গণিতের রঙ্গে: হাসিখুশি গণিত
গণিতের রঙ্গে: হাসিখুশি গণিত
By (author) চমক হাসান
এই বইটি যতটা জ্ঞানের তার চেয়ে বেশি আনন্দের, চিন্তার-আনন্দের। লেখক মনে করেন, গণিত পৃথিবীর সবচেয়ে মজার বিষয়। অনেক মানুষ এটাকে ভয় পায় কারণ মজার অংশগুলো তাদের জানানো হয় না।
কেমন অদ্ভুত ছিল গণিতবিদদের জীবন? আসলে কে আবিষ্কার করেছিল পিথাগোরাসের উপপাদ্য? কিভাবে মাথায় এল আইডিয়াটা? তিন মেয়ের সমস্যাটা কী ছিল? মাথায় চুলের সংখ্যা কত? অনন্ত জলিল গণিত নিয়ে সিনেমা বানালে কী সংলাপ বলতেন? এমন মজার সব চিন্তা, সমস্যা আর গল্প নিয়েই গণিতের রঙ্গে: হাসিখুশি গণিত।
গণিতের স্বপ্নযাত্রা: আর্ট অব প্রবলেম সলভিং
গণিতের স্বপ্নযাত্রা: আর্ট অব প্রবলেম সলভিং
By (author) আহমেদ জাওয়াদ চৌধুরী, তামজীদ মোর্শেদ রুবাব
২০১৮—আমাদের দেশের জন্য দারুণ গর্বের একটি বছর। এ বছর আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে প্রথম স্বর্ণপদকের দেখা মেলে বাংলাদেশের। যে ছেলেমেয়েরা আমাদের জন্য এত বড় গর্ব বয়ে এনেছিল, সেই দলের দুজন মিলে একটি বই লিখেছে—এ ব্যাপারটি আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। এ যেন সরাসরি সেরাদের কাছ থেকে শেখার মতো একটি বিষয়। আমাদের চিরাচরিত পাঠ্যক্রমের গণিত থেকে গণিত অলিম্পিয়াডের গণিত কিন্তু আলাদা। আমাদের পাঠ্যবইয়ের গণিতগুলো মূলত অনুশীলনী আর অলিম্পিয়াডের গণিতে থাকে সমস্যা! খটকা লাগছে কি?
গণিতের অনুশীলনী আর সমস্যা কিন্তু এক বিষয় নয়। লেখকদের ভাষায় ‘অনুশীলনী করতে হয় হাত দিয়ে, আর সমস্যার সমাধান করতে হয় মাথা দিয়ে’। নিয়মগুলো জানা আছে, টানা অঙ্ক করে গেলেই সমাধান হয়ে যাবে—এমন ব্যাপারগুলো হলো অনুশীলনী। আর নিয়মটা কী হবে এটাই যখন আরেকটা চিন্তার বিষয়, তখন সেটাকে বলা যায় সমস্যা। বোঝাই যাচ্ছে ব্যাপারটা মোটেও সহজ কিছু নয়। আর এ কারণেই যখন নানান চিন্তার পর সমাধানের পথটা মিলে যায়, সেই আনন্দের অনুভূতিটাও স্বর্গীয়! সমস্যা সমাধানের কোনো একক সূত্র নেই, আছে শুধু কিছু কৌশল। এমন অনেক কৌশল নিয়েই এ বইটি। নানান রকম মজার উদাহরণ আর গল্প দিয়ে এসব কৌশল চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছে স্নেহভাজন জাওয়াদ ও রুবাব। বইটি গণিতপ্রেমী ছাত্রছাত্রীর কাছে পৌঁছে যাক—মানুষের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকশিত হোক—শুভকামনা রইল।
চমক হাসান
গণিতের স্বপ্নযাত্রা: গণিত অলিম্পিয়াডে প্রথম ধাপ
গণিতের স্বপ্নযাত্রা: গণিত অলিম্পিয়াডে প্রথম ধাপ
By (author) আহমেদ জাওয়াদ চৌধুরী, তামজীদ মোর্শেদ রুবাব
