পাইথন প্রোগ্রামিং 3.10
পাইথন প্রোগ্রামিং 3.10
By (author) জাকির হোসেন
বর্তমান যুগটা তথ্যপ্রযুক্তির। ওয়েবসাইট, সার্চ ইঞ্জিন, সফটওয়্যার, ডেটা এনালাইসিস— এই শব্দগুলো এখন হয়ে গেছে আমাদের নিত্যদিনের জীবনের অংশ। এই সবই সম্ভব হচ্ছে প্রোগ্রামিংয়ের কারণে। আর প্রোগ্রামিংয়ের জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহৃত হয়। তেমনই এক প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ পাইথন। ১৯৯১-এ প্রথম রিলিজ পাওয়া এই ল্যাংগুয়েজটি বর্তমান সময়ে খুব দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রতিনিয়ত বাড়ছে এর ব্যবহার। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, পাইথন বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। পাইথনে জ্ঞান রাখা মানুষের চাহিদাও তাই বাড়ছে দিনকে দিন।
পাইথন নিঃসন্দেহে অসাধারণ একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। যে কেউ পাইথন প্রোগ্রামিং শিখে সহজে ক্যারিয়ার গড়তে পারবে। কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং করার জন্যও পাইথন দারুণ একটা ল্যাঙ্গুয়েজ। এই বইটাতে পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের মূল ধারণাগুলো খুব সহজ ভাষায় লেখা হয়েছে যেন স্কুল-কলেজ বা ইউনিভার্সিটির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগে। চেষ্টা করা হয়েছে পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের একদম প্রাথমিক বিষয়গুলো থেকে শুরু করে কিছু প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে পাঠককে ধারণা দেওয়ার। বইটি পাঠককে পাইথন সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি প্রোগ্রামিংয়ের মূল বিষয়গুলো খুব সহজে জানতে ও বুঝতে সাহায্য করবে।
পানকৌড়ির রক্ত
পানকৌড়ির রক্ত
By (author) আল মাহমুদ
ততদিন আল মাহমুদ কবি হিসেবেই খ্যাত ছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালে তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত বের হওয়ার পরপরই বাংলা সাহিত্য আরেকটি ঝাঁকুনি খায়। সমকালীন লেখক, পাঠক ও সমালোচকরা নড়েচড়ে বসেন। তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থের পানকৌড়ির রক্ত ও জলবেশ্যা তো আজতক বাংলা সাহিত্যে এক ও অদ্বিতীয়ম। অনুভূতির এমন উত্তুঙ্গতা, ঘটনার এমন অভিনবত্ব, নির্মিতির এমন চমঙ্কারিত্ব বাংলা সাহিত্য আর দেখেনি।
প্রখ্যাত কথাশিল্পী আবু রুশদ মন্তব্য করেছেন, ‘বাংলাদেশে আল মাহমুদের সমতুল্য অন্য কোনো কবির হাত থেকে এত কয়টা ভালো গল্প বেরিয়েছে বলে আমার জানা নেই। এটা তার সাহিত্যিক গুরুত্বে ঈর্ষণীয় এক মাত্রা যোগ করবে বলে আমার বিশ্বাস।
বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ স্রষ্টা আল মাহমুদের প্রথম গল্পগ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত-এর আদর্শ প্রকাশিত প্রথম সংস্করণ মাত্র এক বছরেই ফুরিয়ে যায়। দ্বিতীয় সংস্করণও পাঠকের সমান ভালোবাসা অর্জন করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
পারাবত
পারাবত
By (author) তানভীর রাফি
মানুষ অনেক সময় তার জীবনের কাছে পরাজিত অনুভব করে। এখন রাত আনুমানিক ৩টা বাজে। মাইশা তার জীবনের সকল স্বত্ত্বা দ্বারা নিজেকে একটু ভালবাসার চেষ্টা করছে। কিন্তু সে বারবার নিজের কাছে পরাজিত বোধ করছে। তাকে পরিবার, সমাজ থেকে এমন একটি বিষয়ের জন্য দোষারোপ করা হচ্ছে যার কারণ আসলে সে নয়। তাকে দোষ দেওয়া হচ্ছে কারণ সে তার জীবনের একটি ভুল সময়ে, ভুল জায়গায়, ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতোগুলো ভুলের জন্য ঘটে যাওয়া দোষে সে কোনো কারণ নয়। কিন্তু এই সমাজ খুব সহজেই তাকে দোষারোপ করতে পারছে। কারণ, সমাজের চোখে শুধু দোষটাই দেখা হয়। দোষের কারণ নিয়ে এই সমাজে এতো মাথাব্যাথা নেই।
পালিয়ে যাবার পরে
পালিয়ে যাবার পরে
By (author) আশীফ এন্তাজ রবি
আমাদের বাসার সবাই পাগল।
আমার বাবা-মা পাগল। দাদা এবং দিদা পাগল। এমনকি আমাদের বাসায় যে কাজের বুয়া কাজ করে, যার নাম নয়নের মা—তার মাথায়ও ভীষণ গোলমাল আছে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
কোন পাগলের কথা দিয়ে গল্প শুরু করব? সবচেয়ে সিনিয়র পাগলের কথাই আগে বলি। তারপর বয়সের ক্রম অনুযায়ী আগানো যাবে। কেমন?”
