ভালোবাসার হাট-বাজার
ভালোবাসার হাট-বাজার
By (author) রাহিতুল ইসলাম
ই-কমার্স বাংলাদেশে বেশ নতুন একটি ইন্ডাস্ট্রি; তবে এটি খুব দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এটি কেবল ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং সারা দেশের সব জেলা থেকেই বিপুলসংখ্যক তরুন-তরুণী, ফেসবুক পেজ খুলে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা বিক্রি করছেন। কিন্তু তাদের কথা এখন পর্যন্ত শিল্প-সাহিত্যে তেমনভাবে উঠে আসেনি; বরং ই-কমার্স বলতেই আমরা বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রি, বড় বড় কোম্পানি ও ইন্ডাস্ট্রির লিডারদের কথা মিডিয়াতে শুধু দেখি। তাই রাহিতুল ভাইয়ের ই-কমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করা সাধারণ মানুষের জীবনকে এভাবে তুলে ধরা অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য।
অনলাইনে ব্যবসা করা যে শুধু টাকাপয়সার হিসেব করা, কতগুলো অর্ডার এল, ডেলিভারি ঠিকমতো হলো কি না, এর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে এর যে মানবিক দিক আছে তা ফুটিয়ে তোলার জন্য লেখককে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হবে। রাকিবের মতো হাজারো তরুণ-তরুণী এখন চাকরির চিন্তা ও চেষ্টা বাদ দিয়ে অনলাইনে উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা করছেন। সংগ্রাম করে রাকিবরা শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নয়; বরং দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ভিত তৈরি করছে ডিজিটাল যুগে।
রাজিব আহমেদ
প্রতিষ্ঠাতা এবং সাবেক সভাপতি ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)
ভালো থেকো মেঘমালা
ভালো থেকো মেঘমালা
By (author) প্লাবন রায়
অয়নের চোখে ধীরে ধীরে ঘুম নেমে এল। সে খুব চেষ্টা করছে জেগে থাকার। জেগে জেগে এমন নির্মম বাস্তবতার কথা চিন্তা করবে। আর ভাগ্য বিধাতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে থাকবে। কিন্তু ভাগ্য বিধাতা হয়তো এভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হতে চান না, অয়নের চোখে তাই ঘুম জড়িয়ে এল। সে গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল। ঘুমের মাঝেই অয়ন স্বপ্ন দেখল। মালার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। অয়ন মালাকে খুঁজছে বিয়ের আসরে। মালার সাথে আজকের পর আর কোনোদিন কথা হবে না। তাকে বনলতা সেন কবিতাটা শোনানো দরকার এবং তা বিয়ে হয়ে যাওয়ার আগেই। কিন্তু মালাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অয়ন ছুটছে, ছুটছে আর মৃদু কণ্ঠে আওড়াচ্ছে,
‘চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য, অতিদূর সমুদ্রের পর
হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা’
ভুঁইচাপাঁর ঘ্রাণ
ভুঁইচাপাঁর ঘ্রাণ
By (author) মোস্তফা হামেদী
