বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ
বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ
By (author) সাইমুম পারভেজ
বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসবাদকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ক্ষমতাসীনরা নাগরিকদের অধিকারকে সংকুচিত করেছে এবং নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা ব্যাহত হয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের হাতিয়ার হিসেবে ‘সন্ত্রাসবাদ বিরোধিতা’-কে ব্যবহার করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটেছে এবং ঘটছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি। এই গ্রন্থে সাইমুম পারভেজের আলোচনন্ত তাত্ত্বিকভাবে গভীর এবং গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যে সমৃদ্ধ। তার আলোচনা আমাদের কেবল তথ্যেই সমৃদ্ধ করে তা নয়, আমাদের মধ্যে তৈরি করে আগ্রহ, আমাদের চিন্তার খোরাক জোগায়, সন্ত্রাসবাদ বিষয়টিকে ক্রিটিক্যালি দেখার জন্য উৎসাহিত করে।
‘ আলী রীয়াজ ডিসটিংগুইশড প্রফেসর, ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটি যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশের কবিতা: তিরিশ বছর
বাংলাদেশের কবিতা: তিরিশ বছর
By (author) চঞ্চল আশরাফ
সাহিত্যের সব শাখাতেই যে-কোনো সংকলনের প্রধান একটি উদ্দেশ্য হলো গৃহীত কালপর্বের চিন্তন ও সৃষ্টিশীলতা সম্পর্কে পাঠকদের মধ্যে যথার্থ ধারণার সঞ্চার ঘটানো। কিন্তু দু’একটি বাদে সব সংকলনে প্রমাণিত হয়েছে, এমন কাজে সামাজিক জীবনের প্রভাব খুব বিপজ্জনক রকমের গভীরবিস্তৃত। বোঝা গেছে, সাহিত্যিক সততা ও সামাজিক সুসম্পর্কের মধ্যে বিরোধ যত বিব্রতকর হোক, এর ঊর্ধ্বে উঠতে না-পারলে, বা এই উদ্বেগের বাইরে থাকা অসম্ভব হলে এ-ধরনের প্রকল্প হয়ে পড়ে প্রশ্নসঙ্কল, হাস্যকর ও নিরর্থক। ফলে, সাহিত্যের লিখিত ইতিহাসের মতোই সম্পাদককে হতে হয় ব্যক্তি, সংঘ, সমাজ ও ক্ষমতাকাঠামোর প্রতি উদাসীন, নির্মোহ এবং সামাজিক অর্থে কিঞ্চিৎ নিষ্ঠুর। এতে ঝুঁকি আছে, সাহিত্যিক পরিমণ্ডল থেকে বিচ্ছিন্ন, এমনকি বিপদগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে। এটা মূলত অবিকশিত সমাজের বাস্তবতা। উল্লেখ বাহুল্য নয়, গণতন্ত্র কিংবা সাম্যের মূল্যবোধ সাহিত্যে চলে না; এর অন্যথা হলে সংখ্যায় গরিষ্ঠ গৌণ লেখকেরাই নিয়ন্ত্রণ করতেন এর ইতিহাস; বা, দুর্বল ও শক্তিমানদের মধ্যে পার্থক্য থাকত না। তবে বাঙলাভাষায় প্রকাশিত সাহিত্যপত্রিকা, ‘ছোটকাগজ’ আর দৈনিকের সাময়িকীগুলোতে গোষ্ঠী, গণতন্ত্র ও সাম্যের চর্চা এত বিপজ্জনক যে, সাহিত্য এখানে খুব নিরীহসহজ হয়ে গেছে। সংকলনের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত এই নির্বিচার গোষ্ঠী-গণতন্ত্র-সাম্য-ভারসাম্যের গড্ডলিকা থেকে সাহিত্যের মুক্তিঃ সংকুচিত অর্থে, নির্বিশেষ থেকে বিশেষে উপনীত হওয়া
বাংলাদেশের পানি, পরিবেশ ও বর্জ্য
বাংলাদেশের পানি, পরিবেশ ও বর্জ্য
By (author) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব
বই পরিচিতি
