নির্বাচিত কবিতা : হাবীবুল্লাহ সিরাজী
নির্বাচিত কবিতা
By (author) হাবীবুল্লাহ সিরাজী
কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজীর কবিতাজুড়ে চলে দ্বিরুক্তিবদাভাস, শ্লেষ ও কূটাভাসের খেলা। পরিচিত পরিমণ্ডলের বাইরে থেকেও তিনি নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে আহরণ করেন উপমা, উৎপ্রেক্ষা ও রূপক— মিথ ও মেটাফর। পৃথিবীটা একটা ভেল্কিবাজি, তিন তাসের খেলা। শেষমেশ ‘স্বপ্নহীনতার পক্ষে’ কবিকে দাঁড়াতে হয়। হাবীবুল্লাহ সিরাজী স্বপ্নহীনতার জগতে স্বপ্নহীন স্বপ্নের কবি।
এই সংকলনের জন্য হাবীবুল্লাহ সিরাজীর প্রতিটি কাব্যগ্রন্থ থেকেই কবিতা নেয়া হয়েছে। সংকলনটিকে প্রতিনিধিত্বশীল করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছে। গ্রন্থগুলোর প্রকাশকাল ও ধারাক্রমের দ্বারা পাঠক সহজেই কবির বিকাশের পর্যায়টি অনুভব করতে পারবেন।
নির্বাচিত কবিতা: জীবনানন্দ দাশ
নির্বাচিত কবিতা: জীবনানন্দ দাশ
By (author) জীবনানন্দ দাশ
কল্লোল যুগের কবিরা রবীন্দ্রপ্রভাব নস্যাতের সাধনা ও সিদ্ধিতে সন্তুষ্ট ছিলেন বলেই সম্ভবত সমকালীন বাঙলা কবিতায় আধুনিকতা আংশিকতায় আবর্তিত হয়েছে। সেই জের এখনও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি বলে মনে হয়। এই আলাপের বাইরে জীবনানন্দের কীর্তি অপেক্ষাকৃত তুঙ্গস্পর্শী, তার আধুনিক চিত্তবৃত্তিতে যোগ হয়েছে ব্যতিক্রমী এক কম্পোজিশন, যাতে ক্লাসিক্যাল, রোম্যান্টিক, অ্যান্টি-রোম্যান্টিক, রিয়্যালিস্ট, অধিবাস্তবতাবাদী, উত্তরাধুনিক চৈতন্য ইত্যাদির সমন্বয় দেখা যায়। পরস্পরবিরোধী এইসব দৃষ্টিভঙ্গির সমবেত প্রয়োগের ফলে সৃষ্টি হয় রহস্যঘন জটিলতা ও নান্দনিক বিপর্যয়। তাতে এক আপেক্ষিক জগতের উদ্ভাসন ঘটে, যা একান্তই জীবনানন্দীয়।
নির্বাচিত গল্প সংকলন
নির্বাচিত গল্প সংকলন
By (author) আদর্শ
আদর্শ গল্প সংকলন ২০২১-এ আছে ৩০ জন লেখকের সমকালীন ৩০টি গল্প। যে গল্পগুলোয় আছে প্রেম, রহস্য, ক্ষুধা ও জীবন বোধের বয়ান। যেহেতু এই সংকলনের লেখকদের অধিকাংশই নতুন, তাই তাদের ভাষা, শৈলী ও চিন্তা নতুন দিনের নতুন গল্পের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েন, সামগ্রিক বিশ্বাসহীনতা ও শূন্যতা, আস্থার সংকট ও আশ্রয়হীনতা সত্ত্বেও মানুষ স্বপ্ন দেখে— এ সত্য উচ্চারিত হয়েছে এসব গল্পে। বাস্তবতার বয়ান তবে একটানে উঠিয়ে নিয়ে যায় পরাবাস্তবে; সে আরেক জগত, যেখানে চরিত্রগুলো সামনেই খেলা করে, কখনো কখনো পাঠক নিজেকেই আবিষ্কার করেন চরিত্রের মাঝে।
তরুণ ৩০ জন লেখকের লেখনীতে সমাজের টুকরো টুকরো যেরূপ সাহিত্যের আয়নায় উঠে এসেছে, তা নিঃসন্দেহে পাঠককে কল্পনার জগতে এক পরিপূর্ণ দুনিয়ার খোঁজ দেবে: যে দুনিয়া একইসঙ্গে স্বার্থপর ও মায়াময়।
নির্বাচিত ছড়া : আনজীর লিটন
নির্বাচিত ছড়া
By (author) আনজীর লিটন
: নাম কী ঋতুর?
