মনোসন্ধি: মানসিক চাপ মোকাবিলার সহজ উপায়
মনোসন্ধি: মানসিক চাপ মোকাবিলার সহজ উপায়
By (author) আজহারুল ইসলাম
এই বইয়ে মানসিক চাপ, তার উৎপত্তি, প্রভাব এবং মোকাবিলার কৌশল খুব সহজ-সরল ভাষায় বলার চেষ্টা করা হয়েছে। বইটিতে অসংখ্য উদাহরণ আর চর্চার কৌশল রয়েছে, যা অনুশীলনের ফলে আপনার মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
বইটিতে মানসিক চাপ ও তার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সামগ্রিক ধারণা রয়েছে। চাপ মূলত একধরনের চাহিদা এবং সেই চাহিদা মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় জোগানের ঘাটতির ফলেই সৃষ্ট।
চাপ ব্যবস্থাপনার জন্য শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক ক্ষেত্রগুলোতে কাজ করতে হয়। এই তিনটি স্তরে চাপ ব্যবস্থাপনার কৌশলগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া চাপ মোকাবিলায় ভার্চ্যুয়াল জগৎ ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলাদা একটি অধ্যায় রয়েছে।
সামগ্রিকভাবে বইটি ছাত্র, চাকরিজীবী, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী— সকল স্তরের পাঠকের কাজে আসবে।
মহাজীবন
মহাজীবন
By (author) কামরুল আহসান
ধরো বিশাল সমুদ্রে ভেসে বেড়াচ্ছে একটা কাচের চুরি, সেই সমুদ্রের তলদেশে ঘুমিয়ে আছে একটা কাছিম, পঞ্চাশ বছর পর পর সেই কাছিমটা একবার জলের ওপর মাথা ভাসিয়ে দেয়, যদি কখনো দৈবক্রমে চুরির ভিতর দিয়ে কাছিমের মাথা গলিয়ে যায় সেটা যেমন বিস্ময়কর ঘটনা হবে, তোমার জন্ম তার চেয়েও বিস্ময়কর ঘটনা।
— গৌতম বুদ্ধ
মহাবিশ্বের মহাযাত্রা
মহাবিশ্বের মহাযাত্রা
By (author) শাহরিয়ার হোসেন, সাফায়াত হোসেন
আমরা কোথা থেকে এসেছি? কোথায় আছি? এবং যাচ্ছিই-বা কোথায়? জীবন ও মহাবিশ্ব কীভাবে শুরু ও বিকশিত হয়েছে? মানবসভ্যতা ও মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎই-বা কী?
এই সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা মহাবিশ্বের সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ক্রমানুসারে সাজিয়ে একটি ‘টাইমলাইন’ তৈরি করব। আমাদের টাইমলাইন শুরু হবে বিগ ব্যাংয়ের মাধ্যমে। এরপর দেখব কীভাবে অসংখ্য গ্যালাক্সি, গ্রহ-উপগ্রহের উৎপত্তি ঘটেছিল এবং কীভাবে তারাগুলো আলো দিতে শুরু করেছিল। উদঘাটন করব পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তির রহস্য। উন্মোচন করব প্রাচীন এককোষী জীব থেকে বহুকোষী জীবের বিবর্তনের ইতিহাস। জানব ডাইনোসরসহ পৃথিবী দাপিয়ে বেড়ানো বিশাল সব প্রাণীর কাহিনি। দেখব মানুষ নামক অতিবুদ্ধিমান প্রজাতির উৎপত্তি, ইতিহাস ও ভবিষ্যতের কথা।
তাই যোগ দিন আমাদের এই যাত্রায়। আসুন, ঘুরে আসি সময়ের মধ্য দিয়ে।
মাই আমব্রেলা
মাই স্টোরি
মাই স্টোরি
By (author) কামরুল আহসান
আমি পাঁচশ ডলারের একটি উপহার কিনে আমার প্রেমিকের বাড়ি ছুটে গেলাম। সে বাড়ি ছিল না। আমি তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম।
উপহার দেখে সে খুবই খুশি হলো। এর আগে তাকে এত দামি উপহার কেউ দেয়নি।
‘কিন্তু তুমি তো এতে নাম লেখোনি।’ সে বলল, ‘মেরিলিন… অমুককে। অথবা ওরকম কিছু।’
তার কথা শুনে আমার দম বন্ধ হয়ে গেল।
আমি বললাম, ‘আমি নাম লেখাতে গিয়েছিলাম, পরে মন পরিবর্তন করলাম।’
সে খুব কোমলভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, ‘কেন?’