নিছক একটা কবিতার বই নয় ভুঁইচাঁপার ঘ্রাণ। মোস্তফা হামেদীর কবিতা যাত্রার বাঁক ফেরাও বটে। বাহ্যিক অনুষঙ্গের দৃশ্যায়ন, মুগ্ধতা, ইমেজের ঘন অভিসার ছেড়ে কবি এইখানে যেন ঢুকে পড়েছেন অন্তর্লোকে। নিজের অন্দরে ডুব দিয়ে তুলে আনতে চাইছেন জাগতিকতার গভীরের কলতানকে। সেখানে যে সুর আছে, তা যেন অরণ্যের গহিনে পাথরের ফোকরে বয়ে চলা ছিপছিপে জলধারার মতো মৃদুমন্দ।
নিজের যাপনকে পরিস্রুত করে দার্শনিক বোধে উপনীত হওয়ার আকাঙ্ক্ষাও প্রবল ভুঁইচাঁপার ঘ্রাণ-এ। যেন তারুণ্যের উচ্ছলতা পার হয়ে কবি নতুন এক অভিজ্ঞতার দুনিয়ায় হাজির। পরিবার, সমাজ, সংসার, সংরাগ, বয়স সমস্ত কিছুর মিথস্ক্রিয়ায় নতুন কোনো ‘আমি’র দুয়ারে উপনীত। সেই আমি সামান্য। অসামান্যের সাথে গাঢ় সম্পর্কে অধীর। ভাষার ঘোরপ্যাঁচ নাই। বিপুল অলঙ্কার-বসনব্যসন-সাজসজ্জা ছেড়ে সমসময়ের বিচিত্র বিষয়কে ব্যঞ্জনাময় করেছেন বাকবিভূতির কৌশলী প্রয়োগে। রসের দিক থেকে কবিতাগুলি শান্ত ভাবের। এক অর্থে কবির জীবনবাসনা মূর্ত হয়ে উঠেছে নাতিদীর্ঘ কবিতাগুলিতে, যেখানে কবি খোলাসা করেন নিজের আকাঙ্ক্ষা এইভাবে— ‘সাধারণ কোনো জীবনের ভেতর ভুঁইচাঁপার ঘ্রাণ হবো ভাবি।’ বস্তুত এটাই এই কাব্যের প্রধান প্রেরণাবিন্দু।
ভূবনডাঙায়
মগড়া নদীর বাঁকে
মগড়া নদীর বাঁকে
By (author) এনামুল হক পলাশ
মগড়া এঁকে বেঁকে একটি নদী শহর থেকে বেড়িয়ে, বর্ষা হলেই ছুটে বেড়ায় বাধা বিঘ্ন এড়িয়ে। অন্য সময় মরার মতো বন্ধ থাকে দম, শুকনো কালে এই নদীতে পানি থাকে কম। সাপের মতো পেঁচিয়ে আছে নেত্রকোণা শহরে, অনেক আগে ভরা থাকতো পাটের নৌকা বহরে। একটি সময় সজীব ছিলো এই শহরের নদী, নদীর পাড়েই ব্যবসায়ীরা পেতে বসতো গদী।
মজাদার সব ইফতারি
মজাদার সব ইফতারি
By (author) উম্মি সেলিম
রান্না বিষয়টা এখন শিল্পে পরিণত হয়েছে। কেউ কেউ তো রান্না করে এখন স্বাবলম্বী। শখের বশে খোলা ইউটিউব চ্যানেল Cooking Studio By Umme’র সাফল্য তারই একটা প্রমাণ। প্রায় ২০ লাখ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত এই চ্যানেলে দেশি-বিদেশি ৭৭০টি রেসিপির ভিডিও আছে।
রোজার মজাদার ইফতারিতে এমন সব রেসিপিগুলোই বাছাই করে নেওয়া হয়েছে, যেগুলো ইফতারে পরিবেশন করা হয়। কেউ যদি রান্নার তেমন কিছুই না জানেন, উপকরণ দেখে বাজার করে এনে, প্রস্তুত প্রণালি দেখে মজাদার সব ইফতারি বানাতে পারবেন এই বইয়ের সাহায্যে। এ ছাড়া ঐতিহ্যগতভাবেই ইফতারে সুস্বাদু খাবার পরিবেশনের চল থাকায় অনেকেই রোজার মাসে চেষ্টা করেন নতুন নতুন আইটেম বানিয়ে ইফতারে সবাইকে চমকে দিতে।
ইফতারের নানা রকম আইটেম রাস্তার পাশেও বিক্রি হয়, তবে স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই অনেকে ইফতারি বাসায় বানিয়ে খেতে চান। যারা নতুন রাঁধুনি, তাদের জন্য এই বইয়ের রেসিপিগুলো ম্যাজিকের মতো সাহায্য করবে। রেসিপির পাশাপাশি এখানে ইফতারি বানানোর কিছু টিপসও দেওয়া হয়েছে, যা রান্নার সময় দারুণ কাজে লাগবে।
