তিতলি
By (author) উম্মে শায়লা রুমকী
আমাদের সমাজে এমন কিছু ব্যক্তি পাওয়া যাবে যারা আর দশজন মানুষ থেকে ভিন্ন। তারা অনেক ক্ষেত্রে নিঃসঙ্গ এবং তাদের চারপাশের জগৎ ও মানুষ সম্পর্কে উদাসীন। এরা অন্যের সাথে কখনোই কোনো সামাজিক বা আবেগিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। এমনকি তার পরিবারের সদস্যদের সাথেও দু-একটি বিষয় ছাড়া কোনো আন্তযোগাযোগ বা মনোভাবের আদান-প্রদানে সক্ষম নয়। কখনো কখনো এমন কিছু পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ করে যা সবার দৃষ্টিতে শোভনীয় নয়। এরা অন্য মানুষের চিন্তা, অনূভুতি ও চাহিদা বুঝতে পারে না। ব্যক্তির এরূপ আচরণ পর্যবেক্ষণ করে প্রথম ‘পল উগেন ব্লোইলার’ নামের একজন চিকিৎসক ১৯১২ সালে এই সমস্যার নামকরণ করেন ‘অটিজম’, যার বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘আত্ম-মগ্ন ব্যক্তি’। অর্থাৎ যে ব্যক্তি সর্বদা নিজেকে নিয়েই মগ্ন থাকতে পছন্দ করে এবং খুব কম ক্ষেত্রেই অন্যের সাথে ভাববিনিময়ের চেষ্টা করে।
দিন দিন এ রকম অটিজম মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলছে। অটিজম সম্পর্কে সঠিক তথ্য ও ঠিক সময়ে সম্মিলিত চিকিৎসা নিলে অটিজমের মাত্রা অনেক অংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
তিতলি মূলত একজন অটিস্টিক শিশুর গল্প।
তিতলি
উম্মে শায়লা রুমকী
আমাদের সমাজে এমন কিছু ব্যক্তি পাওয়া যাবে যারা আর দশজন মানুষ থেকে ভিন্ন। তারা অনেক ক্ষেত্রে নিঃসঙ্গ এবং তাদের চারপাশের জগৎ ও মানুষ সম্পর্কে উদাসীন। এরা অন্যের সাথে কখনোই কোনো সামাজিক বা আবেগিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। এমনকি তার পরিবারের সদস্যদের সাথেও দু-একটি বিষয় ছাড়া কোনো আন্তযোগাযোগ বা মনোভাবের আদান-প্রদানে সক্ষম নয়। কখনো কখনো এমন কিছু পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ করে যা সবার দৃষ্টিতে শোভনীয় নয়। এরা অন্য মানুষের চিন্তা, অনূভুতি ও চাহিদা বুঝতে পারে না। ব্যক্তির এরূপ আচরণ পর্যবেক্ষণ করে প্রথম ‘পল উগেন ব্লোইলার’ নামের একজন চিকিৎসক ১৯১২ সালে এই সমস্যার নামকরণ করেন ‘অটিজম’, যার বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘আত্ম-মগ্ন ব্যক্তি’। অর্থাৎ যে ব্যক্তি সর্বদা নিজেকে নিয়েই মগ্ন থাকতে পছন্দ করে এবং খুব কম ক্ষেত্রেই অন্যের সাথে ভাববিনিময়ের চেষ্টা করে।
দিন দিন এ রকম অটিজম মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলছে। অটিজম সম্পর্কে সঠিক তথ্য ও ঠিক সময়ে সম্মিলিত চিকিৎসা নিলে অটিজমের মাত্রা অনেক অংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
তিতলি মূলত একজন অটিস্টিক শিশুর গল্প।
Related products
SEO এবং অনলাইনে জীবন বদলের গল্প
গ্রাফিক ডিজাইন (পার্ট ওয়ান)
প্রোডাক্টিভ প্রোগ্রামার
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের লাইফ ম্যানেজমেন্ট প্যাকেজ
মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা:
কেমন হবে একজন খাঁটি মুমিনের ক্যারিয়ার? কী হবে তার জীবনের লক্ষ? ক্যারিয়ার মানেই আমরা বুঝি টাকা এবং সম্মান। ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ সম্মান খোঁজে, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে মানুষ টাকা খোঁজে। কিন্তু ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে সম্মান খোঁজা, ক্যারিয়ারের মধ্য দিয়ে টাকা খোঁজা, এটা মুমিনের লক্ষ হতে পারে না। কারণ, মুমিন বিশ্বাস করে, টাকা আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। রিজিক আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে এবং সম্মানও আসে আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে। আল্লাহ তাআলা রিজিকেরও মালিক, সম্মানেরও মালিক। এটা আল্লাহ তাআলা যে কাউকে ক্যারিয়ার ছাড়াই দিতে পারেন, এটা আমাদের বিশ্বাস। সুতরাং আমাদের ক্যারিয়ারটা হবে অন্যান্য মানুষের চেয়ে আলাদা। একজন মুমিনের ক্যারিয়ার হবে মূলত দুইটা উদ্দেশ্যে, একটা হচ্ছে দাওয়াহ, আরেকটা হচ্ছে, সাদাকাহ। একজন মুমিন উপরে উঠবে, অনেক উপরে উঠবে। একজন মুমিন সম্পদ উপার্জন করবে, অনেক সম্পদ উপার্জন করবে, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তার লক্ষ্য থাকবে দুইটা। একটা হচ্ছে, সদাকাহ করা, এবং দুই নম্বরে হচ্ছে, দাওয়াহ করা। দ্বীনের দাওয়াহ করা। মানুষের কাছে দ্বীনটাকে উপস্থাপন করা।ভালোবাসার চাদর:
পারসোনাল ব্র্যান্ডিং ফর প্রফেশনাল সাকসেস:
বিশেষ গুণের কারণে, বিশেষ কর্মের কারণে, বিশেষ অবদানের কারণে একজন মানুষ জন অন্য মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে, তখন সে পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠে। একজন সফল পারসোনাল ব্র্যান্ড হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিশেষ একজন হতে পারে। প্রত্যেক মানুষের সফল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠার ক্ষমতা থাকা সত্বেও প্রত্যেক মানুষ পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে উঠতে পারে না। কারণ, বেশিরভাগ মানুষের পারসোনাল ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কোনো ধারণাই নেই। পারসোনাল ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে অজ্ঞতার কারণে অনেক মানুষ নিজের মূল্যবোধ নষ্ট করে নিজের ব্র্যান্ড ইমেজ হারিয়ে ফেলে। সেজন্য খুব কম মানুষই সফল পারসোনাল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠে অন্য মানুষের জীবনে অবদান রাখতে পারে। জীবনে সফলতা অর্জন করতে চাওয়া মানুষের মধ্যে অধিকাংশই জানে না সফলতা অর্জনের কারণগুলো, জানে না নিজেকে অথেনটিক পারসোনাল ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার টেকনিক। ‘পারসোনাল ব্র্যান্ডিং ফর প্রফেশনাল সাকসেস’ বইটিতে পারসোনাল ব্র্যান্ডিং এর এ টু জেড উপাত্তগুলো তুলে ধরা হয়েছে। কর্পোরেট দুনিয়ার সেরা উদ্যোক্তা, সিইও, সেলিব্রেটিদের পারসোনাল ব্র্যান্ড ডেভেলপমেন্ট করার কৌশল ও মূলনীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে।এপিটাফ:
উস্তাদ মুহাম্মাদ হুবলস। অস্ট্রলিয়ান দাঈ। প্রচন্ডভাবে মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। মানুষের অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে দিতে পারেন। জাহিলিয়াত থেকে মানুষকে দ্বীনের পথে নিয়ে আসা, বস্তুবাদি যান্ত্রিক আটপৌরে জীবনে হাঁপিয়ে উঠা এই আমাদেরকে আখিরাতের কথা মনে করিয়ে দেওয়া, জান্নাতের পথে চলার সীমাহীন শক্তি যোগাতে এই উস্তাদের তুলনা তিনি নিজেই। . উস্তাদের লেকচার অবলম্বনেই এই বইটি। বর্তমান সময়ে আমরা যে সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হচ্ছ তা ভয়াবহ। ফিতনার সময় চলছে। আমাদের অনেক সমস্যা, অনেক প্রতিবন্ধকতা। তার মধ্যে অন্যতম মুসলিম পরিবারে জন্মেও উম্মাহর একটা বড় অংশ্যই এখনও কাফেরদের লাইফ স্টাইলে চলে। অনেকসময় আমরা বুঝি যা করছি ভুল করছি, এটা সঠিক পথ নয়, কিন্তু ভুলের সেই চক্র থেকে বের হতে পারি না। তখন আমাদের একটি ধাক্কার দরকার পড়ে। এমন কিছু যা আমাদের অন্তরকে কাঁপিয়ে দিবে। বস্তুবাদ, চোখ ধাঁধানো আলোর এই মোহের জগৎ নিমিষেই ভেঙে গুড়িয়ে দিবে। এই বইটি সেই ধাক্কা হিসেবে কাজ করবে এই আমাদের বিশ্বাস।© 2026 Thebookcenterbd All rights reserved

Reviews
There are no reviews yet.