২০১৮—আমাদের দেশের জন্য দারুণ গর্বের একটি বছর। এ বছর আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে প্রথম স্বর্ণপদকের দেখা মেলে বাংলাদেশের। যে ছেলেমেয়েরা আমাদের জন্য এত বড় গর্ব বয়ে এনেছিল, সেই দলের দুজন মিলে একটি বই লিখেছে—এ ব্যাপারটি আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। এ যেন সরাসরি সেরাদের কাছ থেকে শেখার মতো একটি বিষয়। আমাদের চিরাচরিত পাঠ্যক্রমের গণিত থেকে গণিত অলিম্পিয়াডের গণিত কিন্তু আলাদা। আমাদের পাঠ্যবইয়ের গণিতগুলো মূলত অনুশীলনী আর অলিম্পিয়াডের গণিতে থাকে সমস্যা! খটকা লাগছে কি? গণিতের অনুশীলনী আর সমস্যা কিন্তু এক বিষয় নয়। লেখকদের ভাষায় ‘অনুশীলনী করতে হয় হাত দিয়ে, আর সমস্যার সমাধান করতে হয় মাথা দিয়ে’। নিয়মগুলো জানা আছে, টানা অঙ্ক করে গেলেই সমাধান হয়ে যাবে—এমন ব্যাপারগুলো হলো অনুশীলনী। আর নিয়মটা কী হবে এটাই যখন আরেকটা চিন্তার বিষয়, তখন সেটাকে বলা যায় সমস্যা। বোঝাই যাচ্ছে ব্যাপারটা মোটেও সহজ কিছু নয়। আর এ কারণেই যখন নানান চিন্তার পর সমাধানের পথটা মিলে যায়, সেই আনন্দের অনুভূতিটাও স্বর্গীয়! সমস্যা সমাধানের কোনো একক সূত্র নেই, আছে শুধু কিছু কৌশল। এমন অনেক কৌশল নিয়েই এ বইটি। নানান রকম মজার উদাহরণ আর গল্প দিয়ে এসব কৌশল চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছে স্নেহভাজন জাওয়াদ ও রুবাব। বইটি গণিতপ্রেমী ছাত্রছাত্রীর কাছে পৌঁছে যাক—মানুষের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকশিত হোক—শুভকামনা রইল। চমক হাসান
গবেষণায় হাতেখড়ি
গবেষণায় হাতেখড়ি
By (author) রাগিব হাসান
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বইটির ভূমিকায় লিখেছেন, “রাগিব হাসান আমাদের বিভাগ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি শুধু ছাত্র হিসাবেই ভালো নন— তার সমাজ-ভাবনা, সবাইকে নিয়ে চলার আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়। কোনো এক সময়ে আমার সুযোগ হয়েছিল তার গবেষণা-কর্মের সাক্ষী থাকার। তখনই দেখেছি তার গবেষণা করার প্রতিভাই যে শুধু আছে তা নয়— তার আগ্রহও সীমাহীন। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে তিনি পিছপা হন না।
আইনস্টাইন বলেছেন, তিনি খুব তীক্ষ্নধী নন— তবে একটি সমস্যা নিয়ে তিনি দীর্ঘক্ষণ লেগে থাকতে পারেন। গবেষণায় সফলতা অর্জন করতে যদি কোন গোপন মূলমন্ত্র থাকে তবে তাহলো লেগে থাকা। রাগিব অত্যন্ত কর্মঠ এবং সক্রিয়।”
রাগিব হাসান নিজেই একজন আন্তর্জাতিক মানের গবেষক। গোল্ড মেডেল পাওয়া কম্পিউটার বিজ্ঞানের সেরা ছাত্রটি এই বইতে গবেষণার বিষয়, পদ্ধতি থেকে শুরু করে ফান্ড সংগ্রহের উপায় পর্যন্ত পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা করেছেন। ফলে দেশে গবেষণা করতে আগ্রহীগণ তো বটেই— যারা বিদেশের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গবেষণা করতে ইচ্ছুক তাদের জন্যও বইটি অত্যন্ত উপকারী। গবেষণাকর্মের নানামাত্রিক দিক নিয়ে এমন গ্রন্থ সম্ভবত বাংলাভাষায় এটাই প্রথম।