ইফতারের এমন কিছু আইটেমও এই বইয়ে স্থান পেয়েছে, যেগুলো ঈদের আপ্যায়নের জন্যও রান্না করা হয়। দেশি-বিদেশি, মজার ও বেশ কিছু আনকমন রেসিপিযুক্ত উম্মি সেলিমের রোজার মজাদার ইফতারি বইটি রান্নাপ্রিয় সবার হ্যান্ডবুক হয়ে উঠুক।
মজার পদার্থবিজ্ঞান
মজার পদার্থবিজ্ঞান
By (author) ইশতিয়াক হোসেন চৌধুরী
কণাপদার্থবিদ্যার অদ্ভুতুড়ে জগৎ, কোয়ান্টাম-জগতের আজব কাজকারবার থেকে শুরু করে রকেট সায়েন্স, সুপার সিমেট্রি কিংবা মহাবিশ্বের শেষ পরিণতি- পদার্থবিজ্ঞানের মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া বিষয়গুলো সহজ ভাষায়, সংক্ষেপে অথচ গভীরভাবে শিখতে বইটি সাহায্য করবে। মজার সব কার্টুন ও গল্পে পদার্থবিজ্ঞানের জগতে এই ভ্রমণ আনন্দময় হোক।
মজিদ মাহমুদ: কবি ও কবিতা
মজিদ মাহমুদ: কবি ও কবিতা
By (author) মোহাম্মদ আবদুর রউফ
মজিদ মাহমুদ আশির দশকে আবির্ভূত অন্যতম শক্তিমান কবি। বাংলাদেশের কাব্যচিন্তন পরিধি ও প্রবণতার ধারায় তার স্বাতন্ত্র্যসূচক কাব্যবৈশিষ্ট্য সুচিহ্নিত। নির্বাচিত কাব্যবস্তুর কাব্যময় সুর ও স্বরে, উপস্থাপনা ঢং ও নান্দনিক বিষয়বিন্যাসে তিনি স্বাতন্ত্র্যক শিল্পভুবনের বাসিন্দা। এই কবির কাব্যকর্ম নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু আলোচনা হয়েছে; তবে সেটি পর্যাপ্ত নয়। আবার একেবারে কমও নয়। এই গ্রন্থের প্রবন্ধগুলোতে লেখক গবেষকের মতো সমালোচনার দৃষ্টি নিয়ে কবিতার ব্যবচ্ছেদ করার চেষ্টা করেননি। বরং একজন পাঠক হিসেবে পাঠান্তে পাঠকহৃদয়ের দয়ের যে গভীর আলোড়ন সৃজিত হয়, সেটিই তিনি প্রবন্ধগুলোর মধ্যে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। গ্রন্থটি মজিদ মাহমুদের কবিতাপাঠে পাঠকের হয়তোবা কিছুটা সহায়ক হতে পারে।
মড়ার মাথা
মড়ার মাথা
By (author) নূরুননবী শান্ত
মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিবর্তনের প্রভাবকসমূহ লেখকের পর্যবেক্ষণের কেন্দ্র ও পরিধি। মানুষ কী জানে, কেন ও কীভাবে সময়, প্রেক্ষাপট ও প্রাকৃতিক বাস্তবতা নিয়ন্ত্রণ করে তার অবস্থা ও অবস্থান? নূরুননবী শান্তর গল্পের পেছনে এই প্রশ্নের অভিঘাত প্রচ্ছন্ন আছে। কেবল বিষয় ও আখ্যানই নয়, তার গল্পের ভাষাভঙ্গিও বিশেষভাবে পাঠ্য। এসবের ভেতরে ইতিহাস, পুরাণ ও মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের সমসাময়িক যন্ত্রণার আঁচড় থেকে উদ্ভূত আপেক্ষিক সত্য ও কল্পনার খেলা আমাদের কখনো তৃপ্ত করে, কখনো হতাশ, কখনোবা ক্ষুব্ধ, কিংবা কখনো উসকে দেয় অমীমাংসিত দ্বান্দ্বিক চিন্তা। এই গল্পগুলোর ভেতর দিয়ে আমরা দেখতে পাব বাংলাদেশের প্রকৃতি-নির্ভর জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি ও স্বপ্ন, ব্যক্তিমানুষের দরিদ্র ও মধ্যবিত্তীয় মানসের টানাপোড়েন, প্রেম, অস্থিরতা, অসহিষ্ণু আধিপত্য কিংবা ধারণার দাসত্ব, এমনকি চিরায়ত অধিকারবোধ। অথবা প্রশ্ন উঠতে পারে, মানুষ ও সমাজ কি আদৌ গুরুত্বপূর্ণ কিছু এই মহাকালে?
