মানুষ ও ভাইরাসের যুদ্বের ইতিহাস: করোনার শুরু থেকে শেষ
মানুষ ও ভাইরাসের যুদ্বের ইতিহাস: করোনার শুরু থেকে শেষ
By (author) মোস্তফা তানিম
যারা বিজ্ঞানী, তারা খুব স্বাভাবিক কারণেই সাহিত্যিকদের মতো সহজ করে লিখতে পারেন না। আবার যারা সাহিত্যিক, তারা বিজ্ঞানীদের মতো গভীরভাবে বিজ্ঞান বোঝেন না।
মোস্তফা তানিম এই সমস্যার একটি চমৎকার সমাধান বের করেছেন। তিনি নিজে সাহিত্যিক আবার বিজ্ঞানের ছাত্র। তিনি একটি সাংঘাতিক কাজ করে ফেলেছেন। করোনা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের যত তথ্য আছে, সব তিনি এক জায়গায় করেছেন। তারপর সহজ বাংলায় তিনি ব্যাপারটিকে গুছিয়ে লিখেছেন। এরপর তিনি এই পাণ্ডুলিপি পাঠিয়েছেন আমেরিকার বাঘা বাঘা ডাক্তার, ভাইরোলোজিস্টদের। তারা সেই লেখা পড়ে ভুলত্রæটি খুঁজে বের করেছেন। সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।
এই করতে গিয়ে একশ সাতাশ পাতার বইটি লিখতে মোস্তফা তানিমের সময় লেগেছে তিন মাস। এই তিন মাস তিনি অন্য কোনো কাজ করেননি, গৃহবন্দী অবস্থায় শুধু এ বইটি লিখেছেন।
করোনায় এখন পর্যন্ত তিন লাখেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় শত্রæর নাম : করোনা। ইংরেজিতে একটা কথা আছে, keep your friend close, keep your enemy closer। কাজেই করোনা নামক এই শত্রæকে চিনতে হলে, এই বইয়ের চেয়ে ভালো বই আর একটিও নেই। না ইংরেজিতে, না বাংলায়।
আশীফ এন্তাজ রবি
মারণ-রাজনীতি
মারণ-রাজনীতি
By (author) সহুল আহমদ, সারোয়ার তুষার
বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার কাজ এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। গণতন্ত্র মানে স্রেফ ভোটাভুটি নয়। জনগণের ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের এই রীতিনীতি নিয়ে কোনো তর্ক করা চলে না। কিন্তু খোদ রাষ্ট্রকাঠামোই যদি অগণতান্ত্রিক হয়, তাহলে নির্বাচন জনগণের কষ্টে উপার্জিত অর্থের শ্রাদ্ধ ছাড়া আর কিছুই হয় না। বাংলাদেশের সাংবিধানিক ক্ষমতাকাঠামোর ধরনটাই এমন যে, জনগণের ভোট দেওয়া না দেওয়ায় কিছু যায় আসে না। তবু ‘মন্দের ভালো’ পঞ্চবার্ষিকী ভোটাভুটিটুকুও যে উঠে গেল, এর বীজ আমাদের ‘মহান’ সংবিধানেই ঘাপটি মেরে ছিল। সেই অগণতান্ত্রিক মহাদানব এখন মাথা চাড়া দিয়ে দৃশ্যমান হওয়ায় আমাদের মাথাখারাপ দশা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণই সারকথা। জনগণ তার প্রয়োজনে রাষ্ট্র গঠন করে, প্রশাসন পরিচালনা করে, নিজেদের মৌলিক অধিকার সংবিধানে টুকে রাখে। এর অন্যথা হলে বুঝতে হবে রাষ্ট্রটা আর গণতান্ত্রিক নাই, ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণের পথ স্পষ্ট, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিগঠনের গণসচেতনতা গড়ে তোলা।
মারিয়ামের অদ্ভুত স্বপ্ন
মারিয়ামের অদ্ভুত স্বপ্ন
By (author) ফারিহা জাহিন আলম
ক্লান্ত মারিয়াম বিছানায় যেতেই ঘুমিয়ে পড়ল। ঘুমিয়েই স্বপ্ন দেখল— সে একটা কোর্টে বসে আছে। আর উঁচু আসনে বসে আছেন একজন বিচারক।
মারিয়াম আরও অবাক হয়ে গেল যখন দেখল এক প্লেট আধখাওয়া রান, পোলাও ও মাছ একপাশে বসে আছে। আর দিব্যি তারা মানুষের মতো কথা বলছে। মারিয়াম ভাবল, ওরা আমার নষ্ট করা খাবারগুলো নয় তো? ওরা এখানে কী করছে?
