রঙপ্যাথি
রঙপ্যাথি
By (author) মাহফুজ সিদ্দিকী হিমালয়
আমি জাশুরিট; নামের আগে ‘জনাব’ নয় ‘জনৈক’ বিশেষণ পাওয়াই যার নিয়তি। আমি যে গল্পটা শোনাতে চাই তার পটভূমি আফ্রিকার এক কাল্পনিক দেশ, পশ্চাৎপট ২০৩৯!
মাত্র এক বাক্যেই হয়ে যাক গল্পের বিজ্ঞাপন-
Downfall directing delusional Discourse!
বিবিধ বর্ণিল চরিত্র আর অজস্র প্রতীককে পাশে ঠেলে লেখক কেন আমাকেই দায়িত্ব দিলেন গল্পের প্রচারণা চালানোর, প্রশ্নটা আপনাদের মতো আমারও। শুনেছি উত্তর মিলতেও পারে অপেক্ষায়। গল্পপ্রচারক, নাকি চরিতস্র কোনো পরিচয়ে আপনারা চিনবেন আমাকে; সংশয়টা তবু রয়েই যাচ্ছে। মূল প্রসঙ্গে আসি: কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, মতবাদ এবং কর্মফলসংক্রান্ত মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আপনাদের গড় রংবোধ নিয়ে যদি প্রশ্ন তুলি আহত হবেন কি? হয় সাদা অথবা কালো; কেউ কেউ উদারতাবশত ধূসরকে টেনে নেন ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায়। তাতে মনরক্ষা হলেও মানরক্ষা কি করা যায়?
এই অমীমাংসিত সংমিশ্রণে সাদা-কালোকে লাগছে নিছকই রংহীনতার নিস্ফল পরিণতি। প্রশ্নটা তাই টগবগে প্রাসঙ্গিক; বাকি চার রং গেল কই? ভেবেছিলাম বইয়ের মুখবন্ধ অংশে অজন্তা হালদারকেও করব প্রশ্নটা, লেখকের ধূর্ততায়-ধৃষ্টতায় উল্টো নিজই ফেঁসে গেলাম আজান্তার প্রশ্নের জালে ।
আমি জাশুরিট, এক বিশেষ বিমান নিয়ে বাসে আছি টার্মিনালে। কতিপয় কৌতুহলী আর কল্পনাপ্রিয় যাত্রী নিয়ে উড়াল দিব নিজ দেশের গন্তব্যে। উৎসাহী হলে উঠে পড়ুন এখুনি ছাড়বে ফ্লাইট; সময় মাত্র সাত মিনিট
রবীন্দ্রসৃজনে বাংলাদেশ
রবীন্দ্রসৃজনে বাংলাদেশ
By (author) রাফাত মিশু
সৃজনশীল প্রতিভা উজ্জীবিত হয় স্থানকালের সন্নিপাতে। চেতনা যেহেতু বস্তুরই উন্নত ও সম্প্রসারণশীল রূপ, তাই তা জড়িয়ে থাকে বস্তুজগতের চতুর্মাত্রায়। সেই মাত্রায় নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকে সময়। বস্তুজগৎ, মানুষ ও তার কর্মপ্রবাহ-মনস্তত্ত্ব-বাসনা সেই সম্পৃক্তায়নের মৌল প্রাণতা। রবীন্দ্রনাথ সৃজনাবেগে চঞ্চল, ক্রিয়ামুখর ও জীবনঘন হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের পতিসর-শাহজাদপুর-শিলাইদহে এসে। তাঁর জনজীবনাভিজ্ঞতা, ভূপ্রকৃতি আর কৃষি সাংস্কৃতিক প্রাণপ্রবাহটি উচ্ছলিত হয়েছিল এই বঙ্গে বসবাসের সূত্রে এবং তাঁর চেতনা থেকে ঘুচে গিয়েছিল কলকাতার বাবু-কালচারের ক্ষয়-ক্ষতি, ঔপনিবেশিক সংস্কৃতি-শিক্ষার সংকট ও জটিলতা। বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের আগমন ও দশকব্যাপী বসবাস একদিকে তাঁকে করেছে সৃষ্টিমুখর, উৎসার ঘটিয়েছে প্রকৃতির গহনে-সৌন্দর্যে অবগাহনের ফল্গুধারার। তিনি বিশ্বজাগতিকতাকেও এখানে এসেই নিজ অনুভবে-বোধে জারিত করতে পেরেছিলেন। রবীন্দ্রসৃজনে বাংলাদেশ এই নাতিপরিসর গ্রন্থটির রচয়িতা তরুণ লেখক রাফাত মিশুর আবেগঘন বিশ্লেষণধর্মী একটি কাজ। তিনি ছিন্নপত্র, সোনার তরী-চিত্রা-চৈতালি কাব্যত্রয় এবং ‘রবীন্দ্রগল্পে বাংলাদেশের চার প্রকৃতিকন্যা’ নিয়ে অনুপুঙ্খ ব্যাখ্যায় উন্মোচন করতে চেয়েছেন রবীন্দ্রনাথের শিল্পদর্শন, জীবনবোধ, নারী-মনস্তত্ত্ব এবং এসবের পরিপ্রেক্ষিতরূপে তৎকালীন বাংলাদেশের ভূপ্রাকৃতিক রূপবর্ণিল প্রাণশক্তিকে। রবীন্দ্রনাথ যে নিছক প্রকৃতিমুগ্ধতায় অবসিত না হয়ে তার মধ্যে কর্মপ্রবাহ ও নারীমনকে আবিষ্কার করতে পেরেছেন, তা গ্রন্থকার উন্মোচন করতে সমর্থ হয়েছেন। ‘গীতাঞ্জলির বিরহদর্শন’-এর মতো দার্শনিক-সাঙ্গিতিক জটিল বিষয়ও এখানে সন্নিবেশিত। তদুপরি লেখক অন্নদাশঙ্কর রায়ের আর্ট ভাবনার ব্যাখ্যায় ক্ষীণভাবে হলেও রবীন্দ্রশিল্পভাবনার সূত্র গেঁথেছেন। গ্রন্থটি প্রাঞ্জল ও তথ্য-উপাত্তে সমৃদ্ধ। এই তরুণ লেখকের রবীন্দ্রবীক্ষার প্রারম্ভবিন্দুরূপে রবীন্দ্রসৃজনে বাংলাদেশ গ্রন্থটি সমাদৃত হবে বলে আমার বিশ্বাস।
—অধ্যাপক ড. বেগম আকতার কামাল
বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
রম্যভূমি রামুর ইতিহাস
রম্যভূমি রামুর ইতিহাস
By (author) আলম তৌহিদ
রম্যভূমি রামুর ইতিহাস বইটি একটি ভিন্ন ধারার ইতিহাসের আখ্যান, যা শুধুমাত্র ঐতিহাসিক তথ্য বা ঘটনার বর্ণনা নয়, বরং এক ধরনের রম্যরসে ভরা গল্পের মাধ্যমে রামুর ইতিহাসকে বর্ণনা করেছে। আলম তৌহিদ লেখার মাধ্যমে ইতিহাসের প্রতি সাধারণ পাঠকদের আগ্রহ সৃষ্টি করার এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন।
বইটির মূল ভাবনা এবং রচনাশৈলী খুবই অভিনব। লেখক রামু, একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সংস্কৃতির স্থান, যেটি অনেক সময় হারিয়ে যায় বা অবহেলিত থাকে, সেই স্থানকে তাঁর লেখায় নতুন করে জীবন্ত করে তুলেছেন। কাহিনীতে রামুর ঐতিহাসিক ঘটনাবলি, মানুষের জীবনযাপন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এক অদ্ভুত ভঙ্গিতে মিশে গেছে। রামু, বাংলাদেশের এক পরিচিত উপজেলা, যার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেকটাই চর্চা থেকে বাদ পড়ে গেছে—বইটি সে অঞ্চলের অতীতকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি প্রচেষ্টা।
শৈলী ও ভাষা:
লেখক তার শৈলীতে বৈচিত্র্যময়তা বজায় রেখেছেন। অনেক সময় তিনি ইতিহাসের গতি এবং প্রকৃতিকে রম্যভাবে উপস্থাপন করেছেন, যা পাঠককে এক ধরনের মনোরঞ্জনমূলক আনন্দ প্রদান করে। লেখার ধরনটি এমন, যেন এক ধরনের কথকতার ভঙ্গিতে লেখক ঘটনাগুলো বর্ণনা করছেন, যা পাঠককে এক মজার ইতিহাসের ভেতর প্রবাহিত করে। তাছাড়া, বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে ইতিহাসকে আরো মানবিক এবং সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন লেখক, যা অনেক পাঠকের কাছে খুবই গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
বিষয়বস্তু:
বইটির বিষয়বস্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যারা বাংলাদেশের ছোটো শহর বা গ্রামীণ অঞ্চলগুলোর ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য এটি একটি বিশেষ দিক নির্দেশক। রামুর ইতিহাসের মধ্যে নানা সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক দিকের যে বৈচিত্র্য রয়েছে, তা এই বইটিতে সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। রামুর ইতিহাসের নানা অজানা দিক তুলে ধরতে গিয়ে লেখক প্রাচীন বাংলা ইতিহাসের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা বইটিকে আরও গভীরতা দিয়েছে।
