দুর্মর পাইলট
দুর্মর পাইলট
By (author) রাহাত রাস্তি
সময় ১৯৫৬। মতিউর পড়তে যাবেন পশ্চিম পাকিস্তান বিমানবাহিনী স্কুলে। প্রথমবারের মতো আমাদের দুর্মর পাইলট চড়বেন বিমানে। জড় প্লেন সি-১৩৩ জানে না, কাকে নিয়ে টেকঅফ করবে আজ এই শেষরাতে!
মতিউরের এই উড়াল একটি নতুন ইতিহাসের জয়যাত্রার দিকে। যেখানে শত বছরের পুরোনো কাজলদীঘিতে ফুটবে টকটকে লাল শাপলা। জয়ের জন্য মুখিয়ে থাকা জাতির হাতে সোনালি বিকেলে ধরা দেবে স্বাধীনতার অনন্য ফুল।
শত্রুর ঘাঁটিতে ফেলে আসা প্রিয়মুখ মাহীন, তুহিন, মিলি। জীবন বাজি রাখা এক অবিশ্বাস্য পরিকল্পনা। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য এক রুদ্ধশ্বাস অভিযান। উত্তেজনার পারদের বারংবার ওঠানামা। ভয়ংকর রোমাঞ্চকর এক যাত্রা। আর মাত্র মিনিট দুইয়ের দূরত্ব!
দুর্মর পাইলট সেই রুদ্ধশ্বাস ও গতিময় সময়ের উপাখ্যান।
দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল এন্ট্রাপ্রেনার
দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল এন্ট্রাপ্রেনার
By (author) হিমালয় পাই
একজন ব্যক্তি ৬৫০-এর অধিক কর্মীর এক কোম্পানি চালাচ্ছেন, অথচ প্রতিনিয়ত মনে করেন তার এন্ট্রাপ্রেনার হওয়াটা নিছক দুর্ঘটনা। সুতরাং, দুর্ঘটনার একটা ম্যাপিং হয়ে যাক।
রাইসুল কবির নামটাই এমন যে, প্রতি জেলায় খুঁজলেই এই নামে প্রায় জনা পঞ্চাশেক মানুষ পাওয়া যাবে। তবে আপনি যদি আইটি ইন্ডাস্ট্রির খবরাখবর রাখেন, ‘ব্রেইনস্টেশন-২৩’ নামটি আপনার মনে দ্যোতনা সৃষ্টি করতে পারে। কখনো ইচ্ছা জাগতেও পারে এর সিইও কীভাবে চিন্তা করেন তা জানার। তখন রাইসুল কবির নামটা আপনাকে সারা দেশ নয়, একটি সুনির্দিষ্ট গন্তব্যমুখে ধাবিত করবে।
দ্য বেস্ট ওয়ার স্টোরিজ
দ্য বেস্ট ওয়ার স্টোরিজ
By (author) মেজর মোঃ দেলোয়ার হোসেন (ডেল এইচ খান)
যুদ্ধ অশুভ, অপ্রিয় আর বিধ্বংসী হলেও, যুদ্ধ অনিবার্য এক বাস্তবতা, আর অমোঘ এক ভবিতব্য। মানুষ বরাবরই যুদ্ধকে না বলেছে, অথচ যুদ্ধ এড়ানো যায়নি। যুদ্ধ বারবার ফিরে আসে আর ইতিহাসের গতিপথ পাল্টে দিয়ে যায়। হয়তো সে কারণেই যুদ্ধের প্রতি আমাদের কৌতূহল আর আগ্রহ এতটাই সহজাত।
অথচ যুদ্ধ মানে কিন্তু স্রেফ লড়াই আর বীরত্বের গল্পই নয়। যুদ্ধ মানে সেনা দলের দ্বৈরথের পাশাপাশি প্রিয়জন হারানোর কান্না, নিঃস্বদের হাহাকার, যুদ্ধবন্দীর গ্লানি আর বিজেতাদের গল্প। ‘দ্য বেস্ট ওয়ার স্টোরিজ’ তেমনি কিছু লড়াই আর লড়াইয়ের বাইরের গল্প নিয়ে গড়া সংকলন। বিশ্বখ্যাত লেখকদের চোখে যুদ্ধের ভয়াবহতা আর নৃশংশতাকে অবলোকন, আর তাদের জবানিতে যুদ্ধের ‘টার্ন আর টুইস্ট’-এর মনোমুগ্ধকর বয়ান।
নন-মার্কেটারদের জন্য মার্কেটিং
নন-মার্কেটারদের জন্য মার্কেটিং
By (author) প্রলয় হাসান
বাংলা ভাষায় দেশীয় মার্কেটিংয়ের কেস স্টাডিভিত্তিক বই বাজারে নেই বললেই চলে। ‘নন-মার্কেটারদের জন্য মার্কেটিং’ বইটি এত দিনে সে অভাব পূরণ করবে কিছুটা হলেও।
হালাল মার্কেটিং, চা-মার্কেটিংয়ের ঐতিহাসিক আখ্যান, অনলাইনভিত্তিক একটা সম্ভাবনাময় মার্কেটপ্লেসের রাতারাতি নিশ্চিহ্ন হওয়ার কারণ অন্বেষণ, গেরিলা মার্কেটিংয়ের আদলে গড়ে ওঠা দুই ভিনদেশি বার্গার জায়ান্টের স্ট্র্যাটেজিক দ্বন্দ্ব, কোমল পানীয়কে ঘিরে ভারতীয় উপমহাদশীয় শ্বাসরুদ্ধকর যুদ্ধের খোঁজ (কোলা ওয়ার), অসন্তুষ্ট গ্রাহক দ্বারা এক এয়ারলাইনস কোম্পানির ১৮০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি— এ ধরনের ইন্টারেস্টিং কিছু কেস স্টাডি বইটিতে স্থান পেয়েছে।