প্রথম প্রকাশের পরপরই বইটি বেস্ট সেলার হয়। বর্তমান সংস্করণেও সেই জনপ্রিয়তা অক্ষুণ্ন রয়েছে।
গল্পে গল্পে অণুজীব আবিষ্কার
গল্পে গল্পে অণুজীব আবিষ্কার
By (author) সঞ্জয় মুখার্জী
আমি পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র। পদার্থবিজ্ঞান যেভাবে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করছে, আমার কাছে সেটি মাঝেমধ্যেই রীতিমতো অবিশ্বাস্য মনে হয়। আমার ধারণা, ভবিষ্যতের বিজ্ঞানের জগৎটি ঠিক একই রকমভাবে জীববিজ্ঞানের একটি রহস্যময় জগৎ হবে। সেই রহস্যময় জগৎটিতে উঁকি দিয়ে দেখার জন্য সঞ্জয় মুখার্জী গল্পে গল্পে অণুজীব আবিষ্কার নামে চমৎকার একটি বই লিখেছে। গল্পের ছলে অণুজীবকে নিয়ে লেখা বই, যেখানে শুধু অণুজীব নয় তার সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞানীদের কাহিনি, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাস—সবকিছু আছে। সঞ্জয় মুখার্জী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞানের শিক্ষক। তাই এ বিষয়গুলো তার একেবারে নিজের বিষয়। তাই সে বইটি লিখেছে খুবই সাবলীল ভঙ্গিতে, সহজ ভাষায়। কম বয়সীদের জন্য লেখা বই, কিন্তু আমি যেহেতু আগ্রহ নিয়ে পড়েছি, আমার ধারণা, সবাই এ বইটি পড়ে আনন্দ পাবে।
এটি এই তরুণ লেখকের প্রথম বই। আমরা আগ্রহ নিয়ে তার পরবর্তী বইগুলোর জন্য অপেক্ষা করে থাকব।
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
৩০ অক্টোবর, ২০১৮
ডারহাম, যুক্তরাজ্য
গল্পে গল্পে জার্মান শেখা
গল্পে স্বল্পে প্রোগ্রামিং
গল্পে স্বল্পে প্রোগ্রামিং
By (author) মইনুল রাজু
প্রোগ্রামিং প্রমাণ করে ব্যক্তিটির বিশ্লেষণী ক্ষমতা আছে, ধৈর্য আছে, একাগ্রতা আছে, ইচ্ছা আছে; সর্বোপরি সমস্যা সমাধান করার সক্ষমতা আছে। অতএব প্রোগ্রামারের লেখা প্রোগ্রামটিই তার সার্টিফিকেট। মাইক্রোসফট, গুগল কিংবা ফেসবুকের মতো বড় কোম্পানির জন্য কাজ করেন এ রকম অনেকেই আছেন, যাদের কখনোই কোনো সার্টিফিকেট ছিল না; অসংখ্য ছোট ছোট কোম্পানির কথা তো বাদই দিলাম। অতএব কারও কাছ থেকে সার্টিফিকেট পাওয়ার চেয়ে, নিজের কাছ থেকেই নিজের সার্টিফিকেট অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ। আত্মবিশ্বাসের চেয়ে বড় কোনো সার্টিফিকেট নেই।’
‘একবার এক মা তার প্রোগ্রামার ছেলেকে দোকানে পাঠিয়েছে ডিম কিনে আনার জন্য। মা বলে দিয়েছেন, পুত্র, তুমি যখন বাইরে থাকবে, তখন বাসার জন্য ডিম কিনো। মায়ের সে প্রোগ্রামার ছেলে আর কোনো দিন বাসায় ফিরে আসেনি। কেন ফিরে আসেনি, সেটা বুঝতে হলে প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত লুপের ধারণা থাকা প্রয়োজন।