মার্কেটিং গেম
মার্কেটিং গেম
By (author) রাসেল এ কাউসার
মার্কেটিং মানে কী? ভ্যালু এডিশন, ডিমান্ড ক্রিয়েশন, কাস্টমার সেটিসফেকশন? এই বইয়ের লেখকের মতে, মার্কেটিং মানে হলো, একটা গ্যালারিভর্তি মাঠে কিছু প্লেয়ারের একটা বল নিয়ে খেলা করা। এখানে মাঠ মানে হলো মার্কেট, প্লেয়ার মানে হলো মার্কেটার, বল মানে হলো প্রোডাক্ট আর গ্যালারিতে বসে আছে সব কাস্টমার।
প্রোডাক্ট বিক্রি করতে গিয়ে বা পুরো গ্যালারিভর্তি দর্শকদের মন জয় করতে গিয়ে ব্র্যান্ডগুলোকে কখনো একটু অফেনসিভ খেলতে হয়, কখনো বা একটু ডিফেনসিভ, মাঝে মাঝে আবার পিছন থেকেও আক্রমণ করতে হয়, প্রয়োজনে একটু ইমোশনালও হতে হয়, কখনো আবার ফাঁকা বার পেয়েও ইচ্ছা করেই গোল না করেই ফিরতে হয়।
এই প্লেয়াররা কিন্তু খেলতে খেলতে কখনো আবার আহতও হচ্ছে, কখনো আবার মার্কেটে টিকে যাবার জন্য মাঠও ছেড়ে দিচ্ছে। আর ধাক্কাধাক্কি? এগুলাতো রোজকার ঘটনা! তবে জরুরি কথা হলো, এই খেলায় সবাই জিততে পারে না, কারণ সবাই তো আর গ্যালারিভর্তি দর্শকের মন জয় করতে পারে না।
এই বইতে এমনই সব উদাহরণ এবং কেস স্টাডির মাধ্যমে এটাই দেখানো হয়েছে, কীভাবে একটা ব্র্যান্ড এই খেলায় জয় ছিনিয়ে আনে আর কী কারণে একটা ব্র্যান্ড এই খেলায় জিততে জিততেও হেরে যায়।
মার্ক্সের চিন্তার সারবত্তা
মার্ক্সের চিন্তার সারবত্তা
By (author) মুহাম্মদ তানিম নওশাদ
মার্ক্সের চিন্তার সারবত্তা মূলত মুহাম্মদ তানিম নওশাদের এগারোটি প্রবন্ধের সংকলন, যার সবগুলোই বিভিন্ন জার্নাল বা পত্রিকায় আগে প্রকাশিত হয়েছিল। এই প্রবন্ধগুলোর সব বিষয়ই মার্ক্সের চিন্তার জায়গা থেকে পর্যালোচিত। বাংলাদেশে মার্ক্সপাঠের সমস্যাকীর্ণ জায়গা হলো দুটি; প্রথমটি মূল জার্মান থেকে না পড়ার কারণে মার্ক্স ও এঙ্গেলসের ভুল ইংরেজি বা সেই ভুল ইংরেজির বাংলা তর্জমার দ্বারস্থ হওয়া; দ্বিতীয়টি মার্ক্স সরাসরি পাঠ না করেই মার্ক্সের নামে প্রচলিত পশ্চিমা অনেক ধারণা গলাধঃকরণ করা। এই বইতে লেখক মূল জার্মান থেকে মার্ক্স পাঠ করে তার ওপর ভিত্তি করে প্রবন্ধগুলো বিভিন্ন সময়ে লিখেছেন। মূলত ২০১৭ সাল থেকে এই প্রবন্ধগুলো লেখার কাজ তিনি শুরু করেন। আর এই বইতে একত্র করার আগে কিছু কিছু প্রবন্ধ সামান্য পরিবর্ধিতও