এ রকম পাগলামোয় ভরা একটি পরিবারের কাহিনি পালিয়ে যাবার পর।
পিতরি প্রীতিমাপন্নে
পিতরি প্রীতিমাপন্নে
By (author) রওশন আরা মুক্তা
একই ঘুড়ি বারবার উড়াই আর কাটা পড়তে দেখি; অস্বাভাবিক ফাঁকা লাগে আকাশ, কোনো দিকেই আর যখন কোনো রং চোখে পড়ে না, আবারও বারবার উড়ানোর মতো নতুন ঘুড়ি পয়দা হয়। আবারও কিছুদিন উড়াই। নাটাইয়ের ভারে যখন নুয়ে যেতে থাকি, ছুড়ে ফেলি সেটাও। ঝাড়া হাত-পা হয়ে ডানে-বামে না তাকিয়ে রাস্তায় হাঁটি। সড়ক-বিভাজনীতে পোষা প্রাণীদের জন্য রাখা খড়গুলো ডাকে, রোদের মধ্যে ঘুমাতে বলে। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে ডাব কাটা দেখি, ভেলপুরি মামার সামনের ভিড় দেখি, শাঁসসহ ডাব খাই একটা।
ডুবে যেতে থাকি প্রতিনিয়তই, তবু তলিয়ে যাই না!
পিতার চিঠি
পিতার চিঠি
By (author) নিত্য রঞ্জন পাল
সন্তানের মানসিক বিকাশে মাতাপিতার ভূমিকা অপরিসীম। কল্পনাশক্তির পূর্ণতা, সৃজনশীলতার পূর্ণাঙ্গতা, ইতিহাস-সচেতনতা, বিজ্ঞানমনস্কতা, অন্ন বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা ও স্বাস্থ্যচিন্তা , ধর্ম ও দর্শনচিন্তা, ইত্যাদি নানা বিষয়ের পরিপূর্ণ বিকাশে পিতামাতাই হতে পারে যথাযথ কাণ্ডারি।
এই বইয়ের মূল বিষয় একটু ভিন্ন আঙ্গিকে চিঠির মাধ্যমে পুত্রকে উপদেশ প্রদান। এখানে একজন পিতা তার পুত্রকে নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ধাপে ধাপে পত্রের মাধ্যমে। প্রতিটি পত্রে রয়েছে এক একটি ছোট ছোট বিষয়ের বর্ণনা, যা একজন পাঠকের মনে চিন্তার খোরাক জোগাবে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এটি পড়ে নিজ জীবনে প্রয়োগের মাধ্যমে হয়ে উঠতে পারবে উন্নত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা বই বলতে পাঠ্যপুস্তক বা গল্প-কবিতার বইকে বুঝি। কোনো কোনো পিতামাতা সন্তানকে কেবলমাত্র নিজেদের পছন্দের গ্রন্থ পাঠে বাধ্য করেন, যা যথার্থ নয়। নতুন প্রজন্মের অনুসন্ধিৎসু মনকে ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান সবকিছুই জানতে দেওয়া উচিত। বর্তমানকালের এই জটিল সময়ে সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে সন্তানের অবস্থানকে দৃঢ় করতে প্রয়োজন বহুমুখী চিন্তাভাবনার দ্বার উন্মোচনের।
আমাদের বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম যাতে লেখাপড়ার পাশাপাশি দক্ষ, যোগ্য ও আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারে এবং দেশ ও জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে, সেসব দিকনির্দেশনাই দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থে।
পিথাগোরাসের পাঠশালা
পিথাগোরাসের পাঠশালা
By (author) মোহাম্মদ কায়েস
