আপনি কি নিশ্চিত, আপনার সন্তান নিরাপদ? কোথাও কোনোরকম খারাপ স্পর্শ বা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে না? প্রশ্নটা অস্বস্তিকর, কিন্তু সচেতন বাবা-মায়ের জন্য সময়ের সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন। কারণ বাস্তবতা হলো, শিশুদের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও হয়রানির ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে—আর অনেক ক্ষেত্রেই তা ঘটে পরিচিত মানুষের মাধ্যমেই।
সচেতনতা ও সুরক্ষার গাইডলাইন:
“প্রোটেক্টিভ প্যারেন্টিং” এই অস্বস্তিকর বাস্তবতাকে শুধু চোখে আঙুল দিয়েই দেখিয়ে দেয় না, বরং অভিভাবকদের সামনে তুলে ধরে—কীভাবে সচেতনতা, সঠিক প্রস্তুতি ও সুশিক্ষার মাধ্যমে সন্তানকে আগেভাগেই সুরক্ষিত করা যায়। কোন বয়সে কীভাবে সন্তানকে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো বোঝাতে হবে এবং কীভাবে তাদের সাথে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা নির্ভয়ে সব কথা বলতে পারে, তা এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বাস্তবসম্মত সমাধান ও প্রস্তুতি:
চেনা ঝুঁকির আগাম লক্ষণগুলো শনাক্ত করা এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেলে তাৎক্ষণিক করণীয় কী—সবকিছুই “প্রোটেক্টিভ প্যারেন্টিং” এই বইয়ে সহজ ও প্রায়োগিক রূপে উপস্থাপিত হয়েছে। এটি এমন এক গাইড, যা এই সময়ের প্রতিটি সচেতন অভিভাবকের সংগ্রহে থাকা জরুরি। কারণ, সম্ভাব্য বিপদ থেকে সন্তানকে আগলে রাখার প্রথম এবং প্রধান ধাপই হলো সঠিক সচেতনতা।
Reviews
There are no reviews yet.