হয়েছে। এখানে একটি কথা বলে নেওয়া জরুরি। সম্ভবত মার্ক্স ইংরেজি ভাষা শেখার আগে ফরাসি ভাষা শিখেছিলেন। যে-কারণে আর্থ-দার্শনিক পাণ্ডুলিপি: ১৮৪৪-এ আমরা দেখি, মার্ক্স অ্যাডাম স্মিথ ও ডেভিড রিকার্ডোর যে গ্রন্থসমূহ থেকে উল্লেখ করেছেন তা সেগুলোর মূল ইংরেজি থেকে নয়, সেগুলোর ফরাসি তর্জমা থেকে। ফলে লেখক মার্ক্সের ব্যবহৃত অ্যাডাম স্মিথ ও ডেভিড রিকার্ডোর বয়ান ফরাসি ও মূল ইংরেজি দুটোতেই পাঠ করেছেন। কোনো কোনো সময় যেসব ইংরেজি অনুবাদ তার কাছে প্রাঞ্জল ও মূল জার্মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয়েছে, সেখান থেকেও তিনি পাঠকদের সুবিধার জন্য উদ্ধৃতি দিয়েছেন।
মালাকার সম্প্রদায় ও শোলাশিল্প
মালাকার সম্প্রদায় ও শোলাশিল্প
By (author) সাকার মুস্তাফা
মালাকারদের মাঝে একটা কিংবদন্তির প্রচলন আছে—হিমালয় কন্যা পার্বতীকে বিয়ে করবার সময় মহাদেব শিব শ্বেত মুকুট পরবার ইচ্ছে পোষণ করেন। এই ইচ্ছে পোষণ থেকেই জলে জন্ম নিল একধরনের গাছ—শোলা গাছ। বিশ্বকর্মা নানান ধাতব পদার্থে গহনা গড়েন, তো চিন্তায় পড়ে গেলেন শোলার মতো নরম জিনিসে কীভাবে মুকুট গড়বেন। এ-সময় আবার শিবের ইচ্ছেয় জল থেকে এক সুকুমার যুবক উত্থিত হলেন, সেই ছেলেই শোলা থেকে শিবের বিয়ের মুকুট-মালা তৈরি করে দিলেন। এত সুন্দর মালা দেখে সবাই মুগ্ধ হলেন, সেই থেকে ছেলেটির নাম হয়ে গেল মালাকার। আর তার বংশধররা হলেন মালাকার সম্প্রদায়। এই বিশ্বাস থেকেই মালাকার পেশাজীবীরা নিজেদের পেশাকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখেন। মালাকাররা শোলা দিয়ে মালা গাঁথেন, পুজোর-ঘরসজ্জার ফুল তৈরি করেন, পাখি, খেলনা, হাতপাখা, অলঙ্কার, পশুপাখিসহ নানাকিছু অপূর্বরূপে সৃজন করেন। এইভাবে একটি বিশেষ সম্প্রদায় শোলানির্ভর হয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন।
বাংলার লোক—মালাকার সম্প্রদায়ের যাপিতজীবনের নানা অনুষঙ্গ—ইতিহাস, ঐতিহ্য, রুচিবোধ, সংস্কৃতি এবং শোলাশিল্প সম্পর্কিত বিস্তর আলাপ উঠে এসেছে এই গ্রন্থে। মাগুরা, ঝিনাইদহ, নওগাঁ, শেরপুর ও কোলকাতার মালাকারদের জীবন ও শিল্পকেন্দ্রিক রচিত এই গ্রন্থ। তবে বাড়তি আকর্ষণ দেশভাগের কবলে পতিত কালিপদ মালাকারের ট্রাজিক অথচ শিল্পিত জীবন!