বইটি মূলত গণিতবিদ পিথাগোরাসের বর্ণাঢ্য জীবন ও তার চিন্তাধারা নিয়ে লেখা। পিথাগোরাস কে ছিলেন? গণিতবিদ, দার্শনিক, নাকি একটি কাল্পনিক চরিত্র। পিথাগোরাস যদিও গণিতবিদ হিসেবে পরিচিত, গণিত ছাড়াও তিনি ছিলেন সংগীতস্রষ্টা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষক, আবার আধ্যাত্মিক গুরুও। বার্ট্রান্ড রাসেল পিথাগোরাস সম্পর্কে বলেন, ‘অসাধারণ মেধাবীদের একজন, যিনি বিচক্ষণতা ও অবিচক্ষণতা উভয় ক্ষেত্রেই সমান গুরুত্বপূর্ণ।’ অর্থাৎ জ্ঞানী পিথাগোরাসের মাঝে বাস করতেন আরেকজন বোকা পিথাগোরাস। বাংলা ভাষায় পিথাগোরাসকে নিয়ে আংশিক আলোচনা হলেও সম্পূর্ণ একটি বই লেখা হয়নি। অথচ শুধু সংখ্যা নিয়ে কত মজার মজার চিন্তায় না তিনি করেছিলেন। গাণিতিক চিন্তার মতো তার জীবনও কম রহস্যময় নয়। আশাকরি এই বইয়ের মাধ্যমে পাঠক অন্য এক পিথাগোরাসের দেখা পাবেন। হতে পারে এটিই বাংলা ভাষায় রচিত পিথাগোরাসের প্রথম জীবনী।
পুরুষ
পুরুষ
By (author) রোকেয়া লিটা
হোস্টেল জীবন, অনেকটা শাষন-বারণ বিহীন জীবন। তার উপর যদি থাকে পারিবারিক টানাপোড়েন, তাহলে তো কথাই নেই। ভুল পথে পা বাড়ানোর জন্য একটি মেয়ের জীবনে এ দুটো কারনই যথেষ্ট। তেমনই একটি মেয়ে মৃদুলা। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একটা বড় সময় কাটিয়েছে সে আজিমপুরের ছাপড়া মসজিদ কলোনি আর নীলক্ষেতের মহিলা হোস্টেলে। মফস্বল থেকে আসা এই মেয়েটির পরিবারবিহীন জীবনে সাবলেট বা হোস্টেলের বান্ধবীরাই সবচেয়ে কাছের মানুষ। হঠাৎ মৃদুলার উপরে ভর করে প্রেম। ক্লাসমেট-রুমমেটদের উপুর্যপুরি ঠাট্টা আর রসিকতায় সেই প্রেম আরও গভীরে চলে যায়। অল্পদিনের মধ্যেই মৃদুলা টের পায়, তার প্রেমিক ভীষণ কপট একজন পুরুষ। দুদিন পরপরই সে প্রেমিকা বদল করে। কিন্তু, আশ্চর্য্যজনকভাবে এই কপট পুরুষটি মৃদুলার মনের একটা বিশাল জায়গা দখল করে নেয়। বারবার মৃদুলাকে ছেড়ে সে অন্য প্রেমিকাদের কাছে চলে গেলেও, ঠিকই মৃদুলা তাকে আবার আপন করে নেয়। অবশ্য, কপট এই পুরুষটিকে প্রশ্রয় দেয়ার চরম শিক্ষাও পায় মৃদুলা। এই উপন্যাসটিতে উঠে এসেছে একাধিক পুরুষ চরিত্র। কখনও সে পুরুষটি মৃদুলার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসমেট, কখনও সে পুরুষটি মৃদুলার প্রেমিক, আবার কখনও সে পুরুষটি মৃদুলার কোনো রুমমটের ভাই অথবা প্রেমিক, কখনও বা সে পুরুষটি মৃদুলার প্রেমিকের বন্ধু। এই পুরুষ চরিত্রগুলোর ব্যবচ্ছেদ করাই উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলেও, গল্পের ফাঁকে ফাঁকে উঠে এসেছে মেয়েদের সাবলেট বা হোস্টেল জীবনের নানান ঘটনা, এসেছে হিন্দু-মুসলমানের প্রেম নিয়ে নানা জটিলতাও। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে, গল্পে গল্পে নারীর চোখে পুরুষকে দেখার একাধিক প্রয়াস চালিয়েছেন উপন্যাসটির রচয়িতা।
পুরুষতন্ত্র ও নারী
পুরুষতন্ত্র ও নারী
By (author) ফরহাদ মজহার, ফরিদা আখতার
নারী প্রশ্নে আধুনিককালেও খুব প্রাচীন একটি লড়াই চলছে। ক্ষমতা, সমাজ ও ইতিহাসের সুনির্দিষ্ট অবস্থা থেকে নারীকে বিচ্ছিন্ন অনুমান করেই সাধারণত ‘নারী’ নিয়ে ভাবাভাবি হয়। ফলে নারী সমাজ বা ইতিহাসের কোনো সত্তা না হয়ে স্রেফ শরীর হয়ে ওঠে। তখন নারীবাদ পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতা বা সম্পর্কের পর্যালোচনা বা বিরোধিতা নয়, হয়ে ওঠে বায়োলজিক্যাল পুরুষের বিরুদ্ধে বায়োলজিক্যাল নারীর বিদ্রোহ। ক্ষেত্রবিশেষে সেই বিদ্রোহ ব্যক্তি পুরুষের পর্যায়ে ন্যায্য হলেও, পুরুষতন্ত্র ও ক্ষমতার প্রশ্ন আমাদের পর্যালোচনার বাইরে থেকে যায়।