মন্তব্য:
যদিও বইটি ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ে লেখা, তবুও লেখক তার লেখার মাধ্যমে ইতিহাসকে অত্যন্ত মজা এবং সহজে উপস্থাপন করেছেন। এই বইটি ইতিহাসের প্রতি সাধারণ আগ্রহ তৈরি করতে সক্ষম এবং এটি সেই পাঠকদের জন্য এক ধরনের আঞ্চলিক ইতিহাসের সংরক্ষণ হিসেবেও কাজ করে।
উপসংহার:
বইটি পাঠকদের জন্য ইতিহাসের এক নতুন এবং রম্য দৃষ্টিকোণ উপস্থাপন করেছে। লেখক আলম তৌহিদ তার লেখনির মাধ্যমে রামুর ইতিহাসকে এমন এক আকর্ষণীয় আঙ্গিকে তুলে ধরেছেন যা একই সঙ্গে শিক্ষণীয় এবং উপভোগ্য। ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী যেকোনো পাঠকই এই বইটি থেকে ভালো কিছু পাবেন।
রাগিব হাসানের আটটি বই
রাগিব হাসানের আটটি বই
By (author) রাগিব হাসান
ড. রাগিব হাসান একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও শিক্ষক। সরকারি চাকুরে বাবা মো. শামসুল হুদা ও স্কুল শিক্ষিকা মা রেবেকা সুলতানার প্রথম সন্তান রাগিবের জন্ম চট্টগ্রামে। স্কুলজীবন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়— সবখানেই রাগিব অর্জন করেছেন অসাধারণ ভালো ফলাফল। পড়াশোনা করেছেন চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ও চট্টগ্রাম কলেজে।
বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসিতে চতুর্থ ও এইচএসসিতে প্রথম মেধাস্থান অধিকার করেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান লাভ করে তিনি কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হন। পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। লাভ করেন চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল।
বুয়েটে কিছুদিন শিক্ষকতার পরে উচ্চশিক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রে যান। সে দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা শ্যাম্পেইন থেকে কম্পিউটার নিরাপত্তার ওপরে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
বর্তমানে তিনি ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা অ্যাট বার্মিংহামের কম্পিউটার বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক এবং সিক্রেটল্যাব নামের গবেষণাগারের প্রতিষ্ঠাতা। গবেষণা করছেন কম্পিউটার নিরাপত্তা ও ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে। গবেষণার উৎকর্ষের জন্য ২০১৪ সালে মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন থেকে ক্যারিয়ার পুরস্কার।