বাংলাদেশে গাছ কেটে, খাল-বিল ভরাট করে, উপরিভাগের মাটি পুড়িয়ে ইট বানিয়ে, শিল্প ও মানব বর্জ্য পরিবেশে উন্মুক্ত করে, জলাভূমিতে আবাসন ও নগরায়ণ করে দেশের জিডিপি বাড়ানো হয়। পরিবেশ সুরক্ষার প্রশ্নে বাংলাদেশের উন্নয়নের এই মডেলকে একধরনের ‘উন্নয়ন সন্ত্রাস’ বলা চলে। নাগরিক ও সরকার উভয়েরই পরিবেশগত দায়বদ্ধতা শুধু শূন্য নয়, বরং বহু ক্ষেত্রে ঋণাত্মক। আমাদের উন্মুক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিতান্তই হীন, নদী পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চূড়ান্ত পর্যায়ে অটেকসই।
উন্নয়ন প্রকল্পে পরিবেশগত ঝুঁকিগুলোকে আমলে নিয়ে ও পর্যাপ্ত পরিবেশগত সুরক্ষা না নেওয়ার যে সংস্কৃতি, তাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে এই বইয়ে। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে প্রাণ ও পরিবেশ বিষয়ক ইস্যুগুলোর সংযোগ ঘটিয়ে দেওয়াও লেখকের অন্যতম উদ্দেশ্য। নাগরিক ও সরকারের পরিবেশবিরুদ্ধ অপচর্চা নিয়ে খোলামেলা আলোচনার পাশাপাশি বইটিতে কিছু সমাধানও প্রস্তাব করা হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির মুখে পুস্তকের বিষয়বস্তু বিশ্ব পরিসরে বহুল আলোচিত হলেও বাংলাদেশের সমাজে এসব নতুন ধারার চমকপ্রদ কথা বলে মনে হতে পারে। বাঁচতে হলে চ্যালেঞ্জ জানাতে হবে আমাদের পরিবেশ ধ্বংসের নির্বোধ সংস্কৃতিকে।
বাংলাদেশের বীরগাথা
বাংলাদেশের বীরগাথা
By (author) মেজর মোঃ দেলোয়ার হোসেন (ডেল এইচ খান)
বীরশ্রেষ্ঠগণ প্রত্যেকেই আমাদের জাতির শ্রেষ্ঠতম সন্তান; আমাদের পৌরষ আর অহমের প্রতীক!
সেই বীরশ্রেষ্ঠদের বীরত্বগাথা পড়তে গিয়ে আমরা রোমাঞ্চিত হব, শিউরে উঠব; তাদের সুমহান ত্যাগের কথা পড়তে গিয়ে আবেগে উদ্বেল হব— এটাই স্বাভাবিক।
লেখক ‘বাংলাদেশের বীরগাথা’ বইটিতে সেই কাজটিই করেছেন। প্রতিটি গল্প পড়তে গিয়ে পাঠক রোমাঞ্চিত হবেন, আবেগাপ্লুত হবেন, আর পড়া শেষে একজন বাংলাদেশি হিসেবে অতুলনীয় এক গৌরববোধে আচ্ছন্ন হবেন।
বিক্রয়কর্মীর দিনরাত
বিক্রয়কর্মীর দিনরাত
By (author) মুহিব আহমেদ
চাকরিজীবন একসঙ্গেই শুরু করেছেন, তবুও একজন চাকরিতে বেশ এগিয়ে গিয়েছেন আর আরেকজন পিছিয়ে আছেন। স্কুলে তুলনামূলক কম ভালো রেজাল্ট করা শিক্ষার্থী আজ খুব ভালো এক কোম্পানিতে কাজ করছেন। রুগ্্ণ স্বাস্থ্যের বন্ধুটা আজ সামরিক বাহিনীর চৌকশ অফিসার হয়ে গেছেন। দুই সহকর্মীই একই মানের হওয়ার পর একজন বড় দায়িত্ব পাচ্ছেন আরেকজন পাচ্ছেন না। এমন অজস্র ঘটনা আমাদের চারদিকে ঘটছে। আমরা হয়তো নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে কখনো ভাগ্যের দোষ দিই। আবার কখনো অপরজনের চরিত্র হননের চেষ্টা করি। তবুও ভেবে দেখি না তার সফলতার পেছনের কারণটি কী।
এই বইয়ে সফলতা বা উন্নতির কোনো জাদুমন্ত্র বলা হয়নি। বড় বড় মনীষীর বাণী দিয়েও ভরা হয়নি। শুধু খুব কাছ থেকে দেখা কিছু ঘটনা বলা হয়েছে সহজ ভাষায়। এগুলোই হয়তো চিন্তার খোরাক দেবে। নতুনভাবে ভাবনার উৎসাহ দেবে। তা সে আপনি চাকরিজীবনের যে স্তরেই থাকুন না কেন। হয়তো দীর্ঘদিন কাজ করে আসার পর আজ নতুনভাবে কাজ করার কোনো আইডিয়া পেয়ে যাবেন।