আমি বললাম, ‘কারণ, একদিন তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে। অন্য কাউকে ভালোবাসবে। যদি আমার নাম থাকে, তাহলে তো তুমি আর এটা ব্যবহার করতে পারবে না। নাম না থাকলে তুমি এটা সব সময়ই ব্যবহার করতে পারবে, যেন তুমি নিজেই এটা কিনেছ।’
সাধারণত কোনো মেয়ে যখন তার প্রেমিককে এ ধরনের কোনো কথা বলে, সে প্রেমিকের কাছ থেকে আশার কোনো বাণী শুনতে চায়। কিন্তু আমি তা চাইনি। রাতের বেলা আমি বিছানায় পড়ে থেকে কাঁদলাম। আশাহীন ভালোবাসা দুঃখের সাগর ছাড়া আর কী!
ওই পাঁচশ ডলার দেনা পরিশোধ করতে আমার দু-বছর লেগেছিল। শেষ ২৫ ডলার যখন আমি শোধ করি, এর মধ্যে আমার প্রেমিক অন্য এক নারীকে বিয়ে করে ফেলেছে।
মাইক্রোটিক রাউটার: নেটওয়ার্কিং ও সিকিউরিটি
মাইক্রোটিক রাউটার: নেটওয়ার্কিং ও সিকিউরিটি
By (author) তিতাস সরকার
মাইক্রোটিক হলো, একটি নেটওয়ার্ক প্রডাক্ট প্রস্তুতকারী কোম্পানির নাম। এই কোম্পানি, ১৯৯৬ সালে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। কোম্পানিটি লাটভিয়ার রিগা শহরে অবস্থিত। তাদের তৈরিকৃত নেটওয়ার্কিং প্রডাক্টের মান ভালো এবং কম মূল্য হওয়ার সাথে সাথে সার্ভিসের জন্য আজ সবার কাছে সুপরিচিত।
বইটিতে মাইক্রোটিক রাউটারেরর আদ্যোপান্ত আলোচিত হয়েছে। নেটওয়ার্কি সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য বইটি অত্যন্ত কাজে আসবে।
মাইন্ড ট্রাভেল
মাইন্ড ট্রাভেল
By (author) মো. ইয়াছিন
মানুষ পৃথিবীর মাটি থেকে শুরু করে চাঁদ পর্যন্ত ভ্রমণ করেছে। কিন্তু মস্তিষ্ক ভ্রমণের কথা কখনো ভেবেছে কি? যদি এমন হয়, যদি সত্যি সত্যি মস্তিষ্কে ভ্রমণ করা হয়? কেমন হবে সেই জার্নি?
একুশ বছরের ছেলে মিরাজ। যে কিনা জেনেশুনে আত্মঘাতী ক্যাপসুল খেয়ে মস্তিষ্কে ভ্রমণ করার চেষ্টা করে। সে জানে, ক্যাপসুল খাওয়ার ফলে তার মৃত্যু হতে পারে। তবুও কেন এত কৌতূহল? কেন গেল সে মস্তিষ্কে? কী এমন আছে ওখানে? সে কি মস্তিষ্ক ভ্রমণ শেষে সুস্থ শরীর নিয়ে বাস্তবে ফিরতে পারবে? এইসব প্রশ্নের জবাবে “মাইন্ড ট্রাভেল” বইটি লেখা হয়েছে। পাঠকদের জন্য শুভকামনা।
মানসিক প্রশান্তি আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জাদুকাঠি
মানসিক প্রশান্তি আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জাদুকাঠি
By (author) আজহারুল ইসলাম
মানসিক প্রশান্তি আর মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জাদুকাঠি। শিরোনাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বইটি দুইটা উদ্দেশ্যে লেখা— এক, মানসিক প্রশান্তি লাভ করা আর দুই, মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করা।
কম্পিউটার বা স্মার্টফোন যেমন বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়, তেমনি মানুষের মস্তিষ্কও নানারকম ভাইরাস দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যার ফলে আমাদের জীবনের গতি মন্থর হয়ে যায়— এমনকি থেমে যেতেও পারে। আমরা কী চাই, কেন চাই, তা পরিষ্কার হতে না পারলে অর্থাৎ নিজেকে চিনতে না পারলে, নিজের লক্ষ্য ঠিক করতে না পারলে এসব ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারি। কম্পিউটার বা ফোনের মতো আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতিকারক ভাইরাসগুলো সনাক্ত করে মুছে (ফবষবঃব) ফেলা জরুরি। এই বইটি সেই কাজটিই করবে।