পেশায় কম্পিউটার বিজ্ঞানী হলেও রাগিবের মন পড়ে থাকে বাংলায়, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির দিকে। বাংলা উইকিপিডিয়ার শুরু থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০০৫ থেকেই বাংলা ব্লগিংয়ের সাথে জড়িত। সবার কাছে জ্ঞানের আলো ছড়ানোর জন্য অনলাইনে বাংলায় মুক্তজ্ঞানের সাইট শিক্ষক.কম (www.shikkhok.com) প্রতিষ্ঠা করেছেন ২০১২ সালে। এর জন্য ২০১২ সালে পেয়েছেন Google RISE Award, Information Society Innovation Fund Award, Internet Society Grant, mBillionth Award। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল ও অডিও বই বানানোর ক্রাউডসোর্সড প্রজেক্ট বাংলাব্রেইল প্রতিষ্ঠা করেছেন ২০১৩ সালে। সে জন্য ২০১৪ সালে পেয়েছেন ডয়চে ভেলের The Best of Blogs and Online Activism (The BoBs) Award।
মনোচিকিৎসক স্ত্রী জারিয়া আফরিন চৌধুরী, ছেলে যায়ান ও মেয়ে রিনীতা যোয়ীকে নিয়ে রাগিব হাসান যুক্তরাষ্ট্রের বার্মিংহাম শহরে বসবাস করেন।
রাগিব হাসানের বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা সিরিজ
রাগিব হাসানের বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা সিরিজ
By (author) রাগিব হাসান
ড. রাগিব হাসান একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও শিক্ষক। সরকারি চাকুরে বাবা মো. শামসুল হুদা ও স্কুল শিক্ষিকা মা রেবেকা সুলতানার প্রথম সন্তান রাগিবের জন্ম চট্টগ্রামে। স্কুলজীবন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়— সবখানেই রাগিব অর্জন করেছেন অসাধারণ ভালো ফলাফল। পড়াশোনা করেছেন চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ও চট্টগ্রাম কলেজে।
বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসিতে চতুর্থ ও এইচএসসিতে প্রথম মেধাস্থান অধিকার করেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান লাভ করে তিনি কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হন। পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। লাভ করেন চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল।
বুয়েটে কিছুদিন শিক্ষকতার পরে উচ্চশিক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রে যান। সে দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা শ্যাম্পেইন থেকে কম্পিউটার নিরাপত্তার ওপরে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
বর্তমানে তিনি ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা অ্যাট বার্মিংহামের কম্পিউটার বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক এবং সিক্রেটল্যাব নামের গবেষণাগারের প্রতিষ্ঠাতা। গবেষণা করছেন কম্পিউটার নিরাপত্তা ও ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে। গবেষণার উৎকর্ষের জন্য ২০১৪ সালে মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন থেকে ক্যারিয়ার পুরস্কার।