আপনাদের জন্য শুভকামনা থাকল।
বিজনেস ইন্টেলিজেন্স
বিজনেস ইন্টেলিজেন্স
By (author) এনামুল হক
ডেটা আমাদের বিশ্বকে পরিবর্তন করছে এবং আমাদের জীবনযাত্রা এবং কাজ করার পদ্ধতি অভূতপূর্ব হারে বদলে দিচ্ছে। ডেটা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালনার পদ্ধতিতে বিপ্লব ঘটাচ্ছে এবং আগামী বছরগুলোতে এটি বিভিন্ন সংস্থার ব্যবসায় টিকে থাকার জন্য ক্রিটিক্যাল হয়ে উঠবে।
অনেক ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে উন্নত করতে ডেটা ব্যবহার করা শুরু করেছে। এটি দৈনন্দিন ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে। এর মূলে, এটি ব্যবসাগুলোকে আরও স্মুথ ও দক্ষতার সঙ্গে চালাতে সহায়তা করছে। আর একেই বলা হচ্ছে বিজনেস ইন্টেলিজেন্স।
যে সংস্থাগুলো ডেটাকে কৌশলগত সম্পদ হিসেবে দেখবে, তারাই টিকে থাকবে এবং উন্নতি করবে। যেকোনো ধরনের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের জন্য ডেটা একটি মূল্যবান সম্পদ। এটি ব্যবসাগুলোকে তাদের প্রক্রিয়াগুলো আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং উন্নত করতে, সময় এবং অর্থ সাশ্রয় করতে সহায়তা করতে পারে। ডেটা এখন প্রতিটি কোম্পানির সাফল্যের কেন্দ্রবিন্দু।
এ বইটিতে টেকনোলজিক্যাল ট্রেন্ড, বিজনেস ইন্টেলিজেন্সের শাখা-প্রশাখা ও ডেটা সায়েন্সের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে; যা থেকে আমরা বুঝতে পারব যে আজকের ব্যবসা কীভাবে এগুলো দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং কীভাবে একটি লাভজনক ব্যবসা করতে এই প্রযুক্তিগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়।
বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট
বিজনেস ব্লুপ্রিন্ট
By (author) কোচ কাঞ্চন
লেখক নিজেও একজন উদ্যোক্তা এবং করপোরেট বিজনেস কোচ। এ বইতে রয়েছে লেখকের ১৫ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা, অসংখ্য রেফারেন্স আর দারুণ সব বিশ্লেষণ এবং IMPAct নামে বিজনেসে সফল হওয়ার অত্যন্ত কার্যকরী মেথড। অল্প পুঁজিতে বিজনেসের উপায় থেকে শুরু করে ইউনিক বিজনেস আইডিয়া, বিজনেসে ইনোভেশন, মার্কেটিংয়ের কৌশল এবং এর কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ। বেকার টু বিলিওনিয়ারের মতো অভিনব সব টপিকে ভরপুর এ বইটি সত্যিকার অর্থেই বিজনেসের ব্লুপ্রিন্ট।
বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা
বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা
By (author) রাগিব হাসান
বিজ্ঞানীদের জীবনীর কথা শুনলেই মনে হয় খটোমটো কিছু একটা, চোখে মোটা চশমাওয়ালা খুব প্রচণ্ড পড়ুয়া কারও কাহিনি, সারা জীবন ধরে যে বইয়ে নাক গুঁজে কাটিয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের জীবনটা আসলে মোটেও সে রকম নয়, বরং বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের জীবনে অসাধারণ, মজার, অভাবনীয় সব ঘটনা ঘটেছে। এই ব্যাপারটা লেখক শৈশবেই জানতে পারেন।