মানসিক স্বাস্থ্যের ফার্স্ট এইড
মানসিক স্বাস্থ্যের ফার্স্ট এইড
By (author) আলিয়া আজাদ
‘মানসিক সমস্যা’ কথাটা শুনলেই আমাদের মধ্যে একটা ভয় কাজ করে। তাই মনের সমস্যা হলে চিকিৎসা নেওয়ার বদলে আমাদের মনের ভিতরের ভয়ের সাথে প্রথমে লড়াই করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু সত্যটা হলো, মন যেহেতু আছে, জীবনে কখনো না কখনো মনের রোগে আমরা সবাই ভুগব এবং এটাই স্বাভাবিক। এই স্বাভাবিক বিষয়টাকে যেন স্বাভাবিকভাবেই আমরা গ্রহণ করতে পারি এবং মনের জোর ধরে রেখে নিজেকে সঠিকভাবে সাহায্য করতে পারি, সেই উদ্দেশ্যেই মানসিক স্বাস্থ্যের ফার্স্ট এইড বইটির সূচনা।
পারিপার্শ্বিক একটু অবহেলা আমাদের যেমন অনেক দূর পিছিয়ে দিতে পারে তেমনি অল্প উৎসাহও আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিতে পারে। মনের ভালো থাকা আমাদের চিন্তা-চেতনার উপর নির্ভর করে।
মানুষ পরিবর্তনশীল। তার মধ্যে পরিবর্তনের ক্ষমতা আছে। পূর্বে উপযুক্ত পরিবেশ, উপযুক্ত শিক্ষার অভাব থাকলেও সে নিজেকে তার নিজস্ব চেষ্টায় অনেকাংশেই উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে সক্ষম। এর জন্য দরকার সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য এবং অবাস্তব চাহিদার লাগাম টানা।
আমাদের ক্ষমতার সঠিক পরিচয় জানতে এবং ভারসাম্য বজায় রাখার দক্ষতা অর্জনের কৌশল রপ্ত করার প্রচেষ্টাই বিশ্লেষিত হয়েছে মানসিক স্বাস্থ্যের ফার্স্ট এইড বইটিতে, যা আমাদের জীবনকে যেমন প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে তেমনি সাফল্যের শীর্ষে উঠতেও আমাদের সাহায্য করতে পারে।
মানি মাস্টার্স
মানি মাস্টার্স
By (author) আল আমিন, মোহাইমিন পাটোয়ারী
আপনি যখন এই লেখাটা পড়ছেন, ঠিক সেই সময়টায় আপনার পার্স থেকে অল্প অল্প করে টাকা চুরি হয়ে যাচ্ছে। না না, কোনো ছিচকে পকেটমারের পাল্লায় আপনি পড়েননি। বরং পড়েছেন এক ঝানু লুণ্ঠকের হাতে, যে আপনার অগোচরে চুরি করে নিচ্ছে আপনার অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বা প্রাণশক্তি। অক্টোপাসের মতো তার সহস্রকোটি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অদৃশ্য হাত প্রতিনিয়ত হানা দিচ্ছে আমাদের সবার পার্সে ও পকেটে। সুদূর মহাকাশে কিংবা সমুদ্রের অতল গহ্বরে আপনি আপনার টাকা নিয়ে লুকিয়ে রাখতে পারেন বটে। কিন্তু সেখানেও পৌঁছে যাবে এই মানি মাস্টারদের লোলুপ থাবা। এ এক অদৃশ্য চুরি, যা ঠাহর করা বড় শক্ত। মজার ব্যাপার হচ্ছে, আপনার-আমার মতো সাধারণ মানুষ যখন চুরির বিষয়টি টেরই পাচ্ছে না, তখন চোর ধরা তো দূর কি বাত। বিদ্যমান অবিসংবাদিত অর্থব্যবস্থার অলক্ষিত সেই পুকুরচুরির ইতিবৃত্ত উন্মোচনের তাগিদ থেকেই আমাদের এই প্রয়াস।