পেশায় কম্পিউটার বিজ্ঞানী হলেও রাগিবের মন পড়ে থাকে বাংলায়, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির দিকে। বাংলা উইকিপিডিয়ার শুরু থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০০৫ থেকেই বাংলা ব্লগিংয়ের সাথে জড়িত। সবার কাছে জ্ঞানের আলো ছড়ানোর জন্য অনলাইনে বাংলায় মুক্তজ্ঞানের সাইট শিক্ষক.কম (www.shikkhok.com) প্রতিষ্ঠা করেছেন ২০১২ সালে। এর জন্য ২০১২ সালে পেয়েছেন Google RISE Award, Information Society Innovation Fund Award, Internet Society Grant, mBillionth Award। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল ও অডিও বই বানানোর ক্রাউডসোর্সড প্রজেক্ট বাংলাব্রেইল প্রতিষ্ঠা করেছেন ২০১৩ সালে। সে জন্য ২০১৪ সালে পেয়েছেন ডয়চে ভেলের The Best of Blogs and Online Activism (The BoBs) Award।
মনোচিকিৎসক স্ত্রী জারিয়া আফরিন চৌধুরী, ছেলে যায়ান ও মেয়ে রিনীতা যোয়ীকে নিয়ে রাগিব হাসান যুক্তরাষ্ট্রের বার্মিংহাম শহরে বসবাস করেন।
রান্নার ষোলোকলা ১
রান্নার ষোলোকলা ১
By (author) আয়শা সিদ্দিকা
রান্না শুধু উদরপূর্তির অংশ নয়, রান্না একটা শিল্প। যারা রান্না জানেন, তারা তো জানেনই, কিন্তু যারা একদম আনকোরা, তাদের কিছু শিখতে বা বুঝতে হলে একদম গোড়া থেকে জানতে হয়, প্রয়োজন হয় নানা রকম খুঁটিনাটি এবং সঠিক পরিমাপের ধারণা। এই বইয়ে রেসিপি ও প্রস্তুত প্রণালিগুলো এমনভাবেই সাজানো হয়েছে যেন যে কোনো দিন রান্না করেনি, সে-ও যেন বুঝতে পারে কীভাবে রান্না করতে হয়।
রান্নাবিষয়ক যত প্রশ্ন আছে নতুন রাঁধুনি যখন সেগুলোর উত্তর পেয়ে যাবেন, তখন তার মধ্যে সেই খাবার বানানোর ইচ্ছা জাগবে। আর এই ইচ্ছাটাই তাকে রান্নার প্রতি আকৃষ্ট করে তুলবে।
লেখকের জনপ্রিয় দুটি ইউটিউব চ্যানেল (Aysha Siddika ও Tiffin Box) থেকে বাছাই করে দেশি-বিদেশি, ভারী খাবার-নাশতা, পানীয়, আচার, মশলা, মিষ্টি-পিঠাপুলি; বলতে গেলে সব ধরনের রেসিপি এই রান্নার ষোলোকলা বইয়ে ছবিসহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ছোট্ট একটা বইয়ে সব একসঙ্গে আনা সম্ভব নয়, তাই দুটি আলাদা খণ্ডের মাধ্যমে নতুন রাঁধুনিদের জন্য বেসিক কিছু রেসিপি এবং প্রয়োজনীয় টিপস শেয়ার করা হয়েছে, যা অনুসরণে যে কেউ হয়ে উঠতে পারবেন পাক্কা রাঁধুনি।
রান্নার ষোলোকলা ২
রান্নার ষোলোকলা ২
By (author) আয়শা সিদ্দিকা
রান্না শুধু উদরপূর্তির অংশ নয়, রান্না একটা শিল্প। যারা রান্না জানেন, তারা তো জানেনই, কিন্তু যারা একদম আনকোরা, তাদের কিছু শিখতে বা বুঝতে হলে একদম গোড়া থেকে জানতে হয়, প্রয়োজন হয় নানা রকম খুঁটিনাটি এবং সঠিক পরিমাপের ধারণা। এই বইয়ে রেসিপি ও প্রস্তুত প্রণালিগুলো এমনভাবেই সাজানো হয়েছে যেন যে কোনো দিন রান্না করেনি, সে-ও যেন বুঝতে পারে কীভাবে রান্না করতে হয়।
রান্নাবিষয়ক যত প্রশ্ন আছে নতুন রাঁধুনি যখন সেগুলোর উত্তর পেয়ে যাবেন, তখন তার মধ্যে সেই খাবার বানানোর ইচ্ছা জাগবে। আর এই ইচ্ছাটাই তাকে রান্নার প্রতি আকৃষ্ট করে তুলবে।
লেখকের জনপ্রিয় দুটি ইউটিউব চ্যানেল (Aysha Siddika ও Tiffin Box) থেকে বাছাই করে দেশি-বিদেশি, ভারী খাবার-নাশতা, পানীয়, আচার, মশলা, মিষ্টি-পিঠাপুলি; বলতে গেলে সব ধরনের রেসিপি এই রান্নার ষোলোকলা বইয়ে ছবিসহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ছোট্ট একটা বইয়ে সব একসঙ্গে আনা সম্ভব নয়, তাই দুটি আলাদা খণ্ডের মাধ্যমে নতুন রাঁধুনিদের জন্য বেসিক কিছু রেসিপি এবং প্রয়োজনীয় টিপস শেয়ার করা হয়েছে, যা অনুসরণে যে কেউ হয়ে উঠতে পারবেন পাক্কা রাঁধুনি।
রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব: বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্মাণের রূপরেখা
"রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাব" বইটি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও শক্তিশালী ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারের সুস্পষ্ট রূপরেখা এবং কার্যকর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
লেখক : আমিনুল মোহায়মেন
প্রকাশনী : হাওলাদার প্রকাশনী
বিষয় : রাজনীতি বিষয়ক বই
কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2025
আইএসবিএন : 9789849916949, ভাষা : বাংলা
রিচার্জ YOUR ডাউন ব্যাটারি
রিচার্জ YOUR ডাউন ব্যাটারি
By (author) ঝংকার মাহবুব
গণিত অলিম্পিয়াড নিয়ে সারা দেশের হাইস্কুলে পড়ুয়াদের সঙ্গে আমার জানাশোনা দেড় যুগেরও বেশি। ক্রমান্বয়ে তাতে যুক্ত হয়েছে বিজ্ঞান, প্রোগ্রামিং ও হালের আইওটি। এসব করতে গিয়ে এগিয়ে থাকা লাখ লাখ ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে আমার প্রতিনিয়ত দেখা হয়। তাদের স্বপ্নের কথা জানতে পারি, তাদের চেষ্টায় রসদ জুগিয়ে যেতে কাজ করি। গণিত ক্যাম্প, প্রোগ্রামিং ক্যাম্প, অনলাইন কোর্স—এ রকম নানান উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি আমরা। এরা এমনিতেই একটু এগিয়ে থাকে। ফলে আমাদের সাহচর্য, উৎসাহ এবং পথ দেখানোর সুযোগে তারা আরও এগিয়ে যেতে পারে।
অথচ যারা একটু পিছিয়ে গেছে, ভালো অবস্থানে থেকেও কোনো কারণে খেই হারিয়ে ফেলছে, তারা কি হতাশ হয়ে বসে থাকবে? তাদের জন্য কি কিছু করা যায় না? একবার ভেবেছিলাম এমন একটা কিছু করার। কিন্তু আমার দোকানের সংখ্যা অনেক। নতুন একটি দোকান খোলা কঠিন। ফলে কাজটি আর করা হয়নি। কিন্তু তাই বলে অন্যরা কি করবে না?
হাবলু দ্য গ্রেট ঝংকার মাহবুব থাকতে তাদের আর হতাশ হয়ে বসে থাকার উপায় নেই। ঝংকার লিখে ফেলেছে তাদের জন্য নতুন বই। ডাউন হয়ে যাওয়া ব্যাটারি রিচার্জ করতে ঝংকার মাহবুবের এই বই— রিচার্জ your ডাউন ব্যাটারি।
দেশের লাখ লাখ পিছিয়ে পড়া তরুণ, যারা ঘুরে দাঁড়াতে চায়, তাদের জন্য এই বই। কারণ, হাবলুদের শুধু প্রোগ্রামিং শিখলেই হবে না। তাদের হ্যাঁচকা টান দিয়ে সামনে এগোতে হবে। আটকে গেলে জোরসে ঠেলা দিতে হবে। আবার যারা হতাশ হয়ে ভেঙে পড়েছে, তাদেরও এই বই বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মতো চমকে দিতে পারে। তারা গা-ঝাড়া দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অনেক প্রণোদনা পাবে।
শেষ কথা, শুরুর প্যারায় যাদের কথা বলেছি, তাদেরও সমান কাজে লাগবে এই বই। কারণ ব্যাটারি তো যেকোনো সময় ডাউন হতেই পারে।
সবার জীবন পাই-এর মতো সুন্দর হোক।
মুনির হাসান
সাধারণ সম্পাদক, গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি
২২ জানুয়ারি, ২০১৮