এই ঘটনাগুলোর কথা লেখক ভুলতেই বসেছিলেন প্রায়, কিন্তু ভুলতে দিল না তার ছেলে যায়ান। যায়ানের বয়স মাত্র সাত, কিন্তু এখনই ঘুমাতে যাওয়ার আগে বিজ্ঞানীদের গল্প শোনার জন্য প্রচণ্ড আগ্রহ, প্রতিদিন অন্তত দুজন বিজ্ঞানীর ওপরে কোনো মজার গল্প না শুনলে ঘুমাতে চায় না সে। ওকে প্রতিদিন বিজ্ঞানীদের আর গণিতবিদদের গল্প বলতে গিয়ে লেখক স্মৃতির তথ্যভান্ডারের সিন্দুকটা খুলে আবার ফিরে যান সেই বিজ্ঞানীদের নানা গল্পের জগতে।
লেখক যায়ানকে বলেন, আইনস্টাইন, নিউটন, আর্কিমিডিস, মারি কুরি, এডিসনের গল্প, লেখকের সেই ছোটবেলার এবং এখনকারও সব স্বপ্নের নায়কদের কথা, যাদের প্রতিভা, আবিষ্কারের নেশা আর জ্ঞানের পিপাসা বিশ্বকে পাল্টে দিয়েছে চিরদিনের জন্য। এই গল্পগুলো বলতে বলতেই তার মনে হলো, আগামী প্রজন্মের জন্য এগুলো লিখে রাখা বড়ই দরকার। টিভি, ফেসবুক, সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে আমাদের শিশুরা কাদের নিয়ে ভাববে, কাদের কাহিনি শুনে অনুপ্রাণিত হবে? বিজ্ঞান মজার, বিজ্ঞান আনন্দের, বিজ্ঞানীরাও মজার মানুষ…
বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা ২
বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা ২
By (author) রাগিব হাসান
বিজ্ঞান আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। আর এই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমেই মানুষ প্রকৃতিকে করেছে জয়, অসম্ভবকে করেছে সম্ভব। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে তাই বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের অবদান বিশাল। কিন্তু এই বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে একটা ভুল ধারণা আছে সবার মধ্যে—বিজ্ঞানীরা জটিল ও নিরস সব বিষয় নিয়ে কাজ করেন। ব্যাপারটা আসলে তা না, বিজ্ঞানীরা আমাদের সবার মতোই মানুষ, হাসি কান্না আনন্দ বেদনায় তাদের জীবন। এই গ্রন্থের লেখক রাগিব হাসান শৈশবে পড়েছিলেন আবদুল্লাহ-আল-মূতী শরফুদ্দিনের লেখা আবিষ্কারের নেশায় বইটি। তার পেশা ও নেশা হিসেবে বিজ্ঞানকে বেছে নেওয়ার পেছনে সেই বইটির ভূমিকা অপরিসীম।
লেখকের সন্তান যায়ান ও রিনীতা যোয়ীকে রূপকথার বদলে তিনি বিজ্ঞানীদের জীবনের অসাধারণ সব গল্প শোনান— যা অনেক ক্ষেত্রে রূপকথাকেও হার মানায়। প্রতিদিন, প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ওদের গল্প শোনাতে শোনাতে লেখকের মনে হলো, এই গল্পগুলো সবার জানা দরকার। সেই চিন্তা থেকেই ২০১৮ সালের বইমেলায় বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানার ১ম খণ্ডটি লিখেছিলেন। লেখক ভেবেছেন, অল্প কয়েকজন শিশুকেও যদি বিজ্ঞানের অপার সৌন্দর্যের আলোয় উদ্বুব্ধ করতে পারা যায় তবে তার সার্থকতা। কিন্তু লেখককে অবাক করে দিয়ে প্রচুর শিশুকিশোর, তরুণ-তরুণী বইটি পড়েছে, তারা বিজ্ঞানী ও গণিতবিদদের জীবনের কথা জেনেছে, রোল মডেল হিসেবে বেছে নিয়েছে সেই বিজ্ঞানীদের। উৎসাহের সাথে তারা সেসব কথা লেখককে জানিয়েছে। তাই বাকি অনেক বিজ্ঞানীর জীবনী নিয়ে প্রকাশিত হলো বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা সিরিজের দ্বিতীয় বইটি।
বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা ৩
বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা ৩
By (author) রাগিব হাসান
মানবসভ্যতার ইতিহাসের ধারায় এই জগতে আমাদের টিকে থাকা, আমাদের সাফল্য—এই সবকিছুর পেছনেই আছে বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের অবদান। বিজ্ঞানের আলোকিত জয়যাত্রার মাধ্যমেই আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রতিকূলতাকে জয় করতে পেরেছি, উদঘাটন করেছি প্রকৃতির অমোঘ রহস্য। বিশ্বমানচিত্রে অবস্থান করে নিতে হলে এই বিজ্ঞানকে জানতে হবে, বুঝতে হবে এবং জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
বিজ্ঞানীদের গল্পটা বলা তাই জরুরি। বিজ্ঞানীরা আমাদের মতোই মানুষ—তারা নিজেদের জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত জয় করে জনকল্যাণে বিজ্ঞানের বড় বড় আবিষ্কার ও উদ্ভাবন করেছেন। এই বিজ্ঞানীদের গল্প আমার সন্তান যায়ান আর যোয়ীকে প্রতিদিন ঘুম পাড়ানোর সময়ে শোনাই— কিন্তু এই গল্পগুলো আরও বহু শিশুর কাছে পৌঁছে দেওয়ার আগ্রহ থেকেই এই সিরিজের বইগুলো লেখা। আগের দুই খণ্ড প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক সাড়া পেয়েছি আগামী প্রজন্মের কাছ থেকে। তাই এবারে নিয়ে এসেছি আরও ১৫টি গল্প। এই গল্পগুলো আসলে বিশ্বের চেহারা পাল্টে দেওয়া সব আবিষ্কার ও তার সাথে জড়িত বিজ্ঞানীদেরই গল্প।
বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা ৪
বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা ৪
By (author) রাগিব হাসান
বিজ্ঞানের মাঝে রয়েছে অনেক মজার কাহিনি। এই বইটা বিজ্ঞানের সেই সব গল্প নিয়েই লেখা। লেখকের সন্তান কৌতূহলী দুই শিশু যায়ান আর যোয়ী ঘুমাতে যাবার আগে প্রতিদিন আবদার করে বিজ্ঞানের গল্প শোনার। কম্পিউটার বিজ্ঞানী বাবা তাদের যে গল্প শোনান, সেই গল্পগুলোকেই সবার কাছে পৌঁছে দিতে চান এই সিরিজের মাধ্যমে। আগের তিনটি খণ্ডের মতো এই খণ্ডেও থাকছে ১১টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গল্প।
এই গল্পগুলো বিজ্ঞানের, এই কাহিনিগুলো বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কারের পিছনে থাকা মানুষদের। এই খণ্ডের গল্পগুলোতে আছেন অ্যালজেব্রার জনক মুহাম্মদ ইব্ন মুসা আল খারিজমি, কুইনাইন আবিষ্কার করা নাম না জানা এক আদিবাসী, মজার এক ঘটনা থেকে স্যাকারিনের আবিষ্কারক ফাহলবার্গ। আরও আছেন এক্স-রের আবিষ্কারক রন্টগেন আর কালাজ্বরের চিকিৎসার উদ্ভাবক বাঙালি বিজ্ঞানী উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী, আকাশজয়ী রাইট ভ্রাতৃদ্বয় আর মহাকাশের প্রাচীন এক মায়াডাকের রহস্যভেদ করা বিজ্ঞানী পেঞ্জিয়াস ও উইলসন। বইটার শেষের দুইটা বড় কাহিনি হলো করোনা ভাইরাসকে জয় করা কয়েকজন মানুষকে নিয়ে।
এবারের খণ্ডটা তাই নানাদিক থেকে বিজ্ঞান ও গণিতের অগ্রযাত্রার জয়গাথা। লেখকের আশা, বিজ্ঞানীদের এই গল্পগুলো পড়ে বহু শিশু, কিশোর-কিশোরী, বা তরুণ-তরুণী বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট হবেন, দেশে তৈরি হবেন আরও অনেক বিজ্ঞানী, যারা গড়ে তুলবেন এদেশকে, এ বিশ্বকে।