‘প্রোগ্রামিং চিন্তা করতে শেখায়, যৌক্তিক হতে শেখায়, কোন অবস্থায় কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, কোন কোন দিকে নজর রাখতে হবে, তা নিয়ে ভাবতে শেখায়। প্রোগ্রামিংয়ের সবচেয়ে বড় আনন্দ সৃষ্টিশীলতার আনন্দ, নিজের কল্পনায় থাকা যৌক্তিক চিন্তাধারাকে মনের মতো করে অনবদ্য এক বাস্তবে রূপ দেওয়ার আনন্দ।
গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স ১ম খণ্ড
গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স ১ম খণ্ড
By (author) চমক হাসান
• এই তো কদিন আগে আমাদের দেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম আমাদের গর্বের অংশীদার হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন পাটের জিন মানচিত্র আবিষ্কার করে।
• সন্তানের চেহারা মা-বাবার মতো হয়। কারণ সন্তানের শরীরে থাকে মা-বাবার জিন।
• পৃথিবীর প্রত্যেকটা জীবের আকার, বৈশিষ্ট্য কেমন হবে সেটা নির্ধারণ করে দেয় তার জিন।
• কখনো ভেবে দেখেছি কি, আমরা যে খাবার খাই, সেটা ধীরে ধীরে আমাদের শরীরেরই অংশ হয়ে যায়? এই হজম প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে থাকে নানান রকম প্রোটিন, আর প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয় জিন।
• হয়তো মানুষ এখন চাইলে ঠিক তার মতো আরেকজন মানুষ ক্লোন করে ফেলতে পারবে জিন প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
কিন্তু এই জিন জিনিসটা আসলে কী, এটি কীভাবে কাজ করে? কীভাবে মানুষ আবিষ্কার করল এই জিন? আগামী শতাব্দী কি জিন প্রকৌশলে শতাব্দী হতে চলেছে? মানুষ কি পারবে মানুষ ক্লোন করতে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লুকিয়ে আছে বহু বছর আগে শুরু হওয়া জীবনের এক গল্পের মাঝে, যে গল্পের অংশ আমরা সবাই। ‘গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স’ বইটিতে কার্টুনের সাহায্যে সেই গল্পটাই বলা হয়েছে।
গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স ২য় খণ্ড
গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স ২য় খণ্ড
By (author) চমক হাসান
• এই তো কদিন আগে আমাদের দেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম আমাদের গর্বের অংশীদার হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন পাটের জিন মানচিত্র আবিষ্কার করে।
• সন্তানের চেহারা মা-বাবার মতো হয়। কারণ সন্তানের শরীরে থাকে মা-বাবার জিন।
• পৃথিবীর প্রত্যেকটা জীবের আকার, বৈশিষ্ট্য কেমন হবে সেটা নির্ধারণ করে দেয় তার জিন।
• কখনো ভেবে দেখেছি কি, আমরা যে খাবার খাই, সেটা ধীরে ধীরে আমাদের শরীরেরই অংশ হয়ে যায়? এই হজম প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে থাকে নানান রকম প্রোটিন, আর প্রোটিন তৈরির নির্দেশ দেয় জিন।
• হয়তো মানুষ এখন চাইলে ঠিক তার মতো আরেকজন মানুষ ক্লোন করে ফেলতে পারবে জিন প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