পুরুষতন্ত্রের গোড়া উপড়ে ফেলা যাদের চিন্তা ও কাজের গোড়ায় থাকে, সাধারণত তারা ‘নারীবাদী’ নামে পরিচিত। কিন্তু নারীবাদ শুধু নারীর মুক্তির কথা বলে না, পুরুষতান্ত্রিক নিগড় থেকে সবার মুক্তির কথা বলে। অতএব, এটাও পরিষ্কার থাকা চাই যে পুরুষতন্ত্রের মোকাবিলা স্রেফ নারীর জিজ্ঞাসা নয়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে পুরো সমাজেরই জিজ্ঞাসা।
নারী প্রশ্নে একটি সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা ও পাশ্চাত্য নারীবাদী চিন্তা এবং চাপিয়ে দেওয়া উন্নয়ন নীতির বিপরীতে ভিন্নভাবে ভাবার তাগিদ থেকেই লেখা এই বই—পুরুষতন্ত্র ও নারী।
পূর্ব বাংলার ফটোগ্রাফি
পূর্ব বাংলার ফটোগ্রাফি
By (author) নাসির আলী মামুন
গোলাম কাসেম ড্যাডির জন্ম ১৮৯৪ সালের ৫ নভেম্বর, ভারতের জলপাইগুড়িতে। বাংলাদেশের প্রবীণতম আলোকচিত্রী ও প্রথম বাঙালি মুসলমান ছোটগল্পকার। জন্মের কয়েক ঘণ্টা পরেই তার মায়ের মৃত্যু হয়। হাওড়া থেকে ১৯১২ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে আইএ। ১৯১৫ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগদানের কারণে লেখাপড়া সমাপ্ত হয়ে যায়। ১৯১৯ সালে সাব-রেজিস্ট্রার পদে যোগদান করেন। ফটোগ্রাফিতে হাতেখড়ি হয় ১৯১২ সালে। পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম ফটোগ্রাফি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘ট্রপিক্যাল ইনস্টিটিউট অব ফটোগ্রাফি’ প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৫১ সালে। ফটোগ্রাফি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি মাত্র দুই বছর চালু ছিল। ১৯৬৩ সালে ‘ক্যামেরা রিক্রিয়েশন ক্লাব’ নামে একটি ফটোগ্রাফি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। তার লেখা ছোটগল্প সওগাত পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হতো। পরবর্তী সময়ে আলোকচিত্র নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ছোটগল্পের আলাদা কোনো বই প্রকাশ করতে পারেননি। তবে ফটোগ্রাফি নিয়ে লিখেছেন একাধিক বই। যার মধ্যে রয়েছে ১৯৭১ সালে প্রকাশিত ক্যামেরা, ১৯৮৬ সালে ক্যামেরা রিক্রিয়েশন ক্লাব কর্তৃক প্রকাশিত এক নজরে ফটোগ্রাফী এবং ২০০২ সালে পাঠশালা দৃক কর্তৃক প্রকাশিত সহজ আলোকচিত্ৰণ। সম্মানসূচক ফেলো বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটি, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ফটোগ্রাফিক কাউন্সিল (ফটোগ্রাফি), নাসিরউদ্দিন স্বর্ণপদক (সাহিত্য) অর্জন করেন। ৯ জানুয়ারি ১৯৯৮ সালে ১০৩ বছর বয়সে তিনি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। এই বাংলার ফটোগ্রাফির ইতিহাস পরিপূর্ণভাবে রচনার ক্ষেত্রে তিনি আমাদের কালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলোকচিত্রশিল্পী।
বাংলা ভাষায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফটোগ্রাফির বই বলে আমরা বিশ্বাস করি।