মাস্টার পাসওয়ার্ড
মাস্টার পাসওয়ার্ড
By (author) এম মোর্শেদ হায়দার, গাজী ইয়ার মোহাম্মদ
বর্তমান প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চাকরির বাজার বা জীবনযাত্রার সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে এই নতুন কৌশলগুলো আপনাদের সহায়তা করবে। মাস্টার পাসওয়ার্ড ক্যারিয়ার বিশ্লেষণ, যোগাযোগ তৈরি এবং সাফল্য অর্জনের কৌশলগুলোর একটি সার্থক ও কার্যকরী সমন্বয়। এতে রয়েছে স্বপ্নপূরণের সব হাতিয়ার। দক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি এবং সব বাধাবিপত্তি মোকাবিলায় এ বইটি আপনাদের সাহায্য করবে।
মাস্টার পাসওয়ার্ড বর্তমান যুগের এই চাহিদাগুলো পূরণের ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। এ বইটির মূল লক্ষই হলো আপনার সাফল্য ও সুখ-শান্তিকে বাস্তব রূপ দেওয়া এবং আপনার ভেতরকার আত্মবিশ্বাসকে জাগিয়ে তোলা। আপনি যখন জীবনপথে এই কৌশল ও দক্ষতাগুলো কাজে লাগাবেন, তখন থেকেই আপনি আপনার জীবনের কর্তৃত্ব লাভ করবেন। আমরা অনেকেই জীবনে চলার পথে এই কৌশলগুলোর ধারণা পাইনি। এই বই আপনার ধারণাগুলো কাজে পরিণত করতে সহায়তা করবে। সঠিক প্রস্তুতি, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও উপযুক্ত মনোভাবই আপনাকে সুন্দর জীবন ও সাফল্যমণ্ডিত ক্যারিয়ার উপহার দেবে।
মাহদিয়াত
মাহদিয়াত
By (author) আহমেদ দীন রুমি
প্রতিটি মানুষই কোনো না কোনো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কারও না কারও জন্য অপেক্ষা করে। নিজের জীবনে কারও হস্তক্ষেপ ও হঠাৎ পরিবর্তনের অপেক্ষা। কিন্তু কোনো কিছুই কি হঠাৎ বদলে যায় আসলে? হয়তো- না। তারপরও ক্রমে মিলিত হওয়া এমন অনেকগুলো ব্যক্তিক আকাঙক্ষা থেকে জন্ম নেয় অভিনব এক সামাজিক চেতনা। কোনো এক ভোরে কেউ মুয়াজ্জিনের মতো দ্বিধাহীন ঘোষণা করে, ‘পরিবর্তনের সময় এসে গেছে। আমিই প্রতিশ্রুত জন। ওঠো, চলো বদলাই।’
মিনোল্টা ম্যাক্সাম ৭০০০
মিনোল্টা ম্যাক্সাম ৭০০০
By (author) মাহবুব মোর্শেদ
বছর কয়েক আগের ঘটনা। ইন্টারনেট মাধ্যমে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে এক সময়ের শীর্ষ দুই নায়িকার দুটি ন্যুড ছবি। তোলপাড় শুরু হয় দেশজুড়ে। যথাসময়ে ধামাচাপাও পড়ে যায় ঘটনাটি। ধামাচাপা পড়লেও ভেতরে ভেতরে ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, ফটোশপ করে কেউ নেটে ছড়িয়েছে ছবিগুলো। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ফটোশপের কোনো আলামত মেলে না। কে তুলেছিল এই ছবি, কারা ছড়িয়েছে এমন অনেক প্রশ্ন হাজির হয়। উত্তর পেতে ডেকে আনা হয় এক সাবেক ক্রাইম রিপোর্টারকে। ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় এক রহস্যময় পুরনো ক্যামেরার কাহিনি। বলে রাখা ভালো, এই উপন্যাসের কোনো চরিত্র বা কাহিনির সঙ্গে জীবিত বা মৃত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সম্পর্ক নেই।