মদিনা
মদিনা
By (author) পারভেজ আলম
রাষ্ট্র এক তুলনামূলক নতুন ঘটনা পৃথিবীতে কিংবা এই বঙ্গে। বাংলার পুরোনা সমাজে আধুনিক অর্থে স্বতন্ত্র রাষ্ট্র কায়েম হয় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ফলে। সমাজের আগাপাছতলা প্রচণ্ড ঝাঁকি দিয়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সম্ভাবনার যবনিকা তুলে নতুন রাষ্ট্র কায়েম হয় জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতিশ্রুতিতে, যার মূলমন্ত্র ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। কিন্তু গণবিরোধী, কর্তৃত্বপরায়ণ রাজনীতির ঘুরপাকে গত পাঁচ দশকে এই বিপ্লবের মূল প্রতিশ্রুতি পরিণত হতে চলেছে খেলাপি ঋণে। বাংলাদেশকে এখন পেয়েছে ঊনপঞ্চাশ বায়ুর ভূতগ্রস্ততায়, রাষ্ট্র প্রবেশ করেছে এক অনন্ত ক্রাইসিসে, যার উৎক্ষেপ গত দশকের রাজনৈতিক ঘাত-অভিঘাতে প্রকাণ্ড মূর্তি ধরে উপরিতলে ভেসে উঠে আবার বুদবুদের মতো মিলিয়ে গেছে।
মধ্যযুগে মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থা
মধ্যযুগে মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থা
By (author) আমানউল্লাহ রাইহান
ডানিয়েল বনিফাসিউস ফন হানেবার্গ (Daniel Bonifacius von Haneberg (১৮১৬-১৮৭৬ খ্রি.))। জার্মান ক্যাথলিক বিশপ ও প্রাচ্যবিদ। দর্শন, প্রাচ্যতত্ত্ব ও ধর্মতত্ত্বে পড়াশোনা করেছেন। ১৮৩৯ সালে মিউনিখ ইউনিভার্সিটি থেকে ধর্মতত্ত্বে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বছর আউগসবুর্গে ‘ধর্মযাজক’ নিযুক্ত হোন। সেবছরই মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে থিওলজির লেকচারার পদে যোগ দেন এবং পর্যায়ক্রমে ১৮৪৪ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হোন। তিনি একাধারে আরবি, ফার্সি, হিব্রু, সুরিয়ানি, গিজ, সংস্কৃত ও চীনা ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। হানেবার্গ একজন প্রসিদ্ধ লেখক ছিলেন। প্রাচ্যীয় বহু লিটারেচার জার্মান ভাষায় অনুবাদ করেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে বেশকয়েকটি গ্রন্থ ও গবেষণা-প্রবন্ধ রচনা করেছেন যেগুলো বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
মন প্রকৌশল: স্বপ্ন অনুপ্রেরণা আর জীবন গড়ার ফরমুলা
মন প্রকৌশল: স্বপ্ন অনুপ্রেরণা আর জীবন গড়ার ফরমুলা
By (author) রাগিব হাসান
আমি আমার জীবনে দেখেছি একজন মানুষকে দিয়ে সত্যিকারের কোনো কাজ করিয়ে নিতে হলে তাকে কিন্তু টাকা পয়সা বা সম্মানী দিতে হয় না। তাকে উৎসাহ দিতে হয় (এ জন্যে যখন কোনো বড় কাজ করতে হয় আমি ভলান্টিয়ার খুঁজি)। কিন্তু উৎসাহ দেয়ার জন্যে মানুষটাকে খুঁজে পেতে হয়। যার সাথে আমার দেখাই হয়নি তাকে আমি উৎসাহ দেব কেমন করে? তখন দরকার রাগিব হাসানের ‘মন প্রকৌশল’ ধরনের বই। পৃথিবীর সব দেশেই এ ধরনের বই আছে— আমাদের দেশে সেভাবে আমার চোখে পড়েনি। এর অভাব খানিকটা দূর হল।
বইটা পড়ে এক ধরনের অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়। মন প্রকৌশল শব্দটা কটমটে মনে হতে পারে কিন্তু বইটা মোটেই কটমটে নয়, খুব গুছিয়ে লেখা হয়েছে। স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে, নিজেকে বদলে দেবার কথা বলা হয়েছে, ঘুরে দাঁড়ানো মানুষদের কথা বলা হয়েছে। অসংখ্য উদাহরণ দেয়া হয়েছে, অসংখ্য গল্প বলা হয়েছে। আমি নিজে এই বয়সে অনেকগুলো গল্প বা ঘটনার কথা পড়ে নিজের ভেতর এক ধরনের উত্তেজনা অনুভব করছি, সাহস পেয়েছি কাজেই ধরে নিচ্ছি অন্যেরাও পাবে।
বইটির নামে যেহেতু প্রকৌশল বা ইঞ্জিনিয়ারিং শব্দটা আছে তাই রাগিব হাসান সত্যিকারভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং করার জন্যে ছোট ছোট ধাপগুলো পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে। আমাদের তরুণদের কিছু বাঁধাধরা সমস্যা আছে সেই সমস্যাগুলোর কথা বলা আছে। হতাশ হয়ে যাওয়া সেই তরুণদের কেউ না কেউ নিশ্চয়ই এই বইটা পড়ে এক ধরনের শক্তি পাবে, এক ধরনের সাহস পাবে, নিজের ভেতর অনুপ্রেরণা খুঁজে পাবে।