘প্রমাণ করো’ ধরনের সমস্যাগুলোতেই আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা সব থেকে বেশি দুর্বল। এই বইটা সেই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে দারুণ সহায়ক হবে বলে মনে করি।
প্রমাণ করতে গিয়ে আমাদের হাঁটতে হয় নির্ভুল যুক্তির পথ ধরে। ব্যবহার করতে হয় স্বতঃসিদ্ধ, উপপাদ্য, আর নানান রকম কৌশল। অমন অনেকগুলো কৌশল, সে কৌশলগুলো কেন কাজ করে, আর কী কী ভুল হতে পারে সেগুলো প্রয়োগের সময়- সেগুলোর এক অনবদ্য সংকলন এ বইটি। তিনজন তরুণ লেখক যারা নিজেরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের সাথে প্রতিযোগী ও প্রশ্ন প্রণয়নকারী হিসেবে বহুদিন ধরে যুক্ত আছেন, তারা এ অসাধারণ কাজটি করে ফেলেছেন।
বিভিন্ন রকম গাণিতিক বাক্যের গঠনের কথা আছে, আছে সেগুলোকে উল্টেপাল্টে বললে কী অর্থ প্রকাশ করে তার কথা। প্রমাণের কৌশল ও বিস্তারিত ভাবনা বোঝাতে গিয়ে সেট, গ্রাফ থিওরি, গণনাতত্ত্ব, সম্ভাব্যতা খুব সাজানো-গোছানোভাবে এসেছে। আর প্রতিটা অধ্যায়েই সারা পৃথিবীর গণিত অলিম্পিয়াডগুলো থেকে বেছে বেছে কিছু সুন্দর সমস্যা উদাহরণ হিসেবে সমাধান করে দেওয়া হয়েছে। আর আছে অনুশীলনী।
তবে এ বইটির সব থেকে চমৎকার বিষয় হলো ‘অপপ্রমাণ’। লেখকেরা অপপ্রমাণ বলতে বুঝিয়েছেন কোনো কিছু ভুলভাবে প্রমাণ করাকে। সেটা দেখতে মনে হয় প্রমাণের মতো, অথচ সেখানে যুক্তির ফাঁক রয়ে গেছে। কতভাবে আমরা ভুল করে ফেলি, সেই ভুলের ফলাফল কেমন হয়, সেই ভুলগুলো কেনই-বা ভুল, ‘অপপ্রমাণ’ অংশে লেখকেরা সেই কাজটা দুর্দান্তভাবে উপস্থাপন করেছেন।
—চমক হাসান
প্রযত্নে- হন্তা
প্রযত্নে- হন্তা
By (author) মাহফুজ সিদ্দিকী হিমালয়
আপনার-আমার উভয়ের সময়ই মূল্যবান; কথা ঠিক কি না? ব্যক্তি হিসেবে মূল্য না-ও থাকতে পারে; জম্পেশ সামাজিক গবেষণা পরিচালনা করতে পারলে বলা যেত কী কী শর্তপূরণ সাপেক্ষে একজন মানুষ মূল্যবান, অন্যজন আম-কাঁঠাল হয়। সে যাকগে, আপনার সময় বাঁচাতে একটা সৎ পরামর্শ দিই। যদি এটাই আপনার পড়া আমার প্রথম বই হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে ক্রয়মূল্য পরিশোধ করতে মানিব্যাগ খুলে যে দঙ্গল নোটগুলোকে উৎখাত করেছেন, দোহাই তাদের ফিরিয়ে আনুন। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরাক বা না ফেরাক, টাকা ফিরিয়ে নিতে দ্বিতীয় চিন্তার সুযোগই নেই।
এ বইটি সেই বয়সে লেখা, যখন ভাবতাম লেখালেখির মাধ্যমে গোয়ালভরা ধান আর গোলাভরতি গরুর বিস্ময়কর সমাবেশ ঘটাব, যে কারণে এখানকার গল্পগুলো পড়ে দেড় মিনিট চুপচাপ চিন্তা করলে বিচক্ষণ মানুষমাত্রই উপলব্ধি করবেন জনৈক আনাড়ি অথচ নার্সিসিস্ট তরুণ নারিকেল আর কামরাঙাসহযোগে বিরিয়ানি রান্নার কসরত দেখিয়ে চলেছে এক সপ্তাহ যাবৎ, অথচ উনুনে আগুনই জ্বালানো হয়নি জানা নেই তার। ২০১৩-তে প্রকাশিত ‘বীক্ষণ প্রান্ত’ বইয়ের ‘কিন্তু’ গল্পটি পত্রিকায় ছাপানোর দুরভিসন্ধিতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সবগুলো দৈনিকেই ধরনা দিয়েছিলাম, সেই ধরনা ঘুণে খাওয়ার পরই নিশ্চিত হই লেখক হিসেবে আমি দিলদার!
তবু লিখছি, কারণ লিখলে মানুষ হিসেবে নিজের মিডিওক্রিটিকে জায়েজ করার নানান অজুহাত দেওয়া যায়। আমার অন্য কয়েকটি বই পড়ার পর যদি অস্বস্তি জাগে, এই লোকের সমস্যা কী, তার লেখাজোখা এমন কেন অথবা সে কী বলতে চায়—একমাত্র সে ক্ষেত্রেই এই বইয়ের ‘…র্দাপ’ গল্পটি পড়ে অন্যগুলোর স্বাদ চেখে দেখতে পারেন (গল্প কি তরকারি যে চাখতে হবে? বইয়ের মতো গম্ভীর জিনিস নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা, ছিঃ!)
নইলে ফ্ল্যাপ পড়তে সময় অপচয় হলো অযথাই। ক্ষোভ অথবা আক্ষেপ নিয়ে জিলাপি খেতে খেতে দেশ ও জাতি উচ্ছন্নে যাচ্ছে ভাবতে ভাবতে যা মন চায় করুন।
প্রযুক্তি : সনাতন থেকে আধুনিক
প্রযুক্তির যত মজার তথ্য
প্রযুক্তির যত মজার তথ্য
By (author) মোস্তাক শরীফ
এইচপি, অ্যাপল, মাইক্রোসফট — এসব নাম কীভাবে এল? কে তৈরি করেছিলেন জনপ্রিয় সব প্রোগ্রাম, কোন পরিস্থিতিতে? একুশ শতক পেরিয়ে আগামী দিনগুলোতে কম্পিউটারের চেহারা কেমন দাঁড়াবে? এমন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় কৌতূহলী মানুষের মনে। এসব প্রশ্নের একটি অংশের উত্তর দেয়ার তাগিদ থেকে এই বই। কোনো তথ্য চমকে দেবে, আবার কোনো তথ্য পাঠককে এক মুহূর্তের জন্য হলেও ভাবাবে। নির্ভরযোগ্য সব উৎস থেকে বাছাই করা তথ্য নিয়ে সংকলিত এই বই প্রযুক্তিপ্রেমী পাঠকের অবশ্যপাঠ্য। তথ্যপ্রযুক্তির আনন্দভুবনে সবাইকে স্বাগতম।