মুক্তিযুদ্ধ, ধর্ম, রাজনীতি ও অন্যান্য প্রসঙ্গ
মুক্তিযুদ্ধ, ধর্ম, রাজনীতি ও অন্যান্য প্রসঙ্গ
By (author) পিনাকী ভট্টাচার্য
বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া নানা সময়ের নানা ঘটনা মানুষকে আলোড়িত করেছে। মানুষ প্রশ্ন করেছে, উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে সেই সব সামাজিক আর রাজনৈতিক বিতর্কের। অনলাইনে সেই সব প্রশ্ন নিয়ে ব্লগার আর ফেসবুকাররাও মুখরিত থেকেছেন।
২০১৩ থেকে যে অস্থির সময় বাংলাদেশকে আচ্ছন্ন করেছে, সেই সময়ের কিছু টুকরো টুকরো বিতর্ক উঠে এসেছে এই লেখাগুলোতে। ব্লগ ও ফেসবুকে প্রকাশের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিটি লেখার শেষে। গ্রন্থভুক্ত করার সময় এগুলোর কিছু কিছু ভাষা ও তথ্যগত সম্পাদনা করা হয়েছে। তবে চিন্তা বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের তেমন কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। আমি চেয়েছি সেই সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা বিষয়ে আমার চিন্তা বা ব্যাখ্যাগুলো হুবহু হাজির থাক।
আগ্রহী পাঠকেরা এই লেখাগুলো পাঠ করতে করতে সেই সময় এবং লেখকের চিন্তার বিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন বলে আশা করি। এগুলো ভবিষ্যতের পাঠক আর গবেষকদেরও আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে। লেখাগুলো থেকেই তারা হয়তো উপলব্ধি করতে পারবেন অন্তরের কোন আগুনে জ্বলে একটি প্রজন্ম আগামীকে বরণ করে নেওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে।
মুখোমুখি খালেদ মুহিউদ্দীন
মুখোমুখি খালেদ মুহিউদ্দীন
By (author) খালেদ মুহিউদ্দীন
সাংবাদিকতার জগতে স্পষ্টবাদিতার আরেক নাম খালেদ মুহিউদ্দিন। সাংবাদিক জীবনের একদম শুরুর দিকে তিনি ৪জন রাজনৈতিক নেতার মুখোমুখি হন। তারা হলেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, সাবেক নৌপরিবহণমন্ত্রী শাহজাহান খান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এবং আওয়ামী লীগ নেতা এইচ টি ইমাম। এই ইন্টারভিউতে উঠে আসে খালেদা জিয়ার ছেলেদের বিদেশযাত্রা, বিচারপতির বয়সসীমা পরিবরর্তন, টকশোতে অসদাচরণসহ নানান বিতর্কিত প্রসঙ্গ।
ধরা যাক, রাজনীতিতে আপনার আগ্রহ নেই। সাংবাদিকতাও আপনাকে আকৃষ্ট করে না। তাহলে বইটি কেন পড়বেন? সঠিক জায়গায় সঠিক প্রশ্নটি কীভাবে করতে হয় বা উত্তরটি কীভাবে আদায় করে নিতে হয় তার একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত এই বইটি। অন্তত প্রশ্নকর্তা তার ক্ষুরধার প্রশ্ন ও বুদ্ধিদীপ্ত আলোচনা দিয়ে পুরো বইতে আপনার মনোযোগ ধরে রাখতে সক্ষম। এবার সিদ্ধান্ত আপনার।