সম্মানিত মুহসিনীন/মুহম্বানাত, আসসালামু আলাইকুম। আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি - আমাদের সিস্টেম রক্ষনাবেক্ষনের কাজ চলছে... তাই আপনি সিস্টেমের কিছু জায়গায় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন! সাময়িক সমস্যার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
-20%

ভূবনডাঙায়

Original price was: ৳ 150.00.Current price is: ৳ 120.00.

SHORT INFO

ভূবনডাঙায়
By (author) রাফিক হারিরি
হয়তো বা শোনো তুমি, কোনো দিন হয়তো শোনো না,
প্রতিদিন সূর্য রাঙে, প্রতিসন্ধ্যা সিঁদুরে রাঙায়,
হয়তো মাটিতে বাষ্পে শূন্যে ধুয়ে যায় তার সোনা,
তোমাতেই তবু রাত্রি ভোর করি ভুবনডাঙায়।

Description

ভূবনডাঙায়
রাফিক হারিরি
রাফিক হারিরির ভূবনডাঙায় একটি সাশ্রয়ী yet গভীর অনুভূতির কবিতা, যা পাঠককে তার অম্লান প্রকৃতির দিকে টেনে নিয়ে যায়। কবিতাটি প্রকৃতির অদৃশ্য, স্নিগ্ধ কোলাহলকে এমনভাবে জীবন্ত করে তোলে যে, পাঠক যেন নিজেই সেই দৃশ্যে উপস্থিত থাকে। লেখক যে সূক্ষ্মতা ও স্নিগ্ধতা দিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন, তা অপ্রতিরোধ্য।
কবিতার প্রথম স্তবকটি শুরু হয় এক রহস্যময় ও উদ্বেগজনক প্রশ্ন দিয়ে: “হয়তো বা শোনো তুমি, কোনো দিন হয়তো শোনো না”। এই শব্দগুলোর মধ্যে এক ধরনের দ্বিধা, এক অদৃশ্য অভিমান আছে, যা কবিতার মেজাজকে আরও গভীর করে তোলে। সূর্যের রাঙানো আলো থেকে শুরু করে প্রতিসন্ধ্যার সিঁদুরে রাঙানো দৃশ্য—সবই কবিতায় সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। এর মধ্যে আমরা দেখতে পাই সূর্য, আকাশ, মাটি—প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানগুলো একটি সুরেলা সঙ্গীতের মতো একত্রিত হয়ে মানুষের অনুভূতিকে বর্ণিত করছে।
দ্বিতীয় স্তবকে, কবি এক অনবদ্য চিত্ররূপ তুলে ধরেছেন। “মাটিতে বাষ্পে শূন্যে ধুয়ে যায় তার সোনা”, এই লাইনটি প্রকৃতির শুদ্ধতা এবং তার অমূল্য রূপকে প্রকাশ করেছে। এখানেও কবি একটি কবিতার মতো মৃদু প্রতিশ্রুতি তৈরি করেছেন, যা তাকে ধারণা করতে সাহায্য করে যে প্রকৃতির মধ্যে রয়েছে কোনো গোপন সৌন্দর্য, যা অনুভব করলে জীবনও আরও সুন্দর হয়।
তৃতীয় স্তবকে কবি আরও গভীরে চলে যান, যেখানে “প্রতিটি ধ্বনি সয়ে যায়, প্রান্তরে বয়ে যায় বাতাস”। এই জায়গায় তিনি বাতাসের নিঃশব্দ কথোপকথন, আকাশের চুপচাপ মুখরিত ভাবনার দিকে পাঠককে নিয়ে যান। এই চিত্রায়ন প্রকৃতির একান্ত অভ্যন্তরীণ দোলাচল ও অনুভূতির বাস্তবতা প্রকাশ করে, যা মৃদু এক ছন্দের সাথে মনকে স্পর্শ করে।
অবশেষে, কবির শেষ স্তবকটি একটি অনন্ত শান্তি ও মৃদু রহস্যের ইঙ্গিত দেয়—”জ্বলে উঠে তারার উজ্জ্বল ঝিলিক, কিরণ যেন মৃদু শপথ”। এই লাইনটি কবির আধ্যাত্মিকতা এবং গভীর চিন্তার প্রকাশ। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও উজ্জ্বলতার মধ্যে যেন একটি নিরব শপথ রয়েছে, যা আমাদেরকে প্রেরণা দেয় এবং তাতেই কবি তাঁর চূড়ান্ত সমাপ্তি টানেন: “তোমাতেই রাত্রি ভোর করি, প্রতিটি অঙ্গনে আলোশীতল আকাশ।”
সার্বিক দৃষ্টিতে, ভূবনডাঙায় রাফিক হারিরির একটি দারুণ অনুভূতিপূর্ণ কবিতা, যা প্রকৃতি, মানবমনের গভীরতা, এবং সময়ের পার্থিব ধারাকে এক অদ্ভুত ভাবে একত্রিত করেছে। কবি খুব সুকৌশলে প্রকৃতির রূপান্তর ও ছন্দের মাঝে এক অবিরাম সংলাপ তৈরি করেছেন, যা পাঠককে শুধু দর্শন দেয় না, বরং অনুভব করায়। পাঠক এই কবিতাটি পড়তে গিয়ে যেমন এক ধরনের অমলিন শান্তির অনুভব পাবে, তেমনি সেই শান্তির মধ্যে নিজের অস্তিত্বও খুঁজে পাবে।
শেষ কথা হলো, এই কবিতাটি শুধু একটি প্রকৃতির সৌন্দর্য নিয়ে আলোচনা করেনি, বরং প্রকৃতির প্রতি মানুষের নিবিড় সম্পর্ক এবং সেই সম্পর্কের প্রতি কবির গভীর চেতনার এক অসাধারণ চিত্র তুলে ধরেছে।

Reviews (0)

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ভূবনডাঙায়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shopping cart
Sign in

No account yet?

Shop
Wishlist
0 items Cart
My account