: বর্ষা
ভেজা ভেজা পাতার বুকে
বৃষ্টি জমে দারুণ সুখে
একটুখানি আড়াল পেতে
একটা ছাতাই ভরসা
আহা! বর্ষা আমার বর্ষা।
এমনই সব মনরাঙানো ছড়া দিয়ে সাজানো হয়েছে ঋতুর কথা, মায়ের কথা, বন্ধুর কথা, দেশের কথা। বক্তব্য, ছন্দ, উপমা, শৈল্পিকতা ও উপস্থাপনরীতির নান্দনিকতায় যুক্ত হয়েছে নতুন মাত্রা। শিশু-কিশোরদের মনোজগতে ঘুরে বেড়ানো দৃশ্যকল্পের বর্ণিল আয়োজন নিয়ে এই গ্রন্থ— নির্বাচিত ছড়া।
নীল ঘোড়ার খেলা
নীল ঘোড়ার খেলা
By (author) আনজীর লিটন
একদিকে রূপকথার রাজ্য। অন্যদিকে ভার্চুয়াল পৃথিবী। একদিকে ডালিম কুমার, বেলুন পাহাড়, হাউ মাউ খাউ বলা রাক্ষস, পরীর দল এবং জালুয়া হাওড়ের ডাকাত সর্দার হালুয়া। অন্যদিকে বিজ্ঞানী, সফটওয়্যার, ট্যাব, ভিডিও গেম। ওদিকে আঘাত হেনেছে কারোনাভাইরাস। চলছে লকডাউন। এমনই এক দুঃসময়ে ঘরবন্দী নাভিদ রূপকথার নীল ঘোড়ায় চড়ে চলে যায় অজানা রাজ্যে। দুধের সাগর আর ক্ষীর নদী পেরিয়ে ভার্চুয়াল পৃথিবীর জন্য তৈরি করে নীল ঘোড়ার খেলা। কে জিতবে এ খেলায়? উত্তর জানাতে চলছে জুম মিটিং।
নীলখাতা
নীলখাতা
By (author) শেহজাদ নাঈম খান তূর্য্য
“চিঠিটাকে একটা ইট দিয়ে মুড়িয়ে রিমির দিকে ছুড়ে মারলাম। ঠিক সেই মুহূর্তেই রিমির মা ছাদে এসে হাজির। মরার আর জায়গা পাইল না, চিঠিটা ওনার পায়ের সামনে গিয়েই পড়ল। আমি হাঁ করে ওনার দিকে চেয়ে আছি। রিমি মুখে হাত দিয়ে আমার দিকে চেয়ে আছে আর উনি মাটির থেকে চিঠিটা উঠিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে চিঠিটা খুলছেন।”
এমন অসংখ্য ঘটনায় নীল হয়ে যাওয়া শেহজাদ নাঈম খান তূর্য্যের নীলখাতা।
পড়ো পড়ো পড়ো
পড়ো পড়ো পড়ো
By (author) Munir Hasan
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতিকে জোর-জবরদস্তি করে সরিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন জেনারেল এরশাদ। লেখক তার ঠিক দুই দিন আগে এসএসসির শেষ লিখিত পরীক্ষা দেন।
১৯৯০ সালের ৩ ডিসেম্বর নিশ্চিত হয় স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিদায়। এর কিছুদিন পরই শেষ হয় লেখকের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবন।
বিশ্ববিদ্যালয়-জীবনের পুরো সময়টা জুড়ে লেখক নিজেকে সন্ধান করে ফিরেছেন। কখনো মিছিলে, কখনো আকাশ দেখায় কিংবা কখনো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লাইব্রেরিতে।
সময়টা ছিল বাংলাদেশের জন্য ক্রান্তিকাল। সেই সময়ে বাংলাদেশে পোশাকশিল্পের বিকাশ শুরু হয়। সেই বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় দেশে পুঁজির গঠন। ফলে অনুমতি দেওয়া হয় বেসরকারি ব্যাংকের। আর এর বিকাশের জন্য চালু হয় আইবিএ। এভাবেই আমাদের সমাজে এক নতুন পরিবর্তন সূচিত হয়।
এরশাদ আমলের বেশির ভাগ সময় ছাত্রদের কেটেছে রাজপথে, গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। আর ঠিক সে সময়ে রাস্তা থেকে রাস্তায়, লাইব্রেরি থেকে লাইব্রেরিতে পড়ার জন্য ঘুরে বেড়াতেন লেখক। কখনো রাতের নাশতার টাকা বাঁচিয়ে, কখনো রিকশার খরচ বাঁচিয়ে নিজের একটা জগৎ বানানোর চেষ্টা করেছেন মুনির হাসান।