কিন্তু এই জিন জিনিসটা আসলে কী, এটি কীভাবে কাজ করে? কীভাবে মানুষ আবিষ্কার করল এই জিন? আগামী শতাব্দী কি জিন প্রকৌশলে শতাব্দী হতে চলেছে? মানুষ কি পারবে মানুষ ক্লোন করতে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লুকিয়ে আছে বহু বছর আগে শুরু হওয়া জীবনের এক গল্পের মাঝে, যে গল্পের অংশ আমরা সবাই। ‘গল্পে-জল্পে জেনেটিক্স’ বইটিতে কার্টুনের সাহায্যে সেই গল্পটাই বলা হয়েছে।
গাছেদের স্কুল
গাছেদের স্কুল
By (author) এহসান হায়দার
গাছেদের স্কুল- বাচ্চাদের জন্য রঙিন ছবিতে, শিক্ষনীয় সহজ গল্পে অসাধারণ একটি বই। এই বইয়ের ছবিগুলো শিশুর ভাবনার জগতে রঙয়ের পরিচয় ঘটাবে। ছবির সাথের গল্প শিশুকে তার চারপাশের জগত নিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখাবে। শিশুকে চিন্তাশীল করে তুলবে এ বই।
বইটি চার থেকে আট বছরের বাচ্চাদের জন্য। যে সকল শিশু এখনও পড়তে শেখেনি তাদেরকে পড়ে শোনানো যেতে পারে। আর যারা বানান করে বাংলা পড়তে শিখেছে তাদেরকে একা পড়ার জন্যই প্রেরণা দেয়া উচিত। বড়রা শিশুদেরকে গল্প পড়ে শোনানোর সময় শিশুকে স্বাধীনভাবে বইটির ছবি দেখার সুযোগ করে দিলে শিশুর জন্যু গল্পটি বুঝতে আরও সহজ হবে। আর যে সকল শিশু নিজেরাই পড়বে তাদেরকে শব্দের অর্থ বুঝতে সহায়তা করা উচিত। যদিও গল্পটি খুবই সহজ ভাষায় লেখা তারপরও যদি কোনো শব্দের অর্থ শিশুর অজানা থাকে তাকে সেগুলো শিখিয়ে নেয়া যাবে।
গায়ে গায়ে জ্বর
গায়ে গায়ে জ্বর
By (author) সালাহ উদ্দিন শুভ্র
আমি এই উপন্যাসের শেষ পর্যন্ত থাকব আপনাদের সঙ্গে। একটা খুনের তালাশ করতে গিয়ে আমি জীবনের নানা রহস্যের ঝোপঝাড় উল্টেপাল্টে দেখতে থাকব। অচেনা দরজায় কড়া নাড়ব। মানুষের গভীরতম বিষাদের গল্প শুনব। রক্তাক্ত খুনের বিবরণে শিহরণ জাগবে আমার। জীবনের অগোচরে থাকা ঝুঁকি, ভয়, উত্তেজনা সামাল দিতে দিতে পরিচিত হব অগম্য মানুষ মনের। আমার গায়ে তখন খুব জ্বর থাকবে। ভরা মেঘের মতো জ্বর। ঘাম দিয়ে ঝরে পড়ার আগে দম ধরে থাকা থরথর জ্বর।
গুগলের দিনগুলো
গুগলের দিনগুলো
By (author) রাগিব হাসান
একুশ শতকের শুরুর দিকে আমেরিকার সিলিকন ভ্যালিতে তথ্যপ্রযুক্তির যে জয়যাত্রা শুরু হয়, সেই বিপ্লবের অগ্রদূত কোম্পানিটির নাম গুগল (Google)। সারা বিশ্বের সবখানে, এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষদের কাছে পৌঁছে যাওয়া এই গুগলকে সবাই এক নামে চেনে। কিন্তু কী জাদু আছে গুগলে? কীভাবে এই অসাধারণ সব প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে গুগল? কারা কাজ করে এই গুগলে? আর সিলিকন ভ্যালি জায়গাটাই বা কেমন?
গুগল, মাইক্রোসফট, ফেসবুকের মতো কোম্পানিতে ক্যারিয়ারে গড়তে আগ্রহী কিংবা অসাধারণ একটি কোম্পানি কালচার গড়তে ইচ্ছুক উদ্যোক্তা, এইচআর প্রফেশনালদের জন্য অবশ্যপাঠ্য একটি বই।