মার্কেটিং বিষয়ে শূন্য ধারণা রাখা ব্যক্তি থেকে শুরু করে তুলনামূলক কম অভিজ্ঞ কিংবা একেবারেই অনভিজ্ঞ মার্কেটারদের জন্যই বইটি রচিত।
নন্দিত শিক্ষক ড. এম. এ. সাত্তার মণ্ডল
নন্দিত শিক্ষক ড. এম. এ. সাত্তার মণ্ডল
By (author) ড. আতিউর রহমান
প্রফেসর ড. এম. এ. সাত্তার মণ্ডল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং প্রথম ইমেরিটাস প্রফেসর। তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষক, গবেষক ও পরিকল্পনাবিদ। প্রফেসর মণ্ডল একজন কিংবদন্তি শিক্ষক, আমাদের সবার শিক্ষাগুরু, অনুকরণীয় রোল মডেল। পাণ্ডিত্য, কর্তব্যবোধ ও শৃঙ্খলাপরায়ণতা তাঁকে অনন্য শিক্ষকের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। ‘নন্দিত শিক্ষক’ বইয়ে স্যারের ছাত্র ও শুভানুধ্যায়ীগণ মন খুলে লিখেছেন তাঁর পঁচাত্তর বছর বয়স পূর্তি উপলক্ষ্যে। তাঁরা ক্লাসরুম, গবেষণা ও কর্মজীবনের বিচিত্র সব স্মৃতিকথায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। শিক্ষকতা ও গবেষণার পাশাপাশি উপাচার্য হিসাবেও স্যার সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। প্রফেসর মণ্ডল শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভের অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনা দিয়ে চলেছেন। একজন আদর্শ শিক্ষকের শক্তি যে তার সততা, কর্তব্যপরায়ণতা ও নিরপেক্ষতা তা স্যারের পথচলার প্রতিটি পর্যায়ে স্পষ্ট প্রতিফলিত হয়েছে। একজন শিক্ষকের আদর্শ শিক্ষক হয়ে ওঠার মূলমন্ত্র বইয়ের লেখাগুলোতে বিধৃত হয়েছে। আমি স্যারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বইটির বহুল পাঠ কামনা করছি।
প্রফেসর ড. এমদাদুল হক চৌধুরী
উপাচার্য
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
নবীজি (সা.)
নবীজি (সা.)
By (author) নীলা হারুন
আবদুল মুত্তালিব দুটি কারণে আনন্দিত। প্রথমটি আবাবিল বাহিনীর হাতে আবরাহা বাহিনীর পরাজয়, দ্বিতীয়টি পুত্রবধূ আমেনার সন্তানসম্ভবা হবার সংবাদ। কিন্তু তাঁর আনন্দ ম্লান করে দিয়ে হঠাৎ মৃত্যুবরণ করলেন আদরের পুত্র আবদুল্লাহ।
শোকার্ত আমেনার কোল আলো করে পৃথিবীতে এল এক শিশু। স্বপ্নাদেশ অনুযায়ী তার নাম রাখা হলো মুহাম্মদ। দুধ-মা হালিমা অচিরেই বুঝতে পারলেন এ শিশু সাধারণ কোনো শিশু নয়।
মা আমেনা মারা গেলেন। শিশুপৌত্রকে পরম আদরে কোলে তুলে নিলেন আবদুল মুত্তালিব। কিন্তু পৃথিবীতে তাঁরও সময় ফুরিয়ে এল। বালক মুহাম্মদের দায়িত্ব নিলেন চাচা আবু তালিব।
আবু তালিবের সঙ্গে সিরিয়া গেলেন বালক মুহাম্মদ। খ্রিষ্টান পাদ্রী বুহাইরা বালক মুহাম্মদকে দেখেই বুঝতে পারলেন তাঁর অপেক্ষার অবসান হয়েছে। আবু তালিবকে তিনি সতর্ক করে দিলেন—এই বালককে সাবধানে আগলে রাখতে হবে। তাঁর যে অনেক শত্রু।
শত্রুপরিবেষ্টিত হয়েই বেড়ে উঠলেন যুবক মুহাম্মদ। অথচ মক্কার বাতাসে তাঁর সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে সুবাসের মতো। সেই সুবাসে মুগ্ধ হয়ে যুবক মুহাম্মদকে ব্যবসার দায়িত্ব দিলেন বিবি খাদিজা। যুবক মুহাম্মদের সুখ্যাতি আর্দ্র করল বিবি খাদিজার হৃদয়। বিয়ে হলো এই দুজনের।
যুবক মুহাম্মদের মনে জন্ম নিল নানা প্রশ্ন। সেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তিনি ধ্যানে বসলেন পাহাড়ের নির্জনতায়। কীভাবে তিনি তাঁর উত্তর খুঁজে পেলেন?