এ বইটা তার নিজেকে খুঁজে ফেরার প্রথম পর্ব— আত্মানুসন্ধানের কাহিনি।
পরদেশি কবিতা
পরদেশি কবিতা
By (author) মজিদ মাহমুদ
অনূদিত কবিতাগুলোর সম্ভাবনা অনেক দিক থেকে পরীক্ষা করা হয়েছে, এগুলো কালজয়ী সাহিত্যের অংশ। তিন মহাদেশের কবিতাই এই সংকলনে মূদ্রিত হয়েছে, কোনো কোনো কবিতা এক হাজার বছর ধরে বিশ্ব-সাহিত্যের পাঠের তালিকায় যুক্ত হয়ে আছে। কিছু কবিতার অনুবাদ আগেও বাংলা ভাষায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে হয়তো; কিন্তু অন্য কোনো অনুবাদের সঙ্গে এর সম্পর্ক বিরল। অধিকাংশ কবিতাই বাংলা ভাষার নিজস্ব ছন্দ ও অনুবাদকের বাচনশৈলীর সঙ্গে যুক্ত। কবিতাগুলো মূলের সর্বাধিক নিকটতর হয়েও অনুবাদের দাসত্ব থেকে মুক্ত। পাশ্চাত্যের কবিতার পাশাপাশি ক্ল্যাসিক যুগের প্রাচ্যের কবিতার সংখ্যাও কম নয়। চীনা ভাষার কবিতা, সন্ত কবীরের দোঁহা, ওয়েস্ট ল্যান্ড আলাদা বই হতে পারত। এই বইয়ের কবিতাগুলো তার নিজস্ব গুণে বিবর্তন ও রূপান্তরের মধ্য দিয়ে বাংলা কাব্যপাঠকের হৃদয় স্পর্শ করতে পারবে বলে মনে হয়
পরিবর্তন (ওশো)
পরিবর্তন (ওশো)
By (author) নাজিউর নাঈম
এই বইয়ে ওশোর মূল চিন্তাভাবনা, ধারণা ও দর্শনের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। বর্তমান যুগের সমস্যা ও আগামী ভবিষ্যতের সংকটগুলোর ভিত্তিতে এই বইয়ের আলোচ্য বিষয়গুলোর অবতারণা করেছেন ওশো। আসন্ন ভবিষ্যতের সংকট প্রসঙ্গে অনেকেই তার কাছে নানা ধরনের প্রশ্ন করেছেন। ওশো সেগুলোর যথাযথ ও বোধগম্য উত্তর দিয়েছেন। আর সে-সকল উত্তরের জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেষণ রয়েছে এই বইয়ে।
পরিসংখ্যানে হাতেখড়ি
পরিসংখ্যানে হাতেখড়ি
By (author) এনায়েতুর রহিম
বিদেশের বিশ্ববিদ্যা লয়গুলোতে পরিসংখ্যারন একটি ভীতিকর কিন্তু অত্য ন্ত দামি একটি সাবজেক্ট। আর বাংলাদেশে পরিসংখ্যা ন একটা অবহেলিত বিষয়। এতই অবহেলিত যে পরিসংখ্যা ন কত কঠিন বা সহজ, সেটি নিয়ে তেমন কিছু খুব একটা শোনা যায় না। তবে একটি বিষয় সবাই স্বীকার করে যে ছাত্রাবস্থায় পরিসংখ্যাহন যতই কঠিন আর খারাপ লাগুক না কেন কর্মক্ষেত্রে গিয়ে অনেকেই পরিসংখ্যারনের গুরুত্ব বুঝতে পারেন। আর পরিসংখ্যাআনের মজাটা এখানেই।
আমাদের দেশে পরিসংখ্যারনের বইগুলো গতানুগতিক পাঠ্যযবইয়ের মতো। ইংরেজি ভাষায় পাঠ্য বইয়ের বাইরেও পরিসংখ্যাশন নিয়ে নানা রকম বই আছে। কিন্তু বাংলায় সে রকম কোনো বই আছে বলে আমার জানা নেই। পরিসংখ্যাশনকে একাডেমিক শিক্ষাধারার বাইরে থেকে যারা শিখতে চান, তাদের উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে পরিসংখ্যাশনের বিষয়গুলোকে এই বইয়ে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।
বইটি একাডেমিক কাজে ব্য বহারের উদ্দেশ্যে লেখা হয়নি। আর পরিসংখ্যা নের সব বিষয়ও এত ছোট পরিসরে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। কেবল মৌলিক কিছু ধারণা ভিন্নমাত্রায় উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পরিসংখ্যা নে হাতে খড়ি দেওয়ার মতোই। যারা পরিসংখ্যাছনের কিছুই জানেন না কিন্তু জানার আগ্রহ আছে, তাদের জন্যা বইটি কাজে